ঢাকা রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩

সাংবাদিক আমির খসরুর মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০৭ এএম
সাংবাদিক আমির খসরু ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত

সিনিয়র সাংবাদিক আমির খসরুর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (১০ অক্টোবর) এক শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী আমির খসরুর রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন, সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সাংবাদিকতা পেশায় আমির খসরুর দীর্ঘদিনের অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে। ভয়েস অব আমেরিকাসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে কাজের মাধ্যমে তিনি সংবাদমাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তার মৃত্যুতে দেশের সাংবাদিকতা অঙ্গনে শূন্যতার সৃষ্টি হলো। বরাবরই তার লেখনি ছিল গণতন্ত্র, সত্য ও যুক্তির পক্ষে সোচ্চার।

প্রধানমন্ত্রী মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের এই শোক সহ্য করার শক্তি দানে মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন।

এর আগে, শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন সিনিয়র সাংবাদিক আমির খসরু।

মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী-সন্তানসহ অসংখ্য শুভাকাঙ্ক্ষী রেখে গেছেন।

আরটিভি/আইএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
‘মডেল খাল’ কর্মসূচিতে বহুমুখী সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত
নদী-নালা, খাল ও জলাশয় পুনঃখননের পর সেগুলোকে কেবল পানি নিষ্কাশনের কাজে সীমাবদ্ধ না রেখে পরিবেশ রক্ষা, সামাজিক বনায়ন, দুর্যোগ-সহনশীল জীবিকায়ন এবং অতিদরিদ্র জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে দীর্ঘমেয়াদি সম্পদে পরিণত করার এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
‘মডেল খাল’ কর্মসূচিতে বহুমুখী সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত
‘দেশের সব উপজেলায় সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করতে চায় সরকার’
দল-মত ও অঞ্চল বিবেচনায় নয়, দেশের সব উপজেলার মানুষের স্বার্থকে গুরুত্ব দিয়ে সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করতে চায় সরকার বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।
‘দেশের সব উপজেলায় সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করতে চায় সরকার’
সেনাবাহিনী-সেনাপ্রধানকে জড়িয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য উদ্দেশ্যপ্রণোদিত: আইএসপিআর
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও সেনাপ্রধানকে জড়িয়ে ধারাবাহিকভাবে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর বিষয়টিকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার বলে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)। এ অবস্থায় সেনাবাহিনী ও সেনাপ্রধান সম্পর্কিত যেকোনো তথ্যের ক্ষেত্রে আনুষ্ঠানিক ও নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি। শনিবার (১০ অক্টোবর) এক বিবৃতিতে আইএসপিআর এ আহ্বান জানায়। এতে বলা হয়, সুদৃঢ় চেইন অব কমান্ড, পারস্পরিক আস্থা, ঐক্য, শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্বের ভিত্তিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সর্বদা ঐক্যবদ্ধ। দেশ ও জনগণের প্রতি অর্পিত দায়িত্ব পালনে বাহিনী দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। আইএসপিআর জানায়, সম্প্রতি বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এবং সেনাপ্রধানকে জড়িয়ে বিভ্রান্তিকর, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তথ্য প্রচারের বিষয়টি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এসব