ঢাকা রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩

৩১ ক্রীড়াবিদের ভাতা বাদ, নতুন যুক্ত হচ্ছেন ৯৫ জন

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৩৮ পিএম
ক্রীড়াকার্ডধারীদের সামাজিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আয়োজিত আলোচনা সভায় যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। ছবি: সংগৃহীত

ক্রীড়া ভাতার আওতায় থাকা দেশের ৩০০ ক্রীড়াবিদের পারফরম্যান্স পর্যালোচনা করে ৩১ জনকে এই সুবিধা থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। একইসঙ্গে নতুন করে প্রায় ৯৫ জন ক্রীড়াবিদকে অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে। যেখানে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করা কোচ এবং রেফারিদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

রোববার (৪ অক্টোবর) সচিবালয়ে ক্রীড়াকার্ডধারীদের সামাজিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আয়োজিত আলোচনা সভার শুরুতে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে ৩০০ জন ক্রীড়াবিদকে ক্রীড়া ভাতা দেওয়া হচ্ছে। চার মাস পর পর তাদের পারফরম্যান্স পর্যালোচনা করা হচ্ছে। প্রথম চার মাসের পর্যালোচনায় প্রায় ৩১ জনের পারফরম্যান্স আশানুরূপ না হওয়ায় তাদের ভাতার আওতা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, আমরা এখনও ৫০০ জনের পরিপূর্ণ তালিকা পাইনি। ৩১ জনকে অব্যাহতি দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি আরও প্রায় ৯৫ জনকে নতুন করে সংযোজন করা হচ্ছে। ফলে এই পর্যায়ে আমাদের ক্রীড়া ভাতার আওতায় প্রায় ৪০০ জনের কাছাকাছি ক্রীড়াবিদ থাকবেন।

আমিনুল হক বলেন, ক্রীড়া ভাতার জন্য ৫০০ জনের কোটা নির্ধারণ করা হলেও এখনই তা পূরণ করা হবে না। চার মাস পর পর পর্যালোচনার মাধ্যমে যোগ্য ক্রীড়াবিদদের তালিকায় যুক্ত করা হবে এবং প্রয়োজন হলে বর্তমান তালিকা থেকে কাউকে বাদ দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, ক্রীড়া ভাতা প্রদানের মূল লক্ষ্য হচ্ছে খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা এবং ক্রীড়াবিদদের পেশাদারিত্ব ও দেশের প্রতি দায়বদ্ধতা আরও সুদৃঢ় করা। এরই মধ্যে অনেক ক্রীড়াবিদ এই ভাতার অর্থ দিয়ে ঘর নির্মাণ, ব্যবসা বা পরিবারের স্বাবলম্বীতার জন্য কাজে লাগাচ্ছেন।

প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, চলতি অর্থবছরের বাজেটে ক্রীড়া ভাতা ও নতুন ক্রীড়া কার্যক্রমের জন্য প্রায় ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে ক্রীড়া ভাতার জন্য বছরে ৬০ কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে।

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম জানান, গত অর্থবছরে ৩০০ জনকে ক্রীড়া ভাতা ও ক্রীড়া কার্ড এবং আরও ২৫ জনকে শুধু ক্রীড়া কার্ড দেওয়া হয়েছে। চলতি অর্থবছরে আরও ৫০০ জনকে ক্রীড়া কার্ড দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। মাসিক ১ লাখ টাকা করে ক্রীড়া ভাতা পাবেন এই কার্ডধারীরা।

ক্রীড়াবিদদের জন্য দেওয়া ক্রীড়া কার্ডের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা, বিমা এবং বিভিন্ন পরিবহনসেবায় অতিরিক্ত সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।

তিনি বলেন, ক্রীড়াবিদরা নিয়মিত ইনজুরিতে পড়েন। বিশেষ করে ক্রিকেট ও ফুটবলের বাইরে অনেক ক্রীড়াবিদ আর্থিকভাবে স্বচ্ছল নন। ফলে, নিজের বা পরিবারের কেউ অসুস্থ হলে অনেক সময় প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নেওয়া সম্ভব হয় না। আমরা চেষ্টা করেছি স্বনামধন্য স্বাস্থ্যসেবাগুলো কীভাবে আমাদের ক্রীড়াবিদদের সামাজিক সুযোগ-সুবিধার মধ্য দিয়ে ক্রীড়া কার্ডের অন্তর্ভুক্ত করা যায়।

বড় ধরনের ইনজুরি বা দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে ক্রীড়াবিদ ও তাদের পরিবারের জন্য বিমা সুবিধা নিশ্চিত করার বিষয়েও আলোচনা করা হবে বলে এ সময় আশ্বাস দেন মো. আমিনুল হক।

