ঢাকা শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩

সিগারেটের টাকা পরিশোধকে কেন্দ্র করে ইবিতে তুমুল কাণ্ড

ইবি সংবাদদাতা

প্রকাশ : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০৮ এএম
ছবি : সংগৃহীত

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) এক শিক্ষার্থী ও দোকানদারের মধ্যে ১০ টাকার সিগারেট কেনার টাকা পরিশোধকে কেন্দ্র করে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটেছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ক্যাম্পাসের আজিজুর রহমান হল সংলগ্ন পকেট গেটে অবস্থিত ‘ইবি মার্ট’-এ এই ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে বিষয়টি নিয়ে প্রক্টর কার্যালয়ে বৈঠকের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

জানা গেছে, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষার্থী রাজিব (ছদ্মনাম, ২৩-২৪) দোকানির কাছ থেকে ১০ টাকার সিগারেট কিনেন। পরে নগদ টাকা না থাকায় বিকাশে টাকা পরিশোধের কথা জানান দোকানিকে। তখন টাকার পরিমাণ কম হওয়ায় তর্কে জড়ায় দোকানি। এসময় ওই শিক্ষার্থী পাশের দোকান (ইবি মার্ট) থেকে টাকা ধার নিতে যায়। পরক্ষণেই দোকানি এসে পুনরায় তর্কে জড়িয়ে ধস্তাধস্তি ও মারধরের ঘটনা ঘটে। এসংক্রান্ত একটি সিসিটিভি ফুটেজ প্রতিবেদকের কাছে সংরক্ষিত।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত প্রত্যক্ষদর্শী দোকানদার (ইবি মার্ট) জানান, শিক্ষার্থী ওই দোকানদারকে টাকা দেওয়ার জন্য ক্যাশ আউট করে দেওয়ার কথা বলেছিলেন। এরপর শিক্ষার্থী ইবি মার্টে এসে ১০ টাকা চান। তিনি টাকা দেওয়ার পর শিক্ষার্থী ওই দোকানদারকে টাকা পরিশোধ করেন। এরপর দোকানদার তাকে ‘এদিকে আয়’ বলে ডাকেন এবং কাছে গেলে তার কলার ধরে ও থাপ্পড় মারেন বলে প্রত্যক্ষদর্শী দাবি করেন।

তিনি আরও বলেন, বিষয়টি দোকানের বাইরে গিয়ে মীমাংসা করার জন্য তারা উভয়কে বাইরে যেতে বলেন। পরে বাইরে গিয়েও কিছু সময় তাদের মধ্যে ঝামেলা হয়। একপর্যায়ে দোকানদার নিজ দোকানে ফিরে যান।

ঘটনার বিষয়ে ওই শিক্ষার্থী রাজিবের দাবি, তিনি দোকান থেকে একটি ক্যামেল (সিগারেট) কেনার পর টাকা পরিশোধ করতে গেলে তার কাছে নগদ টাকা ছিল না। তিনি দোকানদারকে বিকাশ বা নগদের মাধ্যমে টাকা দেওয়ার কথা বললেও দোকানদার জানান, ‘তার কাছে এসব মাধ্যম নাই’। পরে টাকা ক্যাশ আউট করে দেওয়ার জন্য তিনি ইবি মার্টের দিকে আসেন এবং দোকানদারও তার পিছু নেন।

রাজিব আরও বলেন, ইবি মার্টে এসে তিনি ১০ টাকা নিয়ে দোকানদারকে তাৎক্ষণিকভাবে টাকা পরিশোধ করেন। টাকা দেওয়ার পরও দোকানদার তাকে ‘এদিকে আয়’ বলে ডাকেন। কাছে গেলে তার শার্টের কলার ধরে টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন এবং একপর্যায়ে তার গায়ে হাত তোলেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে দোকানদারের বলেন, ওই শিক্ষার্থী প্রথমে সিগারেট চান এবং সিগারেট নেওয়ার পর দোকানে দাঁড়িয়ে কিছুক্ষণ সেটি সেবন করেন। পরে টাকা না দিয়ে দোকান থেকে চলে যাওয়ার সময় তিনি বিকাশ বা নগদের মাধ্যমে টাকা দেওয়ার কথা বলেন। দোকানদার দাবি করেন, শিক্ষার্থী টাকা পরিশোধ না করেই চলে যাচ্ছিলেন। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তিনি শিক্ষার্থীর পিছু নেন।

