ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

৩ উইকেটের জয়ে ফাইনালে অস্ট্রেলিয়া

স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৬ নভেম্বর ২০২৩, ০১:৪৩ পিএম
ছবি- সংগৃহীত

প্রোটিয়াদের হতাশ করে ফাইনালে অস্ট্রেলিয়া

২২: ৪০, নভেম্বর ১৬

অল্প পুঁজি দাঁড় করিয়ে ফাইনালে উঠার লড়াই থেকে আগেই ছিটকে গিয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। তবে রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে খেলা বেশ জমিয়ে তুলেছিল প্রোটিয়ারা। কিন্তু তাদের হতাশ করে ১৬ বল বাকি থাকতেই ৩ উইকেটের জয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করেছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন অজিরা।

বিস্তারিত পড়ুন : প্রোটিয়াদের হতাশ করে ফাইনালে অস্ট্রেলিয়া

কোয়েৎজির ফাঁদে কাটা ইংলিস

২২: ১১, নভেম্বর ১৬

জয়ের জন্য অস্ট্রেলিয়ার ২০ রান দরকার, কিন্তু বাকি ৩ উইকেট। তবে এর আগে ইংলিসকে ফাঁদে ফিরিয়েছেন কোয়েৎজি। তার ফুললেংথের বল ব্যাটে লাগার পর পায়ে লেগে স্টাম্প বরাবর ঢুকে যায়!

সুযোগ মিস!

২১: ৫৯, নভেম্বর ১৬

উঠেছিল ক্যাচ স্লিপে, কিন্তু সেখানে ছিল না কোনো ফিল্ডার। এরপর আবারও ক্যাচ উঠেছিল; কিন্তু অনেকটা ঝাঁপিয়েও তাতে নাগাল পাননি কোয়েৎজি। জয়ের জন্য অজিদের দরকার ২৫ রান।

পরের ওভারে আক্রমণে এসে দুই রান দিলেও মহারাজ থেকেছেন উইকেট শূন্য। ১০ ওভারে মাত্র ২৪ রান খরচ এ বাঁহাতি স্পিনারের। অস্ট্রেলিয়ার দরকার ২৩ রান।

শামসি ১০ ওভারে ৪২/২

২১: ৫৪, নভেম্বর ১৬

শেষ স্পেলের ২ ওভারে ৪ রান দিয়েছেন শামসি। তবুও কৃতিত্ব অস্ট্রেলিয়ার; কেননা, এই দফা তাকে উইকেট দেয়নি। জয় থেকে ২৯ রান দূরে অস্ট্রেলিয়া।

ফিরলেন স্মিথ, লড়াইয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা

২১: ৩৮, নভেম্বর ১৬

৫ উইকেট তুলে নিয়ে কিছুটা লড়াইয়ের ইঙ্গিত আগেই দিয়ে রেখেছিল প্রোটিয়ারা। এবার স্মিথকে ফিরিয়ে লড়াইয়ের ভিতটা আরও জোরাল করেছেন জেরাল্ড কোয়েৎজি। তার ফুললেংথের বলটি খাড়া ওপরে খেলেন স্মিথ। আর এমন শটের হতাশা তিনিও। এতে উইকেটের পেছন থেকে ছুটে এসে তা লুফে নিয়েছেন কুইন্টন ডি কক। কলকাতায় এখনও খেলা শেষ হয়নি!

৩৩ দশমিক ৩ ওভারে ১৭৪/৬।

ম্যাক্সওয়েল বোল্ড

২০: ৫৯, নভেম্বর ১৬

এবার আর রিভিউয়ের দরকার হয়নি। তাব্রেইজ শামসির বল সামনের পা সরিয়ে নিয়ে বড় শট খেলতে চেয়েছিলেন ম্যাক্সওয়েল। কিন্তু নাগালে পাননি। আর তাতেই সবনার্শ হয়েছে অজিদের।

জয়ের জন্য অজিদের এখনও দরকার ৭৬ রান, হাতে আছে ৫ উইকেট

লাবুশেনকে ফেরালেন শামসি

২০: ৫৪, নভেম্বর ১৬

আবারও ডি কক-শামসির জোরাল আবেদন। এবার আউট দিয়েছেন কেটেলবোরো।। তবে রিভিউ নেন লাবুশেন। এবার উইকেটে আম্পায়ার্স কল। এরপরও ফিরতে হচ্ছে লাবুশেনকে। রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে মিস করেন লাবুশেন।

অস্ট্রেলিয়ার দরকার ৮০ রান, হাতে আছে ৬ উইকেট...

চাপে অজিরা...

২০: ৩৯, নভেম্বর ১৬

সর্বশেষ ৩ ওভারে অজিরা তুলেছে মোটের ওপর ৪ রান। এখন পর্যন্ত ২৯ বলে উঠেছে ১৩ রান তুলেছেন স্মিথ ও লাবুশেনের জুটি।

এদিকে এখনও হাল ছাড়েনি প্রোটিয়ারা, আলাদা করে না বললেও বুঝা যায় বিষয়টি!

১৯ ওভারে ১১৯/৩

হেডকে থামালেন মহারাজ

২০: ২০, নভেম্বর ১৬

ঝোড়ো গতিতে রান তুলে দ্রুতই ফিফটি তুলে নেন ওপেনার হেড। তার ফিফটিতে জয়ের দিকেই এগিয়ে যাচ্ছিল অজিরা। তবে তাকে থামালেন আইসিসি র‍্যাঙ্কিংয়ের এক নম্বর বোলার কেশব মহারাজ।

ইনিংসের ১৫তম ওভারের প্রথম বলেই তাকে ফেরান প্রোটিয়া এই স্পিনার। তার বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন ট্রাভিস হেড। ৪৮ বলে ৬২ রানে ফেরেন অজি ওপেনার।

এর আগের ওভারে ১০০ পেরিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। অন্যদিকে দক্ষিণ আফ্রিকার ৫০ পেরিয়েছিল ১৭তম ওভারে।

এখন ক্রিজে স্মিথ ও লাবুশেন। ১৫ ওভার শেষে অজিরা ১০৯/৩

পাওয়ার প্লে'র দুই অধ্যায়...

২০: ০৫, নভেম্বর ১৬

১০ ওভার শেষে...

দক্ষিণ আফ্রিকা ১৮/২

অস্ট্রেলিয়া ৭৪/২

২ ওভারে ২ উইকেটে লড়াইয়ে প্রোটিয়ারা

১৯: ৪৪, নভেম্বর ১৬

আগের দুই ওভারে ৩৬ রানের পর এইডেন মার্করামকে আক্রমণে আনেন টেম্বা বাভুমা। এসে প্রথম বলেই উইকেট নিলেন মার্করাম। জায়গা বানিয়ে খেলতে গিয়ে বোল্ড ওয়ার্নার। ১৮ বলে ২৯ রানে থেমেছেন এই ওপেনার। উইকেট মেডেন মার্করামের। এরপর পরের ওভারে আবারও ধাক্কা খেয়েছে অজিরা। আগের ওভারে ২১ রান দিলেও রাবাদাতেই আস্থা রাখেন প্রোটিয়া অধিনায়ক। বোলিংয়ে এসে চতুর্থ বলে উইকেট পেলেন রাবাদা! কাভারে ঝাঁপিয়ে দুর্দান্ত এক ক্যাচ নেন ডুসেন! পরপর ২ ওভারে ২ উইকেট নিয়ে কলকাতায় আবার লড়াইয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা।

এক বলে ১৩ রান!

১৯: ৪৪, নভেম্বর ১৬

মাথার ওপর দিয়ে টেনে রাবাদার বলে ছক্কা। এরপর ফ্রি হিটে স্কুপ করেও ডেভিড ওয়ার্নারের ছক্কা। এতে এক বলেই এসেছে ১৩ রান! শেষ বলে লং অনের ওপর দিয়ে এই ওভারে তৃতীয় ছক্কা হাঁকান ট্রাভিস হেড।

৬ ওভার শেষে অস্ট্রেলিয়া ৬০/০!

