ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

থাইল্যান্ডে সংবিধান পরিবর্তনের প্রশ্নে চলছে গণভোট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:৪৯ এএম
থাইল্যান্ডে সাধারণ নির্বাচনের ভোটগ্রহণের পাশাপাশি চলছে গণভোট। ছবি: সংগৃহীত

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ থাইল্যান্ডে শুরু হয়েছে সাধারণ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। অর্থনৈতিক স্থবিরতা ও ক্রমবর্ধমান জাতীয়তাবাদী আবহের মধ্যে সংস্কারপন্থি, সামরিক-সমর্থিত রক্ষণশীল এবং জনতাবাদী— এই তিন ধারার রাজনৈতিক শক্তি আজ মুখোমুখি ভোটের লড়াইয়ে।

এবারের নির্বাচনে সরকার বাছাইয়ের ভোটগ্রহণের পাশাপাশি চলছে গণভোটও। সংবিধান বদলের প্রশ্নে এই গণভোটে রায় দিচ্ছেন থাইল্যান্ডের জনগণ।

রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে আল জাজিরা।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এদিন স্থানীয় সময় সকাল ৮টা থেকে থাইল্যান্ডে সাধারণ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলবে এই ভোটগ্রহণ কার্যক্রম।

গণভোটে ভোটারদের সামনে প্রশ্ন রাখা হয়েছে, ২০১৭ সালে সামরিক বাহিনী প্রণীত সংবিধান পরিবর্তন করা হবে কি না।

গণতন্ত্রপন্থি গোষ্ঠীগুলো মনে করছে, নতুন সংবিধান সামরিক বাহিনী ও বিচার বিভাগের মতো অনির্বাচিত প্রতিষ্ঠানের প্রভাব কমানোর ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে, রক্ষণশীলদের আশঙ্কা, এতে রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি হতে পারে।

নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ১ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া আগাম ভোটগ্রহণ পর্বে ইতোমধ্যে ২২ লাখের বেশি ভোটার তাদের ভোট দিয়েছেন।

আরও পড়ুন

থাইল্যান্ডে এবারের সাধারণ নির্বাচনে মোট নিবন্ধিত ভোটারের সংখ্যা ৫ কোটি ৩০ লাখ এবং ধীরগতির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং তীব্র জাতীয়তাবাদী আবহের প্রেক্ষাপটে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। যদিও ৫০টিরও বেশি দল নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে, বাস্তবে কেবল তিনটি দল— পিপলস পার্টি, ভূমজাইথাই এবং ফেউ থাই দেশজুড়ে সংগঠন ও জনপ্রিয়তার কারণে সরকার গঠনের মতো ম্যান্ডেট পাওয়ার অবস্থানে রয়েছে।

অবশ্য ৫০০ আসনের এই সংসদে কোনও দলই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে না বলে জরিপগুলোতে ইঙ্গিত মিলছে। ফলে, নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে জোট সরকার গঠনের আলোচনা প্রায় নিশ্চিত। নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভোটেই পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হবেন।

আল জাজিরা বলছে, নাথাফং রুয়াংপানইয়াওয়ুতের নেতৃত্বে সংস্কারপন্থি পিপলস পার্টিই সবচেয়ে বেশি আসন পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে, দলটির সংস্কারমূলক কর্মসূচি, বিশেষ করে সামরিক বাহিনী ও আদালতের প্রভাব কমানো এবং অর্থনৈতিক নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলোর কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। ফলে, তারা একজোট হয়ে পিপলস পার্টিকে ক্ষমতার বাইরে রাখার চেষ্টা করতে পারে।

এই দলটি মূলত থাইল্যান্ডের মুভ ফরওয়ার্ড পার্টির উত্তরসূরি। ২০২৩ সালের নির্বাচনে ওই দলটি সংসদে সবচেয়ে বেশি আসন পেলেও সামরিক-নিয়োগপ্রাপ্ত সিনেট তাদের ক্ষমতায় যেতে বাধা দেয়। পরে রাজতন্ত্র অবমাননা সংক্রান্ত কঠোর আইন সংস্কারের আহ্বানের কারণে সাংবিধানিক আদালত দলটিকে বিলুপ্ত ঘোষণা করে।

