ঢাকা শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

নদীতে ডুব দিয়ে পানি খাওয়ার পর যমুনাকে ‘দূষণমুক্ত’ বললেন বিজেপি নেতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১৯ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

নদীর দূষণ নিয়ে ভারতে রাজনৈতিক চলমান বিতর্কের মধ্যে এবার রাজধানী নয়াদিল্লির যমুনা নদীতে ডুব দিয়ে পানি পরিষ্কার বলে দাবি করেছেন বিজেপির সংসদ সদস্য মনোজ তিওয়ারি।

দেশটির সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বলছে, ‘তিনি শুধু ডুবই দেননি, নদীর পানি হাতে নিয়ে পানও করেছেন’। তার দাবি, গত দেড় বছরে বিজেপি সরকারের উদ্যোগে যমুনার দূষণ প্রায় অর্ধেক কমেছে।

তবে পরিবেশগত তথ্য বলছে, নদীর কয়েকটি অংশে দূষণের মাত্রা এখনো নির্ধারিত সীমার অনেক ওপরে। বৃহস্পতিবার দিল্লির সোনিয়া বিহার ঘাটে যমুনায় ডুব দেন উত্তর-পূর্ব দিল্লির এই সংসদ সদস্য।

মনোজ তিওয়ারি বলেন, নদীতে পরিযায়ী পাখির উপস্থিতিই প্রমাণ করে যে পানির মানের উন্নতি হয়েছে। এখানে কুমির থাকতে পারে, তবে কুমির শুধু পরিষ্কার পানিতেই থাকে।

নদী পরিষ্কারে বিজেপি সরকারের উদ্যোগের প্রশংসা করে তিনি আম আদমি পার্টির (এএপি) বিরুদ্ধে ব্যর্থতার অভিযোগ তোলেন। বলেন, যমুনার পানি এখন ছটপূজার জন্য ব্যবহার করা সম্ভব।

এদিকে বিজেপি দিল্লি শাখা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দাবি করেছে, তাদের সরকার দুই বছরে যমুনা পরিষ্কারে যে কাজ করেছে, কংগ্রেস ও এএপি ২৭ বছরেও তা করতে পারেনি। একই সঙ্গে সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে যমুনায় ডুব দেওয়ার চ্যালেঞ্জ জানায় দলটি।

