ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

গাজার নারীরা পেলো ওয়াশিং মেশিন!

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১২ আগস্ট ২০২৬, ১১:১০ পিএম

একটি সাধারণ ওয়াশিং মেশিন। বিশ্বের অধিকাংশ মানুষের কাছে যা খুবই পরিচিত একটি গৃহস্থালি যন্ত্র। অথচ গাজার এই বাস্তুচ্যুত নারীদের কাছে সেটিই এখন যেন বড় এক উপহার। কারণ যুদ্ধ তাদের জীবনকে এমন জায়গায় নিয়ে গেছে, যেখানে দুবেলা খাবার জোগাড় করাই কঠিন, সেখানে ওয়াশিং মেশিন যেন বিলাসিতা। পানির সংকটে কখনো দিনের পর দিন ময়লা কাপড়েই থাকতে হয়েছে। আবার যখন পানি মিলেছে, তখন হাতে কাপড় ধুতে ধুতে কারও হাত ফুলে গেছে, কারও দেখা দিয়েছে ত্বকের সমস্যা। যুদ্ধ শুরুর পর প্রায় তিন বছর ধরে চলা সেই কষ্ট এবার কিছুটা হলেও কমেছে।

গাজা শহরের মুসাব ক্যাম্পে এবার ওয়াশিং মেশিনে কাপড় ধোয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলোর জন্য। কাতারের একটি ব্যক্তিগত অনুদনের অর্থে ওয়াশিং মেশিনগুলো সরবরাহ করেছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক একটি বেসরকারি সংস্থা। তবে প্রয়োজনের তুলনায় এই সুবিধা এখনো খুবই সীমিত। কারণ নয়টি ক্যাম্পে থাকা প্রায় ১৩শ পরিবারের জন্য রয়েছে মাত্র ছয়টি ওয়াশিং মেশিন।

আরও পড়ুন

আর বাসিন্দারাও জানায়, আগে কাপড় বদলানোর পর সেটি আবার হাতে ধুতে হবে এই চিন্তাই আতঙ্কিত করত তাদের। এখন ক্যাম্পে পানি ও ওয়াশিং মেশিনের ব্যবস্থা হওয়ায় অন্তত সেই দুশ্চিন্তা কিছুটা কমেছে।

এদিকে এত পরিবারের জন্য মাত্র ছয়টি মেশিন থাকায় সবাইকে নির্দিষ্ট সময়সূচি মেনে কাপড় ধুতে হচ্ছে। ছয় কেজি কাপড় ধোয়ার জন্য দিতে হচ্ছে চার শেকেল। তবে ডিটারজেন্টসহ প্রয়োজনীয় উপকরণ দেওয়া হচ্ছে বিনামূল্যে।

বাসিন্দাদের মতে, এই ওয়াশিং মেশিন হয়তো যুদ্ধের ক্ষত মুছে দিতে পারবে না, ফিরিয়ে দিতে পারবে না হারানো ঘর কিংবা আগের জীবন। তবে যুদ্ধের অসংখ্য দুর্ভোগের মধ্যে অন্তত একটি কষ্ট যে কিছুটা কমিয়ে দিতে পারে, গাজার এই নারীদের মুখে ফেরা স্বস্তিই যেন তার প্রমাণ।