তথ্যের মাধ্যমে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে প্রতীয়মান হয়। এ ধরনের বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচারে প্রভাবিত না হওয়ার জন্য সবাইকে বিনীত অনুরোধ জানানো হয়েছে। অন্যদিকে, ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠান ‘রিউমর স্ক্যানার’-এর ডিজিটাল ফরেনসিক বিশ্লেষণেও সেনাবাহিনী, সেনাপ্রধানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ঘিরে ফেসবুক, ইউটিউবসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর ও ভুয়া তথ্য ছড়ানোর বিষয়টি উঠে এসেছে। এসব অপতথ্যের বেশিরভাগই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি এবং ভিত্তিহীন। ‘রিউমর স্ক্যানার’-এর সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বাহিনীর উচ্চপদস্থ নেতৃত্বকে ঘিরে অন্তত ৯৬টি মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য শনাক্ত করা হয়েছে। ২০২৫ সালের একই সময়ে এ সংখ্যা ছিল ৭৪। অর্থাৎ, এক বছরের ব্যবধানে সেনাবাহিনীকে লক্ষ্য করে অপতথ্য ও গুজবের পরিমাণ প্রায় ৩০ শতাংশ বেড়েছে।মানচিত্র দেখুন একই সময়ে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানকে নিয়ে ২১টি সুনির্দিষ্ট ভুয়া তথ্য ছড়ানো হয়, যা নিরপেক্ষ ফ্যাক্টচেকিংয়ে ভিত্তিহীন ও মনগড়া বলে প্রমাণিত হয়েছে। শুধু সেনাবাহিনী নয়, সামগ্রিকভাবে সশস্ত্র বাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কেন্দ্র করে চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে মোট ১৯৫টি অপতথ্য শনাক্ত করেছে রিউমর স্ক্যানার। আরটিভি/এসআর
সেনাবাহিনী-সেনাপ্রধানকে জড়িয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য উদ্দেশ্যপ্রণোদিত: আইএসপিআর
অনির্দিষ্টকালের জন্য রিয়াদের ফ্লাইট স্থগিত
‘অনিবার্য পরিচালনগত কারণ’ উল্লেখ করে অনির্দিষ্টকালের জন্য ঢাকা-রিয়াদ-ঢাকা রুটের ফ্লাইট স্থগিত করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। শনিবার (১০ অক্টোবর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জনসংযোগ বিভাগ। বিমান জানায়, রিয়াদে তাদের নির্ধারিত ফ্লাইট বিজি-৩৩৯ এবং বিজি-৩৪০ পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে। এই ফ্লাইটগুলোর যাত্রীদের বিমানবন্দরে না যাওয়ার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।  তারা জানায়, বিমান কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি পর্যালোচনা করছে এবং ফ্লাইটগুলোর সময়সূচি পরিবর্তন বা বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য আগামীকাল, ১১ অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে। বিমান আরও জানায়, এই অনাকাঙ্ক্ষিত বিঘ্ন এবং ফ্লাইট স্থগিতের ফলে যাত্রী ও তাদের পরিবারের যে গভীর অসুবিধার সৃষ্টি হয়েছে, তার জন্য বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছে।  ভুক্তভোগী যাত্রীরা তাৎক্ষণিক সহায়তার জন্য বিমানের কল সেন্টারে যোগাযোগ করতে পারেন অথবা নিকটস্থ বিমান বিক্রয় কেন্দ্রে (সেলস অফিস) যেতে পারেন। পরবর্তী তথ্য পাওয়া মাত্রই তা আমাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ও যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে প্রকাশ করা হবে। আরটিভি/এসআর
অনির্দিষ্টকালের জন্য রিয়াদের ফ্লাইট স্থগিত
মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিকে ইতিবাচকভাবে দেখছে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
