ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩

মেসির রক্তে ব্রাজিলের ছোঁয়া, গবেষণায় বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য!

স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৫ জুলাই ২০২৬, ১০:৫৫ এএম
ছবি: কৃত্রিম বুুদ্ধিমত্তার সাহায্যে তৈরি করা

ফুটবল ক্যারিয়ারের স্বর্ণালী সময় স্পেনের বার্সেলোনায় কাটানোয় লিওনেল মেসিকে নিজেদের দলে পাওয়ার সুযোগ ছিল– এমন গুঞ্জন ছিল স্প্যানিশ গণমাধ্যমে। ইতালিও চাইলে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হিসেবে মেসিকে না পাওয়ার আক্ষেপ করতেই পারে। তবে এবার সামনে এসেছে আরও চমকপ্রদ তথ্য।

খোদ আর্জেন্টাইন মহাতারকার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দেশ ব্রাজিলেও তাকে না পাওয়ার অতৃপ্তি কাজ করছে, যার নেপথ্যে রয়েছে এক অদ্ভুত ঐতিহাসিক যোগসূত্র। ইতালির ইতিহাসবিদ ও পেশায় ব্যাংকার ফিওরেঞ্জো সান্তিনি মেসির পারিবারিক বংশতালিকা অনুসন্ধান করতে গিয়ে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উন্মোচন করেছেন।

মেসির পুরো নাম লিওনেল আন্দ্রেস মেসি কুচ্চিত্তিনি। মূলত মাতৃসূত্রের ‘কুচ্চিত্তিনি’ পদবির ইতিহাস খুঁজতে গিয়েই ব্রাজিলের সঙ্গে বিশ্বজয়ী এই তারকার পরোক্ষ সংযোগ ধরা পড়ে।

আরও পড়ুন

ইতালীয় শিকড় ও আর্জেন্টিনার যাত্রা

ফুটবলপ্রেমী সান্তিনি প্রথমে মেসির পিতৃসূত্রের ইতালীয় শিকড় অনুসন্ধান করেন। তিনি জানতে পারেন, মেসির পিতৃসূত্রের প্রপিতামহ (দাদার বাবা) অ্যাঞ্জেলো মেসি ইতালির মারকে অঞ্চলের মাচেরাতা প্রদেশের রেকানাতি শহরের বাসিন্দা ছিলেন। ১৮৯৩ সালে স্ত্রীকে নিয়ে তিনি ইতালির পর্ব চুকিয়ে আর্জেন্টিনার রোজারিওতে চলে যান।

ব্রাজিলে অভিবাসন (১৮৯৯)

মেসির মাতৃসূত্রের ইতিহাস শুরু হয় তার প্রপিতামহের বাবা রানিয়েরো কোচেত্তিনিকে দিয়ে। ইতালির সান সেভেরিনো মার্কে শহরের এই বাসিন্দা স্ত্রী রোজা রিক্কেজ্জা ও দুই সন্তান (জুলিয়া ও ফ্রাঞ্চেস্কো)-কে নিয়ে ১৮৯৯ সালের ২০ সেপ্টেম্বর ‘ওয়াশিংটন’ জাহাজে করে ব্রাজিলের সান্তোস বন্দরে পৌঁছান। সাও পাওলো রাজ্যের ইমিগ্রেশন মিউজিয়ামের ঐতিহাসিক নথিতে এর স্পষ্ট প্রমাণ সংরক্ষিত রয়েছে।

নাম ও পদবি পরিবর্তন

ব্রাজিলে পৌঁছানোর পর সরকারি নথিতে রানিয়েরো কোচেত্তিনির নাম বদলে হয় ‘রামিয়েরো কনচেত্তিনি’। তিনি সাও পাওলোর রিনকাও এলাকায় একটি খামারে কৃষক হিসেবে কাজ শুরু করেন। এই অঞ্চলেই ১৯০৪ সালের ২৭ জানুয়ারি জন্ম নেন আরদেরিগো। রিবেইরাও প্রেতোতে জন্মনিবন্ধনের সময় উচ্চারণ ও বানান জটিলতায় আরদেরিগোর নাম বদলে রাখা হয় ফেদেরিকো এবং পদবি ‘কোচেত্তিনি’ থেকে পরিবর্তিত হয়ে হয় ‘কুচ্চিত্তিনি’। এই ফেদেরিকোই হলেন লিওনেল মেসির প্রপিতামহ।

