ঢাকা মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩

অভিনেতা রিফাত চৌধুরীর শারীরিক অবস্থা নিয়ে সবশেষ যা জানা গেল

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৪৪ পিএম
অসুস্থ হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভার্তি রিফাত চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত

কবি ও একসময়ের দর্শকপ্রিয় নাট্যাভিনেতা রিফাত চৌধুরী গুরুতর অসুস্থ হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বর্তমানে হাসপাতালের নতুন ভবনের মেডিসিন ইউনিট-৩-এর দশম তলার ১০৩ নম্বর কেবিনে রয়েছেন এই অভিনেতা।

জানা গেছে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাতে তাকে কেবিনে স্থানান্তর করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) নিজের শারীরিক অবস্থা নিয়ে রিফাত চৌধুরী জানান, এখন তিনি বেড রেস্টে রয়েছেন। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর তার বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে। চিকিৎসকেরা সব রিপোর্ট ও তার ফাইল পর্যালোচনা করে এরপর মূল চিকিৎসা শুরু করবেন।

হাসপাতালে রিফাতের পাশে শুরু থেকেই রয়েছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের চিকিৎসক ও কবি অমিতাভ অরণ্য। তিনি জানান, অভিনেতার বেশিরভাগ পরীক্ষা ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। আগামী বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) আরও দুটি পরীক্ষা করানোর কথা রয়েছে। এসব পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর চিকিৎসার পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ করা হবে।

মূলত পা ও কোমরের সমস্যায় ভুগছেন রিফাত চৌধুরী। অসুস্থতার কারণে তিনি ঠিকমতো হাঁটাচলা করতে পারছেন না। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার আগে বেড না পেয়ে তাকে দুই দিন ফ্লোরে থাকতে হয়েছিল। পরে বেডের ব্যবস্থা হলেও তার চিকিৎসা ব্যয় নিয়ে নতুন করে সংকট তৈরি হয়।

অভিনেতার অসুস্ততার বিষয়টি জানার পর শোবিজ অঙ্গনে অনেকেই বিষয়টি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন। পাশাপাশি অভিনয়শিল্পী সংঘ ও শোবিজের কয়েকজন তারকা তার পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দিয়েছেন।

অমিতাভ অরণ্য জানিয়েছেন, রিফাতের নিজের কোনো ব্যাংক বা বিকাশ অ্যাকাউন্ট নেই। তার চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহযোগিতা প্রয়োজন। সহযোগিতার অর্থ তার মাধ্যমে রিফাতের কাছে পৌঁছে দেয়ার কথা জানানো হয়েছে।