বাংলাদেশ ‘মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি’র বিষয়টি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করছে। এ সংক্রান্ত যেকোনো সিদ্ধান্ত জাতীয় স্বার্থ এবং আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতায় দেশের শান্তিরক্ষা অভিজ্ঞতার সম্ভাব্য অবদানের ওপর ভিত্তি করে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। শনিবার (১০ অক্টোবর) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক জাতীয় সেমিনারে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি বলেন, ‘আমরা মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা করছি। আমরা এটিকে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দেখছি।’ হুমায়ুন কবির বলেন, চুক্তিটি বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থের অনুকূলে থাকলে এবং শান্তিরক্ষায় দেশের অভিজ্ঞতা যদি মুসলিম দেশগুলোর কল্যাণ ও মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে ভূমিকা রাখতে পারে, তবে বাংলাদেশ এ বিষয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নিতে পারে। তিনি বলেন, ‘যদি এটি বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয় এবং আমরা অনুভব করি যে আমাদের শান্তিরক্ষার অভিজ্ঞতা মুসলিম দেশগুলোর সেবায় ও একটি স্থিতিশীল, শান্তিপূর্ণ মধ্যপ্রাচ্য গঠনে অবদান রাখতে পারে, তবে এ বিষয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেওয়ার সব সুযোগ রয়েছে।’ বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস) এবং নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির (এনএসইউ) সেন্টার ফর মাইগ্রেশন স্টাডিজ যৌথভাবে ‘ফ্রম ওয়ার্কফোর্স টু স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ : রিম্যাজিনিং বাংলাদেশ-কেএসএ রিলেশনস’ শীর্ষক এই সেমিনারের আয়োজন করে। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্সের রাজকীয় অতিথি হিসেবে সফরের আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। হুমায়ুন কবির বলেন, ‘তিনি আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন এবং খুব শিগগিরই সুবিধাজনক সময়ে সেখানে সফর করবেন।’ তিনি আরও বলেন, সৌদি ক্রাউন প্রিন্সও বাংলাদেশ সফরের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন এবং উভয়ের জন্য সুবিধাজনক সময়ে ঢাকা তাকে স্বাগত জানাবে। হুমায়ুন কবির বলেন, প্রস্তাবিত এই সফরগুলো দুই দেশের মধ্যকার ক্রমবর্ধমান রাজনৈতিক সম্পর্কের প্রতিফলন। তিনি সৌদি আরবের জন্য সামুদ্রিক নিরাপত্তায় বাংলাদেশকে একটি শক্তিশালী অংশীদার হিসেবেও বর্ণনা করেন। একটি সামগ্রিক অর্থনৈতিক ও কৌশলগত অংশীদারিত্বের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে শ্রম অভিবাসন ও রেমিট্যান্সের প্রথাগত কাঠামোর বাইরে সম্প্রসারিত করা উচিত। তিনি বলেন, ‘সেই ভিত্তিটি গুরুত্বপূর্ণ হলেও, এটিই আমাদের আকাঙ্ক্ষার শেষ সীমা হতে পারে না।’ সৌদি আরবের ‘ভিশন ২০৩০’ এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক রূপান্তর, দেশের অভ্যন্তরীণ বিনিয়োগ, মানবসম্পদ, প্রযুক্তি এবং সংযোগের মতো ক্ষেত্রগুলোতে অভিন্ন স্বার্থ তৈরি করেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি আরও জানান, অগ্রাধিকারমূলক খাতগুলোতে যৌথ বিনিয়োগ ও অংশীদারিত্ব সহজ করার জন্য একটি সম্ভাব্য ‘বিনিয়োগ তহবিল’ গঠনের বিষয়ে আলোচনা চলছে। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নবায়নযোগ্য জ্বালানি, অবকাঠামো, বন্দর, লজিস্টিকস, কৃষি, মৎস্য, খাদ্য নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসেবা, ফার্মাসিউটিক্যালস, তথ্যপ্রযুক্তি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে সৌদি বিনিয়োগের জন্য সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র হিসেবে তুলে ধরেন।  