ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩

বিক্ষোভকারীদের জন্য অনলাইনে অর্ডার, ভারতের যন্তর মন্তরে খাবারের বন্যা!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৩ জুলাই ২০২৬, ১০:৩৬ পিএম

ভারতের নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসকে কেন্দ্র করে নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে চলমান বিক্ষোভ জন্ম নিয়েছে নতুন এক আলোচনার। হাজারো শিক্ষার্থীর স্লোগানে মুখরিত দিল্লীর রাজপথ। চলছে টানা বিক্ষোভ। আর সেই আন্দোলনস্থলেই দেখা যাচ্ছে এক ভিন্ন দৃশ্য। হঠাৎ করেই পৌঁছে যাচ্ছে সমুচা, চা, ঠান্ডা পানীয় আর নানা ধরনের খাবারের প্যাকেট। মজার বিষয় হলো, খাবার নিতে সেখানে হাজির হচ্ছেন না কোনো ক্রেতা। বরং ডেলিভারি কর্মীদের বলা হচ্ছে, আন্দোলনকারীদের মধ্যে সব খাবার বিলিয়ে দিতে। তাহলে কারা পাঠাচ্ছেন এসব খাবার? আর কেনই বা বিদেশ থেকেও আসছে এসব খাবারের অর্ডার?

আন্দোলনকারীদের প্রতি সংহতি জানাতে দেশ-বিদেশের অনেক মানুষ বেছে নিয়েছেন অভিনব এই পথ। অনলাইনে খাবার অর্ডার করে সেগুলো পাঠিয়ে দিচ্ছেন সরাসরি আন্দোলনস্থলে। বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, অনলাইনে খাবার সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান সুইগি ও জোম্যাটোর মতো অ্যাপের মাধ্যমে আন্দোলনকারীদের জন্য নিয়মিত পাঠানো হচ্ছে খাবার ও পানীয়। এরপর ডেলিভারি কর্মীদের বলা হচ্ছে, যাদের প্রয়োজন তাঁদের মধ্যে এসব খাবার বিনা মূল্যে বিতরণ করে দিতে।

আরও পড়ুন

সুইগির ডেলিভারি কর্মী প্রদীপ কুমার সিং ভারতের বার্তা সংস্থা এএনআইকে জানান, যন্তর মন্তর এখন তার কাছে নিয়মিত ডেলিভারি গন্তব্যে পরিণত হয়েছে। তিনি বলেন, অর্ডার দেওয়ার পর গ্রাহকরা তাকে ফোন করে শুধু বলে দেন, আন্দোলনকারীদের মধ্যে খাবারগুলো বিলিয়ে দিতে। সেখানে কেউ খাবার নিতে আলাদাভাবে আসেন না। তিনি আরও জানান, একদিন তার কাছে সমুচার একটি বড় অর্ডার এসেছিল। তাকে শুধু বলা হয়েছিল, যাদের প্রয়োজন তাঁদের হাতে সেটি তুলে দিতে।

শুধু ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত থেকেই নয়, বিদেশ থেকেও আন্দোলনকারীদের জন্য পাঠানো হচ্ছে খাবার। আরেক ডেলিভারি কর্মী মহেন্দ্র কুমার জানান, তিনি এক বিদেশি গ্রাহকের পাঠানো চায়ের অর্ডার নিয়ে এসেছিলেন যন্তর মন্তরে। তবে কে দিয়েছেন সেই অর্ডার, সে বিষয়ে তার কোনো ধারণা নেই। তাকে শুধু বলা হয়েছিল, আন্দোলনরত ভাইদের হাতে চা পৌঁছে দিতে।

অন্যদিকে জোম্যাটো ও জেপ্টোর এক ডেলিভারি কর্মী এই উদ্যোগকে ‘স্টুডেন্ট সার্ভিস’ বলে উল্লেখ করেছেন। তার ভাষায়, প্রেরকের পরিচয় সম্পূর্ণ গোপন রাখা হয়েছে। তাকে শুধু নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, সব খাবার আন্দোলনকারীদের মধ্যে বিতরণ করে দিতে।

এদিকে এই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দিল্লি পুলিশ এখন পর্যন্ত ১০টি এফআইআর দায়ের করেছে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় চারটি, কনট প্লেস থানায় তিনটি এবং মন্দির মার্গ, বারাখাম্বা রোড ও কর্তব্য পথ থানায় একটি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেও আন্দোলনস্থলে পৌঁছে যাওয়া এসব খাবার ও পানীয় যেন দিচ্ছে আরেকটি বার্তা। কেউ পরিচয় প্রকাশ না করেই নিজেদের সমর্থনের কথা জানিয়ে দিচ্ছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়ে।

আরটিভি/এআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
স্কুলমাঠে শিশুদের খেলার বদলে সাঁতার কাটছে হাঁস
ভিডিওর এই শিশুরা সবাই প্রাথমিকের শিক্ষার্থী। যাদের এখন সহপাঠীদের সাথে ছুটোছুটি করার কথা বিদ্যালয়ের মাঠে। অথচ পানি জমে থাকায় তারা পারছে না খেলতে, কেউ আবার যেতে পারে না টয়লেটেও। আবার পানি পেরিয়ে ক্লাসে যেতে গিয়ে ভিজে যায় কারও পোশাক। বই-খাতায় লেগে যায় কাদা। অভিযোগের যেন শেষ নেই কোমলমতি এই শিশুদের। 
স্কুলমাঠে শিশুদের খেলার বদলে সাঁতার কাটছে হাঁস
সৌদি রক্ষায় নামছে ফরাসি সেনারা!
হরমুজ সংকটে সৌদি আরবের তেল রপ্তানির গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প হয়ে উঠেছিল লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দর। কিন্তু সেই পথও এখন রয়েছে হামলার ঝুঁকিতে। হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ এই তেলবন্দর রক্ষায় এবার সৌদি আরবে সেনা পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে ফ্রান্স। শুধু সেনা নয়, সঙ্গে যাচ্ছে রাডার ও প্রতিরক্ষাব্যবস্থাও।  বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাতে টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই ঘোষণা দিয়েছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ। সংবাদমাধ্যম রয়টার্স এর প্রতিবেদনে প্রকাশ পেয়েছে এই তথ্য।  মাখোঁ জানান, ইয়ানবু রক্ষায় সৌদি আরবের সঙ্গে একটি চুক্তি চূড়ান্ত করেছে ফ্রান্স। সেই চুক্তির আওতায় সেখানে পাঠানো হবে ফরাসি সেনাসদস্য, রাডার ও প্রতিরক্ষাব্যবস্থা। তবে মাখোঁ একটি বিষয় স্পষ্ট করেছেন। ফরাসি সেনাদের পাঠানো হচ্ছে ইয়ানবু রক্ষার জন্য, চলমান সংঘাতে সরাসরি অংশ নেওয়ার জন্য নয়। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে সৌদি আরবের একটি বন্দর রক্ষায়  কেন সেনা পাঠাতে হচ্ছে ফ্রান্সকে? এর পেছনে বড় কারণ হরমুজ প্রণালির চলমান সংকট। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে হরমুজ দিয়ে জ্বালানি পরিবহন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার পর বিকল্প পথ হিসেবে ইয়ানবুর গুরুত্ব অনেক বেড়ে যায়। সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চল থেকে ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনের মাধ্যমে তেল নিয়ে যাওয়া হয় লোহিত সাগরের এই বন্দরে। সেখান থেকে হরমুজ এড়িয়ে সরাসরি তেল পাঠানো সম্ভব আন্তর্জাতিক বাজারে। কিন্তু সম্প্রতি সেই ব্যবস্থাও খেয়েছে বড় ধাক্কা। ইয়েমেনের হুতিরা সৌদি আরবের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুর পাশাপাশি ইয়ানবুতে আরামকোর স্থাপনায় হামলার দাবি করেছে। সৌদি কর্তৃপক্ষও ইয়ানবুসহ বিভিন্ন এলাকার দিকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার কথা জানিয়েছে। এর আগে ড্রোন হামলায় সৌদি আরবের ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনের তিনটি পাম্পিং স্টেশন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। এতে ইয়ানবু দিয়ে তেল রপ্তানিও বন্ধ হয়ে যায়। পরে পাইপলাইনটি আবার চালু করা হয়েছে সীমিত পরিসরে।  ফলে ইয়ানবুর নিরাপত্তা এখন শুধু সৌদি আরবের বিষয় নয়। বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার ক্ষেত্রেও বন্দরটির গুরুত্ব বেড়েছে বন্দরটির। আর ফ্রান্সও অনুভব করছে জ্বালানি সংকটের চাপ। মাখোঁ বলেন, আগামী শীতের জন্য ফ্রান্সে পর্যাপ্ত তেল ও গ্যাসের মজুত রয়েছে। নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে কাজ করছে তাঁর সরকার। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ডিজেল রপ্তানি নিষিদ্ধ করার কথা বিবেচনা করছে। এমন খবর সত্য হলে তার ফল বিশ্ব ও মার্কিন অর্থনীতির জন্য বিপর্যয়কর হতে পারে বলেও সতর্ক করেছেন তিনি। যদিও হোয়াইট হাউস অস্বীকার করেছে এমন কোনো পরিকল্পনার কথা। আরটিভি/এআর 
সৌদি রক্ষায় নামছে ফরাসি সেনারা!
শতবর্ষী এই মুসাফিরখানায় আজও মিলে বিনামূল্যে আশ্রয় ও খাবার
আধুনিকতার ছোঁয়া লাগার আগে বরেন্দ্রভূমির মেঠোপথগুলো কেমন ছিল? সন্ধ্যা নামলেই চারপাশের খাঁ-খাঁ নীরবতা, বন্যপ্রাণীর ভয় আর ডাকাতের উপদ্রব— এমন এক অনিশ্চিত সময়ে ক্লান্ত পথিকের একমাত্র ভরসা হয়ে দাঁড়িয়েছিল একটি অনন্য মানবিক উদ্যোগ। প্রায় ১২ যুগ বা ১১৮ বছর ধরে নওগাঁর পোরশার ঐতিহাসিক ‘মুসাফিরখানা’ সেই মানবতার ঐতিহ্যকে পরম যত্নে টিকিয়ে রেখেছে। নিজ সম্পত্তির উপার্জনে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে আশ্রয় ও খাবারের এমন দৃষ্টান্ত আধুনিক সমাজেও এক বিরল মানবসেবার বার্তা দেয়।
শতবর্ষী এই মুসাফিরখানায় আজও মিলে বিনামূল্যে আশ্রয় ও খাবার
বুড়িয়ে যাচ্ছে জাপান, প্রবীণদের ভিড়ে কমছে শিশু জন্মহার!
দেশটিতে ১০০ বছর বা তার বেশি বয়সি মানুষের সংখ্যা প্রথমবারের মতো ১ লাখ ছাড়িয়েছে।
বুড়িয়ে যাচ্ছে জাপান, প্রবীণদের ভিড়ে কমছে শিশু জন্মহার!
আলো আর সুরের মায়াজালে জীবন্ত হয়ে উঠল প্রাচীন সমাধি
একটি পাহাড়ি টিলা, যেখানে ভেসে উঠে নানা নকশা, ছুটে চলা হরিণের অবয়ব আর রঙ্গিন আলোর খেলা। আর তা দেখেই অবাক দর্শকরা, অনেকেই আবার ব্যস্ত হয়ে পড়লেন ছবি তুলতে।
আলো আর সুরের মায়াজালে জীবন্ত হয়ে উঠল প্রাচীন সমাধি
আরও পড়ুন
১৭ হাজার ফুট উঁচুতে বজ্রপাত, অল্পের জন্য রক্ষা যাত্রীবাহী বিমান
দিল্লিতে বহুতলা ভবন ধস, অন্তঃসত্ত্বা নারীসহ নিহত ৩
ঘেউ ঘেউ করে পিছু নেওয়া কুকুরকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা, ভিডিও ভাইরাল
নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ-ভারত যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠক আজ