আরটিভি/এসআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ইরানের শর্ত না মানলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনা নয়: গালিবাফ
ইরানের দেওয়া সাতটি শর্ত মেনে না নিলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় অগ্রগতি হবে না বলে জানিয়েছেন দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে তিনি এ কথা বলেন। বাঘের গালিবাফ বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধে চলমান আলোচনায় কোনো অগ্রগতি অর্জন করতে হলে ইরানের সাতটি শর্ত মেনে নিতে হবে। এক্স পোস্টে গালিবাফ বলেন, ইরানের শর্তগুলো মধ্যস্থতাকারীদের কাছে বারবার এবং স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, চাপ প্রয়োগ ও প্রলোভন দেখানোর কৌশলে ইরান প্রভাবিত হবে না। আলোচনায় অগ্রগতি কেবল তখনই সম্ভব, যখন ইরানের সাতটি শর্ত মেনে নেওয়া হবে। সূত্র: মেহের আরটিভি/এসআর
ইরানের শর্ত না মানলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনা নয়: গালিবাফ
ভারতের নিষিদ্ধ পল্লি থেকে ৬ বাংলাদেশি তরুণী উদ্ধার
ভালো চাকরির লোভ দেখিয়ে ভারতে পাচার করার পর পুনের কুখ্যাত যৌনপল্লিতে বিক্রি করে দেওয়া ছয় বাংলাদেশি নারীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (২৮ অক্টোবর) ভোরে মহারাষ্ট্রের পুনে শহরের বুধবার পেথ এলাকার একাধিক নিষিদ্ধ পল্লিতে সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে তাদের উদ্ধার করা হয়।  এ ঘটনায় মানবপাচার ও জোরপূর্বক দেহব্যবসায় বাধ্য করার অভিযোগে চার দালালের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুনে পুলিশের ডেপুটি কমিশনার (জোন-১) ঋষিকেশ রাওয়ালের নির্দেশে ফারাসখানা, বিশ্রামবাগ এবং খাদক থানার সমন্বয়ে একটি বিশেষ যৌথ দল গঠন করা হয়। দলটি বুধবার ভোরে বুধবার পেথ এলাকার নির্দিষ্ট কয়েকটি যৌনপল্লিতে একযোগে ঝটিকা অভিযান চালায় এবং বন্দিদশা থেকে এই ছয় নারীকে উদ্ধার করে। উদ্ধার অভিযানের পর ফারাসখানা থানা-পুলিশ মানবপাচার চক্রের চার সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে। ইতিমধ্যে চক্রের দুই দালালকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। চিহ্নিত অন্য দুই অভিযুক্ত পলাতক থাকায় তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। উদ্ধার হওয়া নারীদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, প্রায় চার মাস আগে ভালো বেতনে কাজের প্রলোভন দেখিয়ে তাদের বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে সীমান্ত পার করে ভারতে আনা হয়। ভুক্তভোগীদের কারও কাছেই কোনো বৈধ পাসপোর্ট বা পরিচয়পত্র ছিল না। মুম্বাইসহ ভারতের বিভিন্ন আধুনিক শহরে আকর্ষণীয় চাকরির মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে শেষ পর্যন্ত তাদের পুনেতে এনে নিষিদ্ধ পল্লির সর্দারনিদের কাছে চড়া দামে বিক্রি করে দেওয়া হয়। উল্লেখ্য, বাংলাদেশ থেকে ভারতে নারী পাচারের এই চক্রটি বুধবার পেথ এলাকাকে দীর্ঘদিন ধরেই তাদের ট্রানজিট হিসেবে ব্যবহার করছে। চলতি বছরের মার্চ মাসেও একই এলাকার একটি যৌনপল্লি থেকে চার বাংলাদেশি নারীকে উদ্ধার করেছিল পুনে সিটি পুলিশ। তাদেরও একই কায়দায় লোভনীয় চাকরির ফাঁদে ফেলে সীমান্ত পার করে এনে জোরপূর্বক দেহব্যবসায় নামানো হয়েছিল। আরটিভি/এসআর  
ভারতের নিষিদ্ধ পল্লি থেকে ৬ বাংলাদেশি তরুণী উদ্ধার
পারদ থেকে সোনা তৈরির দাবি জয়পুরের বিজ্ঞানীর, বাড়ছে কৌতূহল
