ঢাকা সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩

মন্ত্রিসভা থেকে ইশরাককে পদত্যাগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২৭ পিএম
ছবি : সংগৃহীত

অস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযানে নেমে বিতর্কের জন্ম দেওয়া মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনকে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

রোববার (১৮ অক্টোবর) বিকেলে সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে ইশরাককে ডেকে পাঠান প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই তাকে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয় বলে সরকার-সংশ্লিষ্ট উচ্চপর্যায়ের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।

তবে রাতে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সরকারের দায়িত্বশীল কারও আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে মাদকবিরোধী অভিযানে নামেন ইশরাক হোসেন। এ সময় তার সঙ্গে থাকা ব্যক্তিদের হাতেও অস্ত্র গেছে। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। এ নিয়ে বিএনপি ও সরকারের ভেতরেও অস্বস্তি ও অসন্তোষ তৈরি হয়। এমন পরিস্থিতিতে ঘটনার এক দিনের মাথায় ইশরাককে মন্ত্রিসভা ছাড়ার নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী।

শনিবার বিকেলে রাজধানীর গেন্ডারিয়া রেলস্টেশনসংলগ্ন দয়াগঞ্জ গুন্টিঘর রেলগেট এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে যান ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন। তার নিজের ফেসবুক পেজে প্রকাশ করা ভিডিওতে দেখা যায়, গাড়ি থেকে নেমেই আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে চিৎকার করে বলছেন, ‘এই ধর ধর ধর...।’ তার পাশ থেকে একজনকে বলতে শোনা যায়, ‘একেবারে গুলি করে দেব।’

এ সময় প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে থাকা দেহরক্ষীরা কয়েকজনকে ধরতে দৌড়ান। ঘটনাস্থলে প্রতিমন্ত্রীর নিজের নিয়োগ দেওয়া দুই দেহরক্ষী তোফাজ্জল হোসেন ও লাভলুর পাশাপাশি একজন সরকারি দেহরক্ষীও ছিলেন। নিজের নিয়োগ দেওয়া দেহরক্ষীদের কাছেও অস্ত্র ছিল। ভিডিওর কিছু অংশে ইশরাকের হাতে থাকা পিস্তল অস্পষ্ট করে দেওয়া হলেও অন্য অংশে অস্ত্রটি স্পষ্ট দেখা যায়। গুলি করার হুমকি দেওয়া ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এমন ঘটনার পর প্রশ্ন ওঠে, একজন প্রতিমন্ত্রী প্রকাশ্যে অস্ত্র প্রদর্শন করে মাদকবিরোধী অভিযান চালাতে পারেন কি না। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ২০২৫ সালের আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স প্রদান, নবায়ন ও ব্যবহার নীতিমালার ২৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, আত্মরক্ষার জন্য লাইসেন্সপ্রাপ্ত অস্ত্র বহন ও ব্যবহার করা গেলেও অন্যের মনে ভয় বা বিরক্তির সৃষ্টি হতে পারে, এমনভাবে অস্ত্র প্রদর্শন করা যাবে না।

