ঢাকা রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩

বেস জাম্পিং দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল বিশ্বখ্যাত অ্যাথলেট অ্যান্ডি লুইসের

স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৬ জুন ২০২৬, ০৮:৫৮ এএম
বেস জাম্পিং দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল বিশ্বখ্যাত অ্যান্ডি লুইসের। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের ইউটাহ অঙ্গরাজ্যের একটি দুর্গম ক্যানিয়নে বেস জাম্পিং করতে গিয়ে নিহত হয়েছেন বিশ্বখ্যাত চরম ক্রীড়া অ্যাথলেট অ্যান্ডি লুইসে। মিনারেল বটম এলাকায় সংঘটিত এই দুর্ঘটনায় তার সঙ্গে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। দ্বিতীয় নিহত ব্যক্তির পরিচয় এখনও প্রকাশ করেনি কর্তৃপক্ষ।

স্থানীয় প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে ৪৩ বছর বয়সী অ্যান্ডি লুইস এবং ৫০ বছর বয়সী অপর একজনকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে।

অ্যান্ডি লুইস ছিলেন বেস জাম্পিং, স্ল্যাকলাইন ও ট্রিকলাইন জগতের অন্যতম পরিচিত মুখ। সুপার বোল হাফটাইম শোতে পপ তারকা মেডোনার সঙ্গে মঞ্চে পারফর্ম করে বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পান।ওই অনুষ্ঠানে রোমান পোশাক পরে স্ল্যাকলাইনের ওপর বিভিন্ন কসরত প্রদর্শন করে দর্শকদের মুগ্ধ করেছিলেন তিনি।

সহকর্মী ও প্রশিক্ষক ম্যাকএভয় বলেন বলেন, অ্যান্ডি ছিলেন অসাধারণ দক্ষ একজন অ্যাথলেট। তবে তিনি সবসময় অন্যদের তুলনায় বেশি ঝুঁকি নিতে পছন্দ করতেন। দীর্ঘদিনের অনুশীলনের মাধ্যমে তিনি অসাধারণ দক্ষতা অর্জন করেছিলেন, কিন্তু একই সঙ্গে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ কসরতেও অংশ নিতেন।

বেস জাম্পিং বিশ্বের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ চরম ক্রীড়াগুলোর একটি হিসেবে পরিচিত। এ খেলায় অংশগ্রহণকারীরা উঁচু ভবন, সেতু কিংবা পাহাড়ের চূড়া থেকে লাফ দিয়ে প্যারাস্যুটের সাহায্যে নিচে অবতরণ করেন। বিভিন্ন পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ১৯৮১ সাল থেকে এ পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে অন্তত ৫৪০ জন বেস জাম্পার প্রাণ হারিয়েছেন। শুধু গত বছরেই এ খেলায় মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ৩০।

২০০৭ সালে নরওয়েতে প্রকাশিত এক গবেষণায় বলা হয়, স্কাইডাইভিংয়ের তুলনায় বেস জাম্পিংয়ে গুরুতর আহত হওয়া বা মৃত্যুর ঝুঁকি পাঁচ থেকে আট গুণ বেশি।

BASE_Jumping

অ্যান্ডি লুইস নিজেও এই খেলার প্রাণঘাতী ঝুঁকির বিষয়টি স্বীকার করেছিলেন। গত বছর এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, কত মানুষ মারা গেছে, এটা ভাবলে অদ্ভুত লাগে। কারণ আমাদের জন্য এটি যেন স্বাভাবিক একটি বিষয় হয়ে গেছে।

লুইস ছিলেন ‘বেস জাম্প মোয়াব’-এর মালিক। প্রতিষ্ঠানটি অনভিজ্ঞ গ্রাহকদের জন্য অভিজ্ঞ গাইডের সঙ্গে ট্যান্ডেম বেস জাম্পের ব্যবস্থা করত। তবে দুর্ঘটনার সময় তিনি ট্যান্ডেম জাম্প করছিলেন কি না, সে বিষয়ে এখনও নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ।

ক্রীড়া জীবনে অ্যান্ডি লুইস উল্লেখযোগ্য সাফল্যের অধিকারী ছিলেন। ২০০৮ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত টানা চারবার প্রতিযোগিতামূলক স্ল্যাকলাইনে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হন তিনি। ২০১১ সালে চীনের দিয়াওশুইলো জলপ্রপাতের ওপর স্ল্যাকলাইন সার্ফিং করে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম লেখান। এছাড়া ২০১৪ সালে নেভাদা মরুভূমিতে প্রায় চার হাজার ফুট উচ্চতায় দুটি বেলুনের মাঝে ঝুলন্ত স্ল্যাকলাইনের ওপর হেঁটে আরেকটি বিস্ময়কর কীর্তি গড়েন।

