ঢাকা বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩

যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে প্রথমবার নির্বাচিত হলেন সমকামী পুরুষ ক্রিস পাপাস 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১০:১৫ এএম
ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী ক্রিস পাপাস; তিনি দেশটির সিনেটে নির্বাচিত প্রথম প্রকাশ্যে সমকামী পুরুষ।  ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে নিউ হ্যাম্পশায়ার অঙ্গরাজ্যের সিনেটে জয় পেয়েছেন ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী ক্রিস পাপাস। রিপাবলিকান প্রার্থী ও সাবেক সিনেটর জন ই সুনুনুকে হারিয়ে অঙ্গরাজ্যটির শূন্য আসনে জয়ী হয়েছেন তিনি। এ জয়ের মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম প্রকাশ্যে সমকামী পুরুষ (the first openly gay man) হিসেবে সিনেট সদস্য নির্বাচিত হলেন ক্রিস পাপাস।

বুধবার (৪ নভেম্বর) বার্তা সংস্থা এপির তথ্য অনুযায়ী, ৬৮ শতাংশ ভোট গণনা শেষে ক্রিস পাপাস পেয়েছেন ৫৬ দশমিক ৬২ শতাংশ ভোট। অন্যদিকে জন ই সুনুনু পেয়েছেন ৪১ দশমিক ৫৭ শতাংশ ভোট। এপি পাপাসকে বিজয়ী ঘোষণা করেছে।

৪৬ বছর বয়সী ক্রিস পাপাস নিউ হ্যাম্পশায়ারের ম্যানচেস্টারের বাসিন্দা। তিনি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা শেষ করেন। রাজনীতিতে আসার আগে পরিবারের রেস্তোরাঁ ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরে অঙ্গরাজ্যের নির্বাহী পরিষদে তিন মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৮ সালে নিউ হ্যাম্পশায়ারের প্রথম কংগ্রেশনাল জেলা থেকে প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। ২০১৯ সালের জানুয়ারিতে দায়িত্ব গ্রহণের মধ্য দিয়ে অঙ্গরাজ্যটির প্রথম প্রকাশ্যে সমকামী ব্যক্তি হিসেবে কংগ্রেসে জায়গা করে নেন।

নির্বাচনে জয়ী হওয়ার মধ্য দিয়ে এবার আরও বড় ইতিহাস গড়লেন ক্রিস পাপাস। এর আগে ২০১২ সালে উইসকনসিনের ডেমোক্র্যাট সিনেটর ট্যামি বাল্ডউইন প্রথম প্রকাশ্যে সমকামী ও উভকামী জনগোষ্ঠীর (Gay and LGBTQ) প্রতিনিধি হিসেবে সিনেটে নির্বাচিত হয়েছিলেন। তবে পাপাসই প্রথম প্রকাশ্যে সমকামী পুরুষ, যিনি নির্বাচনের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে জায়গা পেলেন।

নিউ হ্যাম্পশায়ারের বিদায়ী ডেমোক্র্যাট সিনেটর জিন শাহিনের স্থলাভিষিক্ত হবেন পাপাস। তার নির্বাচনী প্রচারের অন্যতম বিষয় ছিল সাধারণ পরিবার ও ক্ষুদ্র ব্যবসার স্বার্থ রক্ষা, ওষুধের দাম কমানো এবং বৈষম্যবিরোধী আইন প্রণয়ন। প্রতিনিধি পরিষদে থাকাকালে তিনি সমকামী ও রূপান্তরকামী মানুষের অধিকার সুরক্ষায় বিভিন্ন উদ্যোগেও সমর্থন দিয়েছেন।


সূত্র: বিবিসি, ফার্স্টপোস্ট

আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কংগ্রেসে হারের পর এবার ক্ষমতা হারানোর শঙ্কায় ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসের দুই কক্ষেই বড় ধাক্কা খেয়েছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টি।
কংগ্রেসে হারের পর এবার ক্ষমতা হারানোর শঙ্কায় ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে প্রথম মুসলিম সদস্য হিসেবে নির্বাচনে এগিয়ে আবদুল এল-সায়েদ
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সিনেটে রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্সকে পেছনে ফেলে এগিয়ে রয়েছেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী আবদুল এল-সায়েদ।
যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে প্রথম মুসলিম সদস্য হিসেবে নির্বাচনে এগিয়ে আবদুল এল-সায়েদ
‘আমি থাকলে হারত না রিপাবলিকানরা’, নির্বাচনে হারার পর ট্রাম্প 
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের জয়ে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
‘আমি থাকলে হারত না রিপাবলিকানরা’, নির্বাচনে হারার পর ট্রাম্প 
৯৪ বছর পর কানসাসে সিনেট আসন পেল ডেমোক্র্যাটরা
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে কানসাস অঙ্গরাজ্যের সিনেটে জয় পেয়েছেন ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী অ্যাডাম হ্যামিল্টন।
৯৪ বছর পর কানসাসে সিনেট আসন পেল ডেমোক্র্যাটরা
আমি নির্বাচনের ফল মেনে নিতে প্রস্তুত: ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফল মেনে নিতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করতেও আগ্রহ প্রকাশ করেছেন তিনি। সম্প্রতি দ্য নিউইয়র্ক টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন ট্রাম্প। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, আমি অবশ্যই নির্বাচনের ফল মেনে নিতে প্রস্তুত। আমরা ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করব। আশা করি, একসঙ্গে কাজ করার কোনো পথ বের করতে পারব। নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পরাজয়ের জন্য ট্রাম্প দায়ী করেছেন নিজের নাম ব্যালটে না থাকাকে। অর্থাৎ, তিনি নিজে প্রার্থী না হওয়ায় দলের প্রার্থীরা প্রত্যাশিত ফল পাননি বলে মনে করেন তিনি। ট্রাম্প বলেন, ব্যালটে আমি ছিলাম না। যদি থাকতাম, তাহলে আমরা বিপুল ব্যবধানে জয়ী হতাম! নির্বাচনে নিজের সমর্থন দেওয়া পরাজিত প্রার্থীদের নিয়েও কোনো অনুশোচনা নেই বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প।  তবে সাউথ ক্যারোলাইনার প্রার্থী ডারলিন গ্রাহামের পরাজয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেন তিনি। ট্রাম্প বলেন, ‘দেখলাম ডারলিন হেরে গেছেন। বাহ, এটা তো অবিশ্বাস্য!’ এবারের নির্বাচনে প্রতিনিধি পরিষদের ৪৩৫টি আসন, সিনেটের ১০০টির মধ্যে ৩৫টি আসন এবং বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের গভর্নরসহ স্থানীয় পর্যায়ের বেশ কয়েকটি পদে ভোট হচ্ছে। বর্তমানে কংগ্রেসের দুই কক্ষ সিনেট ও প্রতিনিধি পরিষদ; দুটির নিয়ন্ত্রণই রিপাবলিকানদের হাতে।  যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হলো প্রতিনিধি পরিষদ। সদস্যরা দুই বছরের জন্য নির্বাচিত হন। সাধারণত আইন প্রণয়নের প্রস্তাব প্রথমে এই কক্ষে উত্থাপন ও আলোচনা করা হয়, পরে তা সিনেটে পাঠানো হয়। আরটিভি/এসআর
আমি নির্বাচনের ফল মেনে নিতে প্রস্তুত: ট্রাম্প
আরও পড়ুন
কংগ্রেসে হারের পর এবার ক্ষমতা হারানোর শঙ্কায় ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে প্রথম মুসলিম সদস্য হিসেবে নির্বাচনে এগিয়ে আবদুল এল-সায়েদ
‘আমি থাকলে হারত না রিপাবলিকানরা’, নির্বাচনে হারার পর ট্রাম্প 
৯৪ বছর পর কানসাসে সিনেট আসন পেল ডেমোক্র্যাটরা