ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

রাতে ঘুম কম, সকালে মাথাব্যথা? যেভাবে মিলবে স্বস্তি 

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭ এএম

রাতে ঠিকমতো ঘুম হয়নি, সকালে উঠেই মাথা ভার বা ব্যথা। এমন অভিজ্ঞতা অনেকেরই হয়। ঘুমের ঘাটতির সঙ্গে মাথাব্যথার সম্পর্ক রয়েছে বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। পর্যাপ্ত ঘুম না হলে শরীরের ব্যথা সহ্য করার ক্ষমতা কমে যেতে পারে। ফলে মাইগ্রেন ও চিন্তায় মাথাব্যথা হওয়ার প্রবণতা বাড়ে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বেশির ভাগ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের প্রতিদিন ৭ থেকে ৯ ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন। নিয়মিত পর্যাপ্ত ঘুম শুধু শরীরকে বিশ্রামই দেয় না, মাথাব্যথার ঝুঁকিও কমাতে সাহায্য করতে পারে।

ঘুম কমলে কেন মাথাব্যথা হয়?

ঘুমের ঘাটতি শরীরের ব্যথা অনুভব করার সীমা কমিয়ে দিতে পারে। ফলে সামান্য অস্বস্তিও বেশি ব্যথা হিসেবে অনুভূত হতে পারে। বিশেষ করে মাইগ্রেন ও চিন্তায় মাথাব্যথার সঙ্গে ঘুমের অভাবের সম্পর্ক দেখা যায়।

মাইগ্রেনের ব্যথা সাধারণত মাথার এক পাশে বেশি হয় এবং কয়েক ঘণ্টা থেকে কয়েক দিন পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। এর সঙ্গে আলো ও শব্দে অস্বস্তি, বমি বমি ভাব কিংবা বমিও হতে পারে।

অন্যদিকে চিন্তায় মাথাব্যথায় মাথার ওপরের অংশ, দুই পাশ বা পেছনে হালকা থেকে মাঝারি মাত্রার ব্যথা হতে পারে। সাধারণত আলো বা শব্দে এ ধরনের ব্যথা খুব বেশি বাড়ে না।

কত ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন?

ঘুমের প্রয়োজন বয়সভেদে আলাদা। নবজাতক থেকে শুরু করে বয়স্ক মানুষ পর্যন্ত সবার ঘুমের চাহিদা এক নয়।

  • নবজাতক থেকে ৩ মাস: ১৪ থেকে ১৭ ঘণ্টা
  • ৪ থেকে ১১ মাস: ১২ থেকে ১৫ ঘণ্টা
  • ১ থেকে ২ বছর: ১১ থেকে ১৪ ঘণ্টা
  • ৩ থেকে ৫ বছর: ১০ থেকে ১৩ ঘণ্টা
  • ৬ থেকে ১৩ বছর: ৯ থেকে ১১ ঘণ্টা
  • ১৪ থেকে ১৭ বছর: ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা
  • ১৮ থেকে ৬৪ বছর: ৭ থেকে ৯ ঘণ্টা
  • ৬৫ বছর বা তার বেশি: ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা

প্রাপ্তবয়স্ক সুস্থ মানুষের ক্ষেত্রে ৭ ঘণ্টার কম ঘুমকে সাধারণত কম ঘুম হিসেবে ধরা হয়।

মাথাব্যথা হলে কী করবেন?

ঘুমের অভাবে টানধরনের মাথাব্যথা বা মাইগ্রেন হলে দ্রুত ব্যবস্থা নিলে ব্যথার তীব্রতা ও স্থায়িত্ব কমতে পারে।

চিন্তায় মাথাব্যথায় চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী কিছু ব্যথানাশক ওষুধ ব্যবহার করা হয়। মাইগ্রেনের ক্ষেত্রে সাধারণ ব্যথানাশকের পাশাপাশি চিকিৎসকের পরামর্শে বিশেষ ধরনের ওষুধ প্রয়োজন হতে পারে।

তবে মাথাব্যথা বারবার হলে বা দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকলে নিজের মতো করে নিয়মিত ওষুধ না খেয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

ঘরেই ব্যথা কমানোর কিছু উপায়

চিন্তায় মাথাব্যথায় মানসিক চাপ কমানো, হালকা ব্যায়াম ও শিথিল হওয়ার কিছু পদ্ধতি উপকারী হতে পারে।

