ঢাকা শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩

নোবেল পুরস্কার না পেয়ে নরওয়েকে হুমকি ট্রাম্পের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:০০ পিএম
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত

নোবেল শান্তি পুরস্কার না পেয়ে ক্ষোভে ফুঁসছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ২০২৬ সালের এই পুরস্কার দক্ষিণ আফ্রিকার আইনজ্ঞ নাভি পিল্লাইকে দেওয়ায় নোবেল কমিটির সমালোচনা করেছেন তিনি। এমনকি পুরস্কারটি যুক্তরাষ্ট্রের, বিশেষ করে তার নিজের পাওয়া উচিত ছিল বলেও দাবি করেছেন ট্রাম্প। এ সিদ্ধান্তকে নরওয়ের জন্য ‘অমোচনীয় কলঙ্ক’ বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) রাতে নিউইয়র্কের সিরাকিউজে এক নির্বাচনী সমাবেশে ট্রাম্প বলেন, নোবেল শান্তি পুরস্কার এমন একজন উদারপন্থী ব্যক্তিকে দেওয়া হয়েছে, যিনি জাতিসংঘে কাজ করেন এবং যাকে কেউ চেনেন না বলে তার দাবি। পিল্লাইকে অভিনন্দন জানালেও তাকে আগে কখনো শোনেননি বলে মন্তব্য করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছেন নাভি পিল্লাই। শান্তি ও আন্তর্জাতিক আইন প্রতিষ্ঠায় তার প্রচেষ্টার স্বীকৃতি হিসেবে তাকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে নরওয়েজীয় নোবেল কমিটি। পিল্লাই জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ছিলেন এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের বিচারক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। পরে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড নিয়ে জাতিসংঘের একটি তদন্ত কমিশনের নেতৃত্ব দেন তিনি। গাজা নিয়ে ওই কমিশনের প্রতিবেদনকে কঠোরভাবে সমালোচনা করেছে ইসরায়েল।

ট্রাম্প দাবি করেন, তিনি যেসব যুদ্ধ বন্ধ করেছেন, সেগুলোতে জাতিসংঘের কোনো ভূমিকা ছিল না। তার ভাষায়, যুদ্ধগুলো সমাধানের সময় তিনি জাতিসংঘের সঙ্গে কথা বলেননি, কারণ সংস্থাটি তাকে কোনো সহায়তা করেনি। তাই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে তার প্রতিনিধিত্বে দেশটিরই নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়া উচিত ছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি।

এরপর নরওয়ের দিকে ক্ষোভ ঝাড়েন ট্রাম্প। তিনি বলেন, এই সিদ্ধান্ত নরওয়ে এবং যারা এটি নিয়েছেন, তাদের জন্য অমোচনীয় কলঙ্ক। তার অভিযোগ, কয়েকজন উগ্র মতাদর্শীর কারণে নোবেল শান্তি পুরস্কারের গ্রহণযোগ্যতা নষ্ট হয়েছে। এ ঘটনায় নরওয়েকে যুক্তরাষ্ট্র ভুলে যাবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। পুরস্কার না পাওয়াকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অন্যায় আচরণের আরেকটি উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

সমাবেশে ট্রাম্প আবারও দাবি করেন, তিনি আটটি যুদ্ধের অবসান ঘটিয়েছেন এবং এর যেকোনো একটির জন্যই নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার যোগ্য ছিলেন। এসব সংঘাতের মধ্যে ভারত-পাকিস্তান, আর্মেনিয়া-আজারবাইজান, কসোভো-সার্বিয়া, গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র-রুয়ান্ডা, ইসরায়েল-হামাস এবং ইসরায়েল-ইরানের সংঘাতের কথা উল্লেখ করেন তিনি।

মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে বক্তব্যে ট্রাম্প বলেন, তিনি ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন এবং পুরো মধ্যপ্রাচ্য ধ্বংস করার মতো পরিস্থিতি তৈরি করা থেকে ঠেকিয়েছেন। তার দাবি, ইরানকে থামানো না গেলে ইউরোপসহ আরও বিস্তৃত অঞ্চল হুমকির মুখে পড়তে পারত।

গাজা থেকে ইসরায়েলি জিম্মিদের ফিরিয়ে আনার বিষয়টিও নিজের সাফল্য হিসেবে তুলে ধরেন ট্রাম্প। তিনি দাবি করেন, জীবিত ও মৃত মিলিয়ে শেষ ২৮ জনসহ সব জিম্মিকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। এ কাজে হামাসের সঙ্গে আলোচনা করতে হয়েছে বলেও জানান তিনি। নিহত জিম্মিদের মরদেহ পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়াও জীবিতদের ফিরিয়ে আনার মতোই গুরুত্বপূর্ণ ছিল বলে মন্তব্য করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

শেষে নিজের শান্তি প্রতিষ্ঠার রেকর্ডের কথা তুলে ধরে ট্রাম্প নোবেল পুরস্কার দেওয়ার প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তার দাবি, তার মতো শান্তি প্রতিষ্ঠার রেকর্ড আর কারও নেই এবং নোবেল পুরস্কার দেওয়ার পুরো প্রক্রিয়ায় অসততা রয়েছে।

সূত্র: দ্য জেরুজালেম পোস্ট


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বাংলাদেশে তৈরি স্যুট পরছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট? 
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরনের স্যুট নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশ পর্যন্ত।
বাংলাদেশে তৈরি স্যুট পরছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট? 
আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের ওপর ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞা
নোবেল শান্তি পুরস্কার ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন।
আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের ওপর ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞা
শান্তিতে নোবেল ঘোষণার পর আইসিসির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
নোবেল শান্তি পুরস্কার সাবেক আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) এক বিচারকের হাতে যাওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই শুক্রবার (৯ অক্টোবর) আদালটির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। একই সঙ্গে আদালটির কার্যক্রম পঙ্গু করে দেওয়ার অঙ্গীকার করেছে ওয়াশিংটন। এএফপি জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, ওয়াশিংটন কথিত ‘বেআইনি আদালতটির’ সঙ্গে লেনদেন নিষিদ্ধ করবে। এর মধ্য দিয়ে নেদারল্যান্ডসের হেগভিত্তিক আদালতটির বিরুদ্ধে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের দীর্ঘদিনের অভিযান আরও জোরদার হলো। এক বিবৃতিতে রুবিও বলেন, ‘হয় আইসিসি তার হুমকি বন্ধ করবে, নয়তো আমরা আইসিসিকে শেষ করে দেব।’ তবে একাধিক ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞার ছাড় দেওয়ায় তাৎক্ষণিক প্রভাব কিছুটা কমেছে। কার্যত এতে আদালতটি ছয় মাসের একটি অবকাশ পেয়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, আইসিসির সদস্য দেশগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগ মোকাবিলায় ‘অর্থবহ অগ্রগতি’ দেখানোর সুযোগ দিতে এই সময় দেওয়া হয়েছে। দপ্তরটি আরও জানায়, এসব প্রচেষ্টার ‘সাফল্য বা ব্যর্থতার’ ওপর নির্ভর করে অবকাশের মেয়াদ পরিবর্তন করা হতে পারে। আইসিসি মার্কিন নিষেধাজ্ঞাকে আন্তর্জাতিক আইনের ওপর হামলা হিসেবে প্রত্যাখ্যান করেছে। এক বিবৃতিতে আদালতটি সতর্ক করে বলেছে, ‘ইতিহাস এই মুহূর্তের বিচার করবে।’ কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, জাপান ও যুক্তরাজ্যসহ কয়েকটি দেশ এক যৌথ বিবৃতিতে নিষেধাজ্ঞা ঘোষণার সঙ্গে ‘জোরালোভাবে দ্বিমত’ পোষণ করেছে। জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্তকে ‘আন্তর্জাতিক অপরাধবিচার প্রতিষ্ঠায় আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার জন্য একটি গুরুতর আঘাত’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, এ প্রচেষ্টার অন্যতম প্রধান স্তম্ভ আইসিসি। ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) নিষেধাজ্ঞাকে ‘গভীরভাবে দুঃখজনক’ বলে উল্লেখ করেছে। আদালতটি যাতে তার কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারে, সে জন্য ‘প্রয়োজনীয় যেকোনো পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত’ বলেও জানিয়েছে জোটটি। ইইউর নির্বাহী সংস্থা ইউরোপীয় কমিশন আশা প্রকাশ করেছে, ছয় মাসের বিলম্বের অর্থ হলো ‘আলোচনার সুযোগ রয়েছে’। মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল দেশগুলোকে এই পদক্ষেপের ‘প্রতিরোধ’ করার আহ্বান জানিয়েছে। সংগঠনটির ভাষ্য, নিষেধাজ্ঞাগুলো আদালতটিকে ‘বিচ্ছিন্ন এবং শেষ পর্যন্ত ধ্বংস করার’ উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়েছে। গাজায় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আইসিসির গ্রেপ্তারি পরোয়ানার মুখে থাকা ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন। তার দপ্তর এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বলেছে, ‘আইসিসি কোনো আদালত নয়। এটি একটি রাজনৈতিক সংস্থা, যা বিশ্বজুড়ে আইন মেনে চলা গণতন্ত্রগুলোর জন্য এবং জাতীয় সার্বভৌমত্বের ধারণার জন্যই প্রাণঘাতী হুমকি।’ একই দিনে নরওয়ের নোবেল কমিটি দক্ষিণ আফ্রিকার ৮৫ বছর বয়সী আইনজ্ঞ নাভি পিল্লাইকে শান্তি পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দেয়। তিনি রুয়ান্ডার গণহত্যাবিষয়ক ট্রাইব্যুনালের প্রধান ছিলেন, আইসিসিতে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং পরে জাতিসংঘের একটি তদন্ত কমিশনের নেতৃত্ব দেন, যে কমিশন গাজায় ইসরাইলের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ তোলে। রুবিওর বিবৃতিতে পিল্লাই কিংবা নোবেল পুরস্কারের কথা উল্লেখ করা হয়নি। রুবিও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তাকর্মী ও নির্বাচিত কর্মকর্তাদের এমন একটি আদালতে বিচারের মুখোমুখি হওয়া থেকে সুরক্ষা দিতে নিষেধাজ্ঞা প্রয়োজন, যে আদালতে যুক্তরাষ্ট্র কখনোই যোগ দেয়নি। তিনি বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কখনোই আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতকে মার্কিন নাগরিকদের বিচার করতে দেবেন না।’ এসব পদক্ষেপ আদালটির সম্পদপ্রাপ্তি বন্ধ করবে এবং ‘এর কার্যক্রম পরিচালনার সক্ষমতা পঙ্গু করে দেবে’ বলেও তিনি উল্লেখ করেন। যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ কূটনীতিক বলেন, আইসিসির কাছে ওয়াশিংটন এক বছরেরও বেশি সময় ধরে ‘সদিচ্ছার মৌলিক কিছু পদক্ষেপ’ নেওয়ার প্রত্যাশা জানিয়ে আসছিল। আদালতটি কিংবা এর সদস্য দেশগুলো অবস্থান পরিবর্তন করবে, এই আশায় নিষেধাজ্ঞা আরোপের সিদ্ধান্তও এত দিন স্থগিত রাখা হয়েছিল। তার ভাষ্য, যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগ মোকাবিলায় ‘অর্থবহ কোনো পদক্ষেপ’ নেওয়া হয়নি। রুবিও আইসিসির সদস্য এবং নিজেদের প্রতিরক্ষার জন্য ‘মার্কিন সেনাসদস্যদের ওপর নির্ভরশীল’ যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোকেও আদালতটিকে নিয়ন্ত্রণে আনার আহ্বান জানান। অন্যথায় ওয়াশিংটন আইসিসির ‘ইটের পর ইট খুলে’ ভেঙে ফেলার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে বলে তিনি সতর্ক করেন। ট্রাম্প প্রশাসন এর আগেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল-সংশ্লিষ্ট তদন্তের কারণে আদালতটির সঙ্গে সম্পর্কিত ১৭ জনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। তাদের মধ্যে আদালতটির কৌঁসুলি ও কয়েকজন বিচারক রয়েছেন। ইসরাইলও আইসিসির সদস্য নয়। গত মাসে ট্রাম্প আইসিসির সব সদস্য দেশকে সংস্থাটি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান। তিনি আদালটিকে ‘নিয়ন্ত্রণের বাইরে’ এবং একটি ‘বেআইনি প্রতিষ্ঠান’ বলে নিন্দা করেন। আরটিভি/টিআর
শান্তিতে নোবেল ঘোষণার পর আইসিসির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েও পুতিনের কাছ থেকেই ডিজেল কিনছেন ট্রাম্প 
যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির উচ্চমূল্য কমাতে রাশিয়ার কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ ডিজেল কেনার চুক্তি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েও পুতিনের কাছ থেকেই ডিজেল কিনছেন ট্রাম্প 
‘প্রিয় প্রধানমন্ত্রী আম্বানি, আপনিই ভারতের আসল বস’, মাস্কের তীব্র বিদ্রুপ
ভারতে স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সেবা চালুর অনুমতি পেতে দেরি হওয়ায় দেশটির শীর্ষ ধনকুবের মুকেশ আম্বানিকে কটাক্ষ করেছেন বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ধনকুবের ইলন মাস্ক।
‘প্রিয় প্রধানমন্ত্রী আম্বানি, আপনিই ভারতের আসল বস’, মাস্কের তীব্র বিদ্রুপ
আরও পড়ুন
দিল্লিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আটক, বিক্ষোভ ঘিরে ব্যাপক ধরপাকড়
বাংলাদেশে তৈরি স্যুট পরছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট? 
শান্তিতে নোবেল জয়ী নাভি পিল্লাইকে অভিনন্দন জানালেন ড. ইউনূস
কথা রাখতে পারেননি ট্রাম্প, চাপে মার্কিনরা