
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে নিউ হ্যাম্পশায়ার অঙ্গরাজ্যের সিনেটে জয় পেয়েছেন ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী ক্রিস পাপাস। রিপাবলিকান প্রার্থী ও সাবেক সিনেটর জন ই সুনুনুকে হারিয়ে অঙ্গরাজ্যটির শূন্য আসনে জয়ী হয়েছেন তিনি। এ জয়ের মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম প্রকাশ্যে সমকামী পুরুষ (the first openly gay man) হিসেবে সিনেট সদস্য নির্বাচিত হলেন ক্রিস পাপাস।
বুধবার (৪ নভেম্বর) বার্তা সংস্থা এপির তথ্য অনুযায়ী, ৬৮ শতাংশ ভোট গণনা শেষে ক্রিস পাপাস পেয়েছেন ৫৬ দশমিক ৬২ শতাংশ ভোট। অন্যদিকে জন ই সুনুনু পেয়েছেন ৪১ দশমিক ৫৭ শতাংশ ভোট। এপি পাপাসকে বিজয়ী ঘোষণা করেছে।
৪৬ বছর বয়সী ক্রিস পাপাস নিউ হ্যাম্পশায়ারের ম্যানচেস্টারের বাসিন্দা। তিনি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা শেষ করেন। রাজনীতিতে আসার আগে পরিবারের রেস্তোরাঁ ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরে অঙ্গরাজ্যের নির্বাহী পরিষদে তিন মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৮ সালে নিউ হ্যাম্পশায়ারের প্রথম কংগ্রেশনাল জেলা থেকে প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। ২০১৯ সালের জানুয়ারিতে দায়িত্ব গ্রহণের মধ্য দিয়ে অঙ্গরাজ্যটির প্রথম প্রকাশ্যে সমকামী ব্যক্তি হিসেবে কংগ্রেসে জায়গা করে নেন।
নির্বাচনে জয়ী হওয়ার মধ্য দিয়ে এবার আরও বড় ইতিহাস গড়লেন ক্রিস পাপাস। এর আগে ২০১২ সালে উইসকনসিনের ডেমোক্র্যাট সিনেটর ট্যামি বাল্ডউইন প্রথম প্রকাশ্যে সমকামী ও উভকামী জনগোষ্ঠীর (Gay and LGBTQ) প্রতিনিধি হিসেবে সিনেটে নির্বাচিত হয়েছিলেন। তবে পাপাসই প্রথম প্রকাশ্যে সমকামী পুরুষ, যিনি নির্বাচনের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে জায়গা পেলেন।
নিউ হ্যাম্পশায়ারের বিদায়ী ডেমোক্র্যাট সিনেটর জিন শাহিনের স্থলাভিষিক্ত হবেন পাপাস। তার নির্বাচনী প্রচারের অন্যতম বিষয় ছিল সাধারণ পরিবার ও ক্ষুদ্র ব্যবসার স্বার্থ রক্ষা, ওষুধের দাম কমানো এবং বৈষম্যবিরোধী আইন প্রণয়ন। প্রতিনিধি পরিষদে থাকাকালে তিনি সমকামী ও রূপান্তরকামী মানুষের অধিকার সুরক্ষায় বিভিন্ন উদ্যোগেও সমর্থন দিয়েছেন।
সূত্র: বিবিসি, ফার্স্টপোস্ট
আরটিভি/জেএমএ