১৫ রানের ওভার...

১৯: ৩৯, নভেম্বর ১৬

৪ . ৪ . ১ ৬

ইয়ানসেনের প্রথম ৩ বলে জোড়া চার হাঁকান হেড। এরপর শেষ বলে স্কয়ার লেগ দিয়ে ছক্কা মেরেছেন ওয়ার্নার। উড়ন্ত শুরুতে পাঁচ ওভারে অজিরা ৩৯/১।

ফাইনালে উঠতে অস্ট্রেলিয়ার লক্ষ্য ২১৩ রান

১৮: ৪৭, নভেম্বর ১৬

আইসিসি ওয়ানডে বিশ্বকাপের ১৩তম আসরের ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে ইনিংসের শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। দলীয় ২৪ রানেই ৪ উইকেট খুইয়ে বসে প্রোটিয়ারা। তবে একাই লড়াই করে খাদের কিনারা থেকে দলকে টেনে তুলেন ডেভিড মিলার। তার অনবদ্য সেঞ্চুরিতে শেষ পর্যন্ত ২১২ রানের পুঁজি পেয়েছে প্রোটিয়ারা। ফাইনালে উঠতে অজিদের দরকার ২১৩ রান।

বিস্তারিত পড়ুন : ফাইনালে উঠতে অস্ট্রেলিয়ার লক্ষ্য ২১৩ রান

সেঞ্চুরির পর আউট মিলার

১৮: ৩৭, নভেম্বর ১৬

প্যাট কামিন্সের বলে দুর্দান্ত এক ছক্কায় সেঞ্চুরি তুলে নেন ডেভিড মিলার। এবার মনে হচ্ছিল, রানের গতি বাড়বে প্রোটিয়াদের। তবে তা হয়নি আবারও উইকেট হারালো দলটি। সেঞ্চুরির পরপরই ড্রেসিংরুমে ফিরেছেন তিনি। ২৪ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর একাই লড়াই করছিলেন এই ব্যাটার। খাদের কিনারা থেকে দলকে এনে তুলেনও। তবে ডিপ স্কয়ার লেগে ট্রাভিস হেডের তালুবন্দি হওয়ার আগে ১১৬ বলে খেলেন ১০১ রানের ইনিংস।

মহারাজ আউট

১৮: ২৮, নভেম্বর ১৬

মহারাজের বিদায়ে অষ্টম উইকেট হারিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। স্টার্কের বলটি তুলে সজোরে হাঁকাতে চেয়েছিলেন তিনি। তবে তাতে সুবিধা পাননি। উল্টো ধরা পড়েছেন মিড অফে। এখনও বল বাকি ২২টি…

একাই লড়াই করছেন মিলার

১৮: ১৪, নভেম্বর ১৬

মিলারের সঙ্গে বেশ ভালোভাবেই দলের পুঁজি বাড়াচ্ছিলেন কোয়েৎজি। কিন্তু কামিন্সের বাউন্সার আলতো করে হুক করতে গিয়ে কাটা পড়েন তিনি। কট বিহাইন্ডের ফাঁদে পড়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন ব্যক্তিগত ১৯ রানে। এতে ভেঙেছে মিলারের সঙ্গে তার ৫৩ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি।

তবে তার ফেরার পর আল্ট্রা-এজ দেখিয়েছে, রিভিউ করলে বেঁচে যেতেন তিনি! বল গ্লাভসে নয়, বরং তার কাঁধের কাছে লেগেছিল।

অস্ট্রেলিয়ারই দাপট

১৮: ০৭, নভেম্বর ১৬

১-১০: ১৮ রান, ২ উইকেট

১১-৪০: ১৩৮ রান, ৪ উইকেট

বাকি ৮ ওভার, ১৬৪/৬। মিলার অপরাজিত ৭২ রানে

মিলার-কোয়েৎজির জুটিতে পুঁজি বাড়ানোর চেষ্টা

১৭: ৫৮, নভেম্বর ১৬

১৯৯৯ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে এই দুই দলের স্কোর ছিল ২১৩; তবে এই স্কোর থেকে এখনও অনেক দূরে প্রোটিয়ারা। শুরুর ধাক্কার পর মাঝের বিপর্যয় সামলে দলের পুঁজি বাড়ানোর চেষ্টা করছে মিলার-কোয়েৎজির জুটি। মিলারকে বেশ ভালোই সঙ্গ দিচ্ছেন কোয়েৎজি।

৩৯ ওভারে ১৫৪/৬

মেলবোর্নেও অস্ট্রেলিয়ার দাপট

১৭: ৪৪, নভেম্বর ১৬

বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের দ্বিতীয় রাউন্ডে বাংলাদেশকে সেভেন-আপের স্বাদ দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া।

অস্ট্রেলিয়া ৭ : ০ বাংলাদেশ

বিস্তারিত পড়ুন : বাংলাদেশকে সেভেন-আপের স্বাদ দিলো অস্ট্রেলিয়া

মিলারের ফিফটি

১৭: ৩৫, নভেম্বর ১৬

মিনিট পাঁচেক আগেই জোড়া উইকেট হারায় প্রোটিয়ারা। তবে এখনও লড়াই করছে দক্ষিণ আফ্রিকা। ক্রিজে থিতু হয়ে দলকে টেনে তোলার দায়িত্ব নিয়ে নিজের ব্যক্তিগত অর্ধশতক তুলে নিয়েছেন মিলার। আর ৬ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়া প্রোটিয়াদের হয়ে এখন একাই লড়াই করছেন মিলার। আর তিনি সেটা জানেনও বটে।

মিলার ও ক্লাসেনের জুটি ভাঙলেন হেড

১৭: ৩০, নভেম্বর ১৬

প্রথমবারের মতো আক্রমণে এসেছিলেন পার্ট-টাইম বোলার ট্রাভিস হেড। এবং তাতেই সাফল্য পেয়েছে অজিরা। আক্রমণে এসেই এনে দিয়েছেন ব্রেকথ্রু! ওভার দ্য উইকেটে হেডের ফুললেংথের বলটি রক্ষণাত্মক ধাঁচে খেলতে চেয়েছিলেন ক্লাসেন। তাতে ফাঁদে পড়েন এই মিডল-অর্ডার ব্যাটার। বড় শট খেলার পরিকল্পনা সটকে দিয়ে বিপদ ডেকে এনে বোল্ড হয়ে গেছেন তিনি।

ঠিক পরের বলেই আবারও উইকেট হারিয়েছে প্রোটিয়ারা। এবার এলবিডব্লু মার্কো ইয়ানসেন! পেছনের পায়ে খেলতে গিয়ে উল্টো মিস করেছেন তরুণ এই অলরাউন্ডার। শেষ পর্যন্ত রিভিউ নিলেও তাতে খুব একটা লাভ হয়নি।

৩১ ওভার শেষে ১১৯/৬

৫০ রানের জুটি

১৭: ০১, নভেম্বর ১৬

ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা। ২৪ রানের মাথায় ৪ উইকেট হারিয়ে বসে প্রোটিয়ারা। সেখান থেকে দলকে টেনে তুলে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন মিলার-ক্লাসেন জুটি। ক্রিজে থিতু হয়ে ৫০ পেরিয়েছে এই জুটির সংগ্রহ।

২৪ ওভারে ৭৭/৪।

বৃষ্টি শেষে খেলা শুরু, আক্রমণে জাম্পা

১৬:২৮, নভেম্বর ১৬

বৃষ্টির পর ৪টা ২৫ মিনিটে আবারও খেলা শুরু হয়েছে। তবে ওভার কাটা যায়নি। কেননা, সেমিফাইনালের জন্য অতিরিক্ত ২ ঘণ্টা বরাদ্দ আছে। বৃষ্টি বাগড়ার পর আক্রমণে এসেছেন অ্যাডাম জাম্পা। আর মাঝের ওভারে প্রতিপক্ষের জন্য বেশ ক্ষতিকর এই লেগি। এদিকে অজি পেসারদের তোপে বিপর্যয়ে পড়া প্রোটিয়ারা কতটা ঘুরে দাঁড়াতে পারে, সেটা এখন ক্লাসেন ও মিলারের জুটির ওপর নির্ভর করছে।

