ঢাকা শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩

আবারও সচল ‘বিশ্বযুদ্ধ ডেকে আনা’ সেই খনি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২০ আগস্ট ২০২৬, ১০:২৬ এএম
ডলফিন মাইন। ছবি: সংগৃহীত

অস্ট্রেলিয়ার একটি খনিতে আছে টাংস্টেন। যুদ্ধের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ এই ধাতুসমৃদ্ধ সেই খনি আবার চালু হচ্ছে।

কিং আইল্যান্ডে অবস্থিত এই খনির নাম ডলফিন মাইন। এটি বিশ্বের অন্যতম বড় টাংস্টেনের ভাণ্ডার। টাংস্টেন একটি শক্ত ধাতু। এটি দিয়ে তৈরি হয় শক্তিশালী বর্ম-ভেদী গুলি ও সাঁজোয়া যানের বর্ম।

এই খনি গত এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে বারবার চালু ও বন্ধ হয়েছে। প্রতিবার যুদ্ধ এলেই খনিটি চালু হয়েছে, আবার শান্তি ফিরলে বন্ধ হয়ে গেছে। এখন বিনিয়োগকারীরা বড় লাভের আশায় খনিটির দিকে নজর দিচ্ছেন। কারণ তারা মনে করছেন সামনে টাংস্টেনের চাহিদা অনেক বেড়ে যাবে।

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় অস্ত্র তৈরির প্রয়োজনে ১৯১৭ সালে ডলফিন মাইন প্রথম চালু হয়। কিন্তু মাত্র তিন বছর পরই যুদ্ধ থেমে যায় এবং টাংস্টেনের বাজারে বড় পরিবর্তন আসে। ফলে খনিটি বন্ধ হয়ে যায়।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আশঙ্কা শুরু হলে ১৯৩৮ সালে খনিটি আবার চালু হয়। এরপর কোরিয়া যুদ্ধ ও ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময়ও খনিটি কখনো বন্ধ, কখনো চালু হয়েছে।

স্নায়ুযুদ্ধের সময় অস্ত্র তৈরির প্রবণতা বাড়ায় খনিটি কিছুদিন সচল ছিল। কিন্তু ১৯৮৯ সালে বার্লিন প্রাচীর ভেঙে যাওয়ার এক বছর পর খনিটি একরকম চিরতরে বন্ধ হয়ে যায় বলেই মনে হয়েছিল।

এরপর প্রায় তিন দশক ধরে খনির খোলা গর্তে পানি জমে ছিল। ২০২২ সালের জানুয়ারিতে খনিটি আবার চালুর কাজ শুরু হয়। এর মাত্র কয়েক সপ্তাহ পরই রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনে সেনা অভিযান শুরু করেন।

এখন ২০২৬ সালে এসে খনিতে টাংস্টেন উৎপাদন বাড়ানোর কাজ চলছে। বর্তমান যুদ্ধগুলোর কারণে চাহিদা বেড়ে যাওয়াতেই এই উদ্যোগ। সেপ্টেম্বর মাসে মাটির নিচ থেকে প্রথম আকরিক তোলা ও সরবরাহের কাজ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

আরও পড়ুন

এর পেছনে আরেকটি কারণও আছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এখন চীনের চেয়ে বেশি হারে বিরল খনিজ সংগ্রহের প্রতিযোগিতায় নেমেছে। কারণ বিশ্বের বেশিরভাগ টাংস্টেন উৎপাদন করে চীন।

চীন সম্প্রতি তার সামরিক শক্তি অনেক বাড়িয়েছে। তাইওয়ানকে নিজেদের সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা আছে চীনের। এমনটা হলে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে বড় যুদ্ধ বেধে যেতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের পেন্টাগন আগেই সতর্ক করেছিল যে চীন যথেষ্ট সামর্থ্য অর্জনের পর দশকের মধ্যেই তাইওয়ানের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রও এখন যুদ্ধের এই গুরুত্বপূর্ণ ধাতু সংগ্রহের দৌড়ে যোগ দিয়েছে। সম্প্রতি তারা কাজাখস্তানে বিশ্বের অন্যতম বড় অব্যবহৃত টাংস্টেন ভাণ্ডার থেকে খনিজ তোলার জন্য ১৬০ কোটি ডলারের একটি চুক্তি করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান এই টাংস্টেন। ইরানের সঙ্গে মাসের পর মাস যুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত কমে গেছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

ট্রাম্প প্রশাসন অবশ্য এই ঘাটতির কথা অস্বীকার করছে। তবে তারা ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন বাড়াচ্ছে। আর এই কারণেই গুরুত্বপূর্ণ ধাতুর খনিতে বিনিয়োগ বেড়ে যাচ্ছে। সূত্র: নিউইয়র্ক পোস্ট

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
মার্কিন ভিসাপ্রত্যাশী বিদেশি সাংবাদিকদের স্যোশাল মিডিয়ার প্রোফাইল যাচাই শুরু
যুক্তরাষ্ট্রে যেতে ভিসার আবেদন করা বিদেশি সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রোফাইল যাচাই-বাছাই শুরুর সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছে যুক্তরাষ্ট্র। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) থেকে এটি কার্যকর হচ্ছে। এর আগে গত ১৮ সেপ্টেম্বর এ সিদ্ধান্তের ঘোষণা দিয়েছিল মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছিল, ১ অক্টোবর থেকে ‘আই’ ভিসার আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে এই নীতি প্রযোজ্য হবে। পেশাগত দায়িত্ব পালনে যুক্তরাষ্ট্র যেতে আগ্রহী বিদেশি সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীদের ‘আই’ ভিসা দেওয়া হয়। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এই যাচাইবাছাই প্রক্রিয়া সহজ করতে আই, টিডি ও টিএন নন-ইমিগ্রান্ট ভিসা আবেদনকারীদের সব ধরনের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রোফাইলের প্রাইভেসি সেটিং ‘পাবলিক’ বা ‘ওপেন’ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ, ভিসার আবেদন প্রক্রিয়া চলাকালে বাংলাদেশসহ অন্যান্য দেশের সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীদের সামাজিকমাধ্যমের প্রোফাইল উন্মুক্ত বা দৃশ্যমান রাখতে হবে। তবে আবেদনকারীদের কতদিন আগের অ্যাক্টিভিটি পর্যালোচনা করা হবে, কতদিন প্রোফাইল 'পাবলিক' রাখতে হবে কিংবা কোন ধরনের অনলাইন কনটেন্ট দেখা হবে—সে বিষয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু বলা হয়নি। উল্লেখ্য, ২০১৯ সাল থেকেই অধিকাংশ ভিসাপ্রার্থীর কাছ থেকে সোশ্যাল মিডিয়া আইডির তথ্য নেওয়া বাধ্যতামূলক করে আসছে যুক্তরাষ্ট্র। নতুন এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে আই, টিডি এবং টিএন নন-ইমিগ্রান্ট ভিসার আবেদনকারীদেরও এই প্রক্রিয়ার আওতায় আনা হলো। টিএন ভিসা মূলত ‘ইউনাইটেড স্টেটস-মেক্সিকো-কানাডা অ্যাগ্রিমেন্টের’ অধীনে সাময়িকভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশকারী কানাডা ও মেক্সিকোর পেশাজীবীদের জন্য এবং টিডি ভিসা দেওয়া হয় তাদের স্ত্রী বা নির্ভরশীল সন্তানদের। আরটিভি/এসআর
মার্কিন ভিসাপ্রত্যাশী বিদেশি সাংবাদিকদের স্যোশাল মিডিয়ার প্রোফাইল যাচাই শুরু
লস অ্যাঞ্জেলেসে জন্মদিনে পার্টির বদলে গৃহহীনদের জন্য আশ্রয়কেন্দ্র গড়লেন তরুণী
২১ বছর বয়সে পদার্পণ উপলক্ষে বিলাসবহুল পার্টি বা লাস ভেগাসে ভ্রমণের বদলে সম্পূর্ণ ভিন্ন এক উদ্যোগ নিয়ে বিশ্বকে চমকে দিয়েছেন মিরিয়াম হারেগোট। নিজের বিশেষ দিনটিকে আরও অর্থবহ করে তুলতে যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসের প্রাণকেন্দ্রে গৃহহীনদের জন্য একটি আশ্রয়কেন্দ্র সংস্কার ও চালু করেছেন এই তরুণী। মানবিক এই উদ্যোগ প্রসঙ্গে মিরিয়াম বলেন, মানুষকে মানবিকতার ছোঁয়া দিতে পেরে দারুণ লাগছে, কারণ বর্তমান বিশ্বে এর বড্ড অভাব। আপনি নিজে সমাজে যে পরিবর্তন দেখতে চান, সেই পরিবর্তনের সূচনা আপনার নিজেকে দিয়েই করা উচিত। এই আশ্রয়কেন্দ্র চালুর পরপরই মিরিয়াম প্রতিষ্ঠা করেন ‘দ্য প্যাক প্রজেক্ট’ (P.A.C.K. - People Advocating Community Kinship) নামের একটি সংগঠন।  