ঢাকা শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৩১ আশ্বিন ১৪৩৩

বিশ্বের সেরা স্থাপত্যের স্বীকৃতি পেল বাংলাদেশের নারী শ্রমিকদের কারখানা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১৬ পিএম
রংপুরের গ্রিন ফিল্ড ফ্যাক্টরি—সবুজ পরিবেশ, কর্মীবান্ধব সুযোগ-সুবিধা ও ব্যতিক্রমী নকশার জন্য আন্তর্জাতিক স্থাপত্য পুরস্কার পেয়েছে বাংলাদেশের এই কারখানা। ছবি: সংগৃহীত

সবুজে ঘেরা উঠান, পুকুরপাড়ের পথ আর গাছপালায় ঢাকা দেয়াল—এমন নান্দনিক নকশার জন্য বিশ্বের সেরা নতুন স্থাপনার স্বীকৃতি পেয়েছে বাংলাদেশের একটি কারখানা। রংপুরের সাততলা গালিচা তৈরির কারখানা গ্রিন ফিল্ড ফ্যাক্টরি জিতেছে যুক্তরাজ্যের রয়্যাল ইনস্টিটিউট অব ব্রিটিশ আর্কিটেক্টসের (রিবা-RIBA) আন্তর্জাতিক স্থাপত্য পুরস্কার।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) ঘোষিত এ পুরস্কারের বিচারকেরা কারখানাটির নকশাকে ‘নীরব নম্রতার কাজ’ (work of quiet humility) প্রকাশকারী স্থাপত্য হিসেবে বর্ণনা করেন। তাদের মতে, কর্মীদের জীবনমান ও প্রকৃতির সঙ্গে কাজের পরিবেশের সংযোগ তৈরির বিষয়টি এ স্থাপনাকে বিশেষ করে তুলেছে।

১ লাখ ৪৪ হাজার বর্গফুটেরও বেশি জায়গাজুড়ে নির্মিত কারখানাটির নকশা করেছে বাংলাদেশের স্থাপত্য প্রতিষ্ঠান নকশাবিদ আর্কিটেক্টস। স্থপতিরা বাংলার ঐতিহ্যবাহী বাড়ির নকশা থেকে অনুপ্রেরণা নিয়েছেন। এসব বাড়িতে সাধারণত উঠান ও পুকুর থাকে। সেই ভাবনা থেকেই কারখানাটিতে রাখা হয়েছে সবুজ বাগান, গাছপালায় ঘেরা বারান্দা, পুকুরপাড়ের পথ এবং গাছে ঢাকা দেয়াল।

তবে শুধু নান্দনিক নকশাই নয়, প্রায় ৫ হাজার কর্মীর জন্য সুযোগ-সুবিধা রাখার বিষয়টিও বিচারকদের প্রশংসা পেয়েছে। কারখানাটির অধিকাংশ কর্মী নারী।

কর্মীদের জন্য ছাদে শিশুদের যত্ন নেওয়ার কেন্দ্র, চিকিৎসাসেবা এবং অবসর সময়ে একসঙ্গে বসার ছায়াঘেরা জায়গা রয়েছে। প্রবেশপথে স্থাপন করা হয়েছে এক নারীর বড় ভাস্কর্য। স্থপতিদের ভাষ্য, এটি নারীর ক্ষমতায়ন ও শক্তির প্রতীক।

রিবার বিচারক দল গত সেপ্টেম্বর কারখানাটি পরিদর্শন করে। সংস্থাটি জানিয়েছে, কর্মীরা কাজের সময়ের বাইরেও পরিবারের সদস্যদের নিয়ে কারখানার বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ব্যবহার করেন। বিচারকদের মতে, এই প্রকল্প কারখানার নকশা ও পরিচালনার ক্ষেত্রে একটি বিকল্প দৃষ্টান্ত তৈরি করেছে।

নকশাবিদ আর্কিটেক্টসের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান স্থপতি বায়েজিদ এম. খন্দকার পুরস্কার ঘোষণার আগে এক বিবৃতিতে বলেন, তিনি দেখাতে চেয়েছেন, শিল্পকারখানাও মানুষের যত্ন নিতে পারে, অনুপ্রেরণা জোগাতে পারে এবং প্রাণবন্ত পরিবেশ তৈরি করতে পারে।