১৫ ওভারে ৪৬/৪।

প্রোটিয়াদের বিপর্যয়ের পর বৃষ্টিতে খেলা বন্ধ

১৬:০০, নভেম্বর ১৬

শুরুতেই দুই ওপেনারের বিদায়ের পর রাসি ফন ডার ডুসেন ও এইডেন মার্করাম চেষ্টা করেছেন দলকে টেনে তোলার। তবে অস্ট্রেলিয়ান পেসারদের বোলিং তোপের মুখে ব্যর্থ হয়েছেন তারাও। ডুসেন ৩১ বলে করেছেন ৬ রান। আর মার্করাম ২০ বলে করেছেন ১০ রান। প্রথম ৪ উইকেট সমান ভাবে ভাগাভাগি করেছেন স্টার্ক ও হ্যাজলউড।

১৪ ওভারের খেলা শেষে ম্যাচে হানা দেয় বৃষ্টি। তাতে আপাতত বন্ধ আছে খেলা। তার আগে ৪ উইকেট হারিয়ে ৪৪ রান তুলেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। হেনরিক ক্লাসেন ১০ ও ডেভিড মিলার ১০ রানে অপরাজিত আছেন।

শুরুতেই দুই ওপেনারকে হারিয়ে চাপে দক্ষিণ আফ্রিকা

১৫:০০, নভেম্বর ১৬

প্রথম ওভারেই মিচেল স্টার্ক টেম্বা বাভুমাকে ফেরানোর পর দক্ষিণ আফ্রিকার চাপ বাড়ছিল। রান করতে না পারার চাপে পড়েই কুইন্টন ডি কক তুলে মারতে গেলেন জশ আরেক পেসার হ্যাজলউডকে। তবে লেংথ ঠিক না থাকায় মিড অন থেকে পেছনের দিকে ছুটে বেশ ভালো ক্যাচ নিয়েছেন অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক প্যাট কামিন্স। ফলে টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান আজ ফিরে গেলেন ১৪ বলে ৩ রান করেই।

দক্ষিণ আফ্রিকা এখন ৬ ওভারে ৮/২।

বাভুমাকে শূন্যতে ফেরালেন স্টার্ক

১৪:৪০, নভেম্বর ১৬

এবার বিশ্বকাপে নিজেকে সেভাবে মেলে ধরতে পারছিলেন না মিচেল স্টার্ক। তবে সেমিফাইনালে এসেই যেন নিজের পুরোনো ছন্দ ফিরে পেলেন বাঁহাতি এই পেসার। ইনিংসের প্রথম ওভারেই ৪ বলে ০ রানে আউট দক্ষিণ আফ্রিকা অধিনায়ক টেম্বা বাভুমা। স্টার্কের করা ওভারের ষষ্ঠ বলটি অফ স্টাম্পের বাইরে দিয়ে অ্যাঙ্গেল করে বেরিয়ে যাচ্ছিল। সে বলে খোঁচা দিয়েছেন ফর্মহীনতায় ভোগা বাভুমা। এতে প্রথম ওভারেই উইকেটের দেখা পেয়েছে অস্ট্রেলিয়া।

একাদশ

১৪:১০, নভেম্বর ১৬

হাইভোল্টেজ এই ম্যাচে বাঁহাতি রিস্ট স্পিনার তাবরেজ শামসিকে দলে এনেছে দক্ষিণ আফ্রিকা, মানে একজন স্পিনার বাড়তি খেলাচ্ছে তারা। অস্ট্রেলিয়া দলে আছে দুটি পরিবর্তন, ফিরেছেন মিচেল স্টার্ক ও গ্লেন ম্যাক্সওয়েল।

দক্ষিণ আফ্রিকার একাদশ : কুইন্টন ডি কক (উইকেটরক্ষক), টেম্বা বাভুমা (অধিনায়ক), রাসি ফান ডার ডুসেন, এডেন মার্করাম, হেনরিখ ক্লাসেন, ডেভিড মিলার, মার্কো জ্যানসেন, জেরাল্ড কোয়েটজি, কেশব মহারাজ, কাগিসো রাবাডা ও তাবরেজ শামসি।

অস্ট্রেলিয়ার একাদশ : ডেভিড ওয়ার্নার, ট্র্যাভিস হেড, মিচেল মার্শ, স্টিভেন স্মিথ, মার্নাস লাবুশেন, জশ ইংলিশ (উইকেটরক্ষক), গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, মিচেল স্টার্ক, প্যাট কামিন্স (অধিনায়ক), অ্যাডাম জাম্পা ও জশ হ্যাজেলউড।

টস

১৪:০৫, নভেম্বর ১৫৬

ফাইনালে উঠার লড়াইয়ে টসে জিতেছেন দক্ষিণ আফ্রিকা অধিনায়ক টেম্বা বাভুমা। তিনি প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে ভোগা বাভুমা নিজের ফিটনেস নিয়ে বলেছেন, তিনি শতভাগ ফিট নন, তবে খেলার মতো যথেষ্ট। অজি অধিনায়ক প্যাট কামিন্স বলেছেন, টসে জিতলে ব্যাটিং নিতেন তিনিও।

স্বাগতম

১৩:৪৫, নভেম্বর ১৬

সবাইকে স্বাগতক আরটিভির লাইভ স্কোর আপডেটে। বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে আর কিছুক্ষণ পর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামছে দক্ষিণ আফ্রিকা। কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে বাংলাদেশ সময় দুপুর আড়াইটায় শুরু হবে হাইভোল্টেজ এই ম্যাচটি।

