ঢাকা শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩

দিল্লিতে ব্যাপক ধরপাকড়, আটক অন্তত ৫ হাজার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩০ পিএম
দিল্লিতে নারী বিক্ষোভকারীকে ধরে নিয়ে যাচ্ছে পুলিশরা। ছবি: এএফপি

ভারতের রাজধানী দিল্লিতে বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ধরপাকড় চালিয়ে অন্তত পাঁচ হাজার বিক্ষোভকারীকে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (১০ অক্টোবর) সকালে দিল্লিতে পৌঁছনো মাত্রই আটক করা হয় ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে, ছাত্রসংগঠন অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (এআইএসএ) কেন্দ্রীয় সভাপতি নেহা বোরা, জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠি, পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, আম আদমি পার্টির (এএপি) নেতা ও দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালসহ সহস্রাধিক বিক্ষোভকারীকে।

একটি প্রতিবেদনে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দু।

কোনো ধরনের উসকানি ছাড়াই সংগঠনটির শীর্ষ নেতাদের আটক করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এরই মধ্যে দিল্লির নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় ইন্টারনেট ও যোগাযোগব্যবস্থা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বন্ধ রাখা হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ মেট্রো স্টেশনগুলোও।

কার্যত লকডাউন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে রাজধানী দিল্লিতে। বিক্ষোভ কর্মসূচি বানচাল করতেই এসব পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ আন্দোলনকারীদের। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) এবং ভোটার নিবন্ধনের ফরম ৬-সংক্রান্ত পরিবর্তনের সময় ভোটার তালিকায় কারচুপির অভিযোগ তুলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে সিজেপি।

সিজেপির দাবি, শনিবারের বিক্ষোভের আগে ভারতের রাজধানীসহ বিভিন্ন রাজ্যে অভিযান চালিয়ে হাজার হাজার মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দলের অভিযোগ, শীর্ষ নেতাদের পাশাপাশি কর্মী-সমর্থকদেরও আটক করছে পুলিশ।

বিক্ষোভ ঘিরে দেশটিতে শত শত ট্রেনের চলাচল বাতিল এবং বেশ কয়েকটি মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখা হয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে দিল্লিতে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর (সিএপিএফ) ২০ হাজারের বেশি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, দেরিতে আবেদন জমা দেওয়া এবং আগের বিক্ষোভে নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগে সিজেপির কর্মসূচির অনুমতি দেওয়া হয়নি। বিক্ষোভের মাত্র তিন দিন আগে, গত ৭ অক্টোবর অনুমতির আবেদন জমা দেওয়া হয়েছিল। নিয়ম অনুযায়ী, এ ধরনের আবেদন অন্তত ১০ দিন আগে জমা দিতে হয়।

আরটিভি/এসআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
মোদি সরকারকে অভিনেতা প্রকাশ রাজের বার্তা, ‘খেলা শুরু হয়ে গেছে’
দিল্লিতে শিক্ষার্থীদের অধিকার ও শিক্ষা সংক্রান্ত বিভিন্ন দাবিতে আন্দোলনরত এর বিক্ষোভকারীদের ওপর পুলিশের ধরপাকড়, ব্যারিকেড ও মেট্রো স্টেশন বন্ধ করায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সরকারের তীব্র সমালোচনা করেছেন অভিনেতা ও সমাজকর্মী প্রকাশ রাজ। শনিবার (১০ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মোদি সরকারকে উদ্দেশ্য করে রাজ লিখেছেন, ‘খেলা শুরু হয়ে গেছে।’  সেই সঙ্গে তিনি প্রধানমন্ত্রী মোদিকে উদ্দেশ্য করে প্রশ্ন তোলেন, ‘আপনি এত ভয় পাচ্ছেন কেন? কেন কাঁপছেন?’ এমনকি রসাত্মক ভঙ্গিতে তার অভিনীত ‘সিংহাম’ সিনেমার জনপ্রিয় সংলাপ ধার করে বলেন— ‘চিটিং করতা হ্যায় তু’ (তুমি প্রতারণা করছ)। দিল্লির যন্তর মন্তরের এই ছাত্র বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে প্রকাশ রাজ ছাড়াও পরিচালক অনুরাগ কাশ্যপসহ বিনোদন ও সামাজিক অঙ্গনের একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব মোদি সরকারের দমনপীড়নের বিরুদ্ধে রাজপথে ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন। জানা গেছে, ভারতের রাজধানী দিল্লিতে বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ধরপাকড় চালিয়ে অন্তত পাঁচ হাজার বিক্ষোভকারীকে আটক করেছে পুলিশ। সকালে দিল্লিতে পৌঁছনো মাত্রই আটক করা হয় ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে, ছাত্রসংগঠন অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (এআইএসএ) কেন্দ্রীয় সভাপতি নেহা বোরা, জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠি, পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, আম আদমি পার্টির (এএপি) নেতা ও দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালসহ সহস্রাধিক বিক্ষোভকারীকে। আরটিভি/এসআর
মোদি সরকারকে অভিনেতা প্রকাশ রাজের বার্তা, ‘খেলা শুরু হয়ে গেছে’
এবার আটক মহাত্মা গান্ধীর প্রপৌত্র তুষার গান্ধী
মহাত্মা গান্ধীর প্রপৌত্র তুষার গান্ধীকে আটক করেছে পুলিশ। তার মেয়ে কস্তুরী গান্ধী জানিয়েছেন, তুষার গান্ধীকে আটক করে মুম্বাইয়ের আন্ধেরি পশ্চিমের ডিএন নগর থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
এবার আটক মহাত্মা গান্ধীর প্রপৌত্র তুষার গান্ধী
‘তেলাপোকা পার্টির’ আন্দোলনের নতুন নেতা অজিঙ্কা শিন্ডের পরিচয়
ভারতে নির্বাচনি অনিয়মের অভিযোগে প্রতিবাদ কর্মসূচি ঘিরে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকেসহ শীর্ষ নেতারা আটক হয়েছেন। তাদের অনুপস্থিতিতে দিল্লিতে প্রতিবাদ কর্মসূচি ও দলের আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়ার দায়িত্ব পেয়েছেন মহারাষ্ট্রের ৩৫ বছর বয়সী অজিঙ্কা শিন্ডে। দায়িত্ব পেয়েই সমর্থকদের দিল্লির যন্তর মন্তরের দিকে এগিয়ে যেতে এবং পুলিশ যেখানে বাধা দেবে, সেখানেই প্রতিবাদ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। এক বিবৃতিতে শিন্ডে বলেন, আমাদের ঐক্য দেখে সরকার ভয় পাচ্ছে। দয়া করে যন্তর মন্তরে আসুন। পুলিশ যদি আপনাদের বাধা দেয়, সেই জায়গাকেই যন্তর মন্তরে পরিণত করুন। এক প্রতিবেদনে এনডিটিভি জানিয়েছে, ৩৫ বছর বয়সী অজিঙ্কা শিন্ডে মহারাষ্ট্রের বাসিন্দা। কম্পিউটার বিজ্ঞানে স্নাতক শেষ করে তিনি পুনেতে একটি আন্তর্জাতিক তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। পরে চাকরি ছেড়ে আম আদমি পার্টিতে (এএপি) কর্মী হিসেবে যোগ দেন। তার বাবা-মা আলিবাগে কৃষিকাজ করতেন। পরে তারা লাতুরে বসতি গড়েন। অভিজিৎ দীপকের সঙ্গে শিন্ডের পরিচয় দীর্ঘদিনের। তাদের প্রথম দেখা হয়েছিল ২০১৬ সালে গোয়ায়। এরপর থেকে তারা একসঙ্গে কাজ করছেন। এএপিতে যোগ দেওয়ার পর শিন্ডে পিম্পরি-চিঞ্চওয়াড় অঞ্চলে দলের আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেন। পরে চাকরি ছেড়ে রাজনীতিতে পুরোপুরি যুক্ত হন। এরপর এক বছর গোয়ার নির্বাচনি প্রচারে কাজ করেন।  তবে সেখানে এএপির জন্য কোনো আসন নিশ্চিত করতে পারেননি। পরে তিনি এএপির মহারাষ্ট্র শাখায় যোগ দেন। সেখানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমবিষয়ক সমন্বয়ক এবং দলের যুব শাখার মহারাষ্ট্র আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, চলতি বছরের আগস্টে অভিজিৎ দীপকে শিন্ডেকে সিজেপির জাতীয় পর্যায়ের দলে অন্তর্ভুক্ত করেন। তাকে দলের জাতীয় সাংগঠনিক কার্যক্রমের দায়িত্বও দেওয়া হয়। তবে সিজেপির জাতীয় নির্বাহী কমিটিতে শিন্ডের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল।  