তিনি বলেন, যারা একটি কারখানায় কাজ করেন, তাদের জন্য কারখানাটিকে প্রথমে একটি বাড়ি হিসেবে নকশা করা হলে কেমন হয়—আমরা এই সহজ প্রশ্নটি সামনে রেখেছিলাম। প্রতিটি উঠান, বাগান, জলাধার ও ছায়াঘেরা বারান্দা সেই ভাবনা থেকেই তৈরি হয়েছে।

কারখানাটি পরিচালনা করে কারুপণ্য রংপুর লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটি হাতে তৈরি গালিচার পাশাপাশি দরজার সামনে ও গোসলখানায় ব্যবহারের জন্য বিভিন্ন ধরনের মাদুরও তৈরি করে।

কেন গুরুত্বপূর্ণ এই স্বীকৃতি?

বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ বস্ত্রপণ্য উৎপাদনকারী দেশ। তবে দেশের কারখানাগুলোর কর্মপরিবেশ ও শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বেগ রয়েছে।

২০১৩ সালে ঢাকার কাছে সাভারে রানা প্লাজা ধসে প্রায় ১ হাজার ১০০ মানুষ নিহত হন। ভবনটিতে পোশাক কারখানা ছিল। ভবনে ফাটল দেখা দেওয়ার পরও শ্রমিকদের কাজে ফিরতে বাধ্য করার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনা কারখানার নিরাপত্তা ও শ্রমিকদের অধিকার নিয়ে বিশ্বজুড়ে আলোচনা তৈরি করে।

রিবার মতে, গ্রিন ফিল্ড ফ্যাক্টরির নকশায় কর্মীদের সুস্থতা ও মর্যাদাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কারখানাটিতে শ্রমিক, ব্যবস্থাপক ও মালিকদের জন্য একই প্রধান প্রবেশপথ রাখা হয়েছে। বাংলাদেশে অনেক বড় কারখানায় শ্রমিক ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জন্য আলাদা প্রবেশপথ থাকার প্রচলন রয়েছে। পুরস্কারের বিচারক দলের প্রধান বিজয় জেয়েন (jury chair, Bijoy Jain) একই প্রবেশপথকে সবার জন্য সমান মর্যাদার প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করেন।

২০১৬ সালে চালু হওয়া রিবার আন্তর্জাতিক পুরস্কার সাধারণত দুই বছর পরপর দেওয়া হয়। স্থাপত্যে নতুন চিন্তা, উদ্ভাবনী নকশা ও উৎকর্ষের স্বীকৃতি হিসেবে এই পুরস্কার দেওয়া হয়।

এবার চারটি স্থাপনা চূড়ান্ত তালিকায় ছিল। বাংলাদেশের গ্রিন ফিল্ড ফ্যাক্টরির পাশাপাশি ঢাকার জলবায়ু উপযোগী ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ও তালিকায় জায়গা পেয়েছিল। বাকি দুটি স্থাপনা বেলজিয়ামে অবস্থিত—একটি ষাটের দশকের একটি দপ্তর ভবন সংস্কার করে তৈরি করা হয়েছে, অন্যটি একটি শিল্পকলা প্রতিষ্ঠানের সম্প্রসারিত ভবন।

২০২৪ সালে স্পেনের বার্সেলোনায় ছয়তলা কাঠের সামাজিক আবাসন প্রকল্প এ পুরস্কার জিতেছিল। এর আগের বিজয়ীদের মধ্যে রয়েছে ব্রাজিলের গ্রামীণ এলাকার একটি বিদ্যালয়, পেরুর একটি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশের বন্যাপ্রবণ প্রত্যন্ত অঞ্চলে নির্মিত একটি হাসপাতাল।