আরটিভি/এসআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
দিলারা জামানের বাড়ি দখলের খবর, যা জানা গেল
সম্প্রতি জনপ্রিয় অভিনেত্রী দিলারা জামানের বাড়ি দখলের খবর সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। যা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। এর মাঝেই বিষয়টি নিয়ে মুখে খুলেছেন বরেণ্য এই অভিনয়শিল্পী। শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) এক সাক্ষাৎকারে দিলারা জামান বলেন, মানুষের মাথা কি নষ্ট হয়ে গেছে! একটু ভেবেচিন্তে, কথা বলে লিখলে তো ভালো হয়। ভালো কাজে যদি মস্তিষ্ক কাজে না লাগে, তাহলে কেমন লাগে! কী আর বলব। সমাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে বিষয়টিকে অনেক পুরোনো বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। তার ভাষ্য, ২০০৩–২০০৪ সালের দিকে তিনি ঢাকার শ্যামলী এলাকায় থাকতেন। সেখানে ছিল তাঁর পৈতৃক বাড়ি। বাবার কাছ থেকে পাওয়া সেই বাড়িতেই পরিবার নিয়ে থাকতেন তিনি।  একপর্যায়ে বাড়িটি দখলের পরিস্থিতি তৈরি হয়। তখন বিষয়টি নিয়ে প্রথম আলোয় খবর প্রকাশিত হলে সংশ্লিষ্টদের টনক নড়ে। এরপর সেই দখলের পরিস্থিতি আর এগোয়নি। তবে সেই বাড়ি এখন আর তার নেই। তিনি বলেন, ঢাকার শ্যামলীর সেই ঘটনা তো ২২–২৩ বছর আগের। সেই বাড়ি পরে বিক্রি করে দিই। ২০০৮ সালে আমি পরিবার নিয়ে উত্তরায় চলে আসি। এখানে ১৬০০ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট কিনি। তারপর থেকে এখানেই থাকছি। দেশের বাইরে থাকা দুই মেয়ের কাছে মাঝেমধ্যে গিয়ে কিছুদিন থাকার কথা জানিয়ে দিলারা জামান বলেন, ‘এখন আর তেমন দেশের বাইরে যাওয়া হয় না। অভিনয় নিয়েই ব্যস্ততা, আর উত্তরার নিজের ফ্ল্যাটেই থাকি।’  এত বছর পর পুরোনো সেই ঘটনা নতুন করে কেন বা কারা ছড়াল—তা নিয়ে নিজেও বিস্মিত দিলারা জামান। তার মতে, ‘হঠাৎ করে এই ধরনের আজগুবি তথ্য সামনে কীভাবে এল, নিজেই তো অবাক হয়ে গেলাম!’ প্রসঙ্গত, ‘বাবার দেওয়া জমিতে ধারদেনা করে বাড়ি করেছিলাম। দেনা শোধ করতে বাড়ি ভাড়া দিয়েছিলাম, কিন্তু ভাড়ার টাকা পাইনি। একপর্যায়ে ভাড়াটে বাড়ি দখল করে নেয়। এখন ছোট্ট পাখির মতো বাসায় ভাড়া থাকি।’ সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এমন একটি বক্তব্য ঘিরে শুক্রবার সকাল থেকেই আলোচনা শুরু হয়।  আরটিভি/এসআর
দিলারা জামানের বাড়ি দখলের খবর, যা জানা গেল
পারিবারিক গল্পে আরটিভির একক নাটক ‘শুন্যের সংসার’
পারিবারিক টানাপোড়েন ও মায়ের প্রতি নিখাদ ভালোবাসার গল্পে নির্মিত হয়েছে একক নাটক ‘শুন্যের সংসার’।  সায়েম খানের কাহিনী ও চিত্রনাট্যে এটি নির্মাণ করেছেন সেলিম রেজা।  নাটকের গল্পে দেখা যাবে, ব্যস্ততার কারণে আদিল ও বেলার সম্পর্কের দূরত্ব বাড়ে, যা বিয়ের দুই বছর পর কক্সবাজার ভ্রমণের পরিকল্পনা বাতিল হওয়া নিয়ে আরও জটিল হয়। শ্বাশুড়ি জাহানারা বেগমের অসুস্থতা এবং সাংসারিক নানা ঝামেলায় দম্পতির মধ্যে মানসিক দূরত্ব বাড়ে। ঝগড়ার এক পর্যায়ে ঘর ছাড়েন জাহানারা বেগম এবং নিখোঁজ হন। এরপর মায়ের খোঁজে  আদিলের ব্যাকুলতা, বেলার ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত এবং পরবর্তী নানা নাটকীয় মোড়ে উন্মোচিত হয় সম্পর্কের ভিন্ন রূপ।  