
ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬ এ আলোচনায় আসা মিশরের জাতীয় ফুটবল দলের প্রধান কোচ হোসাম হাসানের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে সম্প্রতি শুরু হয়েরেছ তুমুল উত্তেজনা। জানা গেছে, তার দুই স্ত্রীর মারামারি সময় তিনি জ্ঞান হাঁরান। তবে এই উত্তেজনার অবসান ঘটল এক চরম সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে। দুই স্ত্রীর মধ্যে প্রকাশ্যে হাতাহাতির ঘটনার পর প্রথম স্ত্রী হোয়াইদা আল-গারবাওয়িকে আনুষ্ঠানিকভাবে ডিভোর্স দিয়েছেন হোসাম।
হোসামের দ্বিতীয় স্ত্রীর আইনজীবী মোহাম্মদ শামস বিচ্ছেদের বিষয়টি সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। এর মাধ্যমে হোয়াইদার সঙ্গে মিশরের এই তারকা কোচের দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনের ইতি ঘটল। এই সংসারে তাদের তিন সন্তান রয়েছে।
ঘটনার সূত্রপাত শুক্রবার সন্ধ্যায় দেশটির উত্তর উপকূলের একটি পর্যটন এলাকায় বিলাসবহুল হোটেলের ক্যাফেতে। সেখানে হঠাৎ হোসাম হাসানের দুই স্ত্রী মুখোমুখি হলে তর্কাতর্কি থেকে একপর্যায়ে তা শারীরিক সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে উপস্থিত অতিথিদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং কয়েকজন পুলিশে খবর দেন। মারামারির দরুন দুই পক্ষই শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত পান।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে ব্যর্থ হয়ে তীব্র মানসিক চাপে ঘটনাস্থলেই জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন কোচ হোসাম হাসান। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পাশাপাশি মিশরের ক্রীড়াঙ্গন ও গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দেয়।
পরিস্থিতি সামাল দিতে দ্রুত পদক্ষেপ নেন হোসাম। এর আগে ২০২২ সালেও প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে তার ১০ দিনের বিচ্ছেদ হয়েছিল, যা পরে মিটে যায়। তবে এবার সেই সম্পর্কের স্থায়ী সমাপ্তি টানলেন তিনি। অন্যদিকে ২০১৫ সালে দিনা মোস্তফা নামে এক নারীকে দ্বিতীয় বিয়ে করেন সাবেক এই তারকা ফুটবলার।
জাতীয় দলের কোচের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে এমন কাণ্ড মিশরের ক্রীড়া অঙ্গনে বেশ তোলপাড় সৃষ্টি করেছে। তবে বিচ্ছেদের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে এই বিতর্কের অধ্যায় শেষ করতে চাইলেন হোসাম হাসান।
আরটিভি/ এসকেডি