অন্যদিকে ভূমজাইথাই দলের নেতৃত্বে রয়েছেন বর্তমান তত্ত্বাবধায়ক প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল। রাজতন্ত্রপন্থি ও সামরিক প্রতিষ্ঠানের সমর্থক শক্তির প্রধান রক্ষক এবং পছন্দের দল হিসেবেই দেখা হচ্ছে দলটিকে।

গত সেপ্টেম্বর থেকে থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন অনুতিন। এর আগে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী পায়েতংতার্ন শিনাওয়াত্রার মন্ত্রিসভায় ছিলেন তিনি। কম্বোডিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক ব্যবস্থাপনায় নৈতিকতা লঙ্ঘনের অভিযোগে পায়েতংতার্নকে ক্ষমতা ছাড়তে হয়েছিল। পরে অনুতিনের বিরুদ্ধেও অনাস্থা প্রস্তাবের হুমকি তৈরি হয়। তাই ডিসেম্বরে সংসদ ভেঙে নতুন নির্বাচনের ডাক দেন তিনি।

অনুতিনের নির্বাচনী প্রচারের মূল বিষয় ছিল অর্থনৈতিক প্রণোদনা ও জাতীয় নিরাপত্তা। প্রতিবেশী কম্বোডিয়ার সঙ্গে প্রাণঘাতী সীমান্ত সংঘর্ষের পর উসকে ওঠা জাতীয়তাবাদী আবেগকে তিনি রাজনৈতিকভাবে কাজে লাগান।

থাইল্যান্ডের তৃতীয় প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ফেউ থাই দলটি কারাবন্দি সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রা-সমর্থিত রাজনৈতিক ধারার সর্বশেষ রূপ। দলটি থাই রাক থাই পার্টির জনতাবাদী রাজনীতির উত্তরাধিকার বহন করছে এবং এই দলটি ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় ছিল এবং পরে সামরিক অভ্যুত্থানে উৎখাত হয়।

অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবন ও নগদ সহায়তার মতো প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রচার চালিয়েছে ফেউ থাই পার্টি। দলটি প্রধানমন্ত্রী পদে প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দিয়েছে থাকসিনের ভাতিজা ইয়োদচানান ওংসাওয়াতকে।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ব্রহ্মপুত্রে চিনের ৬০ হাজার মেগাওয়াটের মেগা ড্যাম প্রকল্প!
তিব্বতে ব্রহ্মপুত্র নদের উপরে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ জলবিদ্যুৎ প্রকল্প নির্মাণ করতে চলেছে চিন। প্রায় ৬০ হাজার মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন মেডোগ প্রকল্প নিয়ে ভারত শুরু থেকেই কৌশলগত ও পরিবেশগত উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে।
ব্রহ্মপুত্রে চিনের ৬০ হাজার মেগাওয়াটের মেগা ড্যাম প্রকল্প!
দাদির বাড়ি থেকে শটগান এনে স্কুলের সামনে গুলি ছুড়ল শিক্ষার্থী, আহত ১১
তুরস্কের পশ্চিমাঞ্চলে একটি উচ্চবিদ্যালয়ের সামনে এক বন্দুকধারীর চালানো গুলিতে অন্তত ১১ জন আহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সকালে মানিসা প্রদেশের তুরগুতলু জেলায় এ ঘটনা ঘটে। সন্দেহভাজন বন্দুকধারীকে আটক করেছে পুলিশ বলে বিবিসির প্রতিবেদনে জানা গেছে। মানিসা প্রদেশের গভর্নরের কার্যালয় জানিয়েছে, তুরগুতলু জেলার একটি ভোকেশনাল ও টেকনিক্যাল হাইস্কুলের সামনে এ হামলা হয়। খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ও চিকিৎসাকর্মীদের ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। তুরস্কের সংবাদমাধ্যম হাবেরতুর্ক জানিয়েছে, সন্দেহভাজন হামলাকারী ইনচি উজমেজ ভোকেশনাল অ্যান্ড টেকনিক্যাল আনাতোলিয়ান হাইস্কুল নামে ওই স্কুলেরই শিক্ষার্থী। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, সে তার দাদির বাড়ি থেকে নেওয়া একটি শটগান নিয়ে স্কুলের সামনে আসে। এরপর আশপাশে এলোপাতাড়ি গুলি চালিয়ে পায়ে হেঁটে পালানোর চেষ্টা করে। ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া সিসিটিভি ফুটেজে একজনকে স্কুলের কাছের একটি সড়কে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে দেখা গেছে। অন্য কয়েকটি ভিডিওতে তাকে অস্ত্র হাতে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যেতে দেখা যায়। তবে হামলার কারণ এখনো জানা যায়নি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে তুরস্কের বিচারমন্ত্রী আকিন গুরলেক বলেন, আহতদের হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। আহতদের মধ্যে অন্তত দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। বিচারমন্ত্রী গুরলেক আরও জানান, ঘটনাটি তদন্তে দুজন প্রধান কৌঁসুলিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। স্কুলে ওই শিক্ষার্থীকে হয়রানি বা নির্যাতন করা হয়েছিল কি না, সেই অভিযোগও তদন্ত করা হবে। তদন্তের অংশ হিসেবে সন্দেহভাজন হামলাকারীর মা-বাবা এবং তার দাদাকেও হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। অস্ত্রটির মালিক ছিলেন ওই দাদা। হামলার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর উদ্বিগ্ন অভিভাবকেরা দ্রুত স্কুলে ছুটে যান। তবে পুলিশ স্কুল ভবনে প্রবেশের পথ বন্ধ করে দিলে অভিভাবকদের সঙ্গে পুলিশের কয়েক দফা বাগ্‌বিতণ্ডা হয় বলে তুরস্কের সংবাদপত্র জুমহুরিয়েত জানিয়েছে। ঘটনার পর তুরস্কের শিক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, এই ঘটনায় ‘আমাদের জাতি এবং বিশেষ করে শিক্ষাঙ্গনের মানুষ গভীরভাবে মর্মাহত’। ঘটনা তদন্তে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তিনজন জাতীয় পর্যায়ের তদন্তকারীকে মানিসায় পাঠানো হয়েছে বলেও বিবৃতিতে জানানো হয়েছে। চলতি বছর তুরস্কে আরও দুটি স্কুলে গুলির ঘটনার কয়েক মাস পর এই হামলা হলো। গত সপ্তাহে নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরুর সময় দেশটির সরকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর নিরাপত্তা বাড়িয়েছিল। এপ্রিল মাসে দেশটির দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় সানলিউরফা প্রদেশের একটি উচ্চবিদ্যালয়ে সাবেক এক শিক্ষার্থী গুলি চালায়। এতে বেশির ভাগ শিক্ষার্থীসহ ১৬ জন আহত হন। পরে ওই হামলাকারী আত্মহত্যা করে। এর পরদিন কাছের কাহরামানমারাশ প্রদেশের একটি স্কুলের দুটি শ্রেণিকক্ষে গুলি চালায় ১৪ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থী। এতে আটজন শিক্ষার্থী ও একজন শিক্ষক নিহত হন। আহত হন আরও ১৩ জন। পরে পুলিশের গুলিতে ওই হামলাকারী নিহত হয়। আরটিভি/এসআর