তিনি বলেন, এই ধরনের বিনিয়োগ আকর্ষণে একটি ধারাবাহিক ও স্বচ্ছ ব্যবসায়িক পরিবেশ, উন্নত প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় এবং সময়োচিত সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রয়োজন। সৌদি আরবের শ্রমবাজারের পরিবর্তনশীল চাহিদা মেটাতে প্রশিক্ষিত ও সনদপ্রাপ্ত পেশাদার পাঠানোর ওপর জোর দেন কবির। সৌদি বাজারের প্রয়োজনীয়তার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দক্ষতা নিশ্চিত করতে প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্প খাতের মধ্যে শক্তিশালী সহযোগিতার আহ্বান জানান তিনি। তিনি বলেন, সৌদি আরবে প্রবাসী বাংলাদেশি শ্রমিকদের কল্যাণ, মর্যাদা ও অধিকার রক্ষা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার থাকবে। প্রতিমন্ত্রী জ্ঞান ও প্রযুক্তি অংশীদারিত্বের পাশাপাশি বন্দর, শিপিং, লজিস্টিকস, এভিয়েশন এবং সরবরাহ শৃঙ্খলে (সাপ্লাই চেইন) সহযোগিতার সুযোগের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘তাই বাংলাদেশ-সৌদি আরব সম্পর্কের পরবর্তী অধ্যায় কেবল সংখ্যার পরিমাপে নয়, বরং মূল্য সৃষ্টির (ভ্যালু ক্রিয়েশন) মাধ্যমে সংজ্ঞায়িত হওয়া উচিত।’ সেমিনারে সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আবদুল্লাহ জাফর বিন আবিয়াহ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (দ্বিপক্ষীয়) ড. মো. নজরুল ইসলাম এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান সচিব মো. মুক্তার আহমেদ। বিআইআইএসএস-এর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল এ এস এম রিদওয়ানুর রহমান এবং এনএসইউর উপাচার্য অধ্যাপক আব্দুল হান্নান চৌধুরীও সেমিনারে বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে হুমায়ুন কবির পুনর্ব্যক্ত করেন, মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি বিবেচনার ক্ষেত্রে মধ্যপ্রাচ্য ও মুসলিম বিশ্বের শান্তি ও স্থিতিশীলতাই বাংলাদেশের মূল লক্ষ্য। তিনি বলেন, মক্কা ও মদীনা সংলগ্ন অঞ্চলের শান্তি বজায় রাখা একটি প্রধান উদ্দেশ্য। বাংলাদেশ চাইলে সারাবিশ্বে আরও কার্যকর ও ব্যাপকভাবে শান্তিরক্ষায় তার অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে পারে। তিনি আরও বলেন, চুক্তিতে অংশগ্রহণ বা জোটে যোগদানের উদ্যোগগুলো ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে, যেখানে আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতাকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। হুমায়ুন কবির বলেন, উভয় দেশের মধ্যে মন্ত্রী ও কর্মকর্তা পর্যায়ের সফরসহ নিয়মিত উচ্চপর্যায়ের আদান-প্রদান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করছে। তিনি সৌদি আরবে আরও উচ্চ দক্ষতাসম্পন্ন পেশাজীবী পাঠানোর পাশাপাশি জ্বালানি, প্রযুক্তি ও অন্যান্য সম্ভাবনাময় খাতে কর্মসংস্থানের সুযোগ বহুমুখী করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি বলেন, ‘সৌদি আরবের সঙ্গে আমাদের অত্যন্ত ইতিবাচক আলোচনা চলছে। ইনশাআল্লাহ, দুই দেশের মধ্যে অনেক নতুন সুযোগ তৈরি হবে।’ প্রতিমন্ত্রী বলেন, লাভজনক খাতগুলোতে বাংলাদেশ ও সৌদি আরব যৌথভাবে বিনিয়োগ করতে পারে, এমন একটি বিস্তৃত বিনিয়োগ অংশীদারত্বের সুযোগ রয়েছে। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘অন্যের ওপর নির্ভরশীলতার দিন শেষ। আমরা এখন দুই দেশের মধ্যে সমতাভিত্তিক অংশীদারত্ব এবং টেকসই নীতির ওপর গুরুত্ব দিচ্ছি।’ আরটিভি/এসআর
মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিকে ইতিবাচকভাবে দেখছে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
আরও পড়ুন
চারদিনের সফরে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
‘প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে গুরুত্ব পাবে অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব ও বিনিয়োগ’
বর্জ্য থেকে জ্বালানি উৎপাদনের প্রকল্প বাস্তবায়নে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর
মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা সরকারের জনকল্যাণমুখী স্বাস্থ্যনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক: প্রধানমন্ত্রী