
ভারতের বেঙ্গালুরুতে অনলাইনে অর্ডার করা পাও ভাজির সঙ্গে দেয়া কুচি করা পেঁয়াজের মধ্যে মিলেছে একটি পাতার বিড়ির অবশিষ্টাংশ। এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হাস্যরসের পাশাপাশি খাবারের স্বাস্থ্যবিধি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অনেকে।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রিয়ম তাহাবিলদার নামের এক ব্যক্তি জোম্যাটোকে ট্যাগ করে লিঙ্কডইনে লেখেন, তিনি পাও ভাজি অর্ডার করেছিলেন, আর এর সঙ্গে ‘ফ্রি’ পেয়েছেন একটি বিড়ি। তবে সেটি পুরোপুরি ধূমপান করা ছিল। এমন ‘ফ্রি উপহার’ তিনি চাননি বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
পোস্টের সঙ্গে দেয়া ছবিতে দেখা যায়, খাবারের সঙ্গে থাকা কুচি করা পেঁয়াজের মধ্যে পড়ে আছে পাতার বিড়ির অবশিষ্টাংশ।
ঘটনাটি জানার পর জোম্যাটো তাহাবিলদারকে অর্ডারের বিস্তারিত তথ্য শেয়ার করতে বলে। কমেন্টে প্রতিষ্ঠানটি জানায়, বিষয়টি তদন্ত করতে তার অর্ডার আইডি ডিএমে পাঠাতে হবে।
পরে এক আপডেটে তাহাবিলদার জানান, পরবর্তী অর্ডারের জন্য জোম্যাটো তাকে ১০০ রুপির একটি কুপন দেয়ার প্রস্তাব দিয়েছে।
এদিকে ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ রসিকতা করে লিখেছেন, রেস্তোরাঁ হয়তো তার অভ্যাস সম্পর্কে জানত। আবার কেউ মন্তব্য করেছেন, খাবারে ‘অতিরিক্ত স্মোকি ফ্লেভার’ যোগ করা হয়েছে।
তবে কয়েকজন ব্যবহারকারী বিষয়টিকে হাসির বদলে গুরুতর হিসেবে দেখেছেন। তাদের মতে, এমন ঘটনা খাবার প্যাকেট করার সময় স্বাস্থ্যবিধি ও কর্মীদের সতর্কতার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তোলে।
একজন মন্তব্যকারী বলেন, খাবার প্যাক করার দায়িত্ব সাধারণত রেস্তোরাঁর, জোম্যাটোর নয়। আরেকজন অনুমান করেন, হয়তো খাবার প্যাক করার সময় কোনো কর্মী বিড়ি খাচ্ছিলেন এবং ভুল করে সেটি খাবারের সঙ্গে প্যাক করে ফেলেছেন।
ঘটনাটি নিয়ে একজন আবার রসিকতা করে একে ‘মৌসুমি অফার’ বলে মন্তব্য করেন।
আরটিভি/এসকে