আরটিভি/এমএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
‘গণঅভ্যুত্থানের পরতে পরতে হাসনাত ও সারজিসের গাদ্দারি খুঁজে পাওয়া যাবে’
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরতে পরতে হাসনাত আবদুল্লাহ ও সারজিস আলমের গাদ্দারি খুঁজে পাওয়া যাবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। রোববার (১৮ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন। রাশেদ খাঁন লেখেন, হাসনাত আব্দুল্লাহকে সমন্বয়করা হাসিনার আব্দুল্লাহ ডাকার সূত্রপাত হয়, ১৭ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি চত্বরে আবু সাইদ,ওয়াসিম আকরামসহ ৬ জন শহীদের জন্য আয়োজিত গায়েবানা জানাজা ও কর্মসূচিতে নারী শিক্ষার্থীসহ সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপর বর্বর হামলার প্রতিবাদে রিফাত রশিদ একটা প্রতিবাদলিপি লিখে হাসনাত আব্দুল্লাহকে চেক করার জন্য দায়িত্ব দেওয়ার পর থেকে। তিনি লেখেন, ডিজিএফআইয়ের পরামর্শে হাসনাত আব্দুল্লাহ সেই প্রতিবাদলিপির শেষের দিকে যুক্ত করে দেয় যে, 'আলোচনার দরজা খোলা আছে'। এমনকি সমন্বয়কদের কারও সাথে আলোচনা না করেই সেটি আবার ফেসবুকে পোস্টও করে দেয়। এনিয়ে সমন্বয়কদের মধ্যে বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে হাসনাত আব্দুল্লাহ স্বীকার করে যে, ডিজিএফআইয়ের পরামর্শে তিনি এই লাইন যুক্ত করেছেন। তিনি আরও লেখেন, এছাড়া ১০ জুলাই কোটা নিয়ে হাইকোর্টের রায়ের পর ৩ দিনের আল্টিমেটাম দিয়ে আন্দোলন স্থগিত ঘোষণা করার জন্য ঢাবির তৎকালীন সহকারী প্রক্টর, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুর রহিম স্যারের সাথে বসে ডিজিএফআইয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রেস নোটও হাসনাত-সারজিস লিখে ফেলেছিলো। কিন্তু শাহবাগে হাসনাত-সারজিস উপস্থিত হওয়ার পর অন্যান্য সমন্বয়করা রাজি না হওয়ায় আন্দোলন স্থগিত ঘোষণার মতো সাহস দেখাতে পারেনি এই দুই জুলাই গাদ্দার। শেষে তিনি লেখেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরতে পরতে এভাবে হাসনাত- সারজিসের গাদ্দারি খুঁজে পাওয়া যাবে.... ১৯ জুলাই শহীদের রক্ত মারিয়ে আ.লীগের মন্ত্রীদের সাথে বৈঠক কিংবা নাহিদ-আসিফ গুম হওয়ার পরে ডিজিএফআইয়ের গাড়িতে ঘুরে বেড়ানো ও ডিবি হেফাজতে পুকুরপাড়ে বসে জুস খাওয়া সেই হাসিনার আব্দুল্লাহ যখন ৬১ দিন গুম ও দীর্ঘদিন নির্বাসিত থাকা জনাব সালাউদ্দিন আহমেদকে শুধুমাত্র  'সালাউদ্দিন সম্বোধন করে , ' বিএনপিই কিছুদিন পর সালাউদ্দিনের বিচার করবে ' বলে গালমন্দ করে, তখন বলতেই হয় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রতি ও শেখ হাসিনার পতনের ক্ষোভ থেকেই শেখ হাসিনার দ্বারা গুম হওয়া একজন নেতা  সম্পর্কে ওরা এই আক্রোশ লালন করতেই পারে। আরটিভি/টিআর
‘গণঅভ্যুত্থানের পরতে পরতে হাসনাত ও সারজিসের গাদ্দারি খুঁজে পাওয়া যাবে’
ক্ষমতার জন্য বিএনপির সঙ্গে থাকলেও জামায়াতের মনের মধ্যে আ. লীগ: রিজভী
ক্ষমতার জন্য বিএনপির সঙ্গেও থাকলেও জামায়াতে ইসলামীর মনের মধ্যে আওয়ামী লীগ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। রোববার (১৮ অক্টোবর) সন্ধ্যার দিকে প্রেসক্লাবে বিএনপির সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আফসার আহমদ সিদ্দিকীর ২৫তম মৃত্যুবার্ষিকী স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে তিনি এ কথা বলেন। জামায়াতের আমিরের বক্তব্যের সমালোচনা করে রিজভী বলেন, জামায়াতের আমির আজকেই বোধ হয় একটা কথা বলেছেন, যে বিএনপি ফ্যাসিস্টদের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। তা আমি তাকে বলতে চাই, ফ্যাসিস্টদের পথ কী? কোনটা পথ? একটা দৃষ্টান্ত দেখান। রিজভী বলেন, ৫ আগস্টের পর আওয়ামী লীগের সবকিছু মাফ করে দেওয়া কিংবা ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের কথা বিএনপির কোনো নেতা বলেননি। বিএনপির প্রধান নেতা তারেক রহমানও এমন কথা বলেননি। অথচ এখন বিএনপির বিরুদ্ধে ফ্যাসিস্টদের পথে হাঁটার অভিযোগ তোলা হচ্ছে। তিনি বলেন, বিএনপিকে জনগণ চেনে, বিএনপি যে প্রতিশ্রুতি দেয়, সেই প্রতিশ্রুতি থেকে বিন্দুমাত্র বিচ্যুত হয় না। কিন্তু আপনারা যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, সেই প্রতিশ্রুতি আপনারা ইসলামের নামে দিয়েছেন, আল্লাহর নামে দিয়েছেন। অনেক কথা বলছেন মানুষের মনকে জয় করার জন্য। কিন্তু পরক্ষণেই উল্টো কাজ করেছেন। রিজভী বলেন, আপনারা অতীতের যত কাজ, সে কাজগুলো কিন্তু আপনারা করেছেন শেখ হাসিনার পথ ধরেই। তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া