সূত্র: সিএনএন


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
গাড়ির গতি নিয়ন্ত্রণ, কঠোর নজরদারি ও চালকদের প্রশিক্ষণই কমাবে সড়ক দুর্ঘটনা
সড়ক দুর্ঘটনা রোধে যানবাহনের নিবন্ধন, ড্রাইভিং লাইসেন্স ইস্যু ও গাড়ির ফিটনেস পরীক্ষায় কঠোরতা অবলম্বন করছে প্রশাসন। পাশাপাশি গতি নিয়ন্ত্রণ, সিসিটিভি ক্যামেরায় নজরদারি এবং চালকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণের ওপরও বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পুলিশসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সড়ক দুর্ঘটনার সঠিক তদন্ত, মামলা দায়ের এবং দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করতে আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করছে। ট্রাফিক বিভাগ, হাইওয়ে পুলিশ এবং বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) সমন্বিত পদক্ষেপে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরতে শুরু করেছে। যানবাহন নিবন্ধন, লাইসেন্স প্রদান, ফিটনেস পরীক্ষা এবং আইন প্রয়োগে বাড়তি দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিচ্ছে বিআরটিএ। সড়ক নিরাপত্তার বিষয়ে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শামসুল হক বলেন, গাড়ির বেপরোয়া গতি নিয়ন্ত্রণ, পর্যাপ্ত স্পিড ক্যামেরা ও স্পিড ব্রেকার স্থাপন, নিয়মিত নজরদারি এবং অদক্ষ চালকদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমেই দুর্ঘটনা উল্লেখযোগ্য হারে কমানো সম্ভব। তিনি বলেন , প্রধানত চালকদের অসতর্কতা, ট্রাফিক আইন অমান্য করা, ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন, চালকদের বেপরোয়া গতি, ড্রাইভিংকালে ফোনে কথা বলা, বিপজ্জনক ওভারটেকিং, পথচারীদের অসচেতনতা এবং অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহনের কারণেই অধিকাংশ দুর্ঘটনা ঘটছে। দুর্ঘটনা রোধে সুপারিশ তুলে ধরে ড. শামসুল হক আরও বলেন, আইন অমান্যকারীদের কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। ফিটনেসবিহীন গাড়ি চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করা, নিয়মিত ফিটনেস পরীক্ষা, ফুটপাত ও সড়কের মান উন্নয়ন এবং পর্যাপ্ত আলো, ট্রাফিক সিগন্যাল, জেব্রা ক্রসিং ও সড়কচিহ্ন স্থাপন করা জরুরি। এছাড়া হেলমেট ও সিটবেল্ট পরা বাধ্যতামূলক করা এবং মাদকাসক্ত বা ক্লান্ত-ঘুমন্ত অবস্থায় গাড়ি চালানো বন্ধে পদক্ষেপ নিতে হবে। সড়কের বিশৃঙ্খলাকে দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সড়কে ইজিবাইক, মোটরসাইকেল, অটোরিকশা, টেম্পো ও সিএনজি চালিত অটোরিকশার মতো ছোট গাড়ির সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। এসব ছোট গাড়ি দ্রুতগতির যানবাহনের চলাচলে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটায়, যা দুর্ঘটনা বাড়ায়। এগুলো নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি। তিনি বলেন, প্রধান সড়কের পাশে ফুটপাত দখল ও মার্কেট গড়ে ওঠায় মানুষের যাতায়াত বাড়ছে, ফলে দুর্ঘটনার ঝুঁকিও তৈরি হচ্ছে। একই সঙ্গে চালকদের পেশাদার প্রশিক্ষণের অভাব রয়েছে। দুর্ঘটনার কারণ নিয়ে নিয়মিত গবেষণা চালানো, ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো (ব্ল্যাক স্পট) চিহ্নিত করে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া এবং গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সচেতনতামূলক প্রচার চালানোর তাগিদ দেন এই প্রকৌশলী। লালবাগ ট্রাফিক বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. মোফিজুল ইসলাম বলেন, মহাসড়কে কিছু চালকেরা ট্রাফিক আইন অমান্য করে অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালাতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। তাই চালকদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া এখন সময়ের দাবি। এছাড়া মহাসড়ক ও প্রধান সড়কে ছোট গাড়ির আনাগোনা কমানো না গেলে দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণ কঠিন হবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সড়ক দুর্ঘটনা কেবল জীবনই কেড়ে নেয় না, বরং পুরো পরিবার ও অর্থনীতির ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলে। নিহত বা পঙ্গু হওয়া ব্যক্তির কর্মক্ষমতা হারানোয় আয় কমে যাওয়া ও চিকিৎসাব্যয় মেটাতে গিয়ে পরিবারগুলো মারাত্মক অর্থনৈতিক সংকটে পড়ে। মোটরসাইকেল আরোহী, সাধারণ পথচারী, শিশু, সাইকেল ও তিন চাকার যাত্রী এবং সড়কের পাশে বসবাসকারী মানুষই দুর্ঘটনার সবচেয়ে বেশি শিকার হচ্ছেন। সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করা বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, ‘অতিরিক্ত গতি, ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিং ও উল্টো পথে গাড়ি চালানোর কারণে দুর্ঘটনা বাড়ছে। পাশাপাশি ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলাচল এবং যানবাহন পরিদর্শনের দুর্বলতাও এর জন্য বড় দায়ী। তিনি বলেন, দুর্ঘটনা ঘটলেও যেন প্রাণহানি না ঘটে- এমন নিরাপদ সড়ক অবকাঠামো গড়ে তুলতে হবে। সেজন্য পথচারী পারাপারের নিরাপদ ব্যবস্থা, মিডিয়ান ব্যারিয়ার, উপযুক্ত বাসস্টপ, পর্যাপ্ত আলো, স্পষ্ট রোড মার্কিং এবং স্কুল ও বাজার এলাকায় গতিসীমা নির্ধারণ করা প্রয়োজন। যাত্রী কল্যাণ সমিতির পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ছয় মাসে সারাদেশে ৪ হাজার ২৩৩টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৫ হাজার ২৪৬ জন নিহত এবং ৭ হাজার ৫৪৪ জন আহত হয়েছেন। সড়কে নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে সাধারণ পথচারী মো. সাফিউর রহমান বলেন, পথচারীদের যত্রতত্র রাস্তা পার না হয়ে সচেতনভাবে চলাচল করা উচিত। দ্রুত রাস্তা পার হওয়ার প্রবণতা দুর্ঘটনার বড় কারণ। তবে অনেক চালক অস্বাভাবিক বা নেশাগ্রস্ত অবস্থায় নিয়ম না মেনে গাড়ি চালায়। চালক ও পথচারী- উভয়ের সচেতনতা এবং আইনের কঠোর প্রয়োগই পারে সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে। সূত্র: বাসস আরটিভি/এসকে
গাড়ির গতি নিয়ন্ত্রণ, কঠোর নজরদারি ও চালকদের প্রশিক্ষণই কমাবে সড়ক দুর্ঘটনা
মোটরসাইকেলের নম্বরপ্লেট নিয়ে নতুন শর্ত, না মানলে কঠোর ব্যবস্থা
আগামী ১৫ নভেম্বরের মধ্যে মোটরসাইকেল চালকদেরকে এ নিয়ম পালনে ব্যবস্থা নিতে হবে। নির্দেশ না মানলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।
মোটরসাইকেলের নম্বরপ্লেট নিয়ে নতুন শর্ত, না মানলে কঠোর ব্যবস্থা
জুলাই অভ্যুত্থান ঘিরে বাধ্যতামূলক অবসরে পুলিশের ১৪৭ উর্ধ্বতন কর্মকর্তা
বৃহস্পতিবার (১৫ আগস্ট) জাতীয় সংসদ ভবনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির পঞ্চম বৈঠকে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়। 
জুলাই অভ্যুত্থান ঘিরে বাধ্যতামূলক অবসরে পুলিশের ১৪৭ উর্ধ্বতন কর্মকর্তা
এনআইডিতে নাম, বয়স ও ঠিকানা সংশোধনে লাগবে যেসব কাগজপত্র
জাতীয় পরিচয়পত্রে (এনআইডি) নাম, জন্মতারিখ, বাবা-মায়ের নাম কিংবা ঠিকানায় ভুল থাকলে তা সংশোধনের সুযোগ রয়েছে। তবে কোন তথ্য সংশোধন করতে কী কী কাগজপত্র জমা দিতে হবে, তা নির্ভর করে সংশোধনের ধরন ও ভুলের মাত্রার ওপর।
এনআইডিতে নাম, বয়স ও ঠিকানা সংশোধনে লাগবে যেসব কাগজপত্র
মোটরসাইকেল চালকদের জন্য নতুন নির্দেশ
বিআরটিএ থেকে প্রকাশিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। নির্দেশ না মানলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
মোটরসাইকেল চালকদের জন্য নতুন নির্দেশ
আরও পড়ুন
‘গভীর রাতে’ ধানক্ষেতে কীটনাশক স্প্রে, কৃষকের মাথায় হাত
পীরগঞ্জে পৌরসভার নির্মাণাধীন ভবনের ছাদ ধসে নিহত ২
রংপুরে নকল সার কারখানায় অভিযান
রংপুরে ৪ খুন: নমুনা পরীক্ষায় আসামি সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধের ডিএনএ শনাক্ত