সাউথ সেন্ট্রাল লস অ্যাঞ্জেলেসের একদল তরুণ, উদ্যোক্তা এবং সৃজনশীল ব্যক্তিদের নিয়ে গঠিত এই সংগঠনটি মূলত গৃহহীন ও সুবিধাবঞ্চিত তরুণদের খাদ্য, বাসস্থান এবং শিক্ষার ব্যবস্থা করতে কাজ করে যাচ্ছে। তাদের এই প্রজেক্টের আওতায় ‘ফিড দ্য হোমিস’ (Feed The Homies) নামের একটি মাসিক উদ্যোগের মাধ্যমে স্কিড রো এলাকায় এ পর্যন্ত হাজার হাজার সুবিধাবঞ্চিত মানুষকে গরম খাবার পরিবেশন করা হয়েছে।  সমাজ পরিবর্তনের জন্য কোনো প্রাতিষ্ঠানিক পদবি, বড় তহবিল বা অনুমোদনের অপেক্ষা না করে মিরিয়াম যেভাবে নিজেই সমস্যার সমাধানে এগিয়ে এসেছেন, তা বর্তমান প্রজন্মের জন্য এক বিশাল অনুপ্রেরণা। আরটিভি/এসআর
লস অ্যাঞ্জেলেসে জন্মদিনে পার্টির বদলে গৃহহীনদের জন্য আশ্রয়কেন্দ্র গড়লেন তরুণী
যুক্তরাষ্ট্রে ওষুধ নিয়ে যাওয়ার আগে যা জানা খুবই জরুরি
বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার সময় প্রেসার, ডায়াবেটিসসহ নিয়মিত ব্যবহারের ওষুধ সঙ্গে নিলে ইংরেজিতে প্রেসক্রিপশন বা ডাক্তারের চিঠি রাখার পরামর্শ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রোটেকশন (সিবিপি)।  ওষুধ মূল প্যাকেটে রাখা এবং প্রবেশের সময় কাস্টমস কর্মকর্তাকে জানানোও জরুরি। তবে শুধু প্রেসক্রিপশন থাকলেই সব ধরনের ওষুধ যুক্তরাষ্ট্রে নেওয়া যায় না। নিউইয়র্কের জেএফকেসহ যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো প্রবেশপথে ওষুধ বহনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ফেডারেল নিয়ম প্রযোজ্য।  সিবিপির নির্দেশনা অনুযায়ী, সঙ্গে থাকা ওষুধ নিজের চিকিৎসায় কেন প্রয়োজন, তা বোঝাতে ইংরেজিতে বৈধ প্রেসক্রিপশন বা ডাক্তারের চিঠি রাখা উচিত। ওষুধ মূল প্যাকেটে না থাকলে প্রেসক্রিপশনের কপি অথবা রোগ ও চিকিৎসার প্রয়োজন ব্যাখ্যা করা ডাক্তারের চিঠি সঙ্গে রাখতে হবে। প্রেসক্রিপশনে রোগীর নাম, ওষুধের জেনেরিক নাম, ডোজ এবং ব্যবহারের নির্দেশনা স্পষ্ট থাকলে ওষুধ শনাক্ত করা সহজ হয়। মূল কাগজের পাশাপাশি ফটোকপি রাখা এবং ফোনে ডিজিটাল কপি সংরক্ষণ করা বাড়তি প্রস্তুতি হিসেবে কাজে আসতে পারে। ওষুধ মূল লেবেলযুক্ত প্যাকেট বা বোতলে রাখার পরামর্শ দিয়েছে সিবিপি। সম্ভব হলে প্যাকেটে ডাক্তারের ব্যবহারের নির্দেশনাও থাকতে হবে। এতে কাস্টমস পরীক্ষার সময় ওষুধ ও প্রেসক্রিপশনের তথ্য মিলিয়ে দেখা সহজ হয়। পরিমাণের ক্ষেত্রে সাধারণ নির্দেশনা হলো, নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী ওষুধ নেওয়া এবং সাধারণভাবে ৯০ দিনের সরবরাহের বেশি সঙ্গে না রাখা। তবে এই নির্দেশনাকে সব যাত্রীর জন্য সব ধরনের ওষুধ নেওয়ার অনুমতি হিসেবে ধরে নেওয়া যাবে না। যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, এফডিএ জানিয়েছে, সাময়িকভাবে আমেরিকায় আসা বিদেশি নাগরিকেরা ব্যক্তিগত চিকিৎসার জন্য ৯০ দিনের ওষুধ আনতে পারেন। এ নির্দেশনায় বিদেশি নাগরিক বলতে আমেরিকার নাগরিক বা স্থায়ী বাসিন্দা নন, এমন ব্যক্তিকে বোঝানো হয়েছে। ফলে আমেরিকান নাগরিক বা গ্রিন কার্ডধারীদের একই সুবিধা প্রযোজ্য ধরে নেওয়া ঠিক হবে না। এফডিএর নির্দেশনা অনুযায়ী, বিদেশে অনুমোদিত কোনো ওষুধ আমেরিকায় অনুমোদিত না হলে সেটি আমদানিতে বিধিনিষেধ থাকতে পারে। ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য কিছু ক্ষেত্রে ছাড় বিবেচনা করা হলেও তা শর্তসাপেক্ষ। বাংলাদেশে ওষুধটি সহজে পাওয়া যায় কিংবা ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন রয়েছে, এই কারণেই আমেরিকায় প্রবেশের অনুমতি নিশ্চিত হয় না।  বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন নিয়ন্ত্রিত উপাদানযুক্ত ওষুধের ক্ষেত্রে। কিছু ঘুমের, ব্যথার বা অন্য চিকিৎসার ওষুধ এই শ্রেণিতে পড়তে পারে। এসব ওষুধের ক্ষেত্রে ড্রাগ এনফোর্সমেন্ট অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, ডিইএর নিয়মও মানতে হয়। তাই ভ্রমণের আগে ওষুধের জেনেরিক নাম ও উপাদান অনুযায়ী প্রযোজ্য নিয়ম যাচাই করা প্রয়োজন। যুক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘদিন থাকার পরিকল্পনা থাকলে সঙ্গে আনা ওষুধ শেষ হওয়ার আগেই স্থানীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা করা ভালো। প্রাইমারি কেয়ার ডাক্তারের কাছে আগের প্রেসক্রিপশন ও চিকিৎসার কাগজপত্র নিয়ে গেলে চলমান চিকিৎসা মূল্যায়নে সহায়তা হবে। স্থানীয় ফার্মেসি থেকে পরবর্তী ওষুধ পাওয়ার বিষয়টি আগে থেকেই চিকিৎসক ও ফার্মেসির সঙ্গে নিশ্চিত করা উচিত। ভ্রমণের প্রস্তুতিতে সবচেয়ে জরুরি হলো ওষুধের পরিচয় স্পষ্ট রাখা, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঙ্গে নেওয়া এবং কাস্টমস কর্মকর্তাকে ওষুধের কথা জানানো। নিজের নাগরিকত্ব বা স্থায়ী বাসিন্দার অবস্থান এবং ওষুধের ধরন অনুযায়ী এফডিএ, সিবিপি ও প্রয়োজনে ডিইএর নির্দেশনা মিলিয়ে প্রস্তুতি নিতে হবে। আরটিভি/এসআর
যুক্তরাষ্ট্রে ওষুধ নিয়ে যাওয়ার আগে যা জানা খুবই জরুরি
স্বামীর সঙ্গে ঘুরতে যাওয়ায় ভাড়ায় লোক পাঠিয়ে তরুণীকে গণধর্ষণ করালেন স্ত্রী
বিবাহিত বন্ধুর সঙ্গে ঘুরতে যাওয়ার চরম খেসারত দিতে হয়েছে এক তরুণীকে। প্রতিশোধ নিতে লোক ভাড়া করে তাকে গণধর্ষণ করিয়েছেন ওই বন্ধুর স্ত্রী।  
স্বামীর সঙ্গে ঘুরতে যাওয়ায় ভাড়ায় লোক পাঠিয়ে তরুণীকে গণধর্ষণ করালেন স্ত্রী
স্ত্রীকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণ করে গিনেস রেকর্ড গড়লেন বৃদ্ধ
ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে স্ত্রীকে হারানোর পর সেই শোককে শক্তিতে রূপান্তর করে বিশ্বজয়ের অভিযানে নেমেছেন ৬৯ বছর বয়সী কানাডিয়ান সাইক্লিস্ট মার্ক হার্বস্ট। স্ত্রীকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা এবং প্রবীণদের অনুপ্রাণিত করার উদ্দেশ্যে সাইকেলে ৩০ হাজার কিলোমিটারের বেশি পথ পাড়ি দিয়েছেন তিনি। 
স্ত্রীকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণ করে গিনেস রেকর্ড গড়লেন বৃদ্ধ
আরও পড়ুন
হত্যার পর সেপটিক ট্যাংকের পাশে লাশ মাটিচাপা দিয়ে সবজির চারা লাগানোর অভিযোগ
অস্ট্রেলিয়ায় ডেপুটি মেয়র হলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এলিজা রহমান
সোনার খনি ধসে শতাধিক প্রাণহানি
অস্ট্রেলিয়ায় ঐতিহাসিক জয়কে আর্জেন্টিনা ম্যাচের সঙ্গে তুলনা করলেন কোচ সিমন্স