একপর্যায়ে রিহ্যাব সেন্টার থেকে মানসিক আঘাতপ্রাপ্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় অসুস্থ মাকে। পরবর্তীতে অনাগত সন্তানের খবর পেয়ে নিজের ভুল বুঝতে পেরে আদিলের কাছে ফিরে আসে বেলা। নাটকের শেষ দৃশ্যে উঠে আসে এক ট্র্যাজিক পরিণতি—যেদিন ঘরে আসে আদিল-বেলার নতুন সন্তান, সেদিনই শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন অসুস্থ মা জাহানারা বেগম।  সন্তানকে কোলে পাওয়ার আনন্দের মাঝেই মাকে হারানোর এক গভীর শূন্যতায় শেষ হয় এই নাটক। নাটকটির বিভিন্ন চরিত্রে নিলয় আলমগীর, তানিয়া বৃষ্টি, মনিরা আক্তার মিঠু, তুতিয়া ইয়াসমিন পাপিয়া, রিপন মিয়া প্রমুখ অভিনয় করেছেন। শিগগিরই আবেগঘন গল্পের এই নাটকটি জনপ্রিয় বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশন আরটিভির পর্দায় প্রচারিত হবে। পরে এটি টেলিভিশনটির ইউটিউব চ্যানেলে উন্মুক্ত করা হবে। আরটিভি/এসআর
পারিবারিক গল্পে আরটিভির একক নাটক ‘শুন্যের সংসার’
লিভিং থিয়েটারের ভাষায় ‘দোজখের শেষ মেয়েটি’, মঞ্চায়ন ২৮ আগস্ট
প্রচলিত নাট্যরীতির বাইরে গিয়ে লিভিং থিয়েটারের নান্দনিকতা ও পরীক্ষামূলক ভাষায় নতুন প্রযোজনা নিয়ে আসছে নাট্যদল নাট্যধারা। ‘দোজখের শেষ মেয়েটি’ শিরোনামের নাটকটির উদ্বোধনী মঞ্চায়ন হবে আগামী ২৮ আগস্ট শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টায়। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির পরীক্ষামূলক মঞ্চে নাটকটির প্রথম প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে। লিভিং থিয়েটারের বৈশিষ্ট্য অনুসরণ করে এ নাটকে দর্শক ও মঞ্চের প্রচলিত দূরত্ব কমিয়ে নাট্যঘটনাকে আরও সরাসরি ও অনুভবনির্ভর করে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে। শরীরী ভাষা, প্রতীকী অভিনয়, আলো-আঁধারি, শব্দ ও আবহকে নাটকের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। নাটকের কেন্দ্রীয় চরিত্র নাদিয়া মুরাদ। ইরাকের ইয়াজিদি সম্প্রদায়ের এই তরুণী উগ্রবাদী সন্ত্রাসীদের হাতে বন্দিত্ব ও ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার হন। পরে সেখান থেকে পালিয়ে ইউরোপে আশ্রয় নেন এবং মানবাধিকার রক্ষায় সোচ্চার হন। তার সংগ্রাম ও সাহসী ভূমিকার স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১৮ সালে তিনি শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তবে ‘দোজখের শেষ মেয়েটি’ শুধু নাদিয়া মুরাদের ব্যক্তিজীবনের গল্প নয়। যুদ্ধ, রাষ্ট্র, মৌলবাদ, বিশ্বরাজনীতি, অর্থনৈতিক স্বার্থ, জাতিসত্তার ওপর আঘাত ও মানবিক বিপর্যয়ের মতো সমকালীন নানা সংকটও উঠে এসেছে নাটকটিতে। আরও পড়ুন হানিয়া আমিরের ভিডিও ভাইরাল, নেটদুনিয়ায় তুমুল আলোচনা নাট্যধারার ভাষ্য অনুযায়ী, নাদিয়ার জীবনকাহিনিকে ব্যক্তিগত আত্মজীবনী হিসেবে নয়, বরং সময় ও ইতিহাসের প্রতিচ্ছবি হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। দর্শককে শুধু গল্পের পর্যবেক্ষক না রেখে নাট্যঘটনার মধ্য দিয়ে বিভিন্ন প্রশ্নের মুখোমুখি করাই এ প্রযোজনার অন্যতম লক্ষ্য। নাটকের শেষাংশে দর্শকের সামনে রাখা হয়েছে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন—নাদিয়াই কি পৃথিবীর দৃশ্যমান ও অদৃশ্য দোজখের শেষ মেয়ে? চলমান যুদ্ধই কি পৃথিবীর শেষ যুদ্ধ? মৌলবাদের তৈরি দোজখই কি পৃথিবীর শেষ দোজখ? নাদিয়াই কি পৃথিবীর শেষ দোজখের শেষ মেয়ে? আর যুদ্ধশিশু কি পরিকল্পিত? নাটকটি রচনা করেছেন আনিসুর রহমান এবং নাট্যনির্মাণ করেছেন আশীষ খন্দকার। অভিনয়ে রয়েছেন মো. কামাল হোসেন, ফাহমিদা রহমান তৃষা, রিয়াদ মাহমুদ, হাফসা আক্তার, মো. আব্দুল আজিজ, মো. রফিকুল ইসলাম, রহিম পারভেজ, আল হাছিবুর রহমান, জাহাঙ্গীর সিকদার, ইমতিয়াজ আহমেদ দুলু ও হাফসা মাহমুদ ঋদ্ধি। নেপথ্যে নাট্যকার হিসেবে রয়েছেন আনিসুর রহমান। নাট্যনির্মাণের পাশাপাশি সঙ্গীত ও পোশাক পরিকল্পনায় আছেন আশীষ খন্দকার। সহযোগী নির্দেশক রিয়াদ মাহমুদ। মঞ্চ ও আলো পরিকল্পনা করেছেন পলাশ সেন হেনরী। নাটকটির নির্মাণে সহযোগিতা করছে বিডিজবস ডট কম ও সাইমন কালিনারী ইনস্টিটিউট। লিভিং থিয়েটারের পরীক্ষামূলক ভাষায় নির্মিত ‘দোজখের শেষ মেয়েটি’ সমকালীন বাংলা মঞ্চনাটকে নতুন অভিজ্ঞতা তৈরি করবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। এখন দর্শকদের অপেক্ষা ২৮ আগস্টের উদ্বোধনী মঞ্চায়নের। আরটিভি/জেএমএ
লিভিং থিয়েটারের ভাষায় ‘দোজখের শেষ মেয়েটি’, মঞ্চায়ন ২৮ আগস্ট
শি জিনপিংকে নিয়ে কৌতুকের পর যা হয়েছিল কৌতুকশিল্পী চিজির সঙ্গে
চীনের জনপ্রিয় কৌতুকশিল্পী চিজি নিজের দেশের মঞ্চে আর উঠতে পারবেন না। শি জিনপিংকে নিয়ে কৌতুক এবং সরকারের স্পর্শকাতর বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মন্তব্য করার পর ২০২৩ সালে তাকে চীনে মঞ্চে পারফর্ম করতে নিষিদ্ধ করা হয়। তবে দেশের বাইরে চীনা ভাষাভাষী দর্শকদের জন্য আবারও মঞ্চে ফিরেছেন তিনি। এমনটাই জানা যায় আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে।  বিবিসি বলছে, সম্প্রতি সিঙ্গাপুরের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে শি জিনপিংকে ইঙ্গিত করে কৌতুক করেন চিজি। তিনি সরাসরি নাম না নিয়ে শি জিনপিংকে তার স্ত্রী পেং লিয়ুয়ানের স্বামী বলে উল্লেখ করেন। দর্শকদের মধ্যে এ সময় ব্যাপক সাড়া পড়ে। চিজির আসল নাম ওয়াং ইউয়েচি। মাত্র ৩০ বছর বয়সেই তিনি চীনের অন্যতম জনপ্রিয় কৌতুকশিল্পী হয়ে ওঠেন। দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি মঞ্চে কাজ করেছেন। তবে ২০২৩ সালে উত্তর আমেরিকায় কয়েকটি অনুষ্ঠানে চীনের সেন্সরশিপ, জাতীয়তাবাদ, সংখ্যালঘুদের অধিকার এবং হংকং ও তাইওয়ান প্রসঙ্গ তুলে কৌতুক করার পর তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। আরও পড়ুন গাছের পাতায় মিলল শহর গড়ার গাণিতিক রহস্য! চিজি জানান, চীনে এখন তার ছবি পর্যন্ত প্রকাশ করা যায় না। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার ছবি শেয়ার করায় এক ভক্তের হিসাবও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। দীর্ঘ বিরতির পর চলতি বছর এপ্রিল থেকে তিনি আবারও মঞ্চে ফিরেছেন। জাপান, তাইওয়ান, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরে তার সব অনুষ্ঠানই দর্শকে পরিপূর্ণ হয়েছে। তবে এবার তিনি আগের তুলনায় রাজনৈতিক কৌতুক কম করেছেন। তার ভাষায়, দেশের বাইরে থাকা চীনা ভাষাভাষী মানুষের কাছে নিজের জীবন ও ভাবনার গল্প তুলে ধরাই ছিল এই সফরের মূল উদ্দেশ্য। চিজি বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ বিষয় নিয়েই কাজ করতে তার ভালো লাগে। তিনি মনে করেন, চীনে এখন কৌতুকের পরিসর অনেক সংকুচিত হয়ে গেছে এবং অনেক বিষয় নিয়েই কথা বলা সম্ভব হয় না। একসময় চীনের জনপ্রিয় বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও মঞ্চে নিয়মিত দেখা যেত চিজিকে। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেন্সরশিপ এবং মত প্রকাশের সীমাবদ্ধতায় হতাশ হয়ে তিনি বিরতি নেন। এখন তিনি এই সফর আরও বিস্তৃত করতে চান। অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং উত্তর আমেরিকায়ও অনুষ্ঠান করার পরিকল্পনা রয়েছে তার। তথ্যসূত্র: বিবিসি আরটিভি/জেএমএ
শি জিনপিংকে নিয়ে কৌতুকের পর যা হয়েছিল কৌতুকশিল্পী চিজির সঙ্গে
শহীদ মিনারে শেষ শ্রদ্ধা, বনানী কবরস্থানে শায়িত হবেন আতাউর রহমান
দেশের বরেণ্য অভিনেতা, নাট্যকার ও মঞ্চনির্দেশক মঞ্চসারথি আতাউর রহমানের মরদেহ আজ মঙ্গলবার (১২ মে) কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নেওয়া হবে। সেখানে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের পর বনানী কবরস্থানে দাফন করা হবে এই গুণী শিল্পীকে। অভিনয়শিল্পী সংঘ জানিয়েছে, মঙ্গলবার (১২ মে) বিকেল ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত শহীদ মিনারে রাখা হবে আতাউর রহমানের মরদেহ। পরে মগবাজারে নিজ বাসভবনের সামনে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে বনানী কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হবে। সোমবার (১১ মে) দিবাগত রাতে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর। আরও পড়ুন ৫০০ পাউরুটি দিয়ে তৈরি পোশাকে রেড কার্পেটে তারকা পারিবারিক সূত্র জানায়, গত শুক্রবার (৮ মে) বাসায় পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হন আতাউর রহমান। এরপর দ্রুত তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। পরে তাকে জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসা সহায়তায় রাখা হয়েছিল। বাংলাদেশের মঞ্চনাটক আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ ছিলেন আতাউর রহমান। অভিনয়, নাট্যরচনা ও নির্দেশনায় অসামান্য অবদানের জন্য তিনি পেয়েছেন একুশে পদক ও স্বাধীনতা পুরস্কারসহ বহু সম্মাননা। তার মৃত্যুতে দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে নেমে এসেছে গভীর শোক। আরটিভি/জেএমএ
শহীদ মিনারে শেষ শ্রদ্ধা, বনানী কবরস্থানে শায়িত হবেন আতাউর রহমান
আরও পড়ুন
বাসার সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন জামাল, ওপর থেকে সিলিন্ডার পড়ে মৃত্যু
চাঁদা না দেওয়ায় যুবককে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা
রাতে খাবার খেয়ে নিজের ঘরে চলে যায় অমি, এরপর যা ঘটল
নতুন দায়িত্ব পেলেন মির্জা আব্বাস