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে বাংলাদেশের ইতিহাস
  নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে বাংলাদেশের ইতিহাস ১৫: ২৫, ডিসেম্বর ২৭ টেস্ট এবং ওয়ানডের পর নিউজিল্যান্ডের মাটিতে প্রথমবারের মতো টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে হারের বৃত্ত ভাঙার পরীক্ষায় বেশ ভালোভাবেই উতরে গেছে বাংলাদেশ। কিউইদের ৫ উইকেটে হারিয়েছে লাল-সবুজেরা। বুধবার (২৭ ডিসেম্বর) নেপিয়ারের ম্যাকলিন পার্কে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৩৪ রানের পুঁজি দাঁড় করায় কিউইরা। জবাবে লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৮ বল বাকি থাকতেই ৫ উইকেটের জয় নিশ্চিত করেছে টিম টাইগার্স। বিস্তারিত : নিউজিল্যান্ডে টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়     ২৪ বলে দরকার ২৯ ১৫: ০৮, ডিসেম্বর ২৭ মিলনের বলে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে খানিকটা চাপ কমিয়েছেন লিটন। ১৬তম ওভারে এসেছে ৯ রান। শেষ ২৪ বলে প্রয়োজন ২৯ রান।   আফিফও আউট ১৫: ০৮, ডিসেম্বর ২৭ ম্যাচটা বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণেই ছিল। তবে সেখান থেকে পরপর দুই ওভারে জোড়া উইকেট হারিয়ে বেশ চাপে বাংলাদেশ।  জোড়া ডট বলের চাপ কমাতে গিয়ে হৃদয়ের পর ফেরেন আফিফ। ৩৩ বলে দরকার ৩৮ রান। এখনও বাকি ৫ উইকেট।     হৃদয়কে ফিরিয়ে লড়াইয়ে নিউজিল্যান্ড ১৫: ০৩, ডিসেম্বর ২৭ আঁটসাঁট বোলিং করলেও প্রয়োজনীয় উইকেট পাচ্ছিল না কিউইরা। তবে নিজের শেষ ওভারে এসে উইকেটের দেখা পেয়েছেন কিউই অধিনায়ক। গতি কমিয়ে স্টাম্প লাইনে বল করেছিলেন তিনি। তাতেই কাভারে সাউদির হাতে ক্যাচ দিয়েছেন হৃদয়।  ৩৯ বলে ৩৯ রান দরকার, এমন সমীকরণে চতুর্থ উইকেট হারিয়েছে বাংলাদেশ।  ১৪ ওভারে ৯৭/৪।    বাউন্ডারির পর বোল্ড সৌম্য ১৪: ৪১, ডিসেম্বর ২৭ বাউন্ডারি হাঁকানোর ঠিক পরের বলেই প্যাভিলিয়নে ফিরেছিলেন দলপতি শান্ত। এবার একই পথে হেঁটেছেন সৌম্যও। বেন সিয়ার্সকে আড়াআড়ি খেলতে গিয়ে বোল্ড হয়েছেন তিনি। ফেরার আগে খেলেছেন ২২ রানের ক্যামিও ইনিংস।   নবম ওভারে বাংলাদেশ ৬৭/৩।   পাওয়ার প্লে শেষ ১৪: ৩১, ডিসেম্বর ২৭ জোড়া উইকেট হারিয়ে পাওয়ার প্লেতে ৪২ রান তুলেছে বাংলাদেশ। অন্যদিকে ৬ ওভারে ৩৬ রান তুলতে ৪ উইকেট হারিয়েছিল নিউজিল্যান্ড। সহজ জয়ের দিকে দলকে এগিয়ে নিচ্ছে লিটন-সৌম্য জুটি।   জীবন পাওয়ার পরই থামলেন শান্ত ১৪: ২৪, ডিসেম্বর ২৭ মিলনের ওভারে জোড়া চার হাঁকিয়ে ছিলেন শান্ত। প্রথমটি ডাউন দ্য গ্রাউন্ডে আর পরেরটি কোনো প্রকার নিয়ন্ত্রণ ছাড়াই। এতেও বিপদ হতে পারতো বাংলাদেশের। কানায় লেগে বল উঠলেও তাতে নাগাল পাননি উইকেটকিপার টিম সেইফার্ট। তবে জীবন পেয়ে ইনিংস লম্বা করতে পারেনি টাইগার দলপতি। ১৪ বলে ১৯ রানেই থেমেছেন টপ-অর্ডার এই ব্যাটার। এতে পাওয়ার প্লের মধ্যে দ্বিতীয় উইকেট হারিয়েছে বাংলাদেশ, উঠেছে ৩৮ রান।    ছক্কার পর থামলেন রনি ১৪: ০৮, ডিসেম্বর ২৭ প্রথমবারের মতো টি-টোয়েন্টিতে কিউইদের হারাতে সহজ লক্ষ্য পেয়েছে লাল-সবুজেরা। প্রথম ওভারে ৭ রান তুলে ভালো কিছুরই আভাস দিচ্ছিল টাইগাররাও। এই ওভারে সাউদির বলে ছক্কা হাঁকান রনি তালুকদার। তবে পরের ওভারেই হতাশ করেন এই ওপেনার। ৭ বলে ১০ রানে এই ওপেনার থামলে ১৩ রানে প্রথম উইকেট হারায় বাংলাদেশ।   ২০ ওভারে কিউইরা ১৩৪/৯ ১৩: ৫১, ডিসেম্বর ২৭ ব্যাটারদের যাওয়া-আসার মিছিলে শেষ পর্যন্ত ১৩৪ রানে থেমেছে নিউজিল্যান্ড। দেশের মাটিতে এটিই কিউইদের সর্বনিম্ন স্কোর।  ১ রানে তিন উইকেট হারানোর পর সেখান থেকে দুর্দান্ত কামব্যাক করেছে কিউইরা। যদিও মেহেদী, শরীফুল ও মোস্তাফিজের ১২ ওভারে ৫৫ রান তুলতেই ৭ উইকেট হারায় নিউজিল্যান্ড।     উইকেটের খাতা খুললেন তানজিম ১৩: ৪৯, ডিসেম্বর ২৭ আগের তিন ওভারে বেশ খরুচে ছিলেন অভিষিক্ত তানজিম। শেষ ওভারেও দিয়েছেন ৯ রান। ৪ ওভারে বেশ খরুচে বোলিংয়ে অভিষেকটা সেভাবে রাঙাতে না পারলেও শেষ ওভারে উইকেটের খাতা খুলেছেন এই পেসার।   ফিজের দ্বিতীয় শিকার...  ১৩: ৪৩, ডিসেম্বর ২৭ এক ওভারে দুইবার সুযোগ মিস করেছে লাল-সবুজেরা। এরপর শরীফুলের ওভারের শেষ বলে ছক্কা মেরে কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা দেন মিলনে। এবার পরের ওভারে আর ভুলটা করেননি আফিফ। ডিপ মিডউইকেটে ক্যাচ লুফে নেন আফিফ। ১৮ দশমিক ৩ ওভারে নিউজিল্যান্ড ১২৪/৮।    উইকেট শিকারের মিশনে এবার দ্য ফিজ  ১৩: ৩৫, ডিসেম্বর ২৭ প্রথম দুই ওভারে মাত্র ৭ রান দিয়েছিলেন মোস্তাফিজ। এবার তার ওপরে চড়াও হন নিশাম। স্কয়ার লেগের বেশ ওপর দিয়ে ছক্কাও মারেন তিনি। তবে পরের বলেই দ্য ফিজ ম্যাজিক। এবার কাভার পয়েন্টের সীমানায় আফিফের হাতে ধরা পড়েন নিশাম। ১১০ রানে সপ্তম উইকেট হারিয়েছে স্বাগতিকেরা।    ১০০ পেরোল কিউইরা ১৩: ৩৫, ডিসেম্বর ২৭  নিজের ব্যক্তিগত তৃতীয় ওভারের প্রথম ৪ বলে মাত্র ১ রান দিয়েছিলেন রিশাদ। তবে তার পরের দুই ডেলিভারিতে ছক্কা ও চার হাঁকিয়ে ১৬তম ওভারে ১০০ পেরিয়েছে নিউজিল্যান্ড।   ১৫ ওভারে নিউজিল্যান্ড ৯২/৬ ১৩: ২৭, ডিসেম্বর ২৭  আর মাত্র ৫ ওভার বাকি। লড়াকু পুঁজি এনে দিতে কিউইদের একমাত্র স্বীকৃত ব্যাটার হিসেবে ক্রিজে আছেন নিশাম...   ফিরেই জুটি ভাঙলেন শরীফুল ১৩: ২২, ডিসেম্বর ২৭  নিশাম-স্যান্টনারের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে নিজের ভেলকি দেখিয়েছেন শরীফুল। এই পেসারকে কিছুটা টেনে খেলতে গিয়ে কাটা পড়েছেন স্যান্টনার। মিড-অনে ক্যাচ নিয়েছেন সৌম্য।   এতে ৪১ রানে ভেঙেছে এই জুটি। তৃতীয় উইকেট পেয়েছেন শরীফুল। ১৪ দশমিক ৩ ওভারে নিউজিল্যান্ড ৯১/৬।   তানজিম সাকিবের ওভারে ১৫ ১৩: ১৭, ডিসেম্বর ২৭ টি-টোয়েন্টি অভিষেকে অন্যদের তুলনায় কিছুটা খরুচে বোলিং করছেন তানজিম। তরুণ এই পেসারের তৃতীয় ওভারে ছক্কা হাঁকিয়েছেন নিশাম। তার এই ওভারে ১৫ রানের সুবাদে ১৪ ওভারে ৫ উইকেটে ৮৯ রান তুলেছে নিউজিল্যান্ড। নিশাম-স্যান্টনারের জুটি অবিচ্ছিন্ন ৩৯ রানে।   ২ ওভারে ১৮ রান  ১৩: ১০, ডিসেম্বর ২৭ ১০ ওভারে শেষে আফিফকে আক্রমণে এনেছিলেন শান্ত। পরের ওভারে রিশাদ। এতে খুব একটা ফায়দা হয়নি বাংলাদেশের। এই দুই ওভারে ১৮ রান তুলেছে কিউইরা। খাঁদের কিনারা থেকে নিউজিল্যান্ডকে টেনে তুলতে চেষ্টা করছে স্যান্টনার-নিশাম জুটি। ১২ ওভারে ৭১/৫।   এবার রিশাদের আঘাত...  ১৩: ০১, ডিসেম্বর ২৭ আক্রমণে রিশাদকে পেয়েই তার ওপরে চড়াও হন চ্যাপম্যান। তবে তাতে বাংলাদেশেরই লাভ হয়েছে। নিজের দ্বিতীয় বলেই উইকেটের দেখা পেয়েছেন রিশাদ। এই লেগিকে জায়গা বানিয়ে খেলতে গিয়ে এক্সট্রা কাভারে ধরা পড়েছেন চ্যাপম্যান। তাতে বিপদ আরেকটু বেড়েছে নিউজিল্যান্ডের। ১০ ওভারে ৫৩/৫।   ২/১৪; মেহেদীর বোলিং ফিগার  ১২: ৫৮, ডিসেম্বর ২৭  ইনিংসের নবম ওভারেই নিজের কোটা পূরণ করেছেন মেহেদী। ৪ ওভারে ১৪ রান খরচায় ২ উইকেট নিয়েছেন এ অফ স্পিনার।  ৯ ওভারে ৪৯/৪।   মাঝের ওভারের নিয়ন্ত্রণ...  ১২: ৫২, ডিসেম্বর ২৭ স্বপ্নের মতো পাওয়ার প্লে কাটিয়েছে বাংলাদেশ। এবার মাঝের ওভারগুলোতে নিয়ন্ত্রণের পালা। মেহেদীর পর প্রথমবার আক্রমণে মোস্তাফিজ। এরপরই আক্রমণে আসার সম্ভাবনা রিশাদের। পাওয়ার প্লের পরের ২ ওভারে ৬ রান তুলেছে কিউইরা। আপাতত ইনিংস মেরামতের চেষ্টা করছেন চাপম্যান ও নিশাম।  ৮ ওভারে ৪২/৪।   ১৪ রানের ওভার ১২: ৪৪, ডিসেম্বর ২৭  ফুললেংথে ডেলিভারি দিয়েছিলেন তানজিম। সেই ডেলিভারিতে লং অনের ওপর দিয়ে ইনিংসের প্রথম ছক্কা হাঁকান মার্ক চাপম্যান। পরের বলে কাভার দিয়ে আবারও বাউন্ডারি। এর আগে এই ওভারের দ্বিতীয় বলেও চার মেরেছিলেন। পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে ১৪ রান তুলেছে নিউজিল্যান্ড।  ৩৬/৪, ৬ ওভার।   মেহেদীর বলে বোল্ড মিচেল ১২: ৩৯, ডিসেম্বর ২৭ সবশেষ দুই ওভারে শুরুর ধাক্কা সামলে আগ্রাসী ব্যাটিংয়ের আভাস দিয়েছিলেন ড্যারি মিচেল। তবে মেহেদীকে আক্রমণে ফিরিয়ে তাকে থামান শান্ত। মেহেদীর বলে বোল্ড হয়েছেন মিচেল! এতে ২০ রানে চতুর্থ উইকেট হারিয়েছে নিউজিল্যান্ড।     আক্রমণের আভাস মিচেলের ১২: ৩০, ডিসেম্বর ২৭ ১ রানের মধ্যেই তিন টপ-অর্ডারকে হারিয়ে বিপাকে পড়েছিল কিউইরা। এই সমীকরণে আগে কখনো ম্যাচও জেতেনি নিউজিল্যান্ড। তবে তৃতীয় ওভারে অভিষিক্ত তানজিম সাকিবের ওপরে চড়াও হওয়ার ইঙ্গিত দেন মিচেল। তবে ঠিকঠাক টাইমিংয়ের ওভারে সেভাবে রান আসেনি। এই ওভারে আসে ৭ রান। নিউজিল্যান্ড ৯/৩, ৩ ওভার।   এবারই প্রথম এমন বিপর্যয়ে নিউজিল্যান্ড ১২: ২৫, ডিসেম্বর ২৭ হ্যাটট্রিকের আশা জাগিয়ে শেষ পর্যন্ত তা পাননি শরীফুল। ড্যারিল মিচেলের বিপক্ষে এলবিডব্লিউর আবেদন হয়েছিল, তবে সিদ্ধান্ত টাইগারদের পক্ষে আসেনি। তবে ঠিকই স্বপ্নের মতো শুরুটা পেয়েছে লাল-সবুজেরা।  নিউজিল্যান্ড ২/৩, ২ ওভার!    নেই কিউই দুই ওপেনার ১২: ১৮, ডিসেম্বর ২৭ স্বপ্নের শুরুটা ওয়ানডে সিরিজের শেষ ম্যাচ থেকে। সেখান থেকেই গোড়াপত্তন করেছিলেন শরীফুল। এবার টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচেও সেই ধারাতেই চমক দিচ্ছেন এই পেসার। আক্রমণে এসে ফিন অ্যালেন ফিরিয়েছেন তিনি। এতে ৮ বলের মধ্যে ২ ওপেনারকে হারিয়েছে নিউজিল্যান্ড!     প্রথম ওভারেই উইকেট ১২: ১৫, ডিসেম্বর ২৭ মেহেদী হাসানের বলে বোল্ড হয়েছেন টিম সেইফার্ট। ইনিংসের চতুর্থ বলেই সফল হয়েছেন এই অফ-স্পিনার। মেহেদীর অফ স্টাম্পের বাইরে বল জায়গা বানিয়ে খেলতে গিয়েছিলেন কিউই ওপেনার। আর তাতে নাগাল পাননি সেইফার্ট। নিউজিল্যান্ড ১/১, ১ ওভার। একাদশ  ১১:৪৫, ডিসেম্বর ২৭ ব্ল্যাক-ক্যাপসদের একাদশে জায়গা পাননি জ্যাকব ডাফি ও রাচিন রবীন্দ্র। অন্যদিকে লাল-সবুজের হয়ে অভিষেক হচ্ছে তানজিম হাসানের। একাদশে জায়গা পাননি মেহেদী হাসান মিরাজ। তিন পেসার মোস্তাফিজ, তানজিম ও শরীফুলের সঙ্গে আছেন লেগ-স্পিনার রিশাদ ও অফ-স্পিনার মেহেদী। নিউজিল্যান্ডের একাদশ :  মিচেল স্যান্টনার (অধিনায়ক), ফিন অ্যালেন, মার্ক চ্যাপম্যান, অ্যাডাম মিলনে, ড্যারিল মিচেল, জিমি নিশাম, গ্লেন ফিলিপস, বেন সিয়ার্স, টিম সেইফার্ট, ইশ সোধি ও টিম সাউদি বাংলাদেশের একাদশ : নাজমুল হোসেন শান্ত (অধিনায়ক), লিটন দাস (উইকেটরক্ষক), সৌম্য সরকার, রনি তালুকদার, তাওহীদ হৃদয়, আফিফ হোসেন, মেহেদি হাসান, রিশাদ হোসেন, শরিফুল ইসলাম, তানজিম হাসান সাকিব, মোস্তাফিজুর রহমান     টস ১১:৪২, ডিসেম্বর ২৭  টসে জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন টাইগার দলপতি নাজমুল হোসেন।   