ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

চালকদের স্বাস্থ্যসেবা ও জিপিএস নজরদারিতে বদলাচ্ছে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৩ আগস্ট ২০২৬, ০২:১৮ পিএম
ডিজিটাল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা। ছবি: সংগৃহীত

ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় শুধু জরিমানা বা মামলা নয়, বরং চালকদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণ, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ, গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম (জিপিএস) ভিত্তিক নজরদারি, পুরোনো যানবাহন স্ক্র্যাপ এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চায় ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।

সম্প্রতি দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমন তথ্য জানিয়েছেন ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) আনিছুর রহমান।

পরিবহন শ্রমিকদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে রাজধানীর বিভিন্ন বাস স্টেশনে হেলথ ক্যাম্প পরিচালনা করছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ। এতে বিনামূল্যে চালক ও পরিবহন শ্রমিকদের চিকিৎসাসেবা ও পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

নতুন এই উদ্যোগ সম্পর্কে আনিছুর রহমান বলেন, ‘একজন বাসচালক একসঙ্গে ৪০ থেকে ৫০ জন মানুষের জীবন নিয়ে চলাচল করেন। তাই তার শারীরিক সুস্থতা নিশ্চিত করাও সড়ক নিরাপত্তার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত। কিন্তু আর্থিক সীমাবদ্ধতা ও সময়ের অভাবে অধিকাংশ চালক চিকিৎসকের কাছে যেতে পারেন না। অনেকেই দিন এনে দিন খাওয়া মানুষ। চিকিৎসা করাতে গেলে কয়েক দিনের আয় বন্ধ হয়ে যায়। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে চালকদের কাছেই স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।’

ট্রাফিক সদস্যদের স্বাস্থ্যঝুঁকি প্রসঙ্গে তিনি জানান, সম্প্রতি তিনি নিজেই শ্রবণশক্তি পরীক্ষা করিয়ে উল্লেখযোগ্য মাত্রায় হিয়ারিং লসের বিষয়টি জানতে পেরেছেন।

তার মতে, প্রত্যেক নাগরিকেরই অন্তত একবার শ্রবণশক্তি পরীক্ষা করা উচিত। বিশেষ করে শব্দদূষণের কারণে শিশুরা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অকারণে হর্ন বাজানোর সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসারও আহ্বান জানান তিনি।

আরও পড়ুন

ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বলেন, যদি ১০০ জন চালকের শ্রবণশক্তি পরীক্ষা করা হয়, তাহলে তাদের বড় একটি অংশেরই শ্রবণক্ষমতার সমস্যা ধরা পড়বে। বিষয়টি নিয়ে ট্রাফিক বিভাগ গবেষণাও করছে। একই সময়ে চাকরিতে যোগ দেওয়া দুজন পুলিশ সদস্যের মধ্যে একজন ট্রাফিকে এবং অন্যজন অপরাধ দমনে কাজ করলে তাদের রোগের ধরন এক নয়। দীর্ঘ সময় ধুলাবালি, ধোঁয়া ও উচ্চমাত্রার শব্দের মধ্যে দায়িত্ব পালনের কারণে ট্রাফিক সদস্যদের মধ্যে ফুসফুসের সমস্যা, দীর্ঘস্থায়ী কোমরব্যথা, শ্রবণশক্তি হ্রাস এবং চোখের বিভিন্ন সমস্যা বেশি দেখা যায়।

তিনি বলেন, শুধু ট্রাফিক পুলিশই নয়, যারা দীর্ঘ সময় সড়কে কাজ করেন, যেমন ফুটপাতের হকাররাও একই ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে থাকেন। তাদের অনেকেই চিকিৎসকের কাছে যান না। কিন্তু পরীক্ষা করলে একই ধরনের দীর্ঘমেয়াদি শারীরিক সমস্যা ধরা পড়বে। তাই সড়ক নিরাপত্তার পাশাপাশি সড়কে কর্মরত মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়েও সমান গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

সড়ক দুর্ঘটনা ও ট্রাফিক বিশৃঙ্খলার মতো দীর্ঘদিনের সমস্যার স্থায়ী সমাধানে ‘হলিস্টিক’ বা সমন্বিত দৃষ্টিভঙ্গির কোনো বিকল্প নেই বলে মনে করেন আনিছুর রহমান।

তিনি বলেন, বেপরোয়া গতি, উল্টো পথে চলাচল এবং সিগন্যাল অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা আরও কার্যকর করতে জিপিএস প্রযুক্তি যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জিপিএস চালু হলে একটি যানবাহন সড়কের কোন অংশ কখন অতিক্রম করেছে এবং সেটি সঠিক পথে চলেছে নাকি উল্টো পথে এসেছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যাবে। এতে আইন প্রয়োগ আরও কার্যকর হবে।

তবে দীর্ঘদিনের সমস্যার সমাধানে সময় প্রয়োজন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত বা ‘হলিস্টিক’ দৃষ্টিভঙ্গি নিয়েই এগোচ্ছে ডিএমপি।