এরশাদ সরকারকে অবৈধ আখ্যা দিয়ে তার অধীনে নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। আওয়ামী লীগ ও জামায়াতও এরশাদের অধীনে নির্বাচনে না যাওয়ার কথা বলেছিল। কিন্তু পরে আওয়ামী লীগ সে অবস্থান থেকে সরে আসে এবং জামাতও সে অবস্থান থেকে সরে আসে। আপনারা (জামায়াত)তো প্রমাণ রেখেছেন ইতিহাসে। আপনারা হাসিনার পথে হাঁটতে সবচাইতে ভালোবাসেন। ক্ষমতার জন্য কখনো কখনো বিএনপির সঙ্গে জোট করার চেষ্টা করেন। কিন্তু মনের ভেতরে হাসিনার প্রদর্শিত পথেই আপনারা হাঁটেন। রিজভী বলেন, ১৯৯৪-৯৫ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার আন্দোলনেও জামায়াত আওয়ামী লীগের সঙ্গে একই পথে হেঁটেছে। ইতিহাসের এসব উদাহরণ উপেক্ষা করে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। বিএনপির এই নেতা বলেন, বিএনপির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত অসংখ্য নেতাকর্মীদের গুপ্তহত্যার আত্মদান, স্যাক্রিফাইস এবং ত্যাগের মধ্যে দিয়ে এই দল তৈরি হয়েছে। গণতন্ত্র হচ্ছে তার অভীষ্ট লক্ষ্য। গণতন্ত্র হচ্ছে তার আদর্শিক চেতনা। জামায়াতের উদ্দেশে রিজভী বলেন, গণতন্ত্র ও দেশের স্বাধীনতার প্রশ্নে দলটির আদর্শিক অবস্থান কী, তা নিয়ে জনগণের মধ্যে সন্দেহ রয়েছে। গণতান্ত্রিক আন্দোলনগুলোতে জামায়াতের অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। আফসার আহমেদ সিদ্দিকীর সঙ্গে নিজের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কথা তুলে ধরে রিজভী বলেন, আফসার আহমেদকে বড় ভাই বলে ডাকলেও তাদের সম্পর্ক ছিল অনেকটা পিতা-পুত্রের মতো। তার সান্নিধ্য থেকে রাজনীতি বোঝার পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবনেও অনেক কিছু শিখেছেন তিনি। সভায় বিএনপির নার্সেস ও স্বাস্থ্য সহকারী সহসম্পাদক জাহানারা সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক-বিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু, স্বাস্থ্য-বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ডা. রফিকুল ইসলাম, যুবদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন মামুনসহ বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা। আরটিভি/টিআর
ক্ষমতার জন্য বিএনপির সঙ্গে থাকলেও জামায়াতের মনের মধ্যে আ. লীগ: রিজভী
কোন কারণে বুকে পাথর চাপা দিয়ে জুলাই সনদে সই করেছিল জামায়াত, প্রশ্ন রাশেদ খাঁনের
বিএনপিসহ কয়েকটি দলের ভিন্নমতের সঙ্গে একমত হয়েই জামায়াতে ইসলামী জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর করেছিল বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।  রোববার (১৮ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা লেখেন রাশেদ খাঁন। তার প্রশ্ন, কোন কারণে ‘বুকে পাথর চাপা দিয়ে’ জামায়াত সনদে স্বাক্ষর করেছিল। তিনি লেখেন, বিএনপিসহ বেশ কয়েকটি দলের ভিন্নমতের সাথে একমত হয়েই জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর করেছিল জামায়াতে ইসলামী। জাতীয় ঐক্যমত কমিশন আয়োজিত স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের ঠিক আগের দিন জামায়াতে ইসলামী বলেছিলো, পিআর ছাড়া জুলাই সনদে স্বাক্ষর করবো না। কিন্তু পরের দিন স্বাক্ষর করার জন্য জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় সবার আগে তারাই গিয়ে বসে ছিল। পোস্টে তিনি লেখেন, জানি না, কোন কারণে বুকে পাথর চাপা দিয়ে জামায়াতে ইসলামী জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর করেছিল! তবে যতো কষ্টই তাদের হোক না কেনো, তারা স্বাক্ষর করার মধ্য দিয়ে জুলাই জাতীয় সনদে থাকা ভিন্নমত বিতর্কের অবসান ঘটেছিল। ‘তবে এনসিপি সনদে স্বাক্ষর না করে তাদের অবস্থান ধরে রেখেছিল। কিন্তু পরবর্তীতে তারাও স্বাক্ষর করার মধ্য দিয়ে ভিন্নমত বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে স্বাক্ষরিত জুলাই জাতীয় সনদের স্বীকৃতি প্রদান করে। বিএনপি সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারর প্রথম দফাতেই উল্লেখ করা আছে, জনগণের ম্যানডেট পেলে স্বাক্ষরিত জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন করা হবে।’ রাশেদ খাঁন লেখেন, বিএনপি সরকার তার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দায়িত্ব গ্রহণের পর দিন থেকে স্বাক্ষরিত জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের পথে রয়েছে। কিন্তু সকল দলের স্বাক্ষরের মাধ্যমে ভিন্নমত বিতর্কের যে অবসান ঘটেছে, সেই বিতর্ক নতুন করে সামনে এনে সময় নষ্ট করার কোনো প্রয়োজন নেই। আরটিভি/এসআর