এছাড়া রেলপথ, নৌপথ, বিমান ও সড়কপথে ক্রীড়া কার্ডের মাধ্যমে ক্রীড়াবিদদের বিভিন্ন নাগরিক সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার বিষয়েও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা করা হচ্ছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের জন্য যারা খেলছেন, তাদের সামাজিক মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার এসব সুযোগ-সুবিধা দিতে চায়। এর মাধ্যমে ক্রীড়াবিদদের পেশাদারিত্ব নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি দেশের প্রতি তাদের দায়বদ্ধতাও আরও বাড়বে বলে আশা করেন তিনি।

আমিনুল হক আরও বলেন, শুধু এশিয়ান গেমস বা অলিম্পিকে অংশ নেওয়াই সরকারের লক্ষ্য নয়। পদকের জন্য লড়াই করতে ক্রীড়াবিদদের প্রস্তুত করা হবে। এশিয়ান গেমস শেষ হওয়ার পর বছরব্যাপী প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এশিয়ান গেমস, অলিম্পিক, কমনওয়েলথ গেমসসহ যেসব আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের ভালো করার সুযোগ রয়েছে, সেগুলোকে লক্ষ্য করেই প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, অংশগ্রহণ করাই বড় কথা, আমরা এভাবে যেতে চাই না। আমরা সত্যিকার অর্থেই চাই, আমরা ভবিষ্যতে পদকের জন্য লড়াই করব। সেইভাবে নিজেদের প্রস্তুত করেই আমরা অংশগ্রহণ করতে চাই। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ক্রীড়াবিদরা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিযোগিতায় অংশ নেবেন। সরকারের পক্ষ থেকে ক্রীড়া ভাতা ও ক্রীড়া কার্ডের মাধ্যমে সামাজিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হলে ক্রীড়াবিদরা দেশের জন্য আরও ভালোভাবে পারফর্ম করতে পারবেন।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ক্রীড়াবিদদের জন্য ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
ক্রীড়া কার্ডপ্রাপ্ত খেলোয়াড়দের ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে প্রতি চার মাস পরপর ক্রীড়াবিদদের মূল্যায়ন করে তালিকা হালনাগাদ করা হবে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।
ক্রীড়াবিদদের জন্য ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
শচীনের ২২ বছরের রেকর্ড ভাঙলেন রোহিত শর্মা
ভারতীয় ক্রিকেটের কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকারের ২২ বছর ধরে অক্ষত থাকা রেকর্ড ভেঙে নতুন ইতিহাস গড়লেন রোহিত শর্মা। ওয়ানডে ক্রিকেটে ওপেনার হিসেবে দ্রুততম ১০ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন ভারতের এই তারকা ব্যাটার।
শচীনের ২২ বছরের রেকর্ড ভাঙলেন রোহিত শর্মা
দ্বিতীয় কন্যাসন্তানের বাবা হলেন সাইফউদ্দিন
দ্বিতীয়বারের মতো কন্যাসন্তানের বাবা হয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের অলরাউন্ডার মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। গতকাল রাত সাড়ে ৯টায় তার ঘর আলো করে এসেছে দ্বিতীয় কন্যাসন্তান। রোববার (৪ অক্টোবর) নিজের ফেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এই সুখবর শেয়ার করেছেন টাইগার অলরাউন্ডার। পোস্টের ক্যাপশনে সাইফউদ্দিন লিখেছেন, আলহামদুলিল্লাহ দ্বিতীয় কন্যা সন্তানের বাবা হলাম। মহান আল্লাহর দরবারে লাখ লাখ শুকরিয়া। নিশ্চয়ই উনি আমার ওপর খুশি আছেন, এজন্য আবারও কন্যাসন্তান দিয়েছেন। এর আগে ২০২৪ সালের ১৮ জুন প্রথম কন্যাসন্তানের বাবা হন সাইফউদ্দিন। ২০২৩ সালের মার্চে ফেনী শহরের গ্র্যান্ড সুলতান কনভেনশন হলে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন তিনি। পরিবারের পছন্দেই বিয়ের পিঁড়িতে বসেন এই ক্রিকেটার। তার স্ত্রী কাজী ফাতেমা তুজ জারা বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছেন। এদিকে চোটের কারণে আপাতত মাঠের বাইরে রয়েছেন সাইফউদ্দিন। অনুশীলনের সময় হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পাওয়ায় এশিয়ান গেমসেও খেলতে পারেননি তিনি। আরটিভি/এসআর
দ্বিতীয় কন্যাসন্তানের বাবা হলেন সাইফউদ্দিন