মাথায় ৫ থেকে ১০ মিনিটের জন্য ঠান্ডা বা গরম সেঁক দেওয়া যেতে পারে। হালকা মালিশও কিছু ক্ষেত্রে আরাম দিতে পারে।

মাইগ্রেন হলে আলো ও শব্দ কম এমন অন্ধকার ও শান্ত ঘরে বিশ্রাম নেওয়া উপকারী হতে পারে। ঘাড়ের পেছনে ঠান্ডা সেঁক এবং কপালের ব্যথার জায়গায় হালকা মালিশও করা যেতে পারে।

মাথাব্যথা এড়াতে ঘুমের অভ্যাস ঠিক করুন

ঘুমের নিয়ম ঠিক রাখা মাথাব্যথা প্রতিরোধের অন্যতম সহজ উপায়। এর জন্য কয়েকটি অভ্যাস মেনে চলতে পারেন—

প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমান ও উঠুন: নিয়মিত সময়ে ঘুমানো ও জাগার অভ্যাস শরীরের স্বাভাবিক ঘুম-জাগরণ ছন্দ ঠিক রাখতে সাহায্য করে।

দিনে নিয়মিত শরীরচর্চা করুন: ব্যায়াম ভালো ঘুমে সহায়তা করতে পারে। তবে ঘুমানোর ঠিক আগে ব্যায়াম না করে অন্তত তিন ঘণ্টা আগে শেষ করা ভালো।

রাতে হালকা খাবার খান: রাতে বেশি ভারী খাবার খেলে বদহজম বা অস্বস্তির কারণে ঘুমে সমস্যা হতে পারে।

দিনে পর্যাপ্ত আলো পান: দিনের আলো শরীরের ঘুম ও জাগরণের স্বাভাবিক ছন্দ ঠিক রাখতে সাহায্য করে।

ঘুমের আগে চা-কফি এড়িয়ে চলুন: ঘুমানোর ৪ থেকে ৬ ঘণ্টা আগে ক্যাফেইনযুক্ত পানীয়, ধূমপান ও মদ্যপান এড়িয়ে চলা ভালো।

ঘর ঘুমের উপযোগী রাখুন: শোবার ঘর অন্ধকার, শান্ত ও আরামদায়ক রাখুন। ঘর অতিরিক্ত গরমও যেন না হয়।

ঘুমের জায়গা থেকে কাজের জিনিস সরিয়ে রাখুন: টেলিভিশন, কম্পিউটার, কাজের কাগজপত্র বা মানসিক চাপ বাড়ায় এমন জিনিস শোবার ঘরে না রাখাই ভালো।

ঘুমের আগে নির্দিষ্ট অভ্যাস তৈরি করুন: বই পড়া, ধ্যান করা বা হালকা গরম পানিতে গোসলের মতো শান্ত কাজ ঘুমের প্রস্তুতিতে সাহায্য করতে পারে। শোবার কয়েক ঘণ্টা আগে মুঠোফোন, কম্পিউটারসহ বৈদ্যুতিক পর্দা এড়িয়ে চলা ভালো।

ঘুম না এলে জোর করবেন না: নির্দিষ্ট সময়ে বিছানায় গেলেই সঙ্গে সঙ্গে ঘুম আসবে, এমন নয়। ঘুম না এলে অতিরিক্ত চেষ্টা ও দুশ্চিন্তা উল্টো মানসিক চাপ বাড়াতে পারে।

রাতে অতিরিক্ত পানি পান করবেন না: শোবার আগে বেশি পানি পান করলে রাতে বারবার ঘুম ভাঙতে পারে।

পর্যাপ্ত ঘুমই হতে পারে সহজ সমাধান

গবেষণায় ঘুমের ঘাটতি ও মাইগ্রেন এবং টানধরনের মাথাব্যথার মধ্যে স্পষ্ট সম্পর্ক পাওয়া গেছে। পর্যাপ্ত ঘুম শরীরের ব্যথা সহ্য করার ক্ষমতা স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করতে পারে।

তাই নিয়মিত মাথাব্যথায় ভুগলে শুধু ব্যথানাশক ওষুধের ওপর নির্ভর না করে ঘুমের সময় ও ঘুমের অভ্যাসের দিকেও নজর দেওয়া জরুরি। মাথাব্যথা ঘন ঘন হলে, তীব্র হলে বা স্বাভাবিক কাজকর্মে বাধা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

ছবির ক্যাপশন: ঘুমের ঘাটতি শরীরের ব্যথা সহ্য করার ক্ষমতা কমিয়ে মাথাব্যথার প্রবণতা বাড়াতে পারে।

সূত্র: হেলথলাইন


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বিয়ের পর গুগলে কী খোঁজেন নারীরা, সামনে এল ৭ বিষয়
বিয়ের পর জীবনে আসে নানা পরিবর্তন। নতুন সংসার, দাম্পত্য সম্পর্ক, শ্বশুরবাড়ির পরিবেশ এবং বাড়তি দায়িত্বের সঙ্গে মানিয়ে নিতে গিয়ে নানা প্রশ্নের মুখোমুখি হন অনেক নারী।
বিয়ের পর গুগলে কী খোঁজেন নারীরা, সামনে এল ৭ বিষয়
আজ বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস
আর্থ্রাইটিস বা বাতজনিত রোগ সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, দ্রুত রোগ শনাক্তকরণ এবং যথাযথ চিকিৎসার গুরুত্ব তুলে ধরতে আজ ১২ অক্টোবর পালিত হচ্ছে বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস।
আজ বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস
দাঁত পড়ে গেলে আর চিন্তা নেই, ওষুধেই গজাবে নতুন দাঁত!
একবার স্থায়ী দাঁত পড়ে গেলে বা তুলে ফেলতে হলে সাধারণত আর প্রাকৃতিকভাবে সেই দাঁত ফিরে আসে না। এ অবস্থায় ডেন্টাল ইমপ্ল্যান্ট, ব্রিজ কিংবা কৃত্রিম দাঁতের ওপর নির্ভর করতে হয়।
দাঁত পড়ে গেলে আর চিন্তা নেই, ওষুধেই গজাবে নতুন দাঁত!
লিভারের রোগের লক্ষণ মিলতে পারে হাত-পায়ে, যে ৫ পরিবর্তনে সতর্ক হবেন
লিভারের রোগ সব সময় স্পষ্ট উপসর্গ নিয়ে দেখা দেয় না। প্রাথমিক পর্যায়ে অনেকের শরীরে তেমন কোনো লক্ষণই প্রকাশ পায় না। ফলে অজান্তেই বাড়তে পারে রোগের জটিলতা।
লিভারের রোগের লক্ষণ মিলতে পারে হাত-পায়ে, যে ৫ পরিবর্তনে সতর্ক হবেন
কিডনি রোগের ঝুঁকি বাড়ছে নারীদের, সতর্ক হবেন যে ৫ লক্ষণে
নারীদের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা ও অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন। উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবিটিস, মূত্রনালির সংক্রমণ এবং কিছু অটোইমিউন রোগ কিডনির ক্ষতির কারণ হতে পারে। তবে প্রাথমিক পর্যায়ে অনেক ক্ষেত্রে স্পষ্ট উপসর্গ না থাকায় রোগ শনাক্ত হতে দেরি হয়। তাই কিডনির সম্ভাব্য পাঁচটি লক্ষণ সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি। বিশেষজ্ঞদের মতে, অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবিটিস কিডনি রোগের অন্যতম প্রধান কারণ। অনেক নারী নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা না করানোয় শরীরে এসব সমস্যার উপস্থিতি বুঝতে পারেন না। ফলে রোগ শনাক্ত ও চিকিৎসা শুরু হতে দেরি হয়, যা কিডনির পাশাপাশি শরীরের অন্যান্য অঙ্গের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে। এ ছাড়া নারীদের মধ্যে মূত্রনালির সংক্রমণ তুলনামূলক বেশি দেখা যায়। লুপাস নেফ্রাইটিসের মতো অটোইমিউন রোগও কিডনির ক্ষতি করতে পারে। গর্ভাবস্থায় উচ্চ রক্তচাপ, বারবার মূত্রনালির সংক্রমণ এবং কিছু ক্ষেত্রে পানিশূন্যতা কিডনির স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। কিডনি রোগের যে ৫ লক্ষণে সতর্ক হবেন ১. সকালে চোখ-মুখ ফুলে যাওয়া ঘুম থেকে ওঠার পর চোখ ও মুখ অস্বাভাবিকভাবে ফুলে যাওয়া কিডনির সমস্যার একটি সম্ভাব্য লক্ষণ। কিডনির কার্যকারিতা কমে গেলে শরীরে