আর্জেন্টিনায় বসতি স্থাপন (১৯০৫)

ফেদেরিকোর জন্মের এক বছর পর, অর্থাৎ ১৯০৫ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর পুরো পরিবার ব্রাজিল ছেড়ে আর্জেন্টিনার রোজারিওতে বসতি গড়ে। সেখান থেকেই জন্ম নেন মেসির নানা আন্তোনিও কুচ্চিত্তিনি, মা সেলিয়া মারিয়া কুচ্চিত্তিনি এবং তার ৮২ বছর পর ১৯৮৭ সালের ২৪ জুন জন্ম নেন লিওনেল মেসি।

বিশ্বকাপজয়ী মেসির সঙ্গে মা সেলিয়া মারিয়া কুচ্চিত্তিনির একটি ছবিও ব্রাজিলের গণমাধ্যম গ্লোবোর প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হয়েছে। সেলিয়া হচ্ছেন ব্রাজিলে ১৯০৪ সালে জন্ম নেওয়া ফেদেরিকোর নাতনি।

সান্তিনি জানান, মূলত কুচ্চিত্তিনি পদবিই তাকে মেসি ও ব্রাজিলের সম্পৃক্ততার সন্ধান দেয়। কারণ ইতালিতে এই পদবির কোনো অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়নি। তিনি ২০১৯ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত সময় নিয়ে মেসির মাতৃসূত্রের পুরো পারিবারিক বংশতালিকা সাজিয়েছেন।

সান্তিনি বলেন, গবেষণার সময় আমি দেখলাম ইতালিতে কুচ্চিত্তিনি নামে কোনো পদবি নেই। পরে মেসির মায়ের এক চাচাতো ভাইয়ের কাছ থেকে নথি পাওয়ার পর বুঝতে পারি, ব্রাজিলে পৌঁছানোর পরই নাম ও পদবির পরিবর্তন করা হয়েছিল।

সান্তিনির এই গবেষণার স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২২ সালে ইতালির সান সেভেরিনো মার্কে শহর মেসিকে সম্মানসূচক নাগরিকত্ব প্রদান করে।

মেসির শিকড় সংক্রান্ত এই তথ্য প্রকাশের পর ব্রাজিলজুড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে নানা রসিকতা। ভক্তরা মেসিকে ব্রাজিলের জার্সি পরিয়ে একের পর এক ছবি পোস্ট করছেন। অনেকের মতে, এমন একজন কিংবদন্তি যদি ব্রাজিলের হয়ে খেলতেন, তবে সেলেসাওদের হয়তো টানা ছয়টি বিশ্বকাপ ফাইনাল না খেলার আক্ষেপে পুড়তে হতো না!