দাদির বাড়ি থেকে শটগান এনে স্কুলের সামনে গুলি ছুড়ল শিক্ষার্থী, আহত ১১
এশিয়ায় আলাদা নতুন মুসলিম রাষ্ট্র গঠনের ঘোষণা!
থাইল্যান্ডের মুসলিম অধ্যুষিত (মালয় ভাষী) দক্ষিণাঞ্চলের আলাদা স্বাধীন ইসলামিক দেশ না গড়া পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়া হবে বলে জানিয়েছে বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী ‘বারিসান রেভোলুসি ন্যাশনাল (বিআরএন)’।  সম্প্রতি বার্তাসংস্থা এএফপিকে দেওয়া এক  সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন দলটির প্রতিনিধি দলের মুখপাত্র নিকামাতুল্লাহ সেরি। তিনি জানান, যতদিন আমাদের লক্ষ্য অর্জিত না হচ্ছে, আমরা লড়াই চালিয়ে যাব। সময় শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত লড়াই চলবে। ১৯৬০ সাল থেকে থাইল্যান্ডের মুসলিম অধ্যুষিত অঞ্চলে ইসলামিক দেশ গঠনের জন্য লড়ে যাচ্ছে বারিসান রেভোলুসি ন্যাশনালের যোদ্ধারা। মাঝে এটি থেমে গেলেও ২০০৪ সাল থেকে তারা নতুন করে আবারও লড়াই শুরু করেন। তাদের থামাতে ২০১৩ সাল থেকে মালয়েশিয়ার মধ্যস্থতায় থাইল্যান্ড বারিসান রেভোলুসি ন্যাশনালের সঙ্গে আলোচনা করছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে আলোচনা থমকে গেছে। বিশেষ করে গত জুলাইয়ে এই বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীর সঙ্গে আলোচনা বাতিল করে ব্যাংকক সরকার। ওই সময় মুসলিম অঞ্চলটিতে পাঁচ থাই নাগরিক নিহত হন। এতে করে দুই পক্ষের মধ্যে সম্পর্ক খারাপ হয়ে যায়। মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালামপুরের একটি হোটেলে বসে দেওয়া এ সাক্ষাৎকারে নিকামাতুল্লাহ আরও বলেছেন, আমাদের লক্ষ্য একই রয়ে গেছে। সেটি হলো স্বাধীনতার দাবি। থাইল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলে আগে মালয়-মুসলিম পাতানি সুলতানাতের শাসন ছিল। তবে ১৯০০ সালের শুরুর দিকে বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠ থাইল্যান্ড এ অঞ্চলটি অধিগ্রহণ করে। ওই সময় থাইল্যান্ডের নাম ছিল সিয়াম। ২০০৪ সাল থেকে এই স্বাধীনতা সংগ্রামে ৭ হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। যারমধ্যে স্থানীয় যোদ্ধা, দেশটির নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্য ও বেসামরিক মানুষ রয়েছেন। সম্প্রতি সেখানে আবারও উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। তবে নিকামাতুল্লাহ এর পেছনে তার দলের সংশ্লিষ্টতার কথা স্বীকার করেননি আবার প্রত্যাখ্যানও করেননি। নিকামাতুল্লাহ বলেছেন, তারা দক্ষিণাঞ্চলে আলাদা স্বাধীন দেশ করে সেখানকার রাজনৈতিক ক্ষমতা চান। এরপর সেখানে শরিয়াহ আইন প্রতিষ্ঠা করা হবে। যা শুধুমাত্র মুসলিমদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হবে। এরপর ১০ বছর পর গণতান্ত্রিক উপায়ে নেতৃত্ব বাছাইয়ের সুযোগ দেওয়া হবে বলে জানান তিনি। নিকামাতুল্লাহ বলেন, আমরা রাজনৈতিক ক্ষমতা চাই। আমাদের দক্ষিণাঞ্চলে (মালয়েশিয়ার সীমান্তবর্তী চারটি প্রদেশ) সরকার চালাতে দেওয়া উচিত। এটি শরিয়াহ পুলিশ ও আদালত দিয়ে চলবে। তবে শুধুমাত্র মুসলিমদের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য হবে। আরটিভি/এসআর
এশিয়ায় আলাদা নতুন মুসলিম রাষ্ট্র গঠনের ঘোষণা!
টাইফুন দুজুয়ানের তাণ্ডব: নিহত ২, বিদ্যুৎহীন ৫০ হাজারের বেশি মানুষ
প্রবল শক্তি নিয়ে জাপানে আঘাত হেনেছে টাইফুন দুজুয়ান। শক্তিশালী এই ঝড়ে এখন পর্যন্ত দুজন নিহত হয়েছেন। নিখোঁজ রয়েছেন আরও চারজন।
টাইফুন দুজুয়ানের তাণ্ডব: নিহত ২, বিদ্যুৎহীন ৫০ হাজারের বেশি মানুষ
জাপানের দিকে ধেয়ে যাচ্ছে শক্তিশালী টাইফুন ‘দুজুয়ান’, বন্যা ও ভূমিধসের শঙ্কা
জাপানের প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলের দিকে দ্রুত ধেয়ে আসছে শক্তিশালী টাইফুন ‘দুজুয়ান’।
জাপানের দিকে ধেয়ে যাচ্ছে শক্তিশালী টাইফুন ‘দুজুয়ান’, বন্যা ও ভূমিধসের শঙ্কা
আরও পড়ুন
এশিয়ায় আলাদা নতুন মুসলিম রাষ্ট্র গঠনের ঘোষণা!
সিরাম ছাড়াই ত্বকের টানটান ভাব ধরে রাখার উপায়
চাকরির কথা বলে ২০ হাজারে বিক্রি, থাইল্যান্ডের পর মালয়েশিয়ায় পাচার
যুক্তরাষ্ট্রের কর্মী ভিসায় আসছে বড় পরিবর্তন!