ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য বদলে যাচ্ছে নিউজিল্যান্ড সিরিজের সময়সূচি

স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৩৯ এএম
ছবি: সংগৃহীত

ইরান যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেল ও গ্যাসের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি এবং সরবরাহ ঘাটতির কারণে দেশে বিদ্যুৎ সংকট দেখা দিয়েছে। ফলে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য বেশকিছু উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার। এবার বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য নিউজিল্যান্ড সিরিজের সূচিতে পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

আগামী ১৭ এপ্রিল শুরু হতে যাওয়া এই সিরিজে দুপুর ২টার ওয়ানডে ম্যাচগুলো সকাল ১১টা বা সাড়ে ১১টায় এবং সন্ধ্যা ৬টার টি-টোয়েন্টি ম্যাচগুলো দুপুর ২টা বা আড়াইটায় শুরু করার ভাবনা রয়েছে বিসিবির।

বুধবার (৯ এপ্রিল) গতকাল পরিচালনা পর্ষদের বৈঠক শেষে এই কথা জানান তিনি।

আরও পড়ুন

তামিম বলেন, আমরা সবাই মিলে দেশকে যতটা সহায়তা করতে পারি, সেই চিন্তা থেকেই আমরা নিউজিল্যান্ড সিরিজের ম্যাচের সময় পরিবর্তন করছি।

এদিকে দায়িত্ব নিয়েই ক্রিকেটারদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এই সাবেক ক্রিকেটার। আগে বোর্ডের চুক্তিতে থাকা ‘এ’ ক্যাটাগরির খেলোয়াড়রা প্রতি মাসে ৩৫ হাজার টাকা করে পেতেন। এখন ৬৫ হাজার টাকা করে পাবেন তাঁরা। ‘বি’ ক্যাটাগরিতে ৩০ হাজার টাকা থেকে বেড়ে এখন ৫০ হাজার টাকা হয়েছে।

এ ছাড়া ‘সি’ ক্যাটাগরিতেও ১৫ হাজার টাকা থেকে বেড়ে এখন দাঁড়িয়েছে ৪০ হাজার টাকা। এ ছাড়া ম্যাচ ফি ৭০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে এক লাখ টাকা করেছে তামিমের বোর্ড।

অন্যদিকে নিগার সুলতানারা তিন থেকে চার দিনের প্রতিটি ম্যাচের জন্য ২০ হাজার টাকা করে পাবেন। ওয়ানডেতে পাবেন ১৫ হাজার টাকা করে। টি-টোয়েন্টি খেললে পাবেন ১০ হাজার টাকা করে। এ ছাড়া ঘরোয়া ক্রিকেটের চুক্তিতে থাকা নারী ক্রিকেটারদের মাসিক ভাতা ৩০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪০ হাজার টাকা করেছে ক্রিকেট বোর্ড।

