ঢাকা সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩

হরমুজে সৌদি জাহাজে হামলায় দুই নাবিক নিহত

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:০৬ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করার সময় সৌদি আরবের একটি তেল ট্যাংকারে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত দুই নাবিক নিহত হয়েছেন। নিহত দুজনই ফিলিপিনের নাগরিক বলে নিশ্চিত করেছে সৌদি আরবের জাতীয় শিপিং কোম্পানি ‘বাহরি’।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) এই হামলার তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করে বহুজাতিক ওই সৌদি প্রতিষ্ঠান। তবে হামলায় জাহাজের সার্বিক ক্ষতির পরিমাণ বা বিস্তারিত বিবরণ এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

সামুদ্রিক নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণকারী ব্রিটিশ সংস্থা ইউনাইটেড কিংডম মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও) জানিয়েছে, সংকটপূর্ণ ওই প্রণালি দিয়ে যাওয়ার সময় রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানটির তেল ট্যাংকারটিকে লক্ষ্য করে পরপর তিনটি অজানা ক্ষ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়। অনুমতি ছাড়া সংবেদনশীল এই সংকীর্ণ জলপথ পার হওয়ার চেষ্টা করায যেকোনো জাহাজের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার হুমকি আগেই দিয়েছিল ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)।

সৌদি কোম্পানি বাহরি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত জাহাজে থাকা অন্য কর্মীদের নিরাপত্তায় তাদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। একই সঙ্গে সামুদ্রিক খাতের আন্তর্জাতিক অংশীদার ও আঞ্চলিক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে পরিস্থিতি সতর্কতার সঙ্গে নজরদারিতে রাখা হয়েছে।

বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত এই নৌপথে সম্প্রতি সৌদি মালিকানাধীন জাহাজে আক্রমণের ঘটনা এটিই প্রথম নয়। এর মাত্র এক মাস আগে ওমান উপকূলের কাছাকাছি হরমুজ প্রণালিতে বাহরির ‘ওয়াদিয়ান’ নামের একটি সুপারট্যাংকার হামলার মুখে পড়েছিল।

এ ছাড়া লোহিত সাগরে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের নৌ-অবরোধ ঘোষণার পর বাহরির 'আমজান' ও 'মাসা' নামের আরও দুটি বাণিজ্যিক জাহাজ হামলার শিকার হয়। একের পর এক এসব আক্রমণের ঘটনায় আঞ্চলিক পরাশক্তিগুলোর মধ্যে উত্তেজনা নতুন করে ছড়ানোর আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

আরটিভি/এআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
পরিত্যক্ত আফগান কূপে একের পর এক মরছে শিশুরা, যা জানা যাচ্ছে 
খেলতে গিয়ে শুকিয়ে যাওয়া গভীর কূপে পড়ে যায় পাঁচ বছরের জাইনুল্লাহ। প্রায় ৭০ মিটার নিচে আটকে থাকা শিশুটিকে উদ্ধারে শেষ পর্যন্ত দড়ি বেয়ে কূপে নামতে হয় ১১ বছরের কিশোর হযরত ওমরকে।
পরিত্যক্ত আফগান কূপে একের পর এক মরছে শিশুরা, যা জানা যাচ্ছে 
৭ শর্ত না মানলে হরমুজ প্রণালি খুলবে না ইরান
সাতটি শর্ত পূরণ না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলবে না বলে জানিয়েছে ইরান। 
৭ শর্ত না মানলে হরমুজ প্রণালি খুলবে না ইরান
নেতানিয়াহুকে যা জানালেন আহত সেই ভারতীয় পাইলট
দুবাই থেকে ইসরায়েলগামী ফ্লাইদুবাইয়ের একটি বিমানে কো-পাইলটের হামলার শিকার হয়েছেন ভারতীয় ক্যাপ্টেন পাইলট স্মিত মাচ্ছাড়। হামলার ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা তিনি জানিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে।
নেতানিয়াহুকে যা জানালেন আহত সেই ভারতীয় পাইলট
বেরিয়ে এলো সেই পাইলটের চাঞ্চল্যকর তথ্য
ইসরায়েলগামী ফ্লাইদুবাইয়ের একটি বিমানে কো-পাইলটের হামলার ঘটনায় নতুন চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। হামলার শিকার ভারতীয় ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছার শেষ শক্তিটুকু দিয়ে ককপিটের দরজা খুলে দিলে যাত্রীরা ভেতরে ঢুকে হামলাকারী কো-পাইলটকে আটক করেন। এতে বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পায় বিমানটি। রোববার (৪ অক্টোবর) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত বুধবার ফ্লাইদুবাইয়ের ফ্লাইট ১০৭৩-এ এ ঘটনা ঘটে। বিমানটির ওমানি কো-পাইলট হামাম আল-হামামি ককপিটে থাকা জরুরি ব্যবহারের কুঠার দিয়ে ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছারের ওপর হামলা চালান এবং বিমানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করেন বলে জানিয়েছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রসিকিউটর জেনারেল। ক্যাপ্টেন মাচ্ছারের বর্ণনা অনুযায়ী, হামলার কয়েক মিনিট আগে কো-পাইলট হামামি তাকে জানান, তিনি নামাজ পড়তে চান। এর চার থেকে পাঁচ মিনিট পরই মাচ্ছারের মাথার পেছনে হঠাৎ প্রচণ্ড আঘাত আসে। প্রথমে তিনি ভেবেছিলেন, বিমানে হয়তো বিস্ফোরণ ঘটেছে কিংবা কোনো যান্ত্রিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। কিন্তু পরপর আরও আঘাত আসতে থাকলে তিনি বুঝতে পারেন, কো-পাইলটই তাকে আক্রমণ করছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, হামলায় মাচ্ছারের দৃষ্টিশক্তি প্রায় ঝাপসা হয়ে যায়। এ অবস্থায় তিনি অনুভব করেন, বিমানটি দ্রুত নিচের দিকে নেমে যাচ্ছে। প্রথমবার ককপিটের দরজা খোলার চেষ্টা করলে হামামি তাকে বাধা দেন। ককপিটের মেঝেতে পড়ে থাকা অবস্থায় বাইরে যাত্রীদের চিৎকার শুনতে পান মাচ্ছার। তখন তিনি বুঝতে পারেন, বাঁচতে হলে নিজেকেই কিছু করতে হবে। শেষ শক্তিটুকু দিয়ে তিনি দরজার কাছে গিয়ে সেটি খুলতে সক্ষম হন। এরপর কয়েকজন যাত্রী দ্রুত ককপিটে ঢুকে হামামিকে আটক করেন। যাত্রী ইয়ানিভ হায়ুন জানান, ককপিটে ঢুকে তিনি হামামিকে বিমানের নিয়ন্ত্রণযন্ত্রের ওপর ঝুঁকে থাকতে দেখেন। এ সময় তিনি হামামিকে গলা ধরে নিয়ন্ত্রণযন্ত্র থেকে সরিয়ে দেন। পরে অন্য যাত্রীরা তাকে বেঁধে ফেলেন। হামামিকে সরানোর পর বিমানটি মাটির দিকে নেমে যেতে দেখেন হায়ুন। তিনি নিয়ন্ত্রণযন্ত্র ধরে বিমানটিকে স্থিতিশীল করার চেষ্টা করেন। পরে বিমানে থাকা একজন অফ-ডিউটি পাইলট দায়িত্ব নিয়ে বিমানটির নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করেন। এদিকে, হামামির অতীত নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। উগ্রবাদে জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় আগে ওমানের রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থা ওমান এয়ারে উড্ডয়ন থেকে তাকে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। তবে এ-সংক্রান্ত তথ্য ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের কাছে ছিল না বলে উল্লেখ করা হয়। ঘটনাটিকে ইসরায়েলের নিরাপত্তাব্যবস্থার বড় ধরনের ব্যর্থতা হিসেবে দেখছেন দেশটির কয়েকজন নিরাপত্তা কর্মকর্তা। প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, হামামি এর আগে একই দুবাই-তেল আবিব রুটে একাধিকবার ফ্লাইট পরিচালনা করেছিলেন। এ ঘটনার পর বিদেশি এয়ারলাইনগুলোর মাধ্যমে ইসরায়েলে যাতায়াতকারী পাইলটদের নিরাপত্তা যাচাইয়ের প্রক্রিয়া নতুন করে পর্যালোচনা করছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। আরটিভি/এসকে
বেরিয়ে এলো সেই পাইলটের চাঞ্চল্যকর তথ্য
বিমানের ক্যাপ্টেনকে কুড়াল দিয়ে আঘাত করলেন কো-পাইলট, অতঃপর...
আরব আমিরাতের দুবাই থেকে ইসরায়েলগামী বিমানের ক্যাপ্টেন পাইলট স্মিত মাচ্ছাড়কে কুড়াল দিয়ে আঘাত করেন তার কো-পাইলট। এরপর তিনি বিমানটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করেন।
বিমানের ক্যাপ্টেনকে কুড়াল দিয়ে আঘাত করলেন কো-পাইলট, অতঃপর...