অতিরিক্ত তরল জমতে পারে। এ ছাড়া প্রস্রাবের মাধ্যমে প্রোটিন বেরিয়ে গেলেও শরীরে ফোলাভাব দেখা দিতে পারে। নিয়মিত এমন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। ২. পা ও গোড়ালি ফুলে যাওয়া পা, গোড়ালি কিংবা পায়ের পাতা অস্বাভাবিকভাবে ফুলে গেলে বিষয়টি অবহেলা করা ঠিক নয়। কিডনির কার্যকারিতা ব্যাহত হলে শরীরে তরল জমে এমন সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকা, শিরার সমস্যা কিংবা হৃদ্‌রোগের কারণেও পা ফুলতে পারে। ৩. পেশিতে ব্যথা বা খিঁচুনি কিডনি শরীরে পানি ও বিভিন্ন খনিজের ভারসাম্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিডনির কার্যকারিতা কমে গেলে এ ভারসাম্য বিঘ্নিত হয়ে পেশিতে ব্যথা, দুর্বলতা বা খিঁচুনি দেখা দিতে পারে। দীর্ঘদিন এমন সমস্যা চলতে থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। ৪. শ্বাসকষ্ট বা বুকে চাপ অনুভব করা কিডনির গুরুতর সমস্যায় শরীরে অতিরিক্ত তরল জমে ফুসফুসে প্রভাব ফেলতে পারে। এর ফলে শ্বাসকষ্ট দেখা দিতে পারে। বুকে চাপ বা ব্যথার সঙ্গে শ্বাসকষ্ট হলে তা জরুরি অবস্থার লক্ষণ হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে দ্রুত চিকিৎসা নিতে হবে। ৫. প্রস্রাবের ধরনে পরিবর্তন প্রস্রাবের পরিমাণ বা ধরনে অস্বাভাবিক পরিবর্তন কিডনির সমস্যার ইঙ্গিত দিতে পারে। রাতে বারবার প্রস্রাব হওয়া, প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাওয়া, অতিরিক্ত ফেনাযুক্ত প্রস্রাব কিংবা প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত যাওয়া এসব লক্ষণ অবহেলা করা উচিত নয়। বিশেষ করে প্রস্রাবে রক্ত দেখা গেলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। কিডনি সুস্থ রাখতে কী করবেন? কিডনি রোগের ঝুঁকি কমাতে নিয়মিত রক্তচাপ ও রক্তে শর্করার মাত্রা পরীক্ষা করা, সুষম খাবার খাওয়া, শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকা এবং পর্যাপ্ত পানি পান করা গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি মূত্রনালির সংক্রমণ হলে যথাযথ চিকিৎসা নিতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া দীর্ঘদিন ব্যথানাশক ওষুধ সেবন থেকেও বিরত থাকা উচিত। তবে এসব লক্ষণ দেখা দিলেই কিডনি রোগ হয়েছে, এমন নয়। অন্য বিভিন্ন কারণেও একই ধরনের উপসর্গ হতে পারে। কিডনির অবস্থা জানতে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী রক্তে ক্রিয়েটিনিন ও ইজিএফআর পরীক্ষা, প্রস্রাবে অ্যালবুমিন বা প্রোটিন পরীক্ষা করা প্রয়োজন হতে পারে। মনে রাখতে হবে, দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগের প্রাথমিক পর্যায়ে অনেক সময় কোনো লক্ষণই দেখা যায় না। তাই ঝুঁকিতে থাকা নারীদের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো এবং অস্বাভাবিক উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি। সূত্র: আনন্দবাজার আরটিভি/এসকে
কিডনি রোগের ঝুঁকি বাড়ছে নারীদের, সতর্ক হবেন যে ৫ লক্ষণে
আরও পড়ুন
কম ঘুমে শরীরে যে ৫ বড় পরিবর্তন হয়
জামিনে বের হওয়া ছেলের হাতে খুন হলেন ঘুমন্ত বাবা
অ্যালার্ম ছাড়াই ঠিক সময়ে ঘুম থেকে উঠবেন যেভাবে
খুব শক্ত করে চুল বাঁধলে মাথাব্যথা হয় কেন