ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

আজ বিশ্ব পাই দিবস 

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৪ মার্চ ২০২৬, ০১:১৪ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

আজ (১৪ মার্চ) বিশ্ব পাই (π) দিবস। পাই দিবস গাণিতিক ধ্রুবক পাই (π)-এর সম্মানে উদযাপনের দিন। পাই-এর মান প্রায় ৩.১৪ বলে প্রতি বছর ১৪ মার্চকে সারা বিশ্বের গণিত ও বিজ্ঞানে উৎসাহী ব্যক্তিরা বিশ্বব্যাপী পাই দিবস উদ্‌যাপন করে থাকেন।

গণিতে যে কয়টা ধ্রুবক মান রয়েছে, তার মধ্যে বহুল ব্যবহৃত ও উল্লেখযোগ্য হলো পাইয়ের মান। পাইয়ের মান ৩.১৪১৫৯২৬৫৩৫৮৯৭৯... আর এভাবেই চলতে থাকে রহস্যময় সংখ্যাটি। এর শেষ কোথায়, তা কেউ বলতে পারে না। অদ্ভুত সুন্দর ও অমীমাংসিত রহস্যময় পাই নিয়ে আজও গবেষণা চলছেই।

মার্চ মাসের ১৪ তারিখকে ৩/১৪ আকারে প্রকাশ করা যায় বলে ১৯৮৮ সাল থেকে প্রতিবছর আজকের দিনটিতে পাই দিবস উদ্‌যাপন করা হয়। ২০১৯ সালে ইউনেস্কো পাই দিবসকে স্বীকৃতি দিয়ে উদ্‌যাপন শুরু করে।

আরও পড়ুন

পাইয়ের প্রথম নির্ভুল গণনা করা হয় ২৫০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে। বিখ্যাত গণিতবিদ আর্কিমিডিস এই মান গণনা করেন। আর্কিমিডিস পিথাগোরাসের উপপাদ্য ব্যবহারে করে সংখ্যাটি ৩.১৪২৮৫৭ ও ৩.১৪০৮৪৫-এর মধ্যে বলেছিলেন। ১৭০৬ সালে গণিতবিদ উইলিয়াম জোনস বৃত্তের পরিধি ও ব্যাসের অনুপাত বোঝানোর জন্য গ্রিক অক্ষরের পাইয়ের চিহ্ন (π) ব্যবহার করেন। সিনোপসিস পালমারিওরাম ম্যাথেসিওসে নামের থিসিসে এই চিহ্ন ব্যবহার করেন তিনি।