আরও পড়ুন

তার আকস্মিক মৃত্যুতে চরম ক্রীড়া জগতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সহকর্মী, ভক্ত এবং ক্রীড়াঙ্গনের বিভিন্ন ব্যক্তিত্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক প্রকাশ করে তার সাহস, দক্ষতা ও অবদানের কথা স্মরণ করছেন।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
রেকর্ড গড়েও সিরিজ জিততে পারল না বাংলাদেশ
প্রথমবার ওয়ানডে সিরিজ খেলতে অস্ট্রেলিয়ায় গিয়েছে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। কিন্তু সুবিধা করতে পেরে টানা দুই হারে সিরিজ হাতছাড়া সফরকারীদের।
রেকর্ড গড়েও সিরিজ জিততে পারল না বাংলাদেশ
হ্যাটট্রিক করে যেসব কীর্তি গড়লেন হাসান মাহমুদ
চলমান আবুধাবি টেস্টের তৃতীয় দিনের শুরুতে ২৪০ রানে অলআউট হয়েছে আফগানিস্তান। এদিন দারুণ এক হ্যাটট্রিক করেছেন বাংলাদেশের পেসার হাসান মাহমুদ। এই নিয়ে টেস্ট ক্রিকেটে হ্যাটট্রিক করা তৃতীয় বাংলাদেশি ও প্রথম পেস বলার হলেন হাসান মাহমুদ।  ৮৩তম ওভারের ৩য়, ৪র্থ এবং ৫ম বলে টানা ৩ বলে ৩ উইকেট নিয়ে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেছেন হাসান। একে একে ফিরিয়েছেন ইসমাত আলম, কাইস আহমেদ এবং জিয়াউর রহমানকে। এর আগে ২০০৩ সালে পেশোয়ার টেস্টে পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্টে হ্যাটট্রিক করেছিলেন অলক কাপালি। ২০১৩ সালে চট্টগ্রাম টেস্টে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করেছিলেন সোহাগ গাজী। বাংলাদেশি পেসারদের মধ্যে টেস্টে হ্যাটট্রিক করাতে হাসান মাহমুদই প্রথম। আগের দুজন অলক কাপালি এবং সোহাগ গাজী ছিলেন স্পিনার। সংযুক্ত আরব আমিরাতে টেস্ট ম্যাচে হ্যাটট্রিকের ঘটনা এবারই প্রথম। চলতি বছরে অর্থাৎ ২০২৬ সালেও প্রথম হ্যাটট্রিকের ঘটনা এটি। ইয়ামিন আহমেদজাইকে ফিরিয়ে ইনিংসে ফাইফারও তুলে নিয়েছেন হাসান মাহমুদ। সাথে চলে গেছেন ৫০ টেস্ট উইকেটের মাইলফলকে। মাত্র ১৭ ম্যাচ এবং ২৯ ইনিংসে এই মাইলফলক স্পর্শ করেছেন হাসান মাহমুদ। বাংলাদেশি পেসারদের মধ্যে এই মাইলফলকে হাসানই দ্রুততম। টেস্টে ফাইফারে শাহাদাত হোসেনের সমান হলেন হাসান মাহমুদ। দুজনেরই টেস্টে ফাইফার এখন ৪টি। হাসান ছুঁয়েছেন মাত্র ১৭ টেস্টেই। সামনে ছাড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ তো থাকছেই।   আরটিভি/এসআর
হ্যাটট্রিক করে যেসব কীর্তি গড়লেন হাসান মাহমুদ
হাসানের ফাইফার, তৃতীয় দিনের শুরুতেই অলআউট আফগানিস্তান
আবুধাবি টেস্টে দ্বিতীয় দিনে দুর্দান্ত প্রতিরোধ গড়েছিল আফগানিস্তান। তবে তৃতীয় দিনের শুরুতে হাসান মাহমুদের সামনে দাঁড়াতে পারেনি স্বাগতিকরা। এতে প্রথম ইনিংসে আফগানরা ২৪০ রানে অলআউট হওয়ায় ১০৬ রানের লিড পেয়েছে টাইগাররা। রোববার (১১ অক্টোবর) তৃতীয় দিনের শুরুতেই দুর্দান্তভাবে। ২১ রান খরচায় আফগানদের বাকি ৬টি উইকেট তুলে নিয়েছে। আর তাতেই ১০৬ রানের স্বাস্থ্যকর এক লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নামছে দলটি। এই সাফল্যের শুরু আর শেষটা করে দিয়েছেন এবাদত হোসেন। গতকালই তিনি ইঙ্গিত দিয়েছিলেন ছন্দে ফেরার। আজ দিনের শুরুটা করে দিয়েছেন তিনি। নতুন বলে ইকরাম আলিখিলকে বোল্ড করে তিনি ভাঙেন রহমত শাহর সঙ্গে তার ৮০ রানের জুটি। পরের গল্পটা হাসান মাহমুদের।  