আরটিভি/এসআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
এস্তেভাওকে পেতে ছক কষছে পিএসজি, কঠিন শর্ত চেলসির
গত দুই মৌসুমে দুর্দান্ত ফুটবল খেলে চ্যাম্পিয়নস লিগের জোড়া শিরোপা ঘরে তুলেছে প্যারিস সেইন্ট জার্মেই (পিএসজি)। তবে চলতি মৌসুমে আক্রমণ বিভাগে বেশিকিছু দুর্বলতা দেখা দিয়েছে তাদের। তাই জানুয়ারির দলবদলে চেলসির ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড এস্তেভাও উইলিয়ানকে দলে আনতে ছক কষছে ফরাসি ক্লাবটি। ১৯ বছর বয়সী উদীয়মান তারকাকে পিএসজিতে নিয়ে আসতে মূল ভূমিকা রাখছেন স্বয়ং কোচ লুইস এনরিকে। পুরোপুরি না পেলেও এস্তেভাওকে ধারে (লোন) দলে নিতে চান তিনি।  সামনে রয়েছে দীর্ঘ ও কঠিন মৌসুম। তার ওপর খাভিচা কভারাৎসখেলিয়া ও উসমান দেম্বেলের মতো গুরুত্বপূর্ণ তারকাদের চোটে পড়ার কারণে এনরিকের হাতে ফরোয়ার্ড অপশন একপ্রকার শেষ বললেই চলে।  চলতি মৌসুমে বড় কিছু করার লক্ষ্য নিয়ে এগোনো পিএসজি কোনোভাবেই ঝুঁকিতে থাকতে চায় না। তাই জানুয়ারিতেই আক্রমণভাগ শক্তিশালী করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে ক্লাবটি। মধ্যবর্তী এই দলবদলে চেলসির রত্ন খ্যাত ব্রাজিলিয়ান তরুণ এস্তেভাওকেই সবচেয়ে কার্যকর লক্ষ্য হিসেবে বেছে নিয়েছে পিএসজি। ২০২৫ সালের জুলাইয়ে পালমেইরাস থেকে স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে যোগ দেওয়ার পর থেকেই প্রথম একাদশে নিয়মিত জায়গা করতে লড়াই করছেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। এমনকি প্রিমিয়ার লিগে এখন পর্যন্ত কোনো ম্যাচে শুরু থেকে (স্টার্টার হিসেবে) খেলার সুযোগ পাননি তিনি। ফরাসি ক্রীড়ামাধ্যম ফুট০১-এর মতে, লুইস এনরিকে এই তরুণের খেলার ধরনে ভীষণ মুগ্ধ। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, স্প্যানিশ এই কৌশলবিদ ও পিএসজির স্পোর্টিং অ্যাডভাইজর লুইস কাম্পোস দুজনেই এস্তেভাওকে নিয়ে আগ্রহী।  পিএসজির প্রভাবশালী এই দুই কর্তাব্যক্তির সম্মতিতেই সম্ভাব্য এই লোন চুক্তির সম্ভাবনা অনেক বেড়ে গেছে। ফ্রান্সে স্বল্পমেয়াদি এই সময়ের মধ্যে এস্তেভাওয়ের সেরাটা বের করে আনার ব্যাপারে শতভাগ আত্মবিশ্বাসী এনরিকে। উভয় পক্ষের আগ্রহ থাকলেও, এই চুক্তির ব্যাপারে কিছু কঠোর শর্ত জুড়ে দিয়েছে চেলসি।  স্পোর্টস পোর্টাল টিমটক-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, দুই ক্লাবের মধ্যে ইতোমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে ব্রাজিলের তরুণ উইঙ্গারের চুক্তি, বেতন এবং মাঠে খেলার সময় নিয়ে সুনির্দিষ্ট কিছু বাধ্যবাধকতা চেয়েছে লন্ডনের দলটি। চেলসি তাকে কেবল শর্তহীন লোন (সোজা ধারে) দিতে চায়, কারণ তারা বিশ্বাস করে যে স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে এই ব্রাজিলিয়ানের দীর্ঘমেয়াদি ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ রয়েছে। এছাড়া পিএসজিকে খেলোয়াড়ের পুরো বেতন বহন করার দাবি জানিয়েছে তারা।  সেই সঙ্গে এস্তেভাও যেন প্যারিসে গিয়েও বেঞ্চে বসে না থাকেন, সে জন্য তিনি নির্দিষ্ট সংখ্যক মিনিট না খেললে পিএসজির ওপর আর্থিক জরিমানা আরোপের মতো কড়া ধারাও যুক্ত করতে চাইছে চেলসি। শর্তগুলো নিয়ে এখনো দরকষাকষি চলছে, তবে চেলসি মূলত এই শীতেই এস্তেভাওকে প্যারিসে পাঠানোর ব্যাপারে নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছে বলে জানা গেছে। চুক্তিটি চূড়ান্ত হলে উভয় দলের জন্যই লাভজনক হবে। এস্তেভাও পাবেন সর্বোচ্চ স্তরে খেলার অভিজ্ঞতা, আর পিএসজিও শিরোপা লড়াইয়ের জন্য দলের গভীরতা বাড়িয়ে নিতে পারবে। আরটিভি/এসআর