আরটিভি/এআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
পূজায় নতুন জামা নয়, বাবাকে খুঁজছে এই শিশুরা!
বাবা, এক বটবৃক্ষের নাম। সন্তানের সবরকম ভাল থাকার উৎস, সেটিই যেন আবারও প্রমাণিত এই বাচ্চাদের কণ্ঠে। চারদিকে যখন বিরাজ করছে পূজার আমেজ তখন এই কোমলমতি শিশুদের চোখে পানি, আর কণ্ঠে আক্ষেপ। এ বছর যেন উৎসবের দিনগুলোতে নতুন জামার চেয়েও বড় অভাব হয়ে দাঁড়িয়েছে তাদের বাবা। তাই আনন্দের সময়ও যেন থামছেই না তাদের কান্না।
পূজায় নতুন জামা নয়, বাবাকে খুঁজছে এই শিশুরা!
স্কুলমাঠে শিশুদের খেলার বদলে সাঁতার কাটছে হাঁস
ভিডিওর এই শিশুরা সবাই প্রাথমিকের শিক্ষার্থী। যাদের এখন সহপাঠীদের সাথে ছুটোছুটি করার কথা বিদ্যালয়ের মাঠে। অথচ পানি জমে থাকায় তারা পারছে না খেলতে, কেউ আবার যেতে পারে না টয়লেটেও। আবার পানি পেরিয়ে ক্লাসে যেতে গিয়ে ভিজে যায় কারও পোশাক। বই-খাতায় লেগে যায় কাদা। অভিযোগের যেন শেষ নেই কোমলমতি এই শিশুদের। 
স্কুলমাঠে শিশুদের খেলার বদলে সাঁতার কাটছে হাঁস
সৌদি রক্ষায় নামছে ফরাসি সেনারা!
হরমুজ সংকটে সৌদি আরবের তেল রপ্তানির গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প হয়ে উঠেছিল লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দর। কিন্তু সেই পথও এখন রয়েছে হামলার ঝুঁকিতে। হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ এই তেলবন্দর রক্ষায় এবার সৌদি আরবে সেনা পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে ফ্রান্স। শুধু সেনা নয়, সঙ্গে যাচ্ছে রাডার ও প্রতিরক্ষাব্যবস্থাও।  বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাতে টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই ঘোষণা দিয়েছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ। সংবাদমাধ্যম রয়টার্স এর প্রতিবেদনে প্রকাশ পেয়েছে এই তথ্য।  মাখোঁ জানান, ইয়ানবু রক্ষায় সৌদি আরবের সঙ্গে একটি চুক্তি চূড়ান্ত করেছে ফ্রান্স। সেই চুক্তির আওতায় সেখানে পাঠানো হবে ফরাসি সেনাসদস্য, রাডার ও প্রতিরক্ষাব্যবস্থা। তবে মাখোঁ একটি বিষয় স্পষ্ট করেছেন। ফরাসি সেনাদের পাঠানো হচ্ছে ইয়ানবু রক্ষার জন্য, চলমান সংঘাতে সরাসরি অংশ নেওয়ার জন্য নয়। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে সৌদি আরবের একটি বন্দর রক্ষায়  কেন সেনা পাঠাতে হচ্ছে ফ্রান্সকে? এর পেছনে বড় কারণ হরমুজ প্রণালির চলমান সংকট। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে হরমুজ দিয়ে জ্বালানি পরিবহন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার পর বিকল্প পথ হিসেবে ইয়ানবুর গুরুত্ব অনেক বেড়ে যায়। সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চল থেকে ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনের মাধ্যমে তেল নিয়ে যাওয়া হয় লোহিত সাগরের এই বন্দরে। সেখান থেকে হরমুজ এড়িয়ে সরাসরি তেল পাঠানো সম্ভব আন্তর্জাতিক বাজারে। কিন্তু সম্প্রতি সেই ব্যবস্থাও খেয়েছে বড় ধাক্কা। ইয়েমেনের হুতিরা সৌদি আরবের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুর পাশাপাশি ইয়ানবুতে আরামকোর স্থাপনায় হামলার দাবি করেছে। সৌদি কর্তৃপক্ষও ইয়ানবুসহ বিভিন্ন এলাকার দিকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার কথা জানিয়েছে। এর আগে ড্রোন হামলায় সৌদি আরবের ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনের তিনটি পাম্পিং স্টেশন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। এতে ইয়ানবু দিয়ে তেল রপ্তানিও বন্ধ হয়ে যায়। পরে পাইপলাইনটি আবার চালু করা হয়েছে সীমিত পরিসরে।  ফলে ইয়ানবুর নিরাপত্তা এখন শুধু সৌদি আরবের বিষয় নয়। বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার ক্ষেত্রেও বন্দরটির গুরুত্ব বেড়েছে বন্দরটির। আর ফ্রান্সও অনুভব করছে জ্বালানি সংকটের চাপ। মাখোঁ বলেন, আগামী শীতের জন্য ফ্রান্সে পর্যাপ্ত তেল ও গ্যাসের মজুত রয়েছে। নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে কাজ করছে তাঁর সরকার। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ডিজেল রপ্তানি নিষিদ্ধ করার কথা বিবেচনা করছে। এমন খবর সত্য হলে তার ফল বিশ্ব ও মার্কিন অর্থনীতির জন্য বিপর্যয়কর হতে পারে বলেও সতর্ক করেছেন তিনি। যদিও হোয়াইট হাউস অস্বীকার করেছে এমন কোনো পরিকল্পনার কথা। আরটিভি/এআর 
সৌদি রক্ষায় নামছে ফরাসি সেনারা!
শতবর্ষী এই মুসাফিরখানায় আজও মিলে বিনামূল্যে আশ্রয় ও খাবার
আধুনিকতার ছোঁয়া লাগার আগে বরেন্দ্রভূমির মেঠোপথগুলো কেমন ছিল? সন্ধ্যা নামলেই চারপাশের খাঁ-খাঁ নীরবতা, বন্যপ্রাণীর ভয় আর ডাকাতের উপদ্রব— এমন এক অনিশ্চিত সময়ে ক্লান্ত পথিকের একমাত্র ভরসা হয়ে দাঁড়িয়েছিল একটি অনন্য মানবিক উদ্যোগ। প্রায় ১২ যুগ বা ১১৮ বছর ধরে নওগাঁর পোরশার ঐতিহাসিক ‘মুসাফিরখানা’ সেই মানবতার ঐতিহ্যকে পরম যত্নে টিকিয়ে রেখেছে। নিজ সম্পত্তির উপার্জনে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে আশ্রয় ও খাবারের এমন দৃষ্টান্ত আধুনিক সমাজেও এক বিরল মানবসেবার বার্তা দেয়।
শতবর্ষী এই মুসাফিরখানায় আজও মিলে বিনামূল্যে আশ্রয় ও খাবার
বুড়িয়ে যাচ্ছে জাপান, প্রবীণদের ভিড়ে কমছে শিশু জন্মহার!
দেশটিতে ১০০ বছর বা তার বেশি বয়সি মানুষের সংখ্যা প্রথমবারের মতো ১ লাখ ছাড়িয়েছে।
বুড়িয়ে যাচ্ছে জাপান, প্রবীণদের ভিড়ে কমছে শিশু জন্মহার!
আরও পড়ুন
গাজা নিয়ে ট্রাম্পকে তুলোধুনো ম্যাক্রোঁর 
ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদে এবার এআইকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে ইসরায়েল
গাজা ইস্যুতে এবার নেতানিয়াহুকে দুষলেন ট্রাম্পের জামাতা
গাজায় নিহতের সংখ্যা ৭০ হাজার ছাড়াল