প্রথম বাংলাদেশি পেসার হিসেবে গড়েছেন হ্যাটট্রিকের কীর্তি। শুরুটা করেছিলেন ইসমাত আলমকে বোল্ড করে। দারুণ এক ইনসুইঙ্গারে তিনি পরাস্ত করেন আফগানদের নতুন ব্যাটারকে। পরের বলে পালা আসে কাইস আহমেদের। তার সর্বনাশ করল হাসানের এক আউটসুইঙ্গার।  ব্যাটের বাইরের কানায় লেগে বল চলে গিয়েছিল পেছনে। দুর্দান্ত এক ক্যাচ নিয়েছেন লিটন দাস। এরপরের বলে নতুন ব্যাটার জিয়া আকবর পরাস্ত হন ভেতরে আসা বলে। তার প্যাডে লাগলেও আম্পায়ার সাড়া দেননি। রিভিউ নেয় বাংলাদেশ। সেখানে দেখা যায় পিচিং, ইমপ্যাক্ট আর হিটিং সবকিছুতেই জ্বলেছে লাল বাতি। সঙ্গে সঙ্গে নিশ্চিত হয়ে যায় হাসানের হ্যাটট্রিক। হাসান এরপর তার ক্যারিয়ারের চতুর্থ ফাইফার তুলে নেন ইয়ামিন আহমাদজাইকে বিদায় করে। উইকেট বাকি ছিল একটি। তবে এই ফাঁকেই রহমত শাহ তুলে নেন সেঞ্চুরি। তিনি শেষমেশ সঙ্গীর অভাবে অপরাজিত থাকেন ১০৫ রানে। ওপাশে মোহাম্মদ সালিম ক্যাচ দেন উইকেটের পেছনে, এবাদত হোসেনের শিকার হন তিনি। ২৪০ রানে অলআউট হয় দলটি।  বাংলাদেশের হয়ে ৫৫ রানে ৫ উইকেট নেন হাসান। আর এবাদত ৫৬ রান খরচায় নেন ৪ উইকেট। বাকি একটি উইকেট যায় মেহেদী হাসান মিরাজের দখলে। আরটিভি/এসআর
হাসানের ফাইফার, তৃতীয় দিনের শুরুতেই অলআউট আফগানিস্তান
গেতাফেকে হারিয়ে আটে আট বার্সেলোনার
আন্তর্জাতিক ফুটবলের বিরতি শেষে মাঠে ফিরেই জয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছে বার্সেলোনা। গেতাফেকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে লা লিগায় টানা আট জয়ে শীর্ষস্থান আরও মজবুত করেছে হান্সি ফ্লিকের দল। শনিবার (১০ অক্টোবর) দিবাগত রাতে ঘরের মাঠ কাম্প ন্যুয়ে বার্সেলোনার হয়ে গোল করেন অ্যান্থনি গর্ডন, গাব্রিয়েল জেসুস ও জুল কুন্দে। ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটেই গর্ডনের গোলে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা।  ৩০ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড জেসুস। দ্বিতীয়ার্ধের ৭৩ মিনিটে কুন্দের গোলে জয় নিশ্চিত হয় কাতালান ক্লাবটির। হালকা চোটের কারণে সতর্কতামূলক ব্যবস্থায় অধিনায়ক রাফিনিয়াকে ছাড়াই মাঠে নামে বার্সেলোনা। ম্যাচের শুরুতেই প্রতিপক্ষের দুই খেলোয়াড়ের বাধা কাটিয়ে শট নেন গর্ডন। বল এক ডিফেন্ডারের পায়ে লেগে গোলরক্ষককে ফাঁকি দিয়ে জালে প্রবেশ করে।  বার্সেলোনার জার্সিতে এটিই ইংলিশ উইঙ্গারের প্রথম গোল। চলতি লিগে এখন পর্যন্ত চারটি অ্যাসিস্টও রয়েছে তার। ক্লাব ও জাতীয় দল মিলিয়ে সর্বশেষ চার ম্যাচেই গোল করেছেন তিনি। ম্যাচের অধিকাংশ সময় বল নিজেদের দখলে রেখে গেতাফের রক্ষণে চাপ সৃষ্টি করে বার্সেলোনা। ৩০ মিনিটে প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগের ভুলের সুযোগ কাজে লাগান জেসুস।  ডি-বক্সের কাছে বল হারান গেতাফের ডিফেন্ডার রোমেরো। সেই সুযোগে বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে শক্তিশালী শটে জালে পাঠান ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড। চলতি মৌসুমে আর্সেনাল ছেড়ে বার্সেলোনায় যোগ দেওয়া জেসুসের এটি পাঁচ ম্যাচে তৃতীয় গোল। বিরতির পরও আক্রমণের ধার কমেনি স্বাগতিকদের। ৫৩ মিনিটে জেরার্দ মার্তিনের ক্রস থেকে হেড করে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেলেও কাজে লাগাতে পারেননি জেসুস। চার মিনিট পর দানি ওলমোর নিচু শট ঠেকিয়ে দেন গেতাফের গোলরক্ষক। অবশেষে ৭৩ মিনিটে তৃতীয় গোলের দেখা পায় বার্সেলোনা। ডান দিক থেকে লামিন ইয়ামালের বাড়ানো ক্রসে কাছ থেকে পা ছুঁইয়ে বল জালে পাঠান ফরাসি ডিফেন্ডার জুল কুন্দে। ম্যাচের শেষ দিকে ব্যবধান আরও বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিলেন ইয়ামাল। তবে বক্সের বাইরে থেকে তার বাঁ পায়ের শট পোস্ট ঘেঁষে বাইরে চলে যায়। এই জয়ে লা লিগার প্রথম আট ম্যাচের সবকটিতে জিতে ২৪ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে রয়েছে বার্সেলোনা। সমান ম্যাচে ১৯ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে আতলেতিকো মাদ্রিদ। লা লিগায় নিজেদের ইতিহাসের অন্যতম সেরা শুরুর রেকর্ডেও ভাগ বসিয়েছে বার্সেলোনা। এর আগে ২০১৩-১৪ মৌসুমে কোচ জেরার্দো মার্তিনোর অধীনেও লিগের প্রথম আট ম্যাচে জয় পেয়েছিল দলটি। চলতি মৌসুমে প্রথম আট ম্যাচে প্রতিপক্ষের জালে মোট ৩৪ গোল করেছে ফ্লিকের শিষ্যরা। আরটিভি/এসআর
গেতাফেকে হারিয়ে আটে আট বার্সেলোনার
মেসি ও সুয়ারেজের জোড়া গোলে জয়ে ফিরল ইন্টার মায়ামি
কয়েকদিন আগেই অনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে বিদায় নিয়েছেন লিওনেল মেসি। তবে ক্লাবে ফিরেই চমক দেখিয়েছেন এই আর্জেন্টাইন তারকা। জোড়া গোল করে ইন্টার মায়ামিকে বড় জয় এনে দিয়েছেন তিনি ও সুয়ারেজ। রোববার (১১ অক্টোবর) ভোরে যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) ডি.সি. ইউনাইটেডকে ৪-০ ব্যবধানে হারিয়েছে ইন্টার মায়ামি।  এদিন ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে ইন্টার মায়ামি। তৃতীয় মিনিটে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন উরুগুয়ের ফরোয়ার্ড লুইস সুয়ারেজ। প্রথমার্ধের ৩৯ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন তিনি।  দুটি গোলেই সহায়তা করেন জার্মান বেরতেরামে। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ব্যবধান বাড়ান আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসি। ৪৭ মিনিটে গোল করার পর ৬০ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন তিনি। এতে ৪-০ ব্যবধানের বড় জয় নিশ্চিত হয় ইন্টার মায়ামির। ম্যাচে মেসি ও সুয়ারেজ দুটি করে গোল করেন। অন্যদিকে, ইন্টার মায়ামির রক্ষণ সামলাতে ব্যর্থ হয়ে কোনো গোল করতে পারেনি ডি.সি. ইউনাইটেড। এই জয়ের মধ্য দিয়ে এমএলএসে টানা পাঁচ ম্যাচ জয়হীন থাকার হতাশা কাটাল ইন্টার মায়ামি। এর আগে দলটি পাঁচ ম্যাচে জয় পায়নি—একটি ম্যাচে হার ও চারটি ম্যাচে ড্র করেছিল তারা। মেসি ও সুয়ারেজের এই পারফরম্যান্স মৌসুমের শেষ পর্যায়ে ইন্টার মায়ামির আত্মবিশ্বাস বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আরটিভি/এসআর
মেসি ও সুয়ারেজের জোড়া গোলে জয়ে ফিরল ইন্টার মায়ামি
আরও পড়ুন
এক হত্যাকাণ্ড, দুই মামলা; দ্বৈত বিচার নিয়ে তুমুল বিতর্ক
যুক্তরাষ্ট্রে ফুটবল ও ক্যাম্পাস উৎসবে বাড়ছে গুলির আতংক
ম্যাসাচুসেটসে অন্তঃসত্ত্বা তরুণীর মৃত্যু ঘিরে রহস্য, কাঠগড়ায় সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা
একই জায়গায় ৫ মৃত্যু, সিরিয়াল কিলার আতংকে মিশিগান