দোকানদারের ভাষ্য, বরিশাল হোটেলের (ক্যাম্পাস সংলগ্ন) সামনে যাওয়ার পর ওই শিক্ষার্থী দৌঁড়ে ইবি মার্টের ভেতরে প্রবেশ করেন। সেখানে গিয়ে তিনি টাকা না দিয়ে দৌঁড়ানোর কারণ জানতে চাইলে শিক্ষার্থী প্রথমে তার কলার ধরে ঘুষি মারেন বলে অভিযোগ করেন দোকানদার। পরে দু’জনের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। একপর্যায়ে শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসের ভেতরে চলে যাওয়ার কথা বলে সেখান থেকে চলে যান। পরে ২০ থেকে ৩০ জন শিক্ষার্থী সেখানে আসেন বলে দাবি করেন তিনি। স্থানীয় কয়েকজন বিষয়টি থামিয়ে তাদের চলে যেতে বলেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান বলেন, ঘটনা শোনার সঙ্গে সঙ্গে প্রক্টরিয়াল বডি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। পরিস্থিতি শান্ত করে অফিসে আলোচনা করার জন্য উভয়পক্ষকে বলা হয়েছে।

আরটিভি/ এসকেডি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ইবিতে জাতীয় গণিত অলিম্পিয়াডের আঞ্চলিক পর্ব অনুষ্ঠিত 
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) গণিত বিভাগের আয়োজনে বাংলাদেশ গণিত সমিতি এবং এএফ মুজিবুর রহমান ফাউন্ডেশনের তত্ত্বাবধানে খুলনা অঞ্চলের স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে ‘১৭তম জাতীয় স্নাতক গণিত অলিম্পিয়াড-২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ইবিতে জাতীয় গণিত অলিম্পিয়াডের আঞ্চলিক পর্ব অনুষ্ঠিত 
পাবিপ্রবিতে সিনিয়রদের বাদ দিয়ে জুনিয়রদের সিট বরাদ্দের অভিযোগ
পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পাবিপ্রবি) স্বাধীনতা হলে সিট বরাদ্দের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের ছয় মাস পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত কোনো আসন বরাদ্দ দিতে পারেনি হল প্রশাসন। বিগত ছয় মাসে হলের সিট নিয়ে একাধিক সংবাদ প্রকাশ করা হলেও যেন আশ্বাসেই শেষ, এখন পর্যন্ত সিট বরাদ্দের বিষয়ে কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি হল প্রশাসনকে। 
পাবিপ্রবিতে সিনিয়রদের বাদ দিয়ে জুনিয়রদের সিট বরাদ্দের অভিযোগ
রুয়েটে আন্তঃবিভাগ ফ্রেশার্স ক্রিকেট টুর্নামেন্ট শুরু
রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (রুয়েট) শুরু হয়েছে ‘আন্তবিভাগ ফ্রেশার্স ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ২০২৬’। বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিকেট প্রতিভা অন্বেষণ এবং নবীন শিক্ষার্থীদের মধ্যে খেলাধুলার চর্চা বাড়ানোর লক্ষ্যে রুয়েট ক্রিকেট ক্লাবের আয়োজনে বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিকেট মাঠে এ টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করা হয়।
রুয়েটে আন্তঃবিভাগ ফ্রেশার্স ক্রিকেট টুর্নামেন্ট শুরু
তল্লাশি নিয়ে বাগ্‌বিতণ্ডা, পুলিশ সদস্যদের বাসে তুলে ক্যাম্পাসে নিলেন কুবি শিক্ষার্থীরা
কুমিল্লা নগরের রেসকোর্স এলাকায় কুমিল্লা পুলিশ লাইনের পাশে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) পরিসংখ্যান বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের দুই শিক্ষার্থীকে পুলিশ পরিচয়ে তল্লাশির অভিযোগ উঠেছে। এ সময় ছিনতাইকারী সন্দেহে তিনজনকে আটক করে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে করে ক্যাম্পাসে নিয়ে যান শিক্ষার্থীরা। পরে প্রক্টর অফিসে উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে সমঝোতার মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তি করা হয়। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) রাত ৮টার দিকে কুমিল্লা নগরের রেসকোর্স এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শী ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, টিউশন শেষে রেসকোর্স এলাকার একটি গলি দিয়ে ফেরার পথে পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী সিফাত হোসেন সিয়াম ও তার বন্ধু অর্পের পথরোধ করেন তিন ব্যক্তি। তারা নিজেদের পুলিশ পরিচয় দিয়ে শিক্ষার্থীদের তল্লাশি শুরু করেন। এ সময় পরিচয় জানতে চাইলে তারা পরিচয় দিতে অস্বীকৃতি জানান বলে অভিযোগ করেন শিক্ষার্থীরা। এমনকি পরিচয়পত্র দেখতে চাইলে তারা ওয়াকিটকি ও হ্যান্ডকাফ দেখান। একপর্যায়ে ঘটনাস্থলে অন্য শিক্ষার্থীরা উপস্থিত হলে উভয় পক্ষের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা ও ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। পরে ওই ব্যক্তিদের পরিচয় নিয়ে সন্দেহ হলে ছিনতাইকারী সন্দেহে তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে করে ক্যাম্পাসে নিয়ে যান শিক্ষার্থীরা। বাস থেকে নামানোর পর তাদের মারধর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। পরে তাদের প্রক্টর অফিসে সোপর্দ করা হয়।  তিনজনের মধ্যে একজন কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) শ্যামল সাহা। অপর দুজনের একজন কনস্টেবল হানিফ এবং অন্যজন পুলিশের সোর্স জাহিদ। পরে প্রক্টর অফিসে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মোস্তাইন বিল্লাহ ফেরদৌস তাদের পুলিশ সদস্য হিসেবে পরিচয় নিশ্চিত করেন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডি ও পুলিশ কর্তৃপক্ষ উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনে। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে সমঝোতা হয়। সিফাত হোসেন সিয়াম বলেন, আমি আর আমার বন্ধু অর্প হাঁটছিলাম। অর্প একটু সামনে ছিল। হঠাৎ তিনজন লোক নিজেদের পুলিশ পরিচয় দিয়ে একজন অর্পের কলার চেপে ধরেন এবং তার পকেটে হাত দেন। পরে তারা আমাদের পরিচয় ও কোথায় থাকি, তা জানতে চান। আমরা নিজেদের কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী পরিচয় দিয়ে আইডি কার্ড দেখানোর প্রস্তাব দিই। তিনি আরও বলেন, তাদের আইডি কার্ড দেখাতে বললে তারা তা না দেখিয়ে বারবার হ্যান্ডকাফ দেখাচ্ছিলেন। একপর্যায়ে একজন স্থানীয় ব্যক্তি এসে বলেন, পুলিশ হলেও এভাবে আচরণ করা উচিত নয়। পরে আমি তাদের পাশেই থাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে গিয়ে তল্লাশি করার কথা বলি। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি বাস এলে তাদের ওই বাসে করে ক্যাম্পাসে নিয়ে আসি। তবে এএসআই শ্যামল সাহার ভাষ্য, তারা দুই শিক্ষার্থীকে দেখে তাদের পরিচয় জানতে চেয়েছিলেন। শিক্ষার্থীরা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী পরিচয় দেওয়ার পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয় এবং দুঃখ প্রকাশ করা হয়। পরে শিক্ষার্থীরা তাদের পরিচয় জানতে চাইলে তারা ওয়াকিটকি ও হ্যান্ডকাফ দেখান। পাশাপাশি ডিউটিতে থাকা কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পরামর্শ দেন। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মো. শাহাদাৎ হোসেন বলেন, এখানে উভয় পক্ষেরই কিছু ভুল ছিল। পুলিশ সদস্যরাও তাদের পরিচয় দিতে চাননি। তাদের কাছে আইডি কার্ড ছিল না। অন্যদিকে, শিক্ষার্থীদেরও ভুল ছিল। তারা যদি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অথবা আমাদের প্রক্টরিয়াল বডিকে বিষয়টি জানাতেন, তাহলে ভালো হতো। তা না করে জোরপূর্বক তাদের ক্যাম্পাসে নিয়ে আসা উচিত হয়নি। উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে আমরা একটি যৌক্তিক সমাধানে পৌঁছেছি। উভয় পক্ষই সেটি মেনে নিয়েছে। ভবিষ্যতে আমাদের প্রত্যাশা, এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা যেন আর না ঘটে। এ সময় কুমিল্লা সদর দক্ষিণ সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মোস্তাইন বিল্লাহ ফেরদৌস বলেন, উভয় পক্ষেরই ভুল ছিল। ঘটনাস্থলে যা হয়েছে, তখন যদি শিক্ষার্থীরা কোনো পুলিশ কর্মকর্তা বা থানায়, এমনকি ৯৯৯ নম্বরে কল দিতেন, তাহলেও বিষয়টি সেখানেই সমাধান হয়ে যেত। ৫ আগস্টের পর থেকে একটা মব কালচারের রেশ ছিল। সেখান থেকে আমাদের বের হয়ে আসতে হবে। পরে উভয় পক্ষের সম্মতিতে লিখিতভাবে সমঝোতা সম্পন্ন হয়। আরটিভি/টিআর
তল্লাশি নিয়ে বাগ্‌বিতণ্ডা, পুলিশ সদস্যদের বাসে তুলে ক্যাম্পাসে নিলেন কুবি শিক্ষার্থীরা
হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে ১৮ ডিসেম্বর মহাসমাবেশের ডাক
ওসমান হাদি হত্যার বিচারসহ তিন দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন ইনকিলাব মঞ্চের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল জাবের। এ সময় হাদি হত্যার বিচার দাবি করার পাশাপাশি আগামী ১৮ ডিসেম্বর শাহবাগে মহাসমাবেশের ঘোষণা দেন তিনি।
হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে ১৮ ডিসেম্বর মহাসমাবেশের ডাক
আরও পড়ুন
ইবিতে জাতীয় গণিত অলিম্পিয়াডের আঞ্চলিক পর্ব অনুষ্ঠিত 
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৬৮ কর্মচারী ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত, হাইকোর্টে রিট
যে সড়কে প্রাণ গেল মাইশার, সেই সড়কেই জানাজা
চট্টগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থীর মৃত্যু, ঘটনাস্থলেই জানাজা পড়লেন সহপাঠী ও শিক্ষকরা