ঢাকা শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩

ড্রোন হামলার চেষ্টা, মিয়ানমারের দ্বিতীয় ব্যস্ততম বিমানবন্দর বন্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:২৪ পিএম
ছবি: আলজাজিরা

ড্রোন হামলার চেষ্টার অভিযোগে মিয়ানমারের দ্বিতীয় ব্যস্ততম বিমানবন্দরের বিমান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। দেশটির জান্তা সরকারের দাবি, বিমানবন্দরটিতে ড্রোন হামলার চেষ্টা করেছে বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলো।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) আল জাজিরার প্রাতবেদনে বলা হয়েছে, মিয়ানমার এয়ারওয়েজ ইন্টারন্যাশনাল বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টম্বের) রাতে ফেসবুকে এক বিবৃতিতে জানায়, মান্দালয়ের তাদা-উ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ১১ ও ১২ সেপ্টেম্বরের সব আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটগুলো পরিচালনাগত কারণে কাছের একটি বিমানবন্দরে স্থানান্তর করা হচ্ছে বলেও জানানো হয়েছে বিবৃতিতে।

দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম গ্লোবাল নিউ লাইট অব মিয়ানমারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পিপলস ডিফেন্স ফোর্সের একটি হামলার চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী। ওই গণতন্ত্রপন্থি বিদ্রোহী গোষ্ঠী বিমানবন্দরটিতে ছয়টি ‘আত্মঘাতী ড্রোন’ ছুড়েছিল বলে দাবি করা হয়েছে।

সংবাদপত্রটি জানায়, হামলার কারণে সাময়িকভাবে কিছু অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের কার্যক্রম ব্যাহত হয়। তবে কোনো হতাহতের ঘটনা বা যানবাহন কিংবা বিমান রানওয়ের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

এদিকে স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিমানবন্দরে থাকা সামরিক যুদ্ধবিমানগুলোকে লক্ষ্য করে প্রতিরোধ যোদ্ধারা হামলা চালাচ্ছিল। তবে এ তথ্য আল জাজিরা বা অন্য কোনো সংবাদ সংস্থা স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি।

২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে অং সান সু চির নেতৃত্বাধীন নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকেই মিয়ানমারে সংঘাত চলছে। এরপর দেশজুড়ে প্রতিরোধ আন্দোলন গড়ে ওঠে, যা পরে সেনাবাহিনী ও বিভিন্ন সশস্ত্র জাতিগত ও গণতন্ত্রপন্থি গোষ্ঠীর মধ্যে গৃহযুদ্ধে রূপ নেয়।

