ঢাকা বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩

চ্যারিটি কনসার্টে সিগারেট বিতরণ নিয়ে বিতর্ক, ডাকসু নেতার দুঃখ প্রকাশ

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৮ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:৪৮ পিএম
চ্যারিটি কনসার্টে সিগারেট বিতরণ নিয়ে বিতর্ক, ডাকসু নেতার দুঃখ প্রকাশ

শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য স্পিরিটস অব জুলাই ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)-এর যৌথ আয়োজনে ‘কুয়াশার গান’ কনসার্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে কনসার্ট চলাকালে স্পনসরে থাকা এক তামাক কোম্পানির ছায়া প্রতিষ্ঠান এক্স ফোর্সের করা স্মোক জোন ও বিনামূল্যে সিগারেট বিতরণের বিষয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।

এ প্রেক্ষিতে দুঃখ প্রকাশ করেছেন কনসার্ট আয়োজনের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকা ডাকসুর সাহিত্য ও সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজ অ্যাকাউন্টে এক স্ট্যাটাসের মাধ্যমে তিনি এ বিষয়ে নিজের অবস্থান জানিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেন।

মুসাদ্দিকের ফেসবুক পোস্টটি তুলে ধরা হলো—

প্রথমেই সামগ্রিক অব্যবস্থাপনা ও সিগারেট বিতরণ কেন্দ্রিক অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্য দূঃখ প্রকাশ করছি।

আজ ডাকসু ও স্পিরিট অব জুলাই এর যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘কুয়াশার গান’ কনসার্টে স্পন্সরের সাথে যোগাযোগ, চুক্তি বা শর্ত নির্ধারণ সংক্রান্ত কোনো আলোচনায় আমি ব্যক্তিগতভাবে সম্পৃক্ত ছিলাম না। এবং কনসার্টটি আয়োজনে ডাকসুর শুধু আমি-ই যুক্ত ছিলাম। আমি যখন কনসার্টটিতে সম্পৃক্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত নেই তখন ডাকসুর যে কয়জনের সাথে আলাপ করি তাদের প্রত্যেকেই এতে অপোজ করে।

আরও পড়ুন

কিন্তু তারপরও ‘যেসব শিক্ষার্থী কনসার্ট পছন্দ করে তাদের জন্য কনসার্ট আয়োজন করা উচিত’ এই চিন্তা থেকে আমি দৃঢ়তার সাথে কনসার্ট আয়োজনের উদ্যোগ গ্রহণ করি। উল্লেখ্য: এর পূর্বে নভেম্বরের লাস্ট সপ্তাহে আমি ৩ দিনব্যাপী একটা কনসার্ট আয়োজনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলাম [মাসখানেক দৌড়ে পুরো কনসার্টের ব্যায়ভারও ম্যানেজ হয়ে যায়]। তখন শেষ মুহুর্তে ডাকসুর ভিপি এবং জিএস দুইজনই আমাকে জানান এটি না করতে। তখন আমি তাদের কথা অনুযায়ী আমি কনসার্টটি না করে শিল্পী এবং স্পনসরদেরকে না করে দেই।

কিন্তু শিক্ষার্থীদের একটা অংশের ক্রমাগত প্রত্যাশা যে ঢাবিতে একটা কনসার্ট হোক সে প্রত্যাশা পূরণ করতেই 'দ্যা স্পিরিট অব জুলাই' এর সাথে যৌথ আয়োজনে রাজি হই। এবারও ডাকসু ভিপি এবং বেশ কয়েকজন নেতৃবৃন্দ এই সিদ্ধান্তের আপত্তি জানালে আমি এক প্রকার জোর করেই এই কনসার্টটি আয়োজন করি।