এবার টি-টোয়েন্টির পালা ০ ১১:৩৫, ডিসেম্বর ২৭  ওয়ানডেতে জয়ের সুখস্মৃতি নিয়ে নেপিয়ারের ভেন্যুতে প্রথমবারের মতো টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলতে নামবে বাংলাাদেশ। তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে ৯ উইকেটে বড় ব্যবধানে হারায় টাইগাররা। এতে নিউজিল্যান্ডের মাটিতে প্রথম ওয়ানডে জয়ের দেখা পায় শান্ত-লিটনরা। বাংলাদেশের জয়ে ঘরের মাঠে ওয়ানডে ফরম্যাটে নিউজিল্যান্ডের টানা ১৭ ম্যাচ অপরাজিত থাকার রেকর্ডের সমাপ্তি ঘটে। এবার টি-টোয়েন্টি সিরিজের পালা। ৫০ ওভারের ফরম্যাটের পর টি-টোয়েন্টিতেও জয়খরা কাটাতে চায় টাইগাররা।     স্বাগতম ১১:৩০, ডিসেম্বর ২৭ টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে কিছুক্ষণ পর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামছে বাংলাদেশ। দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে মাঠে নামবে নাজমুল হোসেন শান্তরা। আরটিভির লাইভ স্কোর আপডেটে সবাইকে স্বাগতক।  
নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে বাংলাদেশের ইতিহাস
ভারতের স্বপ্নভঙ্গ, বিশ্বচ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া
ভারতের স্বপ্নভঙ্গ, বিশ্বচ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া ২১: ৫২, নভেম্বর ১৯ চলমান ওয়ানডে বিশ্বকাপের ফাইনালে বিরাট কোহলি-লোকেশ রাহুলের ফিফটিতে ভর করে ২৪০ রান তুলেছিল ভারত। এরপর ২৪১ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে দ্রুত ৩ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়েছিল অস্ট্রেলিয়া। তবে হেডের সেঞ্চুরিতে ঘুরে দাঁড়িয়ে সহজ জয় তুলে নিয়েছে অজিরা। তাতে রেকর্ড ষষ্ঠবার শিরোপা ঘরে তুললো অজিরা। রোববার (১৯ নভেম্বর) আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে আইসিসি ওয়ানডে বিশ্বকাপের ১৩তম আসরের ফাইনালে প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ৫০ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে ২৪০ রান সংগ্রহ করে ভারত। ব্যাট হাতে লোকেশ রাহুল ১০৭ বলে ৬৬ ও বিরাট কোহলি ৬৩ বলে ৫৪ রান করেন। এছাড়া অধিনায়ক রোহিত শর্মা খেলেন ৩১ বলে ৪৭ রানের ইনিংস। জবাবে লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৪৭ রানের মধ্যেই ৩ উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়েছিল অস্ট্রেলিয়া। এরপর ১৯৫ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়েন ট্রাভিস হেড ও মার্নাস লাবুশেন। হেডের ১৩৫ ও লাবুশেনের ৬০ রানে অপরাজিত থেকে ৬০ বল হাতে রেখে ৭ উইকেটের জয় তুলে নেয় অজিরা। এতে রেকর্ড ষষ্ঠবারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়নের খেতাব পেল প্যাট কামিন্সের দল।   হেডের অনবদ্য সেঞ্চুরি ২১: ১১, নভেম্বর ১৯ পায়ের ব্যবহার করে চার, এরপর মিড অনের একটু ওপর দিয়ে আরেকটি চার। হেড ভাগ্যকে পাশে পেয়েছেন, সুযোগও কাজে লাগিয়েছেন দারুণভাবে। কুলদীপের বলে এরপর ডাবলস নিয়ে যান ৯৯ রানে। এরপর চুরি করেছেন সিঙ্গেল, জাদেজার থ্রো সরাসরি লাগলে হয়ত আউট হতে পারতেন। তবে তাতে কিছু যায় আসে না। হেড পেয়ে গেছেন সেঞ্চুরি! ২০১১ সালে মাহেলা জয়াবর্ধনের পর বিশ্বকাপ ফাইনালে প্রথম সেঞ্চুরি।   হেড-লাবুশেন জুটিতে এগোচ্ছে অস্ট্রেলিয়া ২০: ৪০, নভেম্বর ১৯ দলের বাজে সময়ে ব্যাট হাতে হাল ধরেছেন হেড। এক প্রান্তে তিন ব্যাটার সাজঘরে ফিরলেও আরেক প্রান্তে অবিচল আছেন এই ওপেনার। ইতোমধ্যেই তুলে নিয়েছেন ফিফটি। ৫৮ বলে এই মাইলফলক ছুঁয়েছেন তিনি। এতে ক্রমশ ভারতের দুশ্চিন্তা বাড়িয়ে হেক্সা মিশনের দিকে বেশ ভালোভাবেই এগিয়ে যাচ্ছেন তারা।  এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়া ২৬ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ১৪৪ রান করেছে অস্ট্রেলিয়া। জয়ের জন্য এখনও ১৪৪ বলে ৯৭ রান করতে হবে অজিদের, হাতে আছে ৭ উইকেট। ব্যাট হাতে ট্রাভিস হেড ৬৯ ও মার্নাস লাবুশেন ৩২ রানে ব্যাট করছেন।   হেড-লাবুশেন জুটিতে লড়ছে অস্ট্রেলিয়া ২০: ১০, নভেম্বর ১৯ দলীয় ৪৭ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল অজিরা। সেখান থেকে দলকে টেনে তোলার চেষ্টা করছেন ওপেনার ট্রাভিস হেড। তাকে যোগ্য সঙ্গ দিচ্ছেন মিডল অর্ডার ব্যাটার মার্নাস লাবুশেন। এই দুই ব্যাটারের জুটিতে ২০তম ওভারে দলীয় শতক ছাড়িয়েছে অজিরা। হেড তার ব্যক্তিগত ফিফটির দিকে বেশ ভালোভাবেই এগিয়ে যাচ্ছেন।  অস্ট্রেলিয়া ২০ ওভারে ১০৪/৩; হেড ৪৪*, লাবুশেন১৭*   বুমরাহর জোড়া শিকারে বিপর্যয়ে অস্ট্রেলিয়া ১৯: ২৮, নভেম্বর ১৯    প্রথম ৪ ওভারে ১ উইকেটে উঠেছিল ৪১ রান। তবে পরের ওভারেই বুমরাহর সুইংয়ের সামনে অসহায় আত্মসমর্পণ করলেন মিচেল মার্শ। অফ স্টাম্পের বাইরের বলে ব্যাট চালিয়ে রাহুলের হাতে ধরা পড়লেন এই টপ অর্ডার ব্যাটার। সাজঘরে ফেরার আগে তার ব্যাট থেকে এসেছে ১৫ বলে ১৫ রান। এরপর ব্যাট হাতে নেমে স্মিথ খেলবেন দেখেশুনে। স্বাভাবিকভাবেই তাঁকে আউট করতে ভিন্ন কৌশলে এগোতে হবে ভারতকে। এবং ফুললেংথে স্লোয়ার বুমরার! স্মিথ মিস করে এলবিডব্লু। রিভিউও করেননি তিনি। আহমেদাবাদে এবার এগিয়ে ভারত। প্রথম ১০ ওভারের চ্যালেঞ্জে পেছনে পড়ে গেছে অস্ট্রেলিয়া।  ওয়ার্নারকে ফেরালেন শামি ১৯: ০২, নভেম্বর ১৯ প্রথম ওভারে জশপ্রিত বুমরাহর বলে বেঁচেছিলেন তিনি। তবে দ্বিতীয় ওভারে মোহাম্মদ শামির বলে আর বাঁচলেন না ডেভিড ওয়ার্নার। অফ স্টাম্পের বেশ বাইরের বলে ব্যাট চালিয়ে স্লিপে ক্যাচ দিয়েছেন ওয়ার্নার, প্রথম স্লিপে ভুল করেননি বিরাট কোহলি। উইকেট লাগবে বলে শামিকে আনা হয়েছে দ্বিতীয় ওভারেই, সফলও হলেন স্বপ্নের মতো বিশ্বকাপ কাটানো এ পেসার। সপ্তম বলে প্রথম আঘাত ভারতের, ফাইনাল জীবন্ত হয়ে উঠেছে আহমেদাবাদে।  অস্ট্রেলিয়া ১৭/১ ২৪০ রানে শেষ ভারত ১৮: ৩৪, নভেম্বর ১৯ ঘরের মাঠে পুরো বিশ্বকাপে ব্যাট হাতে দারুণ ফর্মে ছিলেন ভারতের ব্যাটাররা। কিন্তু শিরোপা নির্ধারণী ফাইনালে এসেই যেন হোঁচট খেতে হলো টিম ইন্ডিয়াকে। প্রায় দেড় লাখ দর্শকের সামনে পাহাড়সম চাপ সামলে উঠতে পারেনি তারা। যার ফলে ইনিংসে শেষ বলে মাত্র ২৪০ রানেই অলআউট হয়ে গেছে রোহিত শর্মার দল। ব্যাট হাতে লোকেশ রাহুল ৬৬, বিরাট কোহলি ৫৪ ও অধিনায়ক রোহিত শর্মা ৪৭ রানের ইনিংস খেলেন। বল হাতে মিচেল স্টার্ক ৩টি এবং জশ হ্যাজেলউড ও প্যাট কামিন্স ২টি করে উইকেট শিকার করেন।      অলআউটের শঙ্কায় ভারত ১৮: ০৫, নভেম্বর ১৯ দলীয় ১৭৮ রানের মাথায় পঞ্চম ব্যাটার হিসেবে আউট হয়েছিলেন রবীন্দ্র জাদেজা। এরপর রাহুল ও সূর্যকুমারের ব্যাটে দুইশ রানের গণ্ডি পেরোয় ভারত। তবে ২১৪ রানের মধ্যেই ৮ উইকেট হারিয়ে অলআউটের শঙ্কায় পড়েছে রোহিত শর্মার দল।    রিভিউ ব্যর্থ, এরপর কট বিহাইন্ড জাদেজা ১৭: ২০, নভেম্বর ১৯ আহমেদাবাদের টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে রোহিত দারুণ শুরু এনে দিলেও মাঝে দ্রুত উইকেট হারিয়ে ফেলেছে ভারত। যে কারণে একজন বাড়তি ব্যাটসম্যানের অভাব বোধ করারই কথা তাদের। সূর্যকুমারকে ইনিংসের শেষ ভাগে আনতে তাঁর আগে পাঠানো হয়েছিল রবীন্দ্র জাদেজাকে, কিন্তু সেটি ঠিক সেভাবে কার্যকরী হয়নি। হ্যাজলউডের অফ স্টাম্পের বাইরের লাইন ধরে রাখা বলে খোঁচা দিয়ে ফিরে গেছেন জাদেজা। ২২ বল খেলে এ বাঁহাতি করতে পেরেছেন ৯ রান। সূর্যকুমারের আগে তাঁকে পাঠানো ঠিক কাজে দিল না ভারতের। শেষ স্বীকৃত ব্যাটসম্যান সূর্যকুমারকে ক্রিজে আসতে হয়েছে ৩৬তম ওভারেই।  ভারত ৩৮ ওভারে ১৮২/৫। দলের বিপর্যয়ে রাহুলের লড়াকু ফিফটি ১৭: ০৬, নভেম্বর ১৯ উড়ন্ত সূচনার পর দ্রুত ২ উইকেট পড়ে যাওয়ায় মাঠে নেমেছিলেন লোকেশ রাহুল। এরপর ইনিংস গড়তে সময় নিয়েছেন তিনি। কোহলি ফেরার পর তাঁর কাঁধে এখন আরও বড় দায়িত্ব। দলের বিপর্যয়ের মুখে লড়াকু ফিফটি তুলে নিয়েছেন তিনি। ৮৬ বলের ইনিংসে ১টি মাত্র বাউন্ডারিতে পঞ্চাশ ছাড়িয়েছে স্বাগতিকরা। ফিফটির পর ফিরলেন কোহলি ১৫: ৩৮, নভেম্বর ১৯ আহমেদাবাদের প্রায় ১ লাখ ৩২ হাজার দর্শককে স্তব্ধ করে দিয়ে বিরাট কোহলি বোল্ড! গ্যালারিতে স্ত্রী আনুশকা শর্মার চোখেমুখে স্পষ্ট বিষাদের ছাপ। ডাগআউটে রবিচন্দ্রন অশ্বিনের মাথায় হাত। কামিন্সের শর্ট লেংথের বল আলতো করে খেলতে চেয়েছিলেন কোহলি। তবে বল এতটা উঠবে, ভাবতে পারেননি। ব্যাটের কানায় লেগে বল গিয়ে ভেঙেছে স্টাম্প। ফাইনালের মহাগুরুত্বপূর্ণ উইকেট নিলেন অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক। কোহলি থেমেছেন ৬৩ বলে ৫৪ রান করে। ভারত ৩০ ওভারে ১৫২/৪; রাহুল ৩৯, রবীন্দ্র জাদেজা ১   কোহলির ফিফটি ১৫: ২২, নভেম্বর ১৯  বিরাট কোহলি-লোকেশ রাহুল জুটি গড়ার চেষ্টা করছেন। তাদের ধীরগতির ব্যাটিংয়ের প্রভাব পড়েছে রান রেটেও। পাওয়ার প্লেতে ওভার প্রতি ৮ করে রান তুলেছিল ভারত। তবে এখন সেটা ৬ এর নিচে নেমে এসেছে। শেষ ১৬ ওভারে কোনো বাউন্ডারি হাঁকাতে পারেনি স্বাগতিকরা। তবে ৫৬ বলে ঠিকই নিজের ফিফটি তুলে নিয়েছেন ব্যাটিং জিনিয়াস বিরাট কোহলি। ইনিংসে ৪টি বাউন্ডারি হাঁকিয়েছেন তিনি। এবার বিশ্বকাপে ১১ ইনিংসে নবমবারের মতো ৫০ পেরোলেন কোহলি। ভারতের রান মেশিন আছেন দুর্দান্ত ফর্মে, ফাইনালেও বয়ে আনলেন সেটি। অন্য প্রান্তে রাহুল ভুগছেন, তবে কোহলি খেলে চলেছেন বেশ ভালো একটা স্ট্রাইক রেট ধরে রেখেই। তবে ফাইনালে ভারতের ভাগ্যের অনেকটাই নির্ভর করছে কোহলি কতক্ষণ থাকেন, সেটির ওপর। রাহুলের সঙ্গে তাঁর জুটি ৫০ পেরিয়েছে আরও আগেই। ৩ উইকেট হারিয়ে সতর্ক ভারত ১৫: ৫৫, নভেম্বর ১৯ পরপর দুই ওভারে রোহিত ও আইয়ার ফেরার পর বেশ সতর্ক ভারতীয় ব্যাটাররা। ভারত ১০০ পেরিয়ে গেলেও দশম ওভারের পর আসেনি কোনো বাউন্ডারি। আপাতত ইনিংস পুনর্গঠনে ব্যস্ত কোহলি ও রাহুল। ৩৪ বলে এই জুটিতে এসেছে মোটের ওপর ২০ রান। ৯ দশমিক ৩ ওভারে ৭৬/১  ১৭ ওভারে ১০৪/৩   মাঠে আনুষ্কাসহ বলিউডের তারকারা...  ১৫: ৫০, নভেম্বর ১৯ ১৭ ওভার শেষে ভারত ১০৪/৩; বিরাট ৩৫ রানে এবং ১২ রানে কেএল রাহুল ক্রিজে আছেন।    ১০০ ছাড়াল ভারতের পুঁজি  ১৫: ৪২, নভেম্বর ১৯ রোহিতের পর শ্রেয়াস আইয়ারও আক্রমণাত্মক শুরুর চেষ্টা করেছিলেন। নিজের মোকাবিলা করা দ্বিতীয় বলে ম্যাক্সওয়েলকে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে রানের খাতা খুলেন তিনি। তবে থিতু হতে পারেননি উইকেটে। পরের ওভারেই তাকে সাজঘরে ফেরান কামিন্স। তবে ৫ বলের ব্যবধানে ২ উইকেট হারানোর ধাক্কা সামলে দলকে এগিয়ে নিচ্ছেন কোহলি ও কেএল রাহুল। ১৬তম ওভারেই ১০০ ছাড়িয়েছে ভারতের সংগ্রহ। ১৬ ওভার শেষে ১০১/৩   নীল সমুদ্রে আহমেদাবাদ ১৫: ২৭, নভেম্বর ১৯ ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ, আর তাতে দারুণ ফর্মে স্বাগতিক দল। ম্যান ইন ব্লুদের তৃতীয় শিরোপা দেখার আশায় প্রায় ১৭০ কোটি জনতা। যে কারণে তারা হাজির আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে। এক লাখ ৩০ হাজার দর্শক ধারণ ক্ষমতার ভেন্যুটি পরিণত হয়েছে ‘নীল সমুদ্র।’   গিলের পর ফিরলেন রোহিতও ১৫: ১৪, নভেম্বর ১৯ অষ্টম ওভারে দেখা গিয়েছিল স্পিন। ম্যাক্সওয়েলের পর আক্রমণে এসেছিলেন অধিনায়ক প্যাট কামিন্স।  এরপর প্রথম পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে ম্যাক্সওয়েলের ওপর চড়াও হন রোহিত। ক্রিজ ছেড়ে এসে লং অনের ওপর দিয়ে হাঁকান ছক্কা। পরক্ষণেই ব্যাকফুটে ভারতীয় অধিনায়ক। এবার যেভাবে খেলতে চেয়েছিলেন, তা হয়নি। কাভারে তার ক্যাচ দুর্দান্ত নৈপুণ্যে তালুবন্দি করেন ট্রাভিস হেড।  ৩১ বলে ৪৭ রানে থামেন রোহিত। ১০ ওভারে ভারত ৮২/২।   অষ্টম ওভারে ম্যাক্সওয়েল ১৫:০২, নভেম্বর ১৯  ইনিংসের ৭ ওভার শেষে ভারতের সংগ্রহ এক উইকেটে ৫৪ রান। পেসারদের পর এবার স্পিনে আস্থা রেখেছেন অজি অধিনায়ক কামিন্স। অষ্টম ওভারে আক্রমণে এসেছেন অলরাউন্ডার গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। নিজের প্রথম ওভারে ৭ রান দিয়েছেন তিনি।  ৮ ওভারে ৬১/১   কোহলির তিন বাউন্ডারি ১৫: ০১, নভেম্বর ১৯ গিল ফেরার পর অন-ডাউনে নেমেছেন কোহলি। এসেই আগ্রাসী মেজাজে খেলতে শুরু করেছেন টপ-অর্ডার এই ব্যাটার। ইনিংসের সপ্তম ওভারে পরপর তিন বাউন্ডারি মেরেছেন তিনি। আর শেষ ৩ বলে এসেছে ২ রান, সপ্তম ওভারেই ৫০ ছুঁয়েছে ভারত।  ৭ ওভারে ৫৪/১।   প্যাভিলিয়নে গিল ১৪: ৫০, নভেম্বর ইনিংসের ২৫ বলের মধ্যে মাত্র ছয়টি বল মোবাবিলা করেছিলেন গিল। এরপরই স্টার্কের শর্ট লেংথের বলে চড়াও হন এই ওপেনার। তবে যেভাবে হাঁকাতে চেয়েছিলেন, তা হয়নি। এতে সরাসরি ক্যাচ গেছে মিড অনে। মুহূর্তেই তা লুফে নেন জাম্পা। ৪.২ ওভারে ৩০/১।   আগ্রাসী রোহিত ১৪: ৪২, নভেম্বর ১৯ ক্রিজ ছেড়ে বেরিয়ে এসেই কাভারের ওপর দিয়ে জশ হ্যাজলউডকে সজোরে হাঁকালেন বাউন্ডারি। মিচেল স্টার্কের ৩ রানের মিতব্যায়ী ওভারের পর হ্যাজলউডের ওপর জমিয়ে রাখা আগ্রাসী মনোভাবে চড়াও হন তিনি। ফাইনাল! তা ভুলেই গেলেন ম্যান ইন ব্লুদের দলপতি। ২ ওভারে ১৩/০   একাদশ  ১৪: ০৬, নভেম্বর ১৯ ফাইনালে দুই দলই একাদশ অপরিবর্তিত রেখেছে।  ভারত : রোহিত শর্মা (অধিনায়ক), শুবমান গিল, বিরাট কোহলি, শ্রেয়াস আইয়ার, লোকেশ রাহুল (উইকেটকিপার), সূর্যকুমার যাদব, রবীন্দ্র জাদেজা, যশপ্রীত বুমরা, কুলদীপ যাদব, মোহাম্মদ শামি ও মোহাম্মদ সিরাজ।  অস্ট্রেলিয়া : ডেভিড ওয়ার্নার, ট্রাভিস হেড, মিচেল মার্শ, স্টিভেন স্মিথ, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, মারনাস লাবুশেন, জশ ইংলিস, প্যাট কামিন্স (অধিনায়ক), অ্যাডাম জ্যাম্পা, মিচেল স্টার্ক ও জশ হ্যাজলউড।     টস ১৪:০২, নভেম্বর ১৯ দীর্ঘ দেড় মাসের মহাযজ্ঞ শেষে শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক প্যাট কামিন্স।   গ্যালারিতে দুই দলের ভক্ত-সমর্থকরা  ১৩:৫০, নভেম্বর ১৯   স্বাগতম ১৩:৫০, নভেম্বর ১৯ সবাইকে স্বাগতক আরটিভির লাইভ স্কোর আপডেটে। বিশ্বকাপের ফাইনালে আর কিছুক্ষণ পর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামছে স্বাগতিক ভারত। আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে দুপুর আড়াইটায় ফাইনালটি শুরু হবে।   
ভারতের স্বপ্নভঙ্গ, বিশ্বচ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া
নিউজিল‍্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে ভারত
দ্রুত ২ উইকেট হারিয়ে বিপদে নিউজিল‍্যান্ড ২২: ৩০, নভেম্বর ১৫ ৪২তম ওভারে ঠিক আগের বলে ফুলটস মিস করে সুযোগ হারিয়েছিলেন ফিলিপস। পরের বলে তুলে মারতে গিয়ে তুললেন ক্যাচ। কিন্তু বুমরার স্লোয়ারটি আকাশে অনেকখানি তুলতে পারলেও বাউন্ডারি পার করাতে পারেননি। ওয়াইড লং অফে অনেক্ষণ অপেক্ষা করে ক্যাচ নিয়েছেন রবীন্দ্র জাদেজা। ৩৩ বলে ৪১ রান করেন ফিলিপস।  এরপরের ওভারে কুলদীপের শিকার নতুন ব্যাটার মার্ক চ্যাপম্যান। সুইপ করতে গিয়ে ডিপ স্কয়ার লেগে জাদেজার হাতেই ক্যাচ দিয়েছেন তিনি। বিদায়ের আগে ৫ বলে ২ রান করেছেন বাঁহাতি এই ব্যাটার। ড্যারেল মিচেলকে সঙ্গ দিতে নতুন ব্যাটার হিসেবে ক্রিজে এসেছেন মিচেল স্যান্টনার।  এখন ৩০ বলে ৯২ রান দরকার কিউইদের, হাতে আছে ৪ উইকেট। মিচেল ১১৭ বলে ১৩৪ ও স্যান্টনার ৪ বলে ৫ রানে খেলছেন।   মিচেলের সেঞ্চুরির পর বিপর্যয়ে নিউজিল্যান্ড ২১: ২৮, নভেম্বর ১৫  ৩৯৮ রানের লক্ষ্য তাড়ায় নেমেছিলেন ৩৯ রানে ২ উইকেট পরে যাওয়ার পর। কিন্তু মