ঢাকা রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩

প্রাথমিকের নিয়োগবঞ্চিতদের জন্য বড় সুখবর

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫২ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে এখনো তথ্য যাচাই-বাছাই বাকি রয়েছে ৮১৭ জনের। তাদের ঠিকানা ও প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাইয়ের কাজ আগামী ১ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে। যাচাই শেষে কতজন নিয়োগের জন্য বিবেচিত হবেন, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, নিয়োগের জন্য সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের মধ্যে অনেকে ঠিকানা পরিবর্তন করেছেন। আবার কারও কারও সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হচ্ছে না। এ কারণে নিয়োগপত্র দেওয়ার আগে তাঁদের ঠিকানা ও প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই করা হচ্ছে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তারা যাচাই শেষে নিয়োগপত্র দেওয়ার কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

মন্ত্রী বলেন, এখনো ৮১৭ জনের তথ্য যাচাই-বাছাই বাকি রয়েছে। আগামী ১ অক্টোবর পর্যন্ত এ কার্যক্রম চলবে। এ সময়ের মধ্যে যাদের ঠিকানা ও প্রয়োজনীয় তথ্য পাওয়া যাবে, সেগুলো যাচাই করা হবে। এরপর প্রাপ্ত তথ্য ও সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়োগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

নিয়োগপ্রক্রিয়া নিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কয়েকটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের কারণে প্রার্থীদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে বলে তিনি মনে করেন। কারণ, বিভিন্ন প্রতিবেদনে যাঁদের নিয়োগ নিয়ে অনিশ্চয়তার কথা বলা হয়েছিল, তাঁদের কেউ কেউ পরবর্তী সময়ে নিয়োগপত্র পেয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, নিয়োগপ্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত ধাপে ধাপে নিয়োগপত্র দেওয়া হবে। তাই যাঁরা এখনো নিয়োগপত্র পাননি, তাঁদের বিষয়ে যাচাই-বাছাই শেষ হওয়ার আগে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক হবে না।

শিক্ষামন্ত্রী স্পষ্ট করেন, যাচাই-বাছাই শেষ হওয়ার পর কতজন নিয়োগের জন্য বিবেচিত হবেন, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়। আগামী ১ অক্টোবর পর্যন্ত পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেলসহ শিক্ষা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
পে স্কেল ‍নিয়ে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের সুখবর দিলেন মন্ত্রী
এমপিওভুক্ত শিক্ষকরাও অন্যদের সঙ্গে একই পে স্কেল পেতে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। রোববার (৮ নভেম্বর) বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তাদের ওরিয়েন্টেশন প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ক্ষেত্রে যে বৈষম্য ছিল, তা দূর করে সবাইকে একই পে স্কেলের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। শিগগিরই এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা নতুন পে স্কেল পাবেন। তিনি আরও বলেন, আমরা এ বছর সর্বাধিক বাজেট পেয়েছি এবং আমরা সবাই এবার নতুন পে স্কেল পেয়েছি। আমাদের এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা যে জায়গাটিতে খানিকটা দুর্বলতায় ছিলেন, তা দূর করে সকলে মিলেই একই পে স্কেল পেতে যাচ্ছে। শিক্ষার সার্বিক উন্নয়নের জন্য আমরা সকলে মিলে কাজ করব। শিক্ষার ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, আগামী দিনের শিক্ষা ব্যবস্থা একটি বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে। বিশ্ব এখন একটি গ্লোবাল ভিলেজ। প্রতিনিয়ত আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিযোগিতা করতে হচ্ছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, প্রশিক্ষণ ও শিক্ষার ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ। তবে এ প্রযুক্তির অপব্যবহার করা যাবে না। তিনি বলেন, স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি ও ক্যালিফোর্নিয়া থেকে প্রকাশিত বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় বাংলাদেশ থেকে ৩৪৭ জন স্থান পেয়েছেন। এসব বিজ্ঞানীকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজনের পরিকল্পনা করছে সরকার। মন্ত্রী বলেন, গবেষণা ও প্রকাশনার ক্ষেত্রে যারা অবদান রেখেছেন, তাদের নিয়ে কাজ করতে চায় সরকার। তবে গবেষণার নামে কোনো ধরনের প্লেজিয়ারিজম বা অন্যের গবেষণা চুরি গ্রহণযোগ্য হবে না। মন্ত্রী আরও বলেন, আপনারা সকলেই গবেষণা করবেন, এটা আমি চাই। আমি চাই, আপনারা কিছুদিন শিক্ষকতা করার পরে সবাই গবেষণা করবেন, অর্থাৎ পিএইচডি করবেন। এটা অত্যন্ত জরুরি। তবে এখনই নয়। আপনারা লেকচারারশিপ শেষ করার পরে, যখন প্রফেসর হবেন, তখনই আপনারা ধারাবাহিকভাবে এই প্রক্রিয়ায় প্রবেশ করবেন। কারণ আপনারা সবাই শিক্ষক হবেন। আপনাদের ভবিষ্যৎ অত্যন্ত উজ্জ্বল হবে। আমি খুশি হয়েছি যে নাই থেকে এই আইন প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাট এটাও বুঝতে হবে, এআইকে মিসইউজ করা যাবে না। আরটিভি/টিআর
পে স্কেল ‍নিয়ে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের সুখবর দিলেন মন্ত্রী
সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য মাউশির জরুরি নির্দেশনা
দেশের সব মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজের জন্য নতুন নির্দেশনা দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।
সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য মাউশির জরুরি নির্দেশনা
বিদেশে ক্যারিয়ার গড়তে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের জন্য আসছে বড় সুযোগ!
দেশের অনেক শিক্ষার্থীই ক্যারিয়ার গড়তে চান বিশ্বের উন্নত রাষ্ট্রগুলোতে। তাদের জন্য বড় এক সুখবর নিয়ে হাজির হয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া।   
বিদেশে ক্যারিয়ার গড়তে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের জন্য আসছে বড় সুযোগ!
নতুন দায়িত্ব পেলেন শিক্ষামন্ত্রী
সরকারি কর্মচারীদের বেতন কাঠামো ও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পুনর্মূল্যায়নে গঠিত উচ্চপর্যায়ের কমিটিতে সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
নতুন দায়িত্ব পেলেন শিক্ষামন্ত্রী
শিশুর প্রকৃত শিখন নিশ্চিতে সমন্বিত উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার: ববি হাজ্জাজ