সুতরাং সম্পুর্ণ ডাকসু এতে যুক্ত ছিলো না— পুরো ডাকসুকে এর জন্য দোষারোপ করা কোনোভাবেই যৌক্তিক নয়। এবং আজকের কনসার্টে আমি ছাড়া ডাকসুর আর কেউ মঞ্চে উপস্থিতও ছিলেন না। ডাকসুর ভিপিকে বারংবার অনুরোধ করলেও তিনি অসুস্থতাবোধ করেছেন বলে আসতে অপারগতা প্রকাশ করেন। অন্যান্য নেতৃবৃন্দকে আহ্বান জানালেও তারা কেউ মঞ্চে আসেননি।

আমি ব্যক্তিগতভাবে কনসার্টের স্পনসর প্রতিষ্ঠান 'এক্স ফোর্স' সম্পর্কে খোঁজ নেই এবং ঘাটাঘাটি করে অনলাইন অফলাইনে কিছুই খুঁজে পাই নাই [আমার খোঁজার উদ্দেশ্য ছিল পেপসি কিংবা কোকাকোলা এই টাইপের কোনো বিতর্কিত কিংবা ফ্যাসিবাদের বা গণহত্যার সহযোগী প্রতিষ্ঠান কিনা এটা যাচাই করা]। ‘এক্স ফোর্স’ বেশ কিছু দিন আগে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়েও একটা কনসার্ট আয়োজন করে। সেখানে কোনো নেতিবাচক বিষয় ঘটে থাকলে অবশ্যই ঘাটাঘাটিতে নজরে আসার কথা ছিলো। কিন্তু আমি সেরকম কিছুই খুঁজে পাইনি।

স্পিরিটস অব জুলাই ২০২৪ সালে আর্মি স্টেডিয়ামে রাহাত ফাতেহ আলী খানকে নিয়ে তাদের ইকোস অব রেভল্যুশন’ কনসার্ট আয়োজন করে। সেই কনসার্ট থেকে আয়কৃত ১ কোটি ৬৫ লাখ টাকা জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনে জুলাই-আগস্ট বিপ্লবে শহীদ ও আহত ব্যক্তিদের পরিবারকে সহায়তার জন্য প্রদান করে। এজন্য তাদের প্রতি আমার সফটনেস ও আস্থা ছিল।

আমি তাদের কাছে জানতে চেয়েছিলাম যে ‘এক্স ফোর্স’ কী ধরনের প্রতিষ্ঠান? তাদের উত্তর ছিলো এটা লাইফ স্টাইল প্রতিষ্ঠান, সম্পূর্ণ নতুন তৈরি হয়েছে। তারা ব্রান্ড প্রমোশন করার জন্য দেশব্যাপী বিভিন্ন স্থানে কনসার্ট আয়োজন করছে। তো স্বাভাবিকভাবেই আমি এটাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখে ‘স্পিরিট অব জুলাই’ এর সাথে একত্রে কাজ করতে সম্মত হই।

এরপর আমরা কনসার্টটি পাবলিকলি অ্যানাউন্স করি প্রোগ্রামের দুইদিন আগে। তখন আমাদের যারা সমালোচনা করেন, ভুলগুলো ধরিয়ে দিয়ে শুধরে দিতে চান, আমার সেসকল বন্ধগণ এই প্রোগ্রাম নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ করেন। কোন ব্যান্ড ফ্যাসিবাদরে সাথে জড়িত ছিলো, কোন ব্যান্ড ফ্যাসিবাদের সপক্ষে পোস্ট করেছে তার প্রত্যেকটিই খুঁটিনাটি বিষয় উল্লেখ করে আমাকে ফেসবুক পোস্টসহ বিভিন্ন মাধ্যমে অবহিত করলে আমরা অনেক পরিশ্রমের মাধ্যমে বিতর্কিত ব্যান্ডগুলো রিপ্লেস করে শুধরে নেই। সে-সময়ে যদি কেউ ধরিয়ে দিতেন যে, ‘এক্স ফোর্স’ এই ধরনের কাজ করে থাকে’ তাহলেও আমরা এটাও থেকে সরে আসতে পারতাম, শুধরে নিতে পারতাম। যে বিষয়গুলো ঘটেছে, প্রত্যেকটিই ঘটেছে আমার জানার ঘাটতি থাকার কারণ অনিচ্ছাকৃতভাবে।

‘এক্স ফোর্স’ বলেছিল, সংগীতানুষ্ঠানের মাঠে তারা একটা ‘এক্সপেরিয়েন্স জোন’ করবে সেখানে বক্সিংসহ অনেকগুলো ইভেন্ট এবং ‘একটি স্মোকিং’ জোন করবে যাতে কনসার্টে আসা অন্যান্যদের ধূমপানের কারণে কোনো সমস্যা না হয়। আমি এটা শুনে অনেক বেশি ইতিবাচক হই। আমি কনসার্টের পুরোটা সময় ধরে গেস্ট ও স্টেজ ম্যানেজমেন্ট নিয়ে ব্যস্ত থাকায় মাঠে কী হচ্ছিল, সে ব্যাপারে আমি অবগত ছিলাম না। কনসার্টের শেষদিকে আমি ফেসবুকে দেখতে পাই যে এই ধরনের ঘটনা ঘটেছে, তখন আর কিছু করার সুযোগ ছিলো না। আমি অবগত ছিলাম না যে তারা স্মোকিং জোনের ভিতরে ফ্রিতে সিগারেট দেবে শিক্ষার্থীদের।

এই মিসম্যানেজমেন্টের জন্য আমি আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি। ভবিষ্যতে এ ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে আমি আরও সতর্ক, দায়িত্বশীল ও সমন্বিত ভূমিকা পালন করার চেষ্টা করবো। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা, সুরক্ষা, সম্মান ও প্রত্যাশা পূরণই আমার প্রধান ও একমাত্র লক্ষ্য।

আমি বিশ্বাস করি, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের প্রতিটি আয়োজন শিক্ষার্থীদের নিরাপদ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সম্মানজনক পরিবেশ নিশ্চিত করেই পরিচালিত হওয়া উচিত। এই নীতিতে অটল থেকেই আমি সামনে এগিয়ে যেতে চাই।

আজকের আয়োজনে হওয়া ভুলত্রুটির সমালোচনা করে আমাকে শুধরে দেওয়ায় শুভাকাঙ্ক্ষীদের ধন্যবাদ জানাই। যৌক্তিক সমালোচনাকে আমরা সবসময় সাদরে গ্রহণ করতে চাই। আমার সামনের পথচলায় ও আপনাদের স্বতঃস্ফূর্ত পরামর্শ আমার কাম্য।

