ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩

বিক্ষোভকারীদের জন্য অনলাইনে অর্ডার, ভারতের যন্তর মন্তরে খাবারের বন্যা!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৩ জুলাই ২০২৬, ১০:৩৬ পিএম

ভারতের নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসকে কেন্দ্র করে নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে চলমান বিক্ষোভ জন্ম নিয়েছে নতুন এক আলোচনার। হাজারো শিক্ষার্থীর স্লোগানে মুখরিত দিল্লীর রাজপথ। চলছে টানা বিক্ষোভ। আর সেই আন্দোলনস্থলেই দেখা যাচ্ছে এক ভিন্ন দৃশ্য। হঠাৎ করেই পৌঁছে যাচ্ছে সমুচা, চা, ঠান্ডা পানীয় আর নানা ধরনের খাবারের প্যাকেট। মজার বিষয় হলো, খাবার নিতে সেখানে হাজির হচ্ছেন না কোনো ক্রেতা। বরং ডেলিভারি কর্মীদের বলা হচ্ছে, আন্দোলনকারীদের মধ্যে সব খাবার বিলিয়ে দিতে। তাহলে কারা পাঠাচ্ছেন এসব খাবার? আর কেনই বা বিদেশ থেকেও আসছে এসব খাবারের অর্ডার?

আন্দোলনকারীদের প্রতি সংহতি জানাতে দেশ-বিদেশের অনেক মানুষ বেছে নিয়েছেন অভিনব এই পথ। অনলাইনে খাবার অর্ডার করে সেগুলো পাঠিয়ে দিচ্ছেন সরাসরি আন্দোলনস্থলে। বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, অনলাইনে খাবার সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান সুইগি ও জোম্যাটোর মতো অ্যাপের মাধ্যমে আন্দোলনকারীদের জন্য নিয়মিত পাঠানো হচ্ছে খাবার ও পানীয়। এরপর ডেলিভারি কর্মীদের বলা হচ্ছে, যাদের প্রয়োজন তাঁদের মধ্যে এসব খাবার বিনা মূল্যে বিতরণ করে দিতে।

আরও পড়ুন

সুইগির ডেলিভারি কর্মী প্রদীপ কুমার সিং ভারতের বার্তা সংস্থা এএনআইকে জানান, যন্তর মন্তর এখন তার কাছে নিয়মিত ডেলিভারি গন্তব্যে পরিণত হয়েছে। তিনি বলেন, অর্ডার দেওয়ার পর গ্রাহকরা তাকে ফোন করে শুধু বলে দেন, আন্দোলনকারীদের মধ্যে খাবারগুলো বিলিয়ে দিতে। সেখানে কেউ খাবার নিতে আলাদাভাবে আসেন না। তিনি আরও জানান, একদিন তার কাছে সমুচার একটি বড় অর্ডার এসেছিল। তাকে শুধু বলা হয়েছিল, যাদের প্রয়োজন তাঁদের হাতে সেটি তুলে দিতে।

শুধু ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত থেকেই নয়, বিদেশ থেকেও আন্দোলনকারীদের জন্য পাঠানো হচ্ছে খাবার। আরেক ডেলিভারি কর্মী মহেন্দ্র কুমার জানান, তিনি এক বিদেশি গ্রাহকের পাঠানো চায়ের অর্ডার নিয়ে এসেছিলেন যন্তর মন্তরে। তবে কে দিয়েছেন সেই অর্ডার, সে বিষয়ে তার কোনো ধারণা নেই। তাকে শুধু বলা হয়েছিল, আন্দোলনরত ভাইদের হাতে চা পৌঁছে দিতে।

অন্যদিকে জোম্যাটো ও জেপ্টোর এক ডেলিভারি কর্মী এই উদ্যোগকে ‘স্টুডেন্ট সার্ভিস’ বলে উল্লেখ করেছেন। তার ভাষায়, প্রেরকের পরিচয় সম্পূর্ণ গোপন রাখা হয়েছে। তাকে শুধু নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, সব খাবার আন্দোলনকারীদের মধ্যে বিতরণ করে দিতে।

