ঢাকা শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় সংবাদদাতা, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৩৮ পিএম
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে পতাকা উত্তোলন করা হচ্ছে।  ছবি: আরটিভি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে দুই দিনব্যাপী জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন করা হচ্ছে।

শনিবার (৭ নভেম্বর) দিবসটি পালনের প্রথম দিনে বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রশাসনিক ভবনের সামনে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদা। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলন করেন বিভিন্ন অনুষদের ডিনরা।

পতাকা উত্তোলন শেষে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, জাতীয় জীবনে দিবসটির গুরুত্ব এবং জাতীয় ঐক্য ও সংহতির তাৎপর্য তুলে ধরা হয়।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদা বলেন, দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরতে হলে এর প্রেক্ষাপট আলোচনা করা প্রয়োজন। ১৯৭১ সালে দেশের মানুষ যে আশা ও আকাঙ্ক্ষা নিয়ে দেশ স্বাধীন করেছিল, পরবর্তীতে সেই চাওয়া ও পাওয়ার মধ্যে অনেক ব্যবধান থাকায় মানুষের মনে ঘোর অসন্তোষ সৃষ্টি হয়। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কিছু বিক্ষুব্ধ সেনাসদস্যের হাতে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট শেখ মুজিবুর রহমান নিহত হন। বিক্ষুব্ধ সেই সেনাসদস্যরা অন্তরালে থেকে রাষ্ট্র পরিচালনা করতে থাকেন। তখন দেশে এক বিশৃঙ্খল পরিবেশ তৈরি হয়। সেনাবাহিনীর মধ্যে শৃঙ্খলা ভেঙে যায় এবং চেইন অব কমান্ড নষ্ট হয়ে যায়। এর মধ্যে মেজর জেনারেল খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে কিছু সেনাসদস্যের মাধ্যমে ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর এক অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানকে গৃহবন্দী করা হয়। সেই অবস্থায় এক অস্বাভাবিক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় এবং সাধারণ মানুষ দেশের প্রশাসনিক অবস্থা সম্পর্কে কিছুই জানতে পারছিল না। এ বিষয়ে গণমাধ্যমেও কোনো সংবাদ প্রকাশ হচ্ছিল না। পরে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহী ও জনতার ঐক্যবদ্ধ বিপ্লব ও পাল্টা অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানকে মুক্ত করা হয়। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের অত্যন্ত জনপ্রিয়তা ছিল। আন্দোলনরত সিপাহী-জনতা সেদিন তাকে মুক্ত করে মাথায় নিয়ে উল্লাস প্রকাশ করেছিল।

তিনি আরও বলেন, সেনাবাহিনী ও জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে চাইলে দেশের বাঁক পরিবর্তন করতে সক্ষম। ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়েও তা ঘটেছিল, তেমনি ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতার বিপ্লব ও ২০২৪ সালে গণআন্দোলনের মধ্য দিয়েও ঘটেছিল। এখন আমাদের সবার ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার মধ্য দিয়ে এই দেশকে সুন্দরভাবে গড়তে পারলেই জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের তাৎপর্য ফলপ্রসূ হবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দিবসটি উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক মো. তানজিল হোসেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. রাজু আহমেদ, আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আহমেদ শাকিল হাসমী, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার খন্দকার নাজমুল হাসান, ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাশুরেন্স সেলের পরিচালক অধ্যাপক ড. এ এইচ এম কামাল, বিদ্রোহী হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. সাইফুল ইসলাম, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মো. হাবিব-উল-মাওলা (মাওলা-প্রিন্স), অর্থনীতি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. বখতিয়ার উদ্দিন, প্রক্টর ড. মো. মাহবুবুর রহমান, এছাড়া বিভিন্ন বিভাগ ও দপ্তরের প্রধান, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরা।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আশরাফুল আলম। এছাড়া বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব ও সদস্যসচিব মামুন সরকার।

উল্লেখ্য, দিবসটি উপলক্ষে আগামী বৃহস্পতিবার (১২ নভেম্বর) বৃহৎ পরিসরে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ঢাবিতে ছাত্রদলের আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন, চলবে রোববার পর্যন্ত
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) প্রাঙ্গণে আলোকচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।  শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে এ প্রদর্শনীর উদ্বোধন করা হয়। প্রদর্শনীটি রোববার পর্যন্ত চলবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস, সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপন এবং আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক আনিসুর রহমান খন্দকার অনিকসহ সংগঠনটির নেতাকর্মীরা। অনুষ্ঠানে বক্তব্যে হাবিব উন নবী খান সোহেল বলেন, মুক্তিযোদ্ধারা অনেক স্বপ্ন নিয়ে দেশ স্বাধীন করেছিলেন। তারা এমন একটি বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন, যেখানে জুলুম-অত্যাচার থাকবে না, দারিদ্র্য ও মানুষের কষ্ট কমবে এবং সবার মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত হবে। বিশ্বদরবারে বাংলাদেশ মাথা উঁচু করে দাঁড়াবেএমন প্রত্যাশাও ছিল তাদের। তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর সেই স্বপ্ন বাস্তবায়িত হয়নি। মানুষের কথা বলার অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল এবং দেশে নানা ধরনের বৈষম্য ও সংকট তৈরি হয়েছিল। তৎকালীন নেতৃত্বের সমালোচনা করে তিনি বলেন, দেশের মানুষের দুর্দশার মধ্যেও নেতাদের বিলাসী জীবনযাপনের চিত্র দেখা গেছে। বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, স্বাধীনতার পর বাংলাদেশকে অন্য একটি দেশের ওপর নির্ভরশীল করে রাখার চেষ্টা হয়েছিল। তবে শহীদদের রক্তের বিনিময়ে স্বাধীন হওয়া বাংলাদেশের নিজস্ব শক্তি ও স্বকীয়তা রয়েছে। কোনো দেশের কাছে বাংলাদেশকে পরাধীন হতে দেওয়া হবে না এমন অবস্থান থেকেই ৭ নভেম্বরের ঘটনা ঘটেছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি। ২০২৪ সালের গণআন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে হাবিব উন নবী খান সোহেল বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর বাংলাদেশকে অন্য একটি দেশের ওপর নির্ভরশীল করে রাখার চেষ্টা করা হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে বিপ্লব অনিবার্য হয়ে উঠেছিল। তিনি বলেন, এ সময় তারেক রহমান একজন নেতা হিসেবে সামনে এসেছেন। তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে বাংলাদেশকে কোনো দেশের ওপর নির্ভরশীল হতে দেওয়া হবে না। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে এ দেশের জনগণ। অন্য কোনো দেশে বসে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের বিষয়টি দেশের মানুষ মেনে নেবে না। জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এ আলোকচিত্র প্রদর্শনীতে সংশ্লিষ্ট ঐতিহাসিক ঘটনাবলি ও স্মৃতিচিত্র তুলে ধরা হয়েছে। আরটিভি/এসকে
ঢাবিতে ছাত্রদলের আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন, চলবে রোববার পর্যন্ত
মাভাবিপ্রবিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন উপলক্ষে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (মাভাবিপ্রবি) বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। 
মাভাবিপ্রবিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন
হাবিপ্রবিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করেছে দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (হাবিপ্রবি)।  
হাবিপ্রবিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত
‘আজ যা কিছু সুন্দর, যা কিছু সফল; সমস্ত অবদান জিয়াউর রহমানের’
‘আজ যা কিছু সুন্দর, যা কিছু সফল, তার সমস্ত অবদান শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের’ বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।  তিনি বলেন, ৭ নভেম্বর না ঘটলে বাংলাদেশ নামের দেশটির স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব থাকত না। এমনকি বাংলাদেশ হয়ত অন্য কোনো দেশের প্রদেশ হিসেবে পরিচিত হতো।  শনিবার (৭ নভেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ছাত্রদলের দুই দিনব্যাপী আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। উপাচার্য বলেন, ৭ নভেম্বর না ঘটলে বাংলাদেশ নামক দেশটির স্বাধীনতা থাকত না। সার্বভৌমত্ব থাকত না এবং একই সাথে এটি অন্যের প্রদেশের অন্য দেশের দেশ হিসেবে হয়ত আমাদের পরিচিত হতে হতো। মাওলা রাব্বুল আলামীনের কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। সেই দিনটি আজকে ৭ নভেম্বর। আজকে সেই বিপ্লব এবং সংহতি দিবস। জিয়াউর রহমানকে রাষ্ট্রের দায়িত্বে বসানোর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের পরিবর্তন সূচিত হয়। ওই সময় দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়েছিল। দেশি-বিদেশি আধিপত্যবাদ, পাল্টাপাল্টি অভ্যুত্থান এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্য দিয়ে ৩ থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত দেশ চরম দুর্বিষহ সময় পার করেছে। তিনি আরও বলেন, তৎকালীন সেনাপ্রধান ও রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে বন্দি করা হয়েছিল। পরে সিপাহি ও জনতা একসঙ্গে তাকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে এবং জাতির প্রয়োজনে রাষ্ট্রের দায়িত্বে বসায়। অনেকে ৭ নভেম্বরের ঘটনাকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এটি ছিল সিপাহী জনতার বিপ্লব এবং সবাই সংহতি প্রকাশ করে সবাই মিলে এক কাজে কাঁধ মিলে তাকে নিয়ে আসে। সেটি ছিল ৭ নভেম্বর। জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দর্শনের কথা তুলে ধরে উপাচার্য বলেন, বাঙালি জাতীয়তাবাদের পরিবর্তে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ধারণা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন তিনি। এই পরিচয়ের মধ্যে বাঙালির পাশাপাশি চাকমা, মারমা, মগ, মুরং, গারো ও খাসিয়াসহ দেশের সব জাতিগোষ্ঠীকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অধ্যাপক ওবায়দুল ইসলাম আরও বলেন, জিয়াউর রহমান বাংলাদেশকে উন্নয়নের শীর্ষে নিয়ে যাওয়ার জন্য কাজ করেছেন। তার হাত ধরেই তলাবিহীন ঝুড়ি থেকে বাংলাদেশ উন্নয়ন ও স্বনির্ভরতার পথে এগিয়েছে। দেশের বর্তমান উন্নয়নের পেছনেও তার অবদান রয়েছে। জিয়াউর রহমানের হাত ধরে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ফিরে এসেছে। তার মতে, জামায়াতে ইসলামী ও আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের রাজনীতির সুযোগ তৈরির ক্ষেত্রেও জিয়াউর রহমানের ভূমিকা ছিল। ৭ নভেম্বরকে জাতীয় ঐক্য ও স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা এই দিনটিকে ভুলে যাওয়ার সুযোগ নেই। এই দিনটি আমাদেরকে জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হিসেবে দেখতে হবে। এই দিনটি একটি দিন না। এই দিনটি একদিন মনে রাখলে হবে না। এই দিনটি প্রতিটি মুহূর্তে মনে রাখতে হবে। বাংলাদেশ আমার সবার আগে বাংলাদেশ।’ বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।  আরটিভি/এসকে
‘আজ যা কিছু সুন্দর, যা কিছু সফল; সমস্ত অবদান জিয়াউর রহমানের’
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ইবি জিয়া পরিষদের শুভেচ্ছা
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে দেশবাসী, সরকার, বাহিনী ও সাধারণ জনগণকে শুভেচ্ছা জানিয়েছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা জিয়া পরিষদ।
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ইবি জিয়া পরিষদের শুভেচ্ছা
আরও পড়ুন
৭ নভেম্বর আধিপত্য ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে সিপাহী-জনতার বিজয়ের দিন: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
৭ নভেম্বর ছিল স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের ঐতিহাসিক দিন: রিজভী
মাভাবিপ্রবিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন
হাবিপ্রবিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত