ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩

মাঝ নদীতে বৈঠার লড়াই, তীরে হাজারও দর্শকের উল্লাস!

জুয়েল আহমদ, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৭:৫০ পিএম

ঢাক-ঢোলের তালে নয়, নদীর বুকে একসঙ্গে ওঠা শত শত বৈঠার ছন্দেই শুরু হলো উৎসব। দুই তীরে মানুষের ঢল, মাঝনদীতে সারি সারি নৌকা, আর তালে তালে বৈঠা চালিয়ে গ্রামবাংলার শতবর্ষের ঐতিহ্য যেন প্রাণ ফিরে পেল আবারও।

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার নলজুর নদীর বাদাউড়া এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ, যা দেখতে নদীর দুই তীরে ভিড় করেন কয়েক হাজার দর্শক। অনেকে আবার নৌকা ও ট্রলার ভাড়া নিয়ে উপভোগ করেন এই বর্ণিল আয়োজন।

প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়, জল পবন, ময়ূরপঙ্খীসহ বাহারি নামে ১৮টি নৌকা। বৈঠার ছন্দ, দর্শকদের উচ্ছ্বাস আর উত্তেজনায় মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।

আরও পড়ুন

হবিবপুর গ্রামবাসীর উদ্যোগে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতা শুধু একটি ক্রীড়া আয়োজন নয়, বরং গ্রামীণ ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির এক মিলনমেলা, যেখানে সব বয়সী মানুষের উপস্থিতিতে উৎসবের আবহ ছড়িয়ে পড়ে নদীর দুই পাড়জুড়ে।

আয়োজকরা জানান, অংশগ্রহণকারী নৌকার সংখ্যা বেশি হওয়ায় একদিনে প্রতিযোগিতা শেষ করা সম্ভব হয়নি, ফলে পরবর্তীতে ঘোষণা করা হবে ফাইনাল রাউন্ডের তারিখ।

বর্তমানে বদলেছে সময় ও জীবনের গতি। তবু নলজুর নদীর বুকে বৈঠার এই ছন্দ যেন মনে করিয়ে দেয়—গ্রামবাংলার ঐতিহ্য এখনো বেঁচে আছে মানুষের ভালোবাসায়।

আরটিভি/এআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
উলশী-যদুনাথপুর প্রকল্পের ৫০ বছর: স্বেচ্ছাশ্রমে গ্রামীণ উন্নয়নের ঐতিহাসিক দৃষ্টান্ত
দেশের গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে জনসম্পৃক্ততার এক ঐতিহাসিক দৃষ্টান্ত উলশী-যদুনাথপুর খাল খনন প্রকল্পের ৫০ বছর পূর্ণ হচ্ছে আজ। ১৯৭৬ সালের এই দিনে যশোরের শার্শা উপজেলায় তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান খনন কাজের উদ্বোধন করেন।
উলশী-যদুনাথপুর প্রকল্পের ৫০ বছর: স্বেচ্ছাশ্রমে গ্রামীণ উন্নয়নের ঐতিহাসিক দৃষ্টান্ত
শব্দদূষণের নতুন ৪ উৎস শনাক্ত
পরিবেশ অধিদপ্তর শব্দদূষণের নতুন চারটি উৎস শনাক্ত করেছে। এসব উৎস থেকে অতিরিক্ত বা অনাকাঙ্ক্ষিত শব্দ সৃষ্টি হলে, তা মানবস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
শব্দদূষণের নতুন ৪ উৎস শনাক্ত
সাধুসঙ্গে নিজেকে ও অজানাকে জানছেন লালন ভক্তরা
‘মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি’ আধ্যাত্মিক এই বাণীকে সামনে নিয়ে একতারা, দোতারা আর ঢোল বাশির সুরে প্রকম্পিত হয়ে উঠেছে লালন ফকিরের ভবের হাট। 
সাধুসঙ্গে নিজেকে ও অজানাকে জানছেন লালন ভক্তরা
নজর কাড়ছে ৪০ কেজি শস্যদানার দুর্গাপ্রতিমা
দূর থেকে মনে হচ্ছে যেন সোনালি চাদরে মোড়ানো দেবী দুর্গা। কিন্তু একি কাছে যেতেই পুরো ভিন্ন চিত্র। এ কোনো আবরণ নয় প্রতিমার পুরো শরীরজুড়ে রয়েছে ছোট ছোট শস্যদানা, তাও আবার সেটি নাকি মানুষের নয় পরিচিত পাখির খাবার হিসেবেই। যা আবার ফলে বিদেশের মাটিতে। ব্যতিক্রমী এই প্রতিমা তৈরি করে নজির গড়েছেন নাটোরের হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা। 
নজর কাড়ছে ৪০ কেজি শস্যদানার দুর্গাপ্রতিমা
পূজায় নতুন জামা নয়, বাবাকে খুঁজছে এই শিশুরা!
বাবা, এক বটবৃক্ষের নাম। সন্তানের সবরকম ভাল থাকার উৎস, সেটিই যেন আবারও প্রমাণিত এই বাচ্চাদের কণ্ঠে। চারদিকে যখন বিরাজ করছে পূজার আমেজ তখন এই কোমলমতি শিশুদের চোখে পানি, আর কণ্ঠে আক্ষেপ। এ বছর যেন উৎসবের দিনগুলোতে নতুন জামার চেয়েও বড় অভাব হয়ে দাঁড়িয়েছে তাদের বাবা। তাই আনন্দের সময়ও যেন থামছেই না তাদের কান্না।
পূজায় নতুন জামা নয়, বাবাকে খুঁজছে এই শিশুরা!
আরও পড়ুন
সুনামগঞ্জে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৩ বাড়ি পুড়ে ছাই
পুলিশের ওপর হামলা ও ওসিকে হত্যার হুমকি, মা-বাবা-বন্ধুসহ কারাগারে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা প্রিন্স
পুলিশের ওপর হামলা, নিষিদ্ধ দলের নেতাসহ গ্রেপ্তার ৮
সুনামগঞ্জে প্রতিপক্ষের সুলফির আঘাতে বৃদ্ধ নিহত