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে শুধু বিদ্যালয়ের অবকাঠামো নির্মাণ বা শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করাই যথেষ্ট নয়। বরং প্রতিটি শিশু বিদ্যালয়ে এসে কী শিখছে, তার মৌলিক শিক্ষার ভিত্তি কতটা মজবুত হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় পুষ্টি পাচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করতে হবে। তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক শিক্ষার সার্বিক উন্নয়নে সরকার শিখনফল, পুষ্টি, শিক্ষক উন্নয়ন, কার্যকর মনিটরিং এবং জবাবদিহিতাকে সমান গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল উপজেলা পরিষদে আয়োজিত ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ফিডিং কর্মসূচি’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় প্রধান শিক্ষকদের ওরিয়েন্টেশন এবং প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা কি আমাদের সন্তানদের প্রাথমিক শিক্ষার মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত ও যথাযথ শিক্ষা দিতে পারছি? আমার মনে হয়, এখনো আমরা সেই জায়গায় পৌঁছাতে পারিনি। তবে এর অর্থ এই নয় যে, শিক্ষকরা চেষ্টা করছেন না কিংবা তাদের দায়িত্ব পালনে ঘাটতি রয়েছে। আমাদের দেখতে হবে, কোথায় কোথায় ঘাটতি রয়েছে এবং সম্মিলিতভাবে কীভাবে সেগুলো দূর করা যায়। শিক্ষকদের বিদ্যালয়ের সমস্যা, প্রয়োজন ও উন্নয়নসংক্রান্ত প্রস্তাব সরাসরি তুলে ধরার আহ্বান জানান তিনি। শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়ার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক পর্যায়েই উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষার্থী ঝরে পড়ছে। পরবর্তী সময়ে মাধ্যমিকে যাওয়ার পথে এ সংখ্যা আরও বাড়ছে। কোনো শিশুই যেন বিদ্যালয়ের বাইরে না থাকে, সে লক্ষ্যে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় পুষ্টি নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিদ্যালয়ে তাদের ধরে রাখা এবং নিয়মিত শিখন কার্যক্রমে সম্পৃক্ত রাখাও এ কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য। বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি)-এর সহযোগিতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের বয়স অনুযায়ী আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত পুষ্টিমান বিবেচনায় রেখে খাবারের মান নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কর্মসূচির আওতায় বিদ্যালয়গুলোতে খাবার সংরক্ষণের জন্য স্টোরেজ সুবিধা গড়ে তোলার বিষয়টিও বিবেচনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি খাবারের গুণগত মান নিয়ে কোনো সমস্যা দেখা দিলে সংশ্লিষ্ট উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে অবহিত করে প্রয়োজনীয় পরীক্ষার জন্য ল্যাবরেটরিতে পাঠানোর নির্দেশনা দেন তিনি। এক্ষেত্রে গুজব বা অসম্পূর্ণ তথ্যের পরিবর্তে যথাযথ পরীক্ষা ও তথ্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি-৫) অনুমোদিত হয়েছে। এর মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষার অবকাঠামো ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় উন্নয়নে নতুন উদ্যোগ বাস্তবায়নের সুযোগ তৈরি হবে। তবে উন্নয়ন প্রকল্পের সুফল পেতে নির্মাণকাজের প্রতিটি পর্যায়ে যথাযথ তদারকি ও গুণগত মান নিশ্চিত করতে হবে। নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার কিংবা অনিয়মের কারণে যেন নতুন অবকাঠামো দ্রুত নষ্ট না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি। প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমানে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় ৩১ লাখ শিক্ষার্থী স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আওতায় রয়েছে। ভবিষ্যতে এ কর্মসূচি সম্প্রসারণ করে ২০২৭ সালে প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ শিক্ষার্থীকে এর আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এত বড় পরিসরে কর্মসূচি বাস্তবায়নে কার্যকর ব্যবস্থাপনা, স্থানীয় অংশগ্রহণ এবং যথাযথ তদারকি নিশ্চিত করতে হবে। সভায় সভাপতিত্ব করেন হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক ড. জি. এম. সরফরাজ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ড. রেজা কিবরিয়া, বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির বাংলাদেশের হেড অব প্রোগ্রাম জেসি উড, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক এবং বাহুবল উপজেলা নির্বাহী অফিসার। সভায় বাহুবল উপজেলার সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পরে প্রতিমন্ত্রী হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল উপজেলার বিষ্ণুপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও দারাগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি বিদ্যালয় দু’টিতে চলমান স্কুল ফিডিং কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন এবং শিক্ষার্থীদের মাঝে খাবার বিতরণ ও খাবারের গুণগত মান, সংরক্ষণ এবং পরিবেশন ব্যবস্থার খোঁজখবর নেন। আরটিভি/টিআর
শিশুর প্রকৃত শিখন নিশ্চিতে সমন্বিত উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার: ববি হাজ্জাজ
আরও পড়ুন
মন্ত্রীর হাতে পুরস্কার পেলেন শিক্ষক-কর্মকর্তাদের ‘মেধাবী সন্তান’, গবেষকদের ভাগ্যে জুটল ফটোসেশন
বিশ্ব কারিগরি শিক্ষা সম্মেলনে বাংলাদেশের রূপকল্প তুলে ধরলেন শিক্ষামন্ত্রী
তিন দিনের সফরে চীন গেলেন শিক্ষামন্ত্রী
র‌্যাংকিংয়ে ৫০০’র মধ্যে থাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে শাখা খোলার অনুমতি দেবে বাংলাদেশ