এস্তেভাওকে পেতে ছক কষছে পিএসজি, কঠিন শর্ত চেলসির
টেস্টের আগের দিন মুশফিকের আঙুলে চোট, খেলা নিয়ে শঙ্কা
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ শুরুর আগের দিন চোট পেয়েছেন বাংলাদেশের অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিম। মিরপুরে মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) অনুশীলনের সময় এক বোলারের বাউন্সার এসে লাগে তার ডান হাতের তর্জনীতে।
টেস্টের আগের দিন মুশফিকের আঙুলে চোট, খেলা নিয়ে শঙ্কা
ফাইনালের সমীকরণ শান্তর কাছে ‘চাপ নয়, প্রেরণা’
আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের চতুর্থ চক্রে প্রথমবারের মতো ফাইনালে খেলার স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশ। সেই স্বপ্ন পূরণে বাকি ছয় টেস্টের চারটিতে জয় এবং অন্তত একটিতে ড্র করতে হবে টাইগারদের।
ফাইনালের সমীকরণ শান্তর কাছে ‘চাপ নয়, প্রেরণা’
চূড়ান্ত হল চট্টগ্রাম ফ্র‍্যাঞ্চাইজ টি-২০ লিগের ৪ সেমিফাইনালিস্ট
চট্টগ্রাম ফ্র‍্যাঞ্চাইজ টি-টোয়েন্টি লিগের (সিএফএল) চার সেমিফাইনালিস্ট নিশ্চিত হয়েছে। ২২ অক্টোবর শুরু হওয়া এই টুর্নামেন্টে ফাইনালের লড়াইয়ে উঠলো বাকলিয়া অগ্রসর বয়েজ ক্লাব, এনএইচটি স্পোর্টস, রাইয়ান স্পোর্টস ও আম্বিয়া স্পোর্টস।
চূড়ান্ত হল চট্টগ্রাম ফ্র‍্যাঞ্চাইজ টি-২০ লিগের ৪ সেমিফাইনালিস্ট
ব্যালন ডি’অর পেলে কত টাকা পান ফুটবলাররা?
বিশ্বসেরা ফুটবলারের স্বীকৃতি ব্যালন ডি’অর। সোনালি ট্রফিটি হাতে তোলার স্বপ্ন দেখেন বিশ্বের প্রায় সব ফুটবলার। তবে এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার জিতলেই আয়োজকদের কাছ থেকে সরাসরি কোনো অর্থ পুরস্কার পান না বিজয়ী। যদিও ক্লাব ও স্পনসরদের সঙ্গে চুক্তির শর্ত অনুযায়ী লাখ লাখ ইউরো বোনাস পাওয়ার সুযোগ থাকে। পাশাপাশি বাড়ে বিজ্ঞাপনমূল্য ও বাণিজ্যিক চুক্তি থেকে আয়ের সম্ভাবনাও। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম এএসের আন্তর্জাতিক ফুটবল বিভাগের প্রধান আরিৎস গাবিলন্দোর বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ব্যালন ডি’অর এখন কেবল ব্যক্তিগত শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি নয়। এটি ফুটবলারদের বাণিজ্যিক মূল্য বাড়ানোরও বড় মাধ্যম। মাঠের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি এই পুরস্কার একজন খেলোয়াড়ের আর্থিক ভবিষ্যৎ বদলে দিতে পারে।  এএসের তথ্য অনুযায়ী, ব্যালন ডি’অরের সোনালি ট্রফিটির আনুমানিক মূল্য প্রায় ৩ হাজার ৫০০ ইউরো। তবে ট্রফিটির প্রকৃত গুরুত্ব এর আর্থিক মূল্যে নয়, বরং এটি জয়ের মাধ্যমে একজন ফুটবলারের সামনে তৈরি হওয়া সম্ভাবনাময় বাণিজ্যিক সুযোগে। ফুটবলারদের ক্লাব চুক্তিতে ব্যক্তিগত অর্জনের জন্য বিশেষ বোনাসের শর্ত থাকতে পারে। ব্যালন ডি’অর জিতলে এসব শর্ত অনুযায়ী কোনো কোনো খেলোয়াড়ের বোনাসের পরিমাণ ৩০ লাখ ইউরো পর্যন্ত হতে পারে। এর উল্লেখযোগ্য উদাহরণ নেইমার। ২০১৭ সালে বার্সেলোনা ছেড়ে প্যারিস সেন্ট জার্মেইতে (পিএসজি) যোগ দেওয়ার পর ব্রাজিলিয়ান তারকার চুক্তিতে ব্যালন ডি’অর জয়ের জন্য প্রায় ৩০ লাখ ইউরো বোনাসের শর্ত থাকার খবর প্রকাশ করেছিল ফরাসি সংবাদমাধ্যম লে প্যারিসিয়েন। পরে লেকিপও এ তথ্য জানায়। তবে পিএসজির হয়ে কখনো ব্যালন ডি’অর জিততে পারেননি নেইমার। ফলে ওই বোনাস পাওয়ার সুযোগও তৈরি হয়নি। ক্লাবের পাশাপাশি স্পনসরদের সঙ্গেও চুক্তিতে এমন বোনাসের শর্ত থাকতে পারে। ২০১৮ সালে ব্যালন ডি’অর জয়ের পর ক্রীড়াসামগ্রী প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান নাইকির সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী প্রায় আট লাখ ইউরো বোনাস পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছিল লুকা মদ্রিচের। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম এল কনফিদেনসিয়াল সে সময় এ তথ্য জানিয়েছিল। মদ্রিচের অর্জনকে কাজে লাগিয়ে বিশেষ সংস্করণের ফুটবল বুটও বাজারে এনেছিল নাইকি। অর্থাৎ, ব্যালন ডি’অর জয় শুধু ফুটবলারের জন্যই নয়, স্পনসর প্রতিষ্ঠানের জন্যও বাড়তি ব্যবসার সুযোগ তৈরি করে। তবে আর্থিক সুবিধা কেবল এককালীন বোনাসেই সীমাবদ্ধ নয়। ব্যালন ডি’অর জয়ের ফলে একজন ফুটবলারের আন্তর্জাতিক পরিচিতি ও বিজ্ঞাপনমূল্য বেড়ে যেতে পারে। নতুন স্পনসর পাওয়া, পুরোনো চুক্তি নবায়নের সময় বেশি অর্থ দাবি করা এবং বৈশ্বিক বাজারে নিজের অবস্থান শক্তিশালী করার সুযোগ তৈরি হয়। এর সবচেয়ে বড় উদাহরণ লিওনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। মেসি আটবার এবং রোনালদো পাঁচবার ব্যালন ডি’অর জিতেছেন। মাঠের সাফল্যের পাশাপাশি বিজ্ঞাপন ও বিভিন্ন বাণিজ্যিক চুক্তির মাধ্যমেও বিপুল আয় করেছেন এই দুই তারকা। তাদের জনপ্রিয়তা এখন ফুটবল মাঠের গণ্ডি ছাড়িয়ে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে। এএসের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, মেসি-রোনালদোর পরবর্তী প্রজন্মের তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে ও লামিনে ইয়ামালের সামনেও একই ধরনের বাণিজ্যিক অবস্থান তৈরির সুযোগ রয়েছে। ব্যক্তিগত অর্জন ও মাঠের সাফল্য কাজে লাগিয়ে বিশ্ব ফুটবলের বাণিজ্যিক বাজারে নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে পারেন তারা। অবশ্য ব্যক্তিগত পুরস্কারকেন্দ্রিক এই প্রতিযোগিতা নিয়ে সমালোচনাও রয়েছে। পিএসজির কোচ লুইস এনরিকের মতো অনেকে ব্যক্তিগত অর্জনের চেয়ে দলীয় সাফল্যকে বেশি গুরুত্ব দেন। তাদের মতে, ফুটবল দলীয় খেলা; তাই একজন খেলোয়াড়ের ব্যক্তিগত স্বীকৃতির চেয়ে পুরো দলের অর্জনই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তারপরও ব্যালন ডি’অরের জনপ্রিয়তা ও বাণিজ্যিক গুরুত্ব ক্রমেই বেড়েছে। আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের অনুষ্ঠান বিশ্বের ১০৫টি দেশে সম্প্রচারিত হয়েছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও পুরস্কারটি ঘিরে তৈরি হয়েছিল ব্যাপক আগ্রহ। সব মিলিয়ে, ব্যালন ডি’অর জিতলে আয়োজকদের কাছ থেকে সরাসরি নগদ অর্থ না পেলেও একজন ফুটবলারের সামনে বড় অঙ্কের বোনাস ও বাণিজ্যিক আয়ের সম্ভাবনা তৈরি হয়। সেই আয় নির্ভর করে ক্লাব ও স্পনসরদের সঙ্গে চুক্তির শর্ত, খেলোয়াড়ের জনপ্রিয়তা এবং ভবিষ্যতে তৈরি হওয়া নতুন সুযোগের ওপর। তাই সোনালি ট্রফিটির চেয়েও সেটি জয়ের আর্থিক মূল্য অনেক বেশি হতে পারে।   আরটিভি/এসকে
ব্যালন ডি’অর পেলে কত টাকা পান ফুটবলাররা?
আরও পড়ুন
তামিমের এক ফোনেই যেভাবে ঢাকায় আইপিএলের নিলাম সঞ্চালক 
ডি-থ্রি ট্রফির উদ্বোধনী ম্যাচ ও ফাইনাল বরিশালে
বিসিবির বিশাল চমক, ডি থ্রি ট্রফিতে আইপিলের ছোঁয়া!
বিসিবির সাবেক পরিচালক মাহমুদ জামাল আর নেই