আরটিভি/এসআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
শুভমানের ডাবল সেঞ্চুরি, ৮১১ রানের ম্যাচে ক্যারিবিয়ানদের হারিয়ে ভারতের ইতিহাস
দ্বিতীয় ওয়ানডে ভারত ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটারদের তাণ্ডবে রান বন্যায় ভেসে গেছে গুয়াহাটির বারসাপাড়া স্টেডিয়াম। প্রথম ইনিংসে ক্যারিবিয়ানরা ৪০৫ রান করলে জবাব দিতে নেমে চার-ছক্কার বৃষ্টি ঝরিয়েছে ভারতীয় ব্যাটাররা। এতে বড় পুঁজি গড়েও হার এড়াতে পারেনি সফরকারীরা।  বিপরীতে রোহিতের সেঞ্চুরি ও গিলের ডাবল সেঞ্চুরিতে ভর করে উইকেটের জয় পায় ভারত। রান তাড়া করে ভারতের এটি সর্বোচ্চ বড় জয়। আর সবমিলিয়ে দ্বিতীয়। সবার উপরে আছে ২০০৬ সালে অনুষ্ঠিত হওয়া দক্ষিণ আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়ার সেই ঐতিহাসিক ম্যাচ। যেখানে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৪৩৪ রানের বিশাল দিয়েছিল রিকি পন্টিংয়ের অস্ট্রেলিয়া। জবাব দিতে নেমে ১ বল ও ১ উইকেট হাতে থাকতেই জয় তুলে নিয়েছিল গ্রেমি স্মিথের দক্ষিণ আফ্রিকা। সেই জয়ের পরই ওয়ানডে ইতিহাসের দ্বিতীয় বড় হিসেবে জায়গা পেল ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজের এই ম্যাচটি। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) আগে ব্যাট করতে নেমে ভারতকে ৪০৫ রানের বড় লক্ষ্য দেয় ক্যারিবিয়ানরা। জবাব দিতে নেমে ৩৯ বল ও ৮ উইকেট হাতে থাকতেই জয় তুলে নেয় ম্যান ইন ব্লুরা। পাহাড় সমান লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকে বলে বলে বাউন্ডারি মেরে রান তুলতে থাকেন ভারতের দুই ওপেনার রোহিত শর্মা ও শুভমান গিল। ৬২ বলে সেঞ্চুরি তুলে নেন গিল।  এরপর ৭২ বলে সেঞ্চুরির দেখা পায় রোহিত । কিন্তু এরপরই লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়ে সাজঘরে ফেরেন তিনি। তিনে ব্যাট করতে নেমে দ্রুত রান তুলতে থাকেন বিরাট কোহলিও। কিন্তু ১৯ বলে ২৯ রান করে ক্যাচ আউট হন এই তারকা ব্যাটার। তবে অপর প্রান্ত আগলে রেখে ঋতুরাজ গায়কোড়ডকে সঙ্গে নিয়ে ডাবল সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে যান শুভমান গিল। ১১৭ বলে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ডাবল সেঞ্চুরি তুলে নেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ঋতুরাজের ৩১ রান ও গিলের অপরাজিত ২২৩ রানে ভর করে ৩৯ বল ও ৮ উইকেট হাতে থাকতেই জয় তুলে নিয়েছে ভারত। এর আগে ব্যাট করতে নেমে জন ক্যাম্পবেল, আমির জাঙ্গু ও শাই হোপের সেঞ্চুরিতে ভারতীয় বোলারদের তুলোধুনে করে ৪০৫ রানের পাহাড় গড়েছে ক্যারিবীয়রা। ওয়ানডে ক্রিকেটে এটাই ওয়েষ্ট ইন্ডিজের দলীয় সর্বোচ্চ স্কোর। তারপরও হার এড়াতে পারেনি ক্যারিবিয়ানরা। আরটিভি/এসআর
শুভমানের ডাবল সেঞ্চুরি, ৮১১ রানের ম্যাচে ক্যারিবিয়ানদের হারিয়ে ভারতের ইতিহাস
ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচে সেঞ্চুরির বিশ্বরেকর্ড
গুয়াহাটিতে তিন সেঞ্চুরিতে ভারতকে ৪০৫ রানের লক্ষ্য দিয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। জবাব দিতে নেমেই সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছিলেন ভারতের দুই ওপেনার রোহিত শর্মা ও শুভমান গিল। এতে ওয়ানডেতে এক ম্যাচে সবচেয়ে বেশি সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়েছে তারা। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) গুয়াহাটিতে আগে ব্যাটিংয়ে নামে জন ক্যাম্পবেল, শাই হোপ ও আমির জাঙ্গু সেঞ্চুরি করেন। ওয়ানডের এক ইনিংসে সর্বোচ্চ তিনটি শতরানের যৌথ রেকর্ড গড়েন তারা। তারপর শুবমান গিলও সেঞ্চুরির দেখা পান। ভারতের এই ব্যাটার ৬২ বলে তার ১১তম সেঞ্চুরি হাঁকান। ওয়ানডে ইতিহাসে এক ম্যাচে যৌথভাবে সর্বোচ্চ চারটি সেঞ্চুরির দেখা মেলে।  ১৯৯৮ সালে পাকিস্তান-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচে প্রথমবার চারটি সেঞ্চুরি হয়েছিল। পাকিস্তানের ইজাজ আহমেদ, মোহাম্মদ ইউসুফ এবং অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডাম গিলক্রিস্ট ও রিকি পন্টিং সেঞ্চুরি করেন। তারপর দীর্ঘদিন পর এক ম্যাচে চার সেঞ্চুরি হয়েছিল। ২০১৩ সালে নাগপুরে অস্ট্রেলিয়া-ভারত ম্যাচে সেঞ্চুরি করেন শেন ওয়াটসন, জর্জ বেইলি ও স্বাগতিকদের শিখর ধাওয়ান ও বিরাট কোহলি। তারপর এক ম্যাচে চার সেঞ্চুরি হয়েছিল ২০২৩ সালে, হায়দরাবাদে শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানের বিশ্বকাপ ম্যাচে। শ্রীলঙ্কার কুশল মেন্ডিস ও সাদিরা সামারাবিক্রমা এবং পাকিস্তানের আব্দুল্লাহ শফিক ও মোহাম্মদ রিজওয়ান তিন অঙ্কের ঘরে পৌঁছান। এবার সব রেকর্ড ভেঙে দিলো ভারত ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচ। গিলের পর রোহিত ৭২ বলে সেঞ্চুরি করেন। তাতে ওয়ানডেতে প্রথমবার এক ম্যাচে পাঁচ সেঞ্চুরিতে ইতিহাসের পাতায় নাম লিখল ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজের এই ম্যাচ। আরটিভি/এসআর
ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচে সেঞ্চুরির বিশ্বরেকর্ড
ভারতীয় বোলারদের নিয়ে ছেলে খেলা করে ক্যারিবিয়ানদের ইতিহাস
ভারতের গুয়াহাটির বারসাপাড়া স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে মাঠে নেমেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল। এদিন ব্যাটিং তাণ্ডব চালিয়ে বিরল রেকর্ড গড়েছে ক্যারিবিয়ানরা।  বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) জন ক্যাম্পবেল, আমির জাঙ্গু ও শাই হোপের সেঞ্চুরিতে ভারতীয় বোলারদের তুলোধুনে করে ৪০৫ রানের পাহাড় গড়েছে ক্যারিবীয়রা। ওয়ানডে ক্রিকেটে এটাই ওয়েষ্ট ইন্ডিজের দলীয় সর্বোচ্চ স্কোর।  এর আগে ২০১৯ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সর্বোচ্চ ৩৮৯ রান করেছিল ক্যারিবীয়রা। তবে ওয়ানডে ক্রিকেটে রেকর্ড ৪৯৮ রান করে অনন্য উচ্চতায় আছে ইংল্যান্ড। দ্বিতীয় এবং তৃতীয় সর্বোচ্চ ৪৮১ ও ৪৪৪ রানের মালিকও ব্রিটিশরা। ওয়ানডে ক্রিকেটে চতুর্থ সর্বোচ্চ ৪৪৩ রান করেছে শ্রীলংকা। ভারতের গুয়াহাটির বারসাপাড়া স্টেডিয়ামে রেকর্ড ৪০৫ রান করে উইন্ডিজ। এর আগে এই মাঠে এত রান করতে পারেনি কোনো দল।  এর আগে ২০২৩ সালের ১০ জানুয়ারি শ্রীলংকার বিপক্ষে এই মাঠে রেকর্ড ৩৭৩ রান করেছিল স্বাগতিক ভারত। তার আগে ২০১৮ সালে এই মাঠে সর্বোচ্চ ৩১৮ রান করেছিল ক্যারিবীয়রা।  আরটিভি/এসআর
ভারতীয় বোলারদের নিয়ে ছেলে খেলা করে ক্যারিবিয়ানদের ইতিহাস
অস্ট্রেলিয়া সফরের জন্য শক্তিশালী স্কোয়াড ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়া সফরের জন্য ১৬ সদস্যের বাংলাদেশ নারী দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। সফরে স্বাগতিকদের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দল ঘোষণা করে বিসিবি। ৩ অক্টোবর অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশে দেশ ছাড়বে বাংলাদেশ দল। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে এবারই প্রথম দুই দলের দ্বিপক্ষীয় সিরিজ খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ নারী দল।  