গুজরাটের দুই স্বেচ্ছাসেবক দীপকের বিরুদ্ধে ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের অগ্রাধিকার দেওয়ার অভিযোগ তুলেছিলেন। দলের নেতৃত্বের ক্রমে দীপক, আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসের পরেই শিন্ডের অবস্থান। চলতি বছরের জুলাইয়ে প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ ঘিরে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে এই তিন নেতা দলের পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছিলেন। শীর্ষ তিন নেতার আটকের পর শিন্ডেকে আন্দোলনের দায়িত্ব দেওয়াকে তার সাংগঠনিক অবস্থানের গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। আরটিভি/এসআর
‘তেলাপোকা পার্টির’ আন্দোলনের নতুন নেতা অজিঙ্কা শিন্ডের পরিচয়
মোদি সরকারের পতন অনিবার্য: রাহুল গান্ধী
প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার এবং নরেন্দ্র মোদি সরকারের পতন ঘটানোর পর ভারতে গণতন্ত্রের মেরামত শুরু হবে বলে মন্তব্য করেছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী।  শনিবার (১০ অক্টোবর) সামাজিক মাধ্যম এক্সে ‘ইন্ডিয়া’ জোটের এমপিদের উদ্দেশে দেওয়া একটি ভিডিও বক্তব্য শেয়ার করে রাহুল গান্ধী বলেন, ‘জ্ঞানেশ কুমার ও এই সরকার উভয়কেই বিদায় নিতে হবে, তবেই দেশে গণতন্ত্র আবার ফিরে আসবে।’ এর আগে শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সংবিধান সদনের সেন্ট্রাল হলে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের চেয়েও সংকটটি অনেক বড় এবং এর মূল সমাধান লুকিয়ে আছে বর্তমান সরকারের পতনের মধ্যে। বিরোধী দলগুলো যদি গত কয়েক দিনের মতো ঐক্যবদ্ধ চাপ ধরে রাখতে পারে, তবে এ সরকারের বিদায় নিশ্চিত। লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী বলেন, ‘জ্ঞানেশ কুমারের চেয়েও অনেক গভীর সমস্যা আছে। এর জন্য বর্তমান সরকারের পতন প্রয়োজন।’  এটি এমন বিষয় যার জন্য লড়াই করা যায়, জীবন দেওয়া যায় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা যদি গত তিন-চার দিনে যেভাবে চাপ সৃষ্টি করেছি, তা বজায় রাখি, তাহলে আমি গ্যারান্টি দিচ্ছি এই সরকার পড়ে যাবে।’ তিনি দাবি করেন, বিরোধীদের এই প্রতিবাদ সরকারের ভিত্তিকে কাঁপিয়ে দিয়েছে। সরকার এখন ভীতসন্ত্রস্ত। এদিকে ভোটার তালিকার এসআইআর কার্যক্রমসংক্রান্ত সিদ্ধান্ত ও আদেশের বিরুদ্ধে ১০ মাসে অন্তত ১৪ বার দুই নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু ও বিবেক জোশির আপত্তি জানানোর বিষয়ে ‘দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’-এর একটি প্রতিবেদন প্রকাশের পর থেকেই নির্বাচন কমিশন বিরোধীদের তীব্র আক্রমণের মুখে পড়েছে।  দুই কমিশনারের এই আপত্তির মুখে নির্বাচন কমিশন দাবি করেছে, যেকোনো প্রতিষ্ঠানে ভিন্নমত ও পর্যবেক্ষণ স্বাভাবিক আলোচনার অংশ। তাদের সব আদেশের পূর্ণ আইনি বৈধতা রয়েছে এবং তা প্রতিষ্ঠিত সংবিধিবদ্ধ প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে সরকারের কড়া নিরাপত্তা ও দিল্লিজুড়ে কঠোর বিধিনিষেধের তীব্র সমালোচনা করে কংগ্রেস নেতা কে সি ভেনুগোপাল এক্স-এ এক পোস্টে বলেন, ‘মোদি-শাহ প্রশাসন আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের নিজস্ব জনগণের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে।’ ভেনুগোপাল আরও বলেন, ‘সব ট্রেন বন্ধ, ৫৭টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ, গণগ্রেপ্তার, লকডাউনে পরিণত হয়েছে দিল্লি, মোতায়েন করা হয়েছে সিআরপিএফ। মোদি-শাহ প্রশাসন আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের নিজস্ব জনগণের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। একজন একনায়কের বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ অহিংস আন্দোলন ও সত্যাগ্রহকে অত্যন্ত নির্মম ও দমনমূলক কায়দায় গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।’ আরটিভি/এসআর
মোদি সরকারের পতন অনিবার্য: রাহুল গান্ধী
ভারতে অঘোষিত জরুরি অবস্থা চলছে: সোনম ওয়াংচুক
ভারতে অঘোষিত জরুরি অবস্থা চলছে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষাবিদ এবং পরিবেশকর্মী সোনম ওয়াংচুক।
ভারতে অঘোষিত জরুরি অবস্থা চলছে: সোনম ওয়াংচুক
আরও পড়ুন
মোদি সরকারকে অভিনেতা প্রকাশ রাজের বার্তা, ‘খেলা শুরু হয়ে গেছে’
ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনে তারকাদের সংহতি
মমতার পর এবার আটক দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল
দিল্লিতে এবার আটক তরুণদের মুখপাত্র নেহা বোরা