সড়ক দুর্ঘটনা কমানোর বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বলেন, বিষয়টি অনেক বড় পরিসরে বিবেচনা করতে হবে। এটি শুধু চালকের সমস্যা নয়, চালকের পটভূমি, প্রশিক্ষণ, কর্মপরিবেশ, রাষ্ট্রের অবকাঠামো, সড়কের নকশা, যানবাহনের ফিটনেস এবং সড়ক ব্যবহারকারীদের আচরণ সবকিছুই বিবেচনায় নিতে হবে। তাই এ সমস্যার সমাধানে সমন্বিত বা ‘হলিস্টিক’ দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োজন। রাতারাতি এর সমাধান সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী প্রকৃত মহাসড়কে পাশের ফিডার সড়ক থেকে সরাসরি যানবাহন ওঠার সুযোগ থাকে না। কিন্তু দেশে অনেক ক্ষেত্রে এলজিইডি’র সড়ক সরাসরি মহাসড়কের সঙ্গে যুক্ত। কোথাও ব্যারিয়ার বা ধীরে মূল সড়কে ওঠার ব্যবস্থা নেই। এতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ে।

ট্রাফিক আইন প্রয়োগ সম্পর্কে আনিছুর রহমান বলেন, ২০১৮ সালের সড়ক পরিবহন আইনে ট্রাফিক আইন ভঙ্গের জন্য জরিমানা ও অন্যান্য শাস্তির বিধান রয়েছে। সেই আইন অনুযায়ী নিয়মিত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। একইসঙ্গে ২০২৫ সালের বিধিমালার আওতায় শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। সে অনুযায়ী কালো ধোঁয়ার পাশাপাশি শব্দদূষণ রোধেও অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

ফিটনেসবিহীন যানবাহনের বিরুদ্ধে নিয়মিত ব্যবস্থা নেওয়া হলেও জরিমানা দিয়ে অনেক গাড়ি আবারও সড়কে নেমে পড়ে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি বলেন, সমস্যার স্থায়ী সমাধানে সড়ক পরিবহন আইনের মূল বিধান বাস্তবায়ন করতে হবে। আইন অনুযায়ী ২০ বছরের বেশি পুরোনো বাস এবং ২৫ বছরের বেশি পুরোনো ট্রাক সড়কে চলাচল করতে পারে না। এজন্য একটি স্ক্র্যাপ নীতিমালা করা হয়েছে এবং এর বাস্তবায়নের দায়িত্ব বিআরটিএকে দেওয়া হয়েছে। পুরোনো যানবাহন স্ক্র্যাপ করা গেলে ঝুঁকিপূর্ণ যানবাহনের সংখ্যা কমবে। সূত্র: বাসস