কোন কারণে বুকে পাথর চাপা দিয়ে জুলাই সনদে সই করেছিল জামায়াত, প্রশ্ন রাশেদ খাঁনের
ফ্যাসিস্ট আমলেও জনগণের পাশে ছিল ‘জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন’: রিজভী
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ফ্যাসিবাদের তীব্র দুঃশাসন ও প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও সামাজিক দায়িত্ব পালন থেকে পিছপা হয়নি জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন (জেডআরএফ)। তার মতে, দেশের প্রতিটি রাজনৈতিক সংকট ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে সাধারণ মানুষের পাশেই ছিল এই স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন । শনিবার (১৮ অক্টোবর) সকালে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। রুহুল কবির রিজভী বলেন, জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন কেবল একটি রাজনৈতিক ভাবধারার সংগঠন নয়, এটি মূলত সুবিধাবঞ্চিত ও সাধারণ জনগণের কল্যাণে গঠিত একটি মানবিক প্রতিষ্ঠান। ফ্যাসিবাদের চরম দমন-পীড়নের সময়েও জেডআরএফ চিকিৎসা সহায়তা, ত্রাণ বিতরণ ও পুনর্বাসনের মতো জনকল্যাণমূলক কাজ অব্যাহত রেখেছে। সাম্প্রতিক সময়ের অধিকার আদায়ের আন্দোলন-সংগ্রামে যারা আহত ও নিহত হয়েছেন, তাদের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে সামাজিক প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেছে সংগঠনটি। একই সময়ে দেশের বর্তমান স্বাস্থ্য পরিস্থিতি ও রোগব্যাধি নিয়ে কথা বলেন বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা। তিনি জানান, ডেঙ্গু ও হাম প্রতিরোধে সরকারের দিক থেকে আন্তরিকতার কোনো কমতি নেই। খোদ প্রধানমন্ত্রী নিজেই পরিচ্ছন্নতা অভিযানে নেমেছেন। রিজভী আরও বলেন, প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে মাঠপর্যায়ে সরকারের নেয়া গৃহীত পদক্ষেপগুলো সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখার মূল দায়িত্ব নিয়োজিত কর্মকর্তাদের। দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করলে অতি দ্রুতই দেশের এসব স্বাস্থ্য সংকট কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে। শ্রদ্ধা নিবেদনকালে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক, সদস্যবৃন্দ, চিকিৎসক ও বিএনপির অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/এসআর
ফ্যাসিস্ট আমলেও জনগণের পাশে ছিল ‘জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন’: রিজভী
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শহীদ জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে জেডআরএফের শ্রদ্ধা
জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের (জেডআরএফ) ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন দলটির নেতাকর্মীরা। রোববার (১৮ অক্টোবর) সকাল ১০টায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে সমাধিতে নেতাকর্মীদের নিয়ে শ্রদ্ধা জানান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে শহীদ জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। এ সময় জেডআরএফের বোর্ড অব ডিরেক্টরস, মনিটর, কো-অর্ডিনেটর, আজীবন সদস্য এবং প্রস্তাবিত সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, ১৯৯৯ সালের ১৮ অক্টোবর একটি অলাভজনক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন হিসেবে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন যাত্রা শুরু করে। বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার বাবা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্মৃতি রক্ষার্থে জেডআরএফ প্রতিষ্ঠা করেন। ‘একটি উদ্যোগ, একটু চেষ্টা এনে দেবে সচ্ছলতা, দেশে আসবে স্বনির্ভরতা’ –এই মূলমন্ত্র ও স্লোগান সামনে রেখে গরিব ও অসহায় মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে সংগঠনটি। ইতোমধ্যে মানবসেবামূলক নানা দৃষ্টান্তমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সারা দেশে ব্যাপক পরিচিতি ও সুনাম অর্জন করেছে জেডআরএফ। আরটিভি/আইএম
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শহীদ জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে জেডআরএফের শ্রদ্ধা
আরও পড়ুন
পদত্যাগ ইস্যুতে ইশরাকের ফেসবুক পোস্ট
পদত্যাগের নির্দেশের খবরে ইশরাকের প্রতিক্রিয়া
মাদকবিরোধী অভিযানে প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের অস্ত্র ব্যবহার, যা বললেন ডিবি প্রধান
ইশরাকের ফিল্মি স্টাইলের অভিযান নিয়ে এবার তাসনিম জারার স্ট্যাটাস