এদিকে এই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দিল্লি পুলিশ এখন পর্যন্ত ১০টি এফআইআর দায়ের করেছে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় চারটি, কনট প্লেস থানায় তিনটি এবং মন্দির মার্গ, বারাখাম্বা রোড ও কর্তব্য পথ থানায় একটি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেও আন্দোলনস্থলে পৌঁছে যাওয়া এসব খাবার ও পানীয় যেন দিচ্ছে আরেকটি বার্তা। কেউ পরিচয় প্রকাশ না করেই নিজেদের সমর্থনের কথা জানিয়ে দিচ্ছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়ে।

আরটিভি/এআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
উলশী-যদুনাথপুর প্রকল্পের ৫০ বছর: স্বেচ্ছাশ্রমে গ্রামীণ উন্নয়নের ঐতিহাসিক দৃষ্টান্ত
দেশের গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে জনসম্পৃক্ততার এক ঐতিহাসিক দৃষ্টান্ত উলশী-যদুনাথপুর খাল খনন প্রকল্পের ৫০ বছর পূর্ণ হচ্ছে আজ। ১৯৭৬ সালের এই দিনে যশোরের শার্শা উপজেলায় তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান খনন কাজের উদ্বোধন করেন।
উলশী-যদুনাথপুর প্রকল্পের ৫০ বছর: স্বেচ্ছাশ্রমে গ্রামীণ উন্নয়নের ঐতিহাসিক দৃষ্টান্ত
শব্দদূষণের নতুন ৪ উৎস শনাক্ত
পরিবেশ অধিদপ্তর শব্দদূষণের নতুন চারটি উৎস শনাক্ত করেছে। এসব উৎস থেকে অতিরিক্ত বা অনাকাঙ্ক্ষিত শব্দ সৃষ্টি হলে, তা মানবস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
শব্দদূষণের নতুন ৪ উৎস শনাক্ত
সাধুসঙ্গে নিজেকে ও অজানাকে জানছেন লালন ভক্তরা
‘মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি’ আধ্যাত্মিক এই বাণীকে সামনে নিয়ে একতারা, দোতারা আর ঢোল বাশির সুরে প্রকম্পিত হয়ে উঠেছে লালন ফকিরের ভবের হাট। 
সাধুসঙ্গে নিজেকে ও অজানাকে জানছেন লালন ভক্তরা
নজর কাড়ছে ৪০ কেজি শস্যদানার দুর্গাপ্রতিমা
দূর থেকে মনে হচ্ছে যেন সোনালি চাদরে মোড়ানো দেবী দুর্গা। কিন্তু একি কাছে যেতেই পুরো ভিন্ন চিত্র। এ কোনো আবরণ নয় প্রতিমার পুরো শরীরজুড়ে রয়েছে ছোট ছোট শস্যদানা, তাও আবার সেটি নাকি মানুষের নয় পরিচিত পাখির খাবার হিসেবেই। যা আবার ফলে বিদেশের মাটিতে। ব্যতিক্রমী এই প্রতিমা তৈরি করে নজির গড়েছেন নাটোরের হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা। 
নজর কাড়ছে ৪০ কেজি শস্যদানার দুর্গাপ্রতিমা
পূজায় নতুন জামা নয়, বাবাকে খুঁজছে এই শিশুরা!
বাবা, এক বটবৃক্ষের নাম। সন্তানের সবরকম ভাল থাকার উৎস, সেটিই যেন আবারও প্রমাণিত এই বাচ্চাদের কণ্ঠে। চারদিকে যখন বিরাজ করছে পূজার আমেজ তখন এই কোমলমতি শিশুদের চোখে পানি, আর কণ্ঠে আক্ষেপ। এ বছর যেন উৎসবের দিনগুলোতে নতুন জামার চেয়েও বড় অভাব হয়ে দাঁড়িয়েছে তাদের বাবা। তাই আনন্দের সময়ও যেন থামছেই না তাদের কান্না।
পূজায় নতুন জামা নয়, বাবাকে খুঁজছে এই শিশুরা!
আরও পড়ুন
জামালপুরে দুই লাখ টাকার ভারতীয় মদ জব্দ
বিক্ষোভে উত্তাল ভারতের মণিপুরে ভয়াবহ সংঘাত, নিহত ৫
ভারতে স্বামীর সঙ্গে ঝগড়া করে থানায় গিয়ে পুলিশের লালসার শিকার নারী
আসামে যুবদলের ব্যানার, চিন্তায় ভারত পুলিশ