ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

আজ দেশের আকাশে দেখা যাবে বিরল ‘ব্লু মুন’

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ৩১ মে ২০২৬, ০৬:৫০ পিএম
বিরল ‘ব্লু মুন’ : ছবি সংগৃহীত

রাতের আকাশে দেখা যেতে পারে বিরল ‘ব্লু মুন’। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ এই বিরল দৃশ্য সরাসরি উপভোগ করতে পারবেন। আকাশপ্রেমীরা। ১ মে পূর্ণিমা ছিল। আর তাই একই মাসের মধ্যে এটি দ্বিতীয় পূর্ণিমা হওয়ায় জ্যোতির্বিজ্ঞানের ভাষায় একে ব্লু মুন বলা হচ্ছে। এই বিরল ঘটনার কারণে এ বছর ১২টি পূর্ণিমার পরিবর্তে ১৩টি পূর্ণিমা দেখা যাবে।

ব্লু মুন বা নীল চাঁদ নামের সঙ্গে রঙের কোনো সম্পর্ক নেই, এটি মূলত একটি সময়ের হিসাব। চাঁদের নিজস্ব কক্ষপথের চক্র বা লুনার সাইকেলের সঙ্গে আমাদের প্রচলিত ক্যালেন্ডার বছরের দিন ও মাসের হিসাব পুরোপুরি না মেলার কারণেই এ ঘটনা ঘটে। সাধারণত পৃথিবীর নিজ অক্ষের ওপর একবার ঘূর্ণনের ওপর ভিত্তি করে একটি দিন এবং সূর্যের চারপাশে পৃথিবীর একবার প্রদক্ষিণের ওপর ভিত্তি করে একটি বছর গণণা করা হয়। অন্যদিকে, পৃথিবীর চারপাশে চাঁদের ঘূর্ণনের সঙ্গে যুক্ত থাকে একটি মাসের হিসাব। সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী প্রতি মাসে একটি পূর্ণিমা হয়ে থাকে।

আরও পড়ুন

ঋতুভিত্তিক পরিবর্তনের সঙ্গে মিল রেখে বিভিন্ন মাসের পূর্ণিমার ঐতিহ্যগত নামকরণ করা হয়। ফেব্রুয়ারির পূর্ণিমাকে বলা হয় স্নো মুন, জুনের পূর্ণিমাকে স্ট্রবেরি মুন এবং ডিসেম্বরের পূর্ণিমাকে কোল্ড মুন। তবে চাঁদের ১২টি পূর্ণাঙ্গ চক্র বা লুনার সাইকেল আমাদের সাধারণ ক্যালেন্ডার বছরের চেয়ে প্রায় ১১ দিন কম হয়। এ সময়ের পার্থক্যের কারণে কয়েক বছর পরপর ক্যালেন্ডারে একটি অতিরিক্ত পূর্ণিমা যুক্ত হয়ে যায়, যার ফলে একই মাসের মধ্যে দুবার পূর্ণিমার দেখা মেলে।

আজ রাতের আকাশে এই ব্লু মুন পূর্ব আকাশে উদিত হবে। তবে সাধারণ পূর্ণিমার চাঁদের তুলনায় এটিকে আকাশের কিছুটা নিচের দিকে বা দিগন্তের কাছাকাছি অবস্থানে দেখা যাবে। জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের তথ্য অনুযায়ী, রাতের আকাশে চাঁদটি মূলত কনস্টেলেশন ভার্গোর ঠিক ডান পাশে অবস্থান করবে।