পরিশেষে সবার কাছে আবারও দুঃখ প্রকাশ করছি।

আরটিভি/এস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
আপা আসবে তাই চলে যাচ্ছি, বিদায় বাংলাদেশ: আসিফ মাহমুদ
ডিসেম্বরে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার ফেরার গুঞ্জন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি ব্যাঙ্গাত্মক পোস্ট দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া।  মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দিনগত রাত ১২টা দিকে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া স্ট্যাটাসে আসিফ মাহমুদ লেখেন, ‘আপা আসবে তাই চলে যাচ্ছি। বিদায় বাংলাদেশ!’ ওই পোস্টে বিমানের ভেতরে অবস্থান করা একটি ছবিও যুক্ত করেন তিনি। ছবিতে আসিফের সঙ্গে রয়েছেন এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন। তবে তারা কোথায় যাচ্ছেন সেটি উল্লেখ করেননি পোস্টে। এদিকে এ প্রতিবেদন লেখার সময় সকাল ১১টা ২০ মিনিট পর্যন্ত পোস্টে ৯০ হাজার রিয়্যাকশন পড়েছে। সাড়ে ৪ হাজার নেটিজেন বিভিন্ন মন্তব্য করেছেন। দুই শতাধিক ব্যক্তি পোস্টটি শেয়ার করেছেন। আরটিভি/এসআর 
আপা আসবে তাই চলে যাচ্ছি, বিদায় বাংলাদেশ: আসিফ মাহমুদ
‘২৪ এর রাজাকারকে ফুল দিয়ে বরণ করে নিলো ৭১ এর রাজাকার’
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে উদ্দেশ করে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন বলেছেন, ২৪-এর রাজাকার মেজর আখতারুজ্জামানকে ফুল দিয়ে বরণ করে নিল ৭১-এর রাজাকার।
‘২৪ এর রাজাকারকে ফুল দিয়ে বরণ করে নিলো ৭১ এর রাজাকার’
গার্মেন্টস শিল্পে অস্থিরতা তৈরির পিছনে পাশের দেশ জড়িত: আবু হানিফ 
বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্পে অস্থিরতা তৈরির পেছনে পাশের দেশ জড়িত বলে মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্র আবু হানিফ।
গার্মেন্টস শিল্পে অস্থিরতা তৈরির পিছনে পাশের দেশ জড়িত: আবু হানিফ 
স্কুলের তালা ভেঙে ভাড়া করা নারী নিয়ে রাতভর ‘অশ্লীল নৃত্য’, ভিডিও ভাইরাল
বরগুনার তালতলী উপজেলার শারিকখালী ইউনিয়নের চাউলাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সীমানা টপকে কক্ষের তালা ভেঙে রাতভর অশ্লীল নৃত্য পরিবেশনের অভিযোগ উঠেছে ফুটবল আয়োজন কমিটির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে এলাকজুড়ে সমালোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
স্কুলের তালা ভেঙে ভাড়া করা নারী নিয়ে রাতভর ‘অশ্লীল নৃত্য’, ভিডিও ভাইরাল
পোশাকশিল্প ধ্বংসের পাঁয়তারা চলছে, সরকারকে কঠোর হওয়ার আহ্বান জামায়াত আমিরের
জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ষড়যন্ত্রকারী ও ধান্দাবাজরা পরিস্থিতি উসকে দিয়ে পোশাকশিল্প ধ্বংসের পাঁয়তারা করছে বলে মনে হচ্ছে। এ বিষয়ে সরকারকে কঠোর অবস্থান নিতে হবে। পোশাকশিল্পে অস্থিরতা, বিভিন্ন স্থানে ভাঙচুর ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে সোমবার (২ নভেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন। পোস্টে শফিকুর রহমান বলেন, পোশাকশিল্পে অস্থিরতা অব্যাহত রয়েছে। বিভিন্ন স্থানে ভাঙচুর ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানে অগ্নিসংযোগের মতো উদ্বেগজনক ঘটনা ঘটছে। কোনো মালিক কিংবা শ্রমিক শিল্পপ্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে পারবেন না। তিনি বিশ্বাস করেন, কোনো শ্রমিকই এ ধরনের কাজে জড়িত হবেন না। তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে প্রায় ৬০০টি কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। শীত মৌসুম সামনে রেখে পোশাকশিল্পে যে সম্ভাবনা তৈরি হয়, তা ধ্বংস করার পেছনে গভীর কোনো ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না, সেই আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। এ পরিস্থিতিতে মালিক-শ্রমিকসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে আন্তরিক ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান জামায়াত আমির। আরটিভি/এমএম
পোশাকশিল্প ধ্বংসের পাঁয়তারা চলছে, সরকারকে কঠোর হওয়ার আহ্বান জামায়াত আমিরের
আরও পড়ুন
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় দিবসে মঞ্চ মাতাবেন জেমস
কনসার্ট বন্ধ করাটা কিশোরগঞ্জ সম্পর্কে নেতিবাচক বার্তা গেছে: আবু হানিফ
কনসার্টে বোতল ছুড়ে মারার ঘটনায় মুখ খুললেন হাসান
গায়ক হাসানকে লক্ষ্য করে বোতল নিক্ষেপ, সংগীতাঙ্গনে প্রতিবাদের ঝড়