আরটিভি/আইএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
আহত পুলিশ পরিদর্শককে দেখতে এভারকেয়ার হাসপাতালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
খুলনায় ছিনতাইকারী ও দুষ্কৃতকারীদের হামলায় গুরুতর আহত পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মো. শাহ আলমকে দেখতে বুধবার রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে যান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। 
আহত পুলিশ পরিদর্শককে দেখতে এভারকেয়ার হাসপাতালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
৫ নভেম্বর নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের দ্বিতীয় আসরের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
আগামী ৫ নভেম্বর খুলনা জেলা স্টেডিয়াম থেকে দেশব্যাপী ৫০৩টি উপজেলায় একযোগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের দ্বিতীয় আসর উদ্বোধন করবেন।  বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিকেলে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’র দ্বিতীয় আসর নিয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক এই ঘোষণা দিয়েছেন।  ইতোমধ্যেই এ বিষয়ে সকল বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক,  ৫০৩টি উপজেলার ইউএনসহ জেলা ক্রীড়া অফিসার, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা সকলের সাথে আলোচনা করে নতুন কুঁড়ি কার্যক্রম বাস্তবায়নের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। সম্প্রতি সফলভাবে শেষ হয়েছে নতুন কুঁড়ির প্রথম আসর। যে লক্ষ্যে বর্তমান সরকার নতুন কুঁড়ি শুরু করেছিল প্রথম আসরের পরে সেই কার্যক্রমে অনেকটাই সফলতা এসেছে বলে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বিশ্বাস করেন। তিনি বলেন, অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে বলা যায় গতানুগতিক ধারায় কোন টুর্নামেন্ট শেষ হলো, এরপর আর সেই খেলোয়াড়দের খুঁজে পাওয়া যায়না। এটাই ক্রীড়াঙ্গনের বাস্তব চিত্র ছিল। তিন  আরও বলেন, কিন্তু এখানে আমরা একটু ভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছি এবং এটাকে স্থায়ীভাবে বাস্তবায়ন করার জন্য ইতিমধ্যে পরিকল্পনা শুরু করেছি। প্রথম আসরের যে ৩১০ জন ক্রীড়াবিদ পেয়েছি, তাদেরকে নিয়ে আমরা ইতোমধ্যে বিকেএসপিতে ৪০ দিনের একটি ট্রেনিং কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ৪০ দিনের এই ট্রেনিং সেশনের মধ্য থেকে যারা বিশেষ প্রতিভাবান তাদেরকে নির্বাচিত করে বিকেএসপিতে ভর্তির সুযোগ করে দেয়া হবে। খেলাধুলার পাশাপাশি তারা যাতে পড়াশুনাও চালিয়ে যেতে পারে। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে শুধুমাত্র ঢাকার বিকেএসপি না অন্যান্য যে বিকেএসপিগুলো আছে, সেগুলোকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করার জন্য ইতিমধ্যে কার্যক্রম আমরা হাতে নিয়েছি। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী ডিসেম্বরের ভেতরে অন্যান্য বিকেএসপিগুলোকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করার কাজ চলমান রয়েছে। দ্বিতীয় আসরকে আরও একটু প্রসারিত করে ৪৫৯৯টি ইনিয়নের দল গঠনা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন হয়েছে ১৬ লাখ ৩ হাজার। সেখানে র প্রায় ৯ লাখের কিছু বেশী কিশোর এবং ৬ লাখ কিশোরী রয়েছে। অর্থাৎ ৫০ শতাংশ কিশোর ও ৪২ শতাংশ কিশোরী এবারের আসরে অংশ নিচ্ছে।  আমিনুল বলেন, এর মাধ্যমে বাংলাদেশের আগামী ক্রীড়াঙ্গনে মেয়েদের যে অংশগ্রহণ, সেটিতে আরো অনেক বেশি অনেকেই উৎসাহিত হবেন, অনেক পরিবার তারা উৎসাহিত হবেন। তাদের হাত ধরে যে আমার বাংলাদেশ এগিয়ে যেতে পারে, সেই আশার আলো সেই সকল পরিবার দেখতেই পারে। প্রথম আসরের সাথে আরও দুটি ইভেন্ট এবার যুক্ত হয়েছে- টেবিল টেনিস ও ভলিবল। সব মিলিয়ে ১০টি ইভেন্ট নিয়ে দ্বিতীয় আসর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। আগের ইভেন্টগুলো হলো- এ্যাথলেটিক্স, সাঁতার, ফুটবল, ক্রিকেট, মার্শাল আর্ট, দাবা, ব্যাডমিন্টন, কাবাডি। রোজা, ঈদ ও স্কুলের পরীক্ষার বিষয়টি বিবেচনা করে ধারাবাহিকভাবে ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা, বিভাগ ও জাতীয় পর্যায়ের খেলা পরিচালিত হবে। নতুন কুঁড়ির ক্যালেন্ডার সেভাবেই সাজানো হয়েছে। সেই লক্ষ্যে দ্বিতীয় আসরে জাতীয় পর্যায়ের খেলার আগামী বছর এপ্রিলের শেষে অথবা মে মাসের শুরুতে আয়োজন করতে চায় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। আরটিভি/টিআর
৫ নভেম্বর নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের দ্বিতীয় আসরের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
২০২৭ সালের মধ্যে প্রণয়ন হবে সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন: সড়কমন্ত্রী
বুধবার (১৪ অক্টোবর) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে জাতীয় সড়ক নিরাপত্তা দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা জানান তিনি।
২০২৭ সালের মধ্যে প্রণয়ন হবে সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন: সড়কমন্ত্রী
ডেঙ্গু মোকাবিলায় দেশবাসীর জন্য প্রধানমন্ত্রীর জরুরি বার্তা
বুধবার (১৪ অক্টোবর) রাতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ভিডিও বার্তাটি শেয়ার করা হয়েছে। 
ডেঙ্গু মোকাবিলায় দেশবাসীর জন্য প্রধানমন্ত্রীর জরুরি বার্তা
‘শেখ হাসিনার দুপুরের খাবার খরচ ছিল সাড়ে ১০ লাখ, তারেক রহমান খান ১৫০ টাকায়’
মো. নূরুল ইসলাম মণি বলেন, কেয়ামতের মাঠে আল্লাহ আপনার হৃদয় দেখে বিচার করবেন। আপনারাও তারেক রহমানের হৃদয় দেখবেন। মোটা কাপড়, সিম্পল জীবনযাপন করেন। গত পরশুদিন দুপুরে ঢেরস ভাজি, কুমড়া ভর্তা ও ডাল দিয়ে তার (তারেক রহমান) সঙ্গে খেয়ে এসেছি। 
‘শেখ হাসিনার দুপুরের খাবার খরচ ছিল সাড়ে ১০ লাখ, তারেক রহমান খান ১৫০ টাকায়’
আরও পড়ুন
হাসপাতালের স্বাস্থ্যসেবা তদারকিতে মাঠে নামছেন ৫৪ কর্মকর্তা
মধ্যরাতে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র ভাঙচুরের ঘটনায় ৪ জন গ্রেপ্তার
স্বাস্থ্যসেবা ও সুরক্ষা আইন প্রণয়ন নিয়ে ড্যাবের গোলটেবিল বৈঠক বুধবার
৬০ পৌরসভায় প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় ‘বড় বরাদ্দ’