প্রাচীন ভারতীয় ‘রসশাস্ত্র’ বা আলকেমির সূত্র মেনে পারদ থেকে সোনা তৈরির দাবি করেছেন ভারতের রাজস্থানের এক বিজ্ঞানী। তার দাবি, পরীক্ষাগারে পারদের উপরিভাগে ৯৯.০৪ শতাংশ বিশুদ্ধ সোনার অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। তবে এই দাবি ঘিরে তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন।  বিজ্ঞানী মহলের একাংশের মতে, স্বাধীন ও নিরপেক্ষ যাচাই ছাড়া এই ফলাফলকে আবিষ্কার হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার সুযোগ নেই। জানা গেছে, জয়পুরের কানোদিয়া কলেজের পদার্থবিজ্ঞান গবেষণাগারে ০.২৪০ গ্রাম পারদ ব্যবহার করে পরীক্ষাটি চালানো হয়। পরীক্ষার পর নমুনার উপরিভাগে ৯৯.০৪ শতাংশ সোনা, ০.৪৮ শতাংশ রুপা এবং ০.৪৮ শতাংশ তামার উপস্থিতি পাওয়ার দাবি করা হয়েছে। ওই পরিমাণ বিশুদ্ধতা প্রায় ২৩.৭৭ ক্যারেট সোনার সমতুল্য। গবেষক লাল বাহাদুরের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে তিনি পারদের বিশুদ্ধকরণ ও ধাতু রূপান্তর নিয়ে গবেষণা করছেন। প্রাচীন ভারতীয় রসশাস্ত্র এবং আচার্য নাগার্জুনের গবেষণা ও রচনা থেকে অনুপ্রাণিত হয়েই তার এই পরীক্ষা। বিআইটিএস পিলানি থেকে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক এই গবেষক পোখরান-২ পারমাণবিক পরীক্ষার সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন বলে জানা গেছে। তার দাবি, পরীক্ষায় কোনো তেজস্ক্রিয়তার উপস্থিতি শনাক্ত হয়নি। তবে পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠেছে। পারদের নমুনায় পাওয়া সোনা আগে থেকেই অশুদ্ধি হিসেবে উপস্থিত ছিল কি না, নাকি পরীক্ষার সময় বাইরের কোনো উৎস থেকে সোনা জমা হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত নয়। বিষয়টি যাচাই করতে নমুনার বিস্তারিত উপাদান বিশ্লেষণ, পুনরায় পরীক্ষা, এক্স-রে ফ্লুরোসেন্স এবং আইসোটোপ বিশ্লেষণের প্রয়োজন রয়েছে। এদিকে, এই গবেষণার ফলাফল এখনো কোনো পিয়ার-রিভিউড বৈজ্ঞানিক জার্নালে প্রকাশিত হয়নি। ফলে দাবিটির পক্ষে স্বাধীন বৈজ্ঞানিক প্রমাণও সামনে আসেনি। জয়পুরের মালব্য ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (এমএনআইটি)-তে এ বিষয়ে আরও তদন্তের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানা গেছে। বৈজ্ঞানিকভাবে পারদ ও সোনা দুটি সম্পূর্ণ আলাদা মৌল। পারদের পরমাণুতে ৮০টি প্রোটন থাকলেও সোনার পরমাণুতে রয়েছে ৭৯টি প্রোটন। সাধারণ রাসায়নিক বিক্রিয়ায় কোনো মৌলের প্রোটন সংখ্যা পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। তাই পারদকে সোনায় রূপান্তর করতে হলে পারমাণবিক স্তরের বিশেষ প্রক্রিয়া প্রয়োজন। সব মিলিয়ে, প্রাচীন ভারতীয় রসশাস্ত্রের সূত্র ধরে পারদ থেকে সোনা তৈরির এই দাবি নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে পরীক্ষার ফলাফল স্বাধীনভাবে যাচাই না হওয়া পর্যন্ত এটিকে প্রমাণিত বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার হিসেবে বিবেচনা করা যাচ্ছে না। আরটিভি/এসকে
পারদ থেকে সোনা তৈরির দাবি জয়পুরের বিজ্ঞানীর, বাড়ছে কৌতূহল
‘ধুরন্ধর’ সিনেমা দেখলেই বুঝবেন ভারত খুব শক্তিশালী দেশ: ভারতীয় মন্ত্রী
ভারত অত্যন্ত শক্তিশালী এবং দেশের গোয়েন্দা সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে বলে দাবি করেছেন অরুণাচল প্রদেশের মন্ত্রী বালো রাজা। এ প্রসঙ্গে স্পাই থ্রিলারধর্মী সিনেমা ‘ধুরন্ধর’ দেখার পরামর্শ দেন তিনি। বালো রাজা বলেন, ধুরন্ধর সেনেটাপি নিশ্চয়ই দেখেছেন। ছবিটি দেখুন, তাহলেই বুঝতে পারবেন ভারতের গোয়েন্দা সক্ষমতা কতটা বেড়েছে।’  মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) ইটানগরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি মন্তব্য করেন। মন্ত্রী বলেছেন, ভারত ‘খুব শক্তিশালী’ দেশ এবং দেশের গোয়েন্দা সক্ষমতা অনেক বেড়েছে। নিজের বক্তব্যের সমর্থনে বলিউডের গোয়েন্দা-থ্রিলার সিনেমা ‘ধুরন্ধর’ দেখার পরামর্শও দিয়েছেন তিনি। টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী বলছে, চীনা সেনাদের সঙ্গে সীমান্তে উত্তেজনার বিষয়ে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী ইন্দো-তিব্বত সীমান্ত পুলিশ (আইটিবিপি) প্রধান শত্রুজিৎ সিং কাপুরের বক্তব্যের জবাবে অরুণাচল প্রদেশের মন্ত্রী বালো রাজা এসব কথা বলেন। গত মঙ্গলবার ইটানগরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নগরবিষয়ক, ভূমি ব্যবস্থাপনা ও বেসামরিক বিমান চলাচলবিষয়ক মন্ত্রী বালো রাজা বলেন, একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা কেন এমন বক্তব্য দেবেন, যাতে ভারতকে দুর্বল বলে মনে হতে পারে? তিনি বলেন, ‘আপনি যখন মহাপরিচালক, তখন এ ধরনের বক্তব্য দেবেন কেন? নিজেকে দুর্বল ভাবছেন কেন? ভারত খুব শক্তিশালী। আপনারা নিশ্চয়ই ‘ধুরন্ধর’ সিনেমাটি দেখেছেন। সিনেমাটি দেখুন, তাহলেই বুঝতে পারবেন ভারতের গোয়েন্দা সক্ষমতা কতটা বেড়েছে।’ অরুণাচল প্রদেশের সীমান্তবর্তী কয়েকটি এলাকায় চীনা বাহিনীর সঙ্গে সংঘাত অব্যাহত রয়েছে বলে আইটিবিপি প্রধান কাপুরের মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কের মধ্যেই বালো রাজা এসব কথা বলেন। আরটিভি/এসআর
‘ধুরন্ধর’ সিনেমা দেখলেই বুঝবেন ভারত খুব শক্তিশালী দেশ: ভারতীয় মন্ত্রী
পছন্দের পুরুষকে পেতে ১০০ ফুট উঁচু টাওয়ারে উঠে গেলেন তরুণী, অতঃপর...
পছন্দের পুরুষকে মেনে নিচ্ছিলো না পরিবার। তাই তাকে পাওয়ার জন্য অদ্ভুত এক কাণ্ড ঘটিয়ে বসেছেন ১৯ বছর বয়সী এক তরুণী। বিয়েতে পরিবারের সম্মতি আদায়ে চড়ে বসেন প্রায় ১০০ ফুট উঁচু এক মোবাইল নেটওয়ার্কের টাওয়ারে। আর ওই অবস্থাতেই ভিডিও কলে পছন্দের সেই পুরুষকে বিয়ে করে ক্ষান্ত হন তিনি।   চাঞ্চল্যকর এ ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের উত্তর প্রদেশে বাহরাইচ জেলায়। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়ার সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে প্রকাশ হয়েছে রোমাঞ্চকর এই বিয়ের ঘটনা।  প্রতিবেদন অনুযায়ী, তরুণীর নাম সাহিবা বেগম, ডাক নাম মেহেক। নূরুদ্দিন নামে ২১ বছর বয়সী এক তরুণের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক চলছিল তার। কিন্তু কোনোভাবেই এই সম্পর্ক মেনে নিচ্ছিল না মেহেকের পরিবার। সবশেষ মায়ের সঙ্গে তর্কের পর ১০০ ফুট উঁচু ওই টাওয়ারটিতে উঠে পড়েন তিনি। ঘটনার সময় প্রায় এক হাজার কিলোমিটার দূরে মুম্বাইয়ে কাজ করছিলেন নূরুদ্দিন। পরিবারের সদস্য, স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সদস্যরা মিলে মেহেককে নিরাপদে নিচে নামানোর চেষ্টা করলেও তিনি প্রায় চার ঘণ্টা টাওয়ারে অবস্থান করেন। বিয়ের দাবি পূরণ না হলে টাওয়ার থেকে লাফ দেওয়ার হুমকিও দেন মেহেক। খবর পেয়ে নারী পুলিশ সদস্যসহ পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে শান্ত করার চেষ্টা করে। পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে নূরুদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগ করে দুই পরিবারের বিরোধ মেটানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়। শেষ পর্যন্ত ভিডিও কলের মাধ্যমে স্থানীয় এক মুসলিম ধর্মীয় নেতা তাদের নিকাহ সম্পন্ন করেন। নূরুদ্দিন মুম্বাই থেকে ভিডিও কলে এই বিয়েতে অংশ নেন। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পর মেহেক টাওয়ার থেকে নামতে রাজি হন। পরে নারী পুলিশ সদস্যরা তাকে নিরাপদে নিচে নামতে সহায়তা করেন। আর এর মধ্য দিয়ে চরম উত্তেজনাপূর্ণ এক পরিস্থিতির অবসান ঘটে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন বলা হয়, ঘটনার পরে মেহেক ও তার পরিবারের সদস্যদের কাউন্সেলিংয়ের জন্য থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। এরপর মেহেককে মায়ের সঙ্গে বাড়িতে পাঠানো হয়। আরটিভি/এসএইচএম  
পছন্দের পুরুষকে পেতে ১০০ ফুট উঁচু টাওয়ারে উঠে গেলেন তরুণী, অতঃপর...
আরও পড়ুন
ভারতের নিষিদ্ধ পল্লি থেকে ৬ বাংলাদেশি তরুণী উদ্ধার
‘ধুরন্ধর’ সিনেমা দেখলেই বুঝবেন ভারত খুব শক্তিশালী দেশ: ভারতীয় মন্ত্রী
স্বামীর সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে ‘প্রেমিকের’ বাইকে উধাও ভারতীয় তরুণী, অতঃপর... 
সুপার এল নিনোর প্রভাবে ভারতে ৫৫ হাজার মৃত্যুর শঙ্কা