সিরিজের তিনটি ওয়ানডেই হবে ব্রিসবেনের অ্যালান বোর্ডার ফিল্ডে। ম্যাচগুলো ৯, ১১ ও ১৪ অক্টোবর। সিরিজের সূচি। অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় সময় প্রতিটি ম্যাচ শুরু হবে দুপুর ১টা ৫০ মিনিটে। সফরে বাংলাদেশ দলকে নেতৃত্ব দেবেন নিগার সুলতানা জ্যোতি। সহ-অধিনায়ক নাহিদা আক্তার। বাংলাদেশ নারী দল: নিগার সুলতানা জ্যোতি (অধিনায়ক), নাহিদা আক্তার (সহ-অধিনায়ক), স্বর্ণা আক্তার, মারুফা আক্তার, রাবেয়া খান, রিতু মনি, সোবহানা মোস্তারি, শারমিন সুলতানা, শারমিন আক্তার সুপ্তা, শানজিদা আক্তার মেঘলা, সুলতানা খাতুন, দিলারা আক্তার, ফারজানা হক, দিশা বিশ্বাস, মোর্শিদা খাতুন ও হাবিবা ইসলাম পিংকি। আরটিভি/এসআর
অস্ট্রেলিয়া সফরের জন্য শক্তিশালী স্কোয়াড ঘোষণা বাংলাদেশের
গিমারায়েসের বদলে পেনাল্টি নেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করলেন ভিনিসিয়ুস
নেইমারের অবসর ও ২০৩০ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে দল গোছাতে শুরু করেছেন কার্লো আনচেলত্তি। সেই হিসেবে ম্যাচে পেনাল্টির নেওয়ার গুরুদায়িত্বটা পেয়েছিলেন রানিফিয়ার। এই বার্সেলোনার তারকা না থাকলে ব্রুনো গিমারায়েসের পেনাল্টি নেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু অস্ট্রেলিয়া ম্যাচে বদলে যায় সব হিসাব। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে রাফিনিয়া প্রথম পেনাল্টি নেওয়ার পর ইনজুরি নিয়ে মাঠ ছাড়েন। ৮০ মিনিটে দ্বিতীয় পেনাল্টি গিমারায়েসের নেওয়ার কথা থাকলেও শট নিতে আসেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। ম্যাচ শেষে এর কারণও ব্যাখ্যা করেছেন এই রিয়াল মাদ্রিদ তারকা।  বিশ্বকাপের পর থেকেই নিজেকে হারিয়ে খুঁজছেন ভিনিসিয়ুস। ফলে তাকে ফর্মে ফেরাতেই ভিনির হাতে বল তুলে দিয়েছিলেন গিমারায়েস। এ জন্য সতীর্থকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন তিনি।   ভিনিসিয়ুস বলেন, রাফিনিয়া যখন মাঠে থাকবে না, তখন আমাদের পেনাল্টি নেওয়ার দায়িত্ব ব্রুনো গিমারাইসের। আমি ভেবেছিলাম সেই নিতে চাইবে, তবে সে জানে যে বর্তমানে আমার কিছুটা আত্মবিশ্বাস দরকার। বিশ্বকাপে হেরে যাওয়া অনেক বড় ধাক্কা এবং সেটা মেনে নেওয়া কঠিন, আর ঘুরে দাঁড়ানোও সহজ নয়। পরে গিমারায়েস নিজেও ব্যাখ্যা করেন তার পেনাল্টি না নেওয়ার কারণ। আর্সেনালের এই মিডফিল্ডার বলেন, দলের সবার মধ্যে একতাই সবচেয়ে বড় বিষয়। এটাই কারণ ছিল (পেনাল্টিটা ভিনিকে আত্মবিশ্বাস দিয়েছে)। পেনাল্টির ঘটনার পর, অনেক কিছুই সামনে আসে। কিন্তু এখানে জাতীয় দলে, আমাদের মধ্যে কেউ ব্যক্তিগত অর্জন নিয়ে ভাবে না। ভিনিকে পেনাল্টি নেওয়ার অনুমতি দিয়েছিলেন আনচেলত্তি। গিমারায়েস বলেন, বিশ্বকাপে আনচেলত্তি আমাকে পেনাল্টি নিতে বলেছিলেন। আর আজ তিনি ভিনিকে নিতে বলেন। ভিনির একটা গোল করা খুব দরকার ছিল। সে খুব ভালোভাবেই সেটা করেছে।  তিনি আরও বলেন, আমাদের কারও মধ্যে ব্যক্তিগত অর্জন নিয়ে ভাবনা নেই। ব্রাজিলের জন্য কোনটা সেরা, সেটাই আমরা চাই। তার জন্য আমরা খুশি এবং এভাবে কাজ করে যাওয়াটাই আসল। আরটিভি/এসআর
গিমারায়েসের বদলে পেনাল্টি নেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করলেন ভিনিসিয়ুস
আরও পড়ুন
ফ্রি কিক থেকে মেসির অবিশ্বাস্য গোল, ইনজুরি টাইমে মায়ামির হার
জন্মের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ছেলে-মেয়ের আচরণে পার্থক্য, নতুন গবেষণায় চমক
নিজের নামে টুর্নামেন্ট আয়োজন নিয়ে যা জানালেন মেসি
সবজিতে ব্যবহার হচ্ছে মাত্রার চেয়ে ১০ শতাংশ বেশি কীটনাশক