পাই একটি বৃত্তের পরিধি ও তার ব্যাসের অনুপাত উপস্থাপন করে থাকে। বিভিন্ন গাণিতিক ও বৈজ্ঞানিক গবেষণায় পাইয়ের বহুমাত্রিক প্রয়োগ দেখা যায়। পাইয়ের মান পুনরাবৃত্তিহীন ও অসীম প্রকৃতির। আর তাই কয়েক শতাব্দী ধরে পাইয়ের চমক বিজ্ঞানীদের মুগ্ধ করেছে। ব্যাবিলন ও মিশরীয় সভ্যতায় পাইকে বিভিন্ন মাত্রার নির্ভুলতার সঙ্গে ব্যবহার করা হয়েছে। নির্ভুলতার সঙ্গে পাইয়ের মান অনুসন্ধানের ধারা এখনো চলছে।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
মৃত নক্ষত্রের ছাই থেকে তৈরি হওয়া গ্রহের সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা
মৃত নক্ষত্রের ধ্বংসাবশেষ থেকে নতুন একটি গ্রহ তৈরি হয়েছে—এমন সম্ভাবনার প্রথম প্রমাণ পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। মহাবিশ্বের বুকে নক্ষত্রের জন্ম ও মৃত্যুর চক্র অন্তহীন।
মৃত নক্ষত্রের ছাই থেকে তৈরি হওয়া গ্রহের সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা
মেয়ে সন্তান হলেই কি আয়ু বাড়ে বাবার? গবেষণায় মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য
সন্তান জন্মের পর বদলে যায় জীবনের অনেক হিসাব। বাড়ে দায়িত্ব, তৈরি হয় নতুন স্বপ্ন। তবে ছেলে না মেয়ে— সন্তানের লিঙ্গের সঙ্গে বাবার আয়ুর কোনো সম্পর্ক আছে কি? বিশেষ করে, কন্যাসন্তান হলে বাবার আয়ু বাড়ে— এমন ধারণার পেছনে কতটা বৈজ্ঞানিক সত্য রয়েছে?
মেয়ে সন্তান হলেই কি আয়ু বাড়ে বাবার? গবেষণায় মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য
প্রথমবার ৩ লাখ বছর আগের মানুষের মুখচ্ছবি উন্মোচন
প্রায় ৩ লাখ ১৫ হাজার বছর আগের এক আদি মানুষের মুখচ্ছবি পুনর্গঠন করেছেন গবেষকরা। তাদের মতে, আধুনিক পোশাক পরিয়ে ওই মানুষকে আজকের মানুষের ভিড়ে দাঁড় করালে প্রথম দেখায় আলাদা করে চেনা কঠিন হতো।
প্রথমবার ৩ লাখ বছর আগের মানুষের মুখচ্ছবি উন্মোচন
প্রথমবার সৌরজগতের বাইরের গ্রহ থেকে সরাসরি রেডিও সংকেত শনাক্ত
পৃথিবীর বাইরে প্রাণের অস্তিত্বের এখনো কোনো প্রমাণ মেলেনি। তবে মহাবিশ্বে আমরা একা কিনা, তা জানতে বিজ্ঞানীদের অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে। এবার সেই অনুসন্ধানে গুরুত্বপূর্ণ এক সাফল্য পেয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। প্রথমবারের মতো সৌরজগতের বাইরের একটি গ্রহ থেকে সরাসরি আসা রেডিও সংকেত শনাক্ত করেছেন তারা।
প্রথমবার সৌরজগতের বাইরের গ্রহ থেকে সরাসরি রেডিও সংকেত শনাক্ত
ভয়াবহ বিপর্যয়ের মুখে বিশ্ব
প্রচণ্ড তাপপ্রবাহের কারণে পৃথিবীর তাপমাত্রা নিয়মিত নতুন রেকর্ড গড়ছে। চলতি বছরের প্রথম আট মাসে বৈশ্বিক গড় তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে ১ দশমিক ২২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি রেকর্ড করা হয়েছে।  আবহাওয়াবিদদের মতে, এই ধারা অব্যাহত থাকলে চলতি বছরকে ইতিহাসের অন্যতম উষ্ণতম বছর হিসেবে রেকর্ড করা হতে পারে। শুধু তা–ই নয়, আসন্ন সুপার এল নিনো পরিস্থিতির কারণে আগামী বছরগুলোয় এই পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলেও সতর্ক করেছেন তারা। একিউওয়েদারের বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, আসন্ন সুপার এল নিনোর কারণে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের তাপমাত্রা মারাত্মকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।  কোপার্নিকাস ক্লাইমেট চেঞ্জ সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের আগস্টকে ইতিহাসের উষ্ণতম আগস্ট হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সাধারণত জুলাই বছরের উষ্ণতম মাস হলেও এ বছর আগস্ট জুলাইকে ছাড়িয়ে গেছে।  একিউওয়েদারের আবহাওয়াবিদ টাইলার রয়স জানান, বায়ুমণ্ডল ও মহাসাগরের সর্বত্র এই তাপমাত্রার ব্যাপক বিস্তার লক্ষ করা যাচ্ছে। এল নিনো দ্রুত শক্তিশালী হয়ে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের আবহাওয়া ও বৃষ্টির ধরন সম্পূর্ণ বদলে দিতে পারে। এল নিনো হলো একটি প্রাকৃতিক জলবায়ু চক্র, যা প্রতি দুই থেকে সাত বছর পরপর ঠান্ডা ও উষ্ণ দশার মধ্যে পরিবর্তিত হয়। এই উষ্ণ দশার সময় বিষুবীয় প্রশান্ত মহাসাগরের ভূপৃষ্ঠের উষ্ণতা অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায়। মহাসাগরের এই বর্ধিত তাপশক্তি ধীরে ধীরে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ে এবং চরম আবহাওয়ার সৃষ্টি করে।  যুক্তরাষ্ট্রের মেট অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ভবিষ্যতে প্রশান্ত মহাসাগরের উষ্ণতা ৩ থেকে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে। বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির ফলে সমুদ্রের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি এবং প্রচণ্ড তাপপ্রবাহের ঝুঁকিও বহুগুণ বেড়ে গেছে।  বিজ্ঞানীদের মতে, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে এই জলবায়ুসংকট মানবসভ্যতার জন্য বড় ধরনের বিপর্যয় ডেকে আনবে। সূত্র: ডেইলি মেইল আরটিভি/এসএস
ভয়াবহ বিপর্যয়ের মুখে বিশ্ব
আরও পড়ুন
প্রশ্নফাঁসের পর বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশে এ লেভেলের গণিত পরীক্ষা বাতিল
৮ হাজার বছর পুরোনো মাটির পাত্রে মিলল গণিতচর্চার প্রমাণ