মোটরসাইকেলের হেলমেট মাথায় তুলে ক্রিকেট বদলে দেন যে কিংবদন্তি
ক্রিকেটে ব্যাটারদের মাথার সুরক্ষায় আধুনিক হেলমেট ব্যবহারের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ এক নাম ইংল্যান্ডের কিংবদন্তি ডেনিস অ্যামিস।
মোটরসাইকেলের হেলমেট মাথায় তুলে ক্রিকেট বদলে দেন যে কিংবদন্তি
ভারতের বিপক্ষে ধবলধোলাই এড়াল ওয়েস্ট ইন্ডিজ
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে হোয়াইটওয়াশের স্বপ্ন পূরণ হলো না ভারতের। লোকেশ রাহুলের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে ৩৫১ রানের বড় সংগ্রহ গড়েও হার এড়াতে পারেনি স্বাগতিকরা। শাই হোপের অপরাজিত ১৬২ রানের বিধ্বংসী ইনিংসে ভর করে ১০ বল হাতে রেখেই ৫ উইকেটের জয় তুলে নিয়েছে ক্যারিবীয়রা। শনিবার নিউ চন্ডিগড়ে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে মুখোমুখি হয় দুই দল। প্রথম দুই ম্যাচে রান তাড়া করে জয় পাওয়া ভারত এবারও ওয়েস্ট ইন্ডিজকে বড় লক্ষ্য দিয়েছিল। তবে হোপের ব্যাটিং দৃঢ়তায় শেষ পর্যন্ত জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে সফরকারীরা। ৩৫২ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে পঞ্চম ওভারেই জন ক্যাম্পবেলকে হারায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এরপর আমির জাঙ্গুকে নিয়ে প্রতিরোধ গড়েন হোপ। দ্বিতীয় উইকেটে দুজনের ১০৯ রানের জুটিতে ম্যাচে ফেরে ক্যারিবীয়রা। পাওয়ার প্লে শেষে তাদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১ উইকেটে ৭৮ রান। ৬৭ রান করে রানআউট হন জাঙ্গু। শেরফানে রাদারফোর্ডের ব্যাট থেকে আসে ২৪ রান। অন্যদিকে, একপ্রান্ত আগলে রেখে রান তাড়া এগিয়ে নেন হোপ। পরবর্তী সময়ে ৫৬ রানের আরেকটি জুটি গড়ে জয়ের ভিত শক্ত করেন তিনি। কিমো পল ও ম্যাথু ফোর্ড ফিরে গেলেও হোপের ব্যাট থামানো যায়নি। গুডাকেশ মোটির ১৪ বলে ১৯ রানের কার্যকর ইনিংস জয়ের পথ আরও সহজ করে দেয়। শেষ পর্যন্ত ৪৯তম ওভারেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ১৪৩ বলে ১৭টি চার ও ৩টি ছক্কায় ১৬২ রানে অপরাজিত থাকেন ক্যারিবীয় অধিনায়ক। এই ইনিংসে ওয়ানডেতে প্রথম উইকেটকিপার-অধিনায়ক হিসেবে দেড়শ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন হোপ। এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে ভারত। মাত্র ৪ রানের মধ্যে দুই উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। সেখান থেকে দলকে টেনে তোলেন রোহিত শর্মা ও রুতুরাজ গায়কোয়াড়। দুজনের ১৩৭ রানের জুটি ভারতকে বড় সংগ্রহের পথে ফিরিয়ে আনে। সেঞ্চুরির কাছাকাছি গিয়েও তিন অঙ্ক ছোঁয়া হয়নি রোহিতের। ৮৫ বলে ৯২ রান করে আউট হন তিনি। অন্যদিকে, অর্ধশতক তুলে নেন গায়কোয়াড়। জেইডেন সিলসের বলে আউট হওয়ার আগে দলের ইনিংসে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন এই ব্যাটার। এরপর ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন লোকেশ রাহুল। ওয়ানডে ক্যারিয়ারের নবম সেঞ্চুরি তুলে নেওয়ার পাশাপাশি শেষ দিকে রানের গতি বাড়ান তিনি। ইনিংসের শেষ ১২ বলে ৪২ রান তুলে ভারতের সংগ্রহ সাড়ে তিনশ ছাড়িয়ে নিতে বড় ভূমিকা রাখেন রাহুল। ১২৯ রানে অপরাজিত থাকেন এই ব্যাটার। শেষ দিকে নামান ধীরের ২১ বলে ৩০ এবং আংশুল কামবোজের ৯ বলে ১৭ রানের ঝোড়ো ইনিংসে ৭ উইকেটে ৩৫১ রান করে ভারত। তবে রাহুলের সেঞ্চুরি ও ভারতের বড় সংগ্রহ শেষ পর্যন্ত ম্লান হয়ে যায় হোপের অতিমানবীয় ইনিংসে। সিরিজের শেষ ম্যাচ জিতে হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর পাশাপাশি সফর শেষ করল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। আরটিভি/এসকে
ভারতের বিপক্ষে ধবলধোলাই এড়াল ওয়েস্ট ইন্ডিজ
আরও পড়ুন
২ কোটির বেশি প্রবীণকে ৯০ ডলার দিচ্ছেন ট্রাম্প
৪৮ মাস ধরে বেতনহীন চৌমুহনী খুর্শিদ হাইস্কুল-কলেজের ৩২ শিক্ষক-কর্মচারী
দুদকের কর্মচারীদের ঝুঁকিভাতা বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন
পে-স্কেলে বেতন পাবেন না যেসব সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী