
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) হীরক জয়ন্তীর নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রথম নিবন্ধন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও বিএনপি নেতা মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী এবং তার স্ত্রী নাজনীন মাওলা চৌধুরী।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে হীরকজয়ন্তী উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক ও চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকানের হাতে নিজের ও স্ত্রীর নিবন্ধন ফি বাবদ ২ হাজার টাকা তুলে দেন আসলাম চৌধুরী। এ সময় তাঁর স্ত্রী উপস্থিত ছিলেন না। আসলাম চৌধুরী নিজেই দুজনের নিবন্ধন সম্পন্ন করেন।
এর আগে বিকেল ৪টার দিকে একই স্থানে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নিবন্ধন কার্যক্রমের উদ্বোধন এবং হীরকজয়ন্তীর আনুষ্ঠানিক লোগো উন্মোচন করেন চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান।
তিনি জানান, শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) থেকে আগামী ১২ নভেম্বর পর্যন্ত নিবন্ধন কার্যক্রম চলবে। প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের জন্য নিবন্ধন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার টাকা। তবে বর্তমান শিক্ষার্থীদের কোনো ফি দিতে হবে না।
হীরকজয়ন্তীর নিবন্ধন করতে ভিজিট করুন: [https://cu60.cu.ac.bd/]
উপাচার্য ঘোষণা দেন, হীরকজয়ন্তীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন।
ড. আল-ফোরকান আরও বলেন, “চবির ৬০ বছরের গৌরবময় দিনটি স্মরণীয় করে রাখতে নানা আয়োজনে সাজানো হবে অনুষ্ঠানমালা।” আয়োজনের মধ্যে থাকছে হীরকজয়ন্তী শোভাযাত্রা, অনুষ্ঠান উদ্বোধন, আলোচনা সভা, মধ্যাহ্নভোজ, স্মৃতিচারণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
এ সময় আসলাম চৌধুরী বলেন, “চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় আমাদের গর্ব করার প্রতিষ্ঠান। আমাদের প্রায় ১০ হাজারের উপরে রেজিস্টার্ড মেম্বার সহ রেজিস্টার্ড হওয়ার জন্য অপেক্ষমান অনেকে আছে। আমার বিশ্বাস, অনেক প্রাক্তন শিক্ষার্থীর উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি সুন্দরভাবে সফল হবে।”
এ সময় সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন চবি উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-আমীন, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. সফিকুল ইসলাম, সিনেট সদস্য ড. মোহাম্মদ মনজুর-উল-আমিন চৌধুরী ও অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. এম. আবদুল গফুরসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা।
আরটিভি/এসআর