মিয়ানমারের সাবেক সামরিক সরকারের প্রধান মিন অং হ্লাইংকে পাঁচ বছর সেনাশাসনের পর এপ্রিল মাসে সামরিক-সমর্থিত পার্লামেন্ট প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত করে। এর মাধ্যমে ক্ষমতার ওপর তার নিয়ন্ত্রণ আরও সুদৃঢ় হয়।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বিয়েতে আগ্রহ হারাচ্ছে চীনারা, ঘটনা কী
চীনে চলতি বছরের প্রথম ৯ মাসে বিয়ের হার আশঙ্কাজনকভাবে কমে ১৮ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। দেশটিতে সন্তান জন্মদান প্রক্রিয়া বিয়ের সাথে গভীরভাবে সম্পর্কিত হওয়ায় এই বড় ধস নতুন করে জনসংখ্যা হ্রাস ও অর্থনৈতিক উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) চীনের বেসামরিক বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত তথ্যের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ইকাই। ইকাই জানায়, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত দেশটিতে মোট ৪৬ লাখ ৫০ হাজার যুগল বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। একই সময়ে বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন করেছেন ২০ লাখ ৮০ হাজার যুগল। সন্তান জন্মদান ও বিয়ে বাড়াতে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চীনা কর্তৃপক্ষ একাধিক প্রণোদনামূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। যার মধ্যে রয়েছে পারিবারিক ভর্তুকি, শিশু লালন-পালনে সহায়তা এবং সন্তান জন্মদান সংক্রান্ত চিকিৎসা খরচ কমানোর মতো উদ্যোগ।  এছাড়া যুব সমাজ, শিশু ও পরিবারের জীবনযাত্রা আরও সহজ করতে নগর পরিকল্পনা, আবাসন, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা এবং জনসেবামূলক খাতগুলোতে যুব উন্নয়ন কর্মসূচি যুক্ত করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। তবে এসব সরকারি উদ্যোগ ও প্রচেষ্টা সত্ত্বেও চীনে বর্তমানে শিশুদের চেয়ে বয়স্ক মানুষের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। ফলে দেশের ওপর বয়স্কদের নির্ভরতার অনুপাত শিশুদের ছাড়িয়ে গেছে। ২০২৫ সালে টানা চতুর্থ বছরের মতো চীনের মোট জনসংখ্যা কমেছে এবং জন্মহার এযাবৎকালের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। ডেমোগ্রাফার বা জনসংখ্যা বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে জানিয়েছেন, এই জনসংখ্যা হ্রাসের প্রবণতা ভবিষ্যতে আরও তীব্র হতে পারে। এদিকে জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, দীর্ঘমেয়াদে চীনের ১৫ থেকে ৪৯ বছর বয়সী সন্তান প্রজননক্ষম নারীর সংখ্যা মারাত্মকভাবে কমবে। শতাব্দীর শেষ নাগাদ এই বয়সী নারীর সংখ্যা দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি কমে ১০ কোটির নিচে নেমে আসবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। আরটিভি/এসআর  
বিয়েতে আগ্রহ হারাচ্ছে চীনারা, ঘটনা কী
রাশিয়ার তেলবাহী জাহাজ চালিয়ে ব্রিটেনে আটক ভারতীয় নাবিক
রাশিয়ার ওপর পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে তেল পরিবহনের অভিযোগে আন্তর্জাতিক জলসীমা থেকে একটি জাহাজ জব্দ করেছে যুক্তরাজ্য।
রাশিয়ার তেলবাহী জাহাজ চালিয়ে ব্রিটেনে আটক ভারতীয় নাবিক
বৈঠকে পুতিনের হাতে খামেনির গোপন চিঠি তুলে দিলেন ইরানের নিরাপত্তাপ্রধান
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের মধ্যে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ইরানের নিরাপত্তাপ্রধান মোহসেন রেজায়ি।
বৈঠকে পুতিনের হাতে খামেনির গোপন চিঠি তুলে দিলেন ইরানের নিরাপত্তাপ্রধান
হরমুজ প্রণালিতে ভারত-চীনসহ ৪ দেশের জাহাজ চলাচলে ছাড় দিল ইরান
ইরানের গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালিতে চলাচলের ওপর আরোপিত বিধিনিষেধ থেকে ভারত, চীন, ইরাক ও কাতারের জাহাজকে ছাড় দেওয়া হয়েছে।
হরমুজ প্রণালিতে ভারত-চীনসহ ৪ দেশের জাহাজ চলাচলে ছাড় দিল ইরান
ইরানকে ৯০টি অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার দিতে রাজি রাশিয়া
ইরানের কাছে ৯০টি অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা বিক্রিতে সম্মতি দিয়েছে রাশিয়া। হেলিকপ্টার থেকে পরিচালিত এসব লঞ্চারের মাধ্যমে নির্ভুল লক্ষ্যভেদী ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা সম্ভব। ইউক্রেন যুদ্ধে রুশ বাহিনীও এ ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের (এফটি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাশিয়ার প্রতিরক্ষা শিল্পের ২০২৪ ও ২০২৫ সালের উৎপাদনসংক্রান্ত নথিতে ‘এপিইউ-এল’ মডেলের ৯০টি লঞ্চার রপ্তানির আদেশের তথ্য রয়েছে। সেখানে ক্রেতার নাম সরাসরি উল্লেখ না করে ‘কে-১০’ সাংকেতিক পরিচয় ব্যবহার করা হয়েছে।  রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় অস্ত্র রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের নথিতে এই সংকেত দিয়ে ইরানকে বোঝানো হয়েছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়। তবে এসব সরঞ্জাম ইতোমধ্যে ইরানের কাছে পৌঁছেছে কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। লঞ্চারগুলো রাশিয়ার এমআই-২৮ মডেলের আক্রমণকারী হেলিকপ্টারে স্থাপন করা যায়। প্রতিটি লঞ্চারে দুটি করে ‘এলএমইউআর’ নির্ভুল লক্ষ্যভেদী ক্ষেপণাস্ত্র বহনের সক্ষমতা রয়েছে। আকাশে উড্ডয়নের সময়ও এসব ক্ষেপণাস্ত্রের গতিপথ পরিবর্তন করা যায়। ফলে চলমান লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার সুযোগ তৈরি হয়। এফটির প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ইরানের সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিতেও প্রযুক্তিগত সহায়তা দিয়েছে মস্কো। ‘সি৪৩০এল’ নামের একটি গোপন প্রকল্পের আওতায় রুশ প্রকৌশলীরা ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের ইঞ্জিন ও জ্বালানি ব্যবস্থার উন্নয়নে কাজ করেছেন। সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তি ভবিষ্যতে পারস্য উপসাগরে মোতায়েন করা মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলোর জন্য নিরাপত্তাঝুঁকি তৈরি করতে পারে। ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যবহারের জন্য এর আগে ইরানের কাছ থেকে শাহেদ ড্রোন সংগ্রহ করেছিল রাশিয়া। পাশাপাশি ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতেও সহযোগিতা করছে মস্কো। বিশ্লেষকদের ধারণা, সামরিক ক্ষেত্রে দুই দেশের সম্পর্ক ক্রমেই ঘনিষ্ঠ হলেও মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে সরাসরি অংশ নেওয়ার বিষয়ে সতর্ক রাশিয়া। যুক্তরাষ্ট্র ও মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য প্রভাবশালী শক্তির সঙ্গে কূটনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখাই ক্রেমলিনের অন্যতম লক্ষ্য।  এ কারণে রুশ সামরিক সহায়তায় ইরানের সক্ষমতা বাড়ার সম্ভাবনা থাকলেও তা আঞ্চলিক সংঘাতের সামগ্রিক পরিস্থিতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনবে কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। আরটিভি/এসআর  
ইরানকে ৯০টি অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার দিতে রাজি রাশিয়া
আরও পড়ুন
স্পেনে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ৬৮, তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক
রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীরাঙ্গনা ফুলমতির শেষ বিদায়
শিক্ষাক্ষেত্রে অবদান রাখা ব্যক্তিদের রাষ্ট্রীয়ভাবে মূল্যায়নের আহ্বান রাষ্ট্রপতির
রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনে সম্পূর্ণ দলনিরপেক্ষভাবে কাজ করব: রাষ্ট্রপতি