সূত্র: এনডিটিভি

আরটিভি/এমএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
মৃত নক্ষত্রের ছাই থেকে তৈরি হওয়া গ্রহের সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা
মৃত নক্ষত্রের ধ্বংসাবশেষ থেকে নতুন একটি গ্রহ তৈরি হয়েছে—এমন সম্ভাবনার প্রথম প্রমাণ পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। মহাবিশ্বের বুকে নক্ষত্রের জন্ম ও মৃত্যুর চক্র অন্তহীন।
মৃত নক্ষত্রের ছাই থেকে তৈরি হওয়া গ্রহের সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা
মেয়ে সন্তান হলেই কি আয়ু বাড়ে বাবার? গবেষণায় মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য
সন্তান জন্মের পর বদলে যায় জীবনের অনেক হিসাব। বাড়ে দায়িত্ব, তৈরি হয় নতুন স্বপ্ন। তবে ছেলে না মেয়ে— সন্তানের লিঙ্গের সঙ্গে বাবার আয়ুর কোনো সম্পর্ক আছে কি? বিশেষ করে, কন্যাসন্তান হলে বাবার আয়ু বাড়ে— এমন ধারণার পেছনে কতটা বৈজ্ঞানিক সত্য রয়েছে?
মেয়ে সন্তান হলেই কি আয়ু বাড়ে বাবার? গবেষণায় মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য
প্রথমবার ৩ লাখ বছর আগের মানুষের মুখচ্ছবি উন্মোচন
প্রায় ৩ লাখ ১৫ হাজার বছর আগের এক আদি মানুষের মুখচ্ছবি পুনর্গঠন করেছেন গবেষকরা। তাদের মতে, আধুনিক পোশাক পরিয়ে ওই মানুষকে আজকের মানুষের ভিড়ে দাঁড় করালে প্রথম দেখায় আলাদা করে চেনা কঠিন হতো।
প্রথমবার ৩ লাখ বছর আগের মানুষের মুখচ্ছবি উন্মোচন
প্রথমবার সৌরজগতের বাইরের গ্রহ থেকে সরাসরি রেডিও সংকেত শনাক্ত
পৃথিবীর বাইরে প্রাণের অস্তিত্বের এখনো কোনো প্রমাণ মেলেনি। তবে মহাবিশ্বে আমরা একা কিনা, তা জানতে বিজ্ঞানীদের অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে। এবার সেই অনুসন্ধানে গুরুত্বপূর্ণ এক সাফল্য পেয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। প্রথমবারের মতো সৌরজগতের বাইরের একটি গ্রহ থেকে সরাসরি আসা রেডিও সংকেত শনাক্ত করেছেন তারা।
প্রথমবার সৌরজগতের বাইরের গ্রহ থেকে সরাসরি রেডিও সংকেত শনাক্ত
ভয়াবহ বিপর্যয়ের মুখে বিশ্ব
প্রচণ্ড তাপপ্রবাহের কারণে পৃথিবীর তাপমাত্রা নিয়মিত নতুন রেকর্ড গড়ছে। চলতি বছরের প্রথম আট মাসে বৈশ্বিক গড় তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে ১ দশমিক ২২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি রেকর্ড করা হয়েছে।  আবহাওয়াবিদদের মতে, এই ধারা অব্যাহত থাকলে চলতি বছরকে ইতিহাসের অন্যতম উষ্ণতম বছর হিসেবে রেকর্ড করা হতে পারে। শুধু তা–ই নয়, আসন্ন সুপার এল নিনো পরিস্থিতির কারণে আগামী বছরগুলোয় এই পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলেও সতর্ক করেছেন তারা। একিউওয়েদারের বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, আসন্ন সুপার এল নিনোর কারণে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের তাপমাত্রা মারাত্মকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।  কোপার্নিকাস ক্লাইমেট চেঞ্জ সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের আগস্টকে ইতিহাসের উষ্ণতম আগস্ট হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সাধারণত জুলাই বছরের উষ্ণতম মাস হলেও এ বছর আগস্ট জুলাইকে ছাড়িয়ে গেছে।  একিউওয়েদারের আবহাওয়াবিদ টাইলার রয়স জানান, বায়ুমণ্ডল ও মহাসাগরের সর্বত্র এই তাপমাত্রার ব্যাপক বিস্তার লক্ষ করা যাচ্ছে। এল নিনো দ্রুত শক্তিশালী হয়ে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের আবহাওয়া ও বৃষ্টির ধরন সম্পূর্ণ বদলে দিতে পারে। এল নিনো হলো একটি প্রাকৃতিক জলবায়ু চক্র, যা প্রতি দুই থেকে সাত বছর পরপর ঠান্ডা ও উষ্ণ দশার মধ্যে পরিবর্তিত হয়। এই উষ্ণ দশার সময় বিষুবীয় প্রশান্ত মহাসাগরের ভূপৃষ্ঠের উষ্ণতা অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায়। মহাসাগরের এই বর্ধিত তাপশক্তি ধীরে ধীরে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ে এবং চরম আবহাওয়ার সৃষ্টি করে।  যুক্তরাষ্ট্রের মেট অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ভবিষ্যতে প্রশান্ত মহাসাগরের উষ্ণতা ৩ থেকে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে। বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির ফলে সমুদ্রের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি এবং প্রচণ্ড তাপপ্রবাহের ঝুঁকিও বহুগুণ বেড়ে গেছে।  বিজ্ঞানীদের মতে, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে এই জলবায়ুসংকট মানবসভ্যতার জন্য বড় ধরনের বিপর্যয় ডেকে আনবে। সূত্র: ডেইলি মেইল আরটিভি/এসএস
ভয়াবহ বিপর্যয়ের মুখে বিশ্ব
আরও পড়ুন
কচুরিপানা সরাতেই ভয়ংকর দৃশ্যের মুখোমুখি স্থানীয়রা
বরখাস্ত হলেন জেলেদের চাল চুরি করা সেই ইউপি কর্মকর্তা 
চাঁদপুরে জেলেদের চাল পাচারের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন, ইউপির প্রশাসনিক কর্মকর্তা আটক
চাঁদপুরে প্রায় ৭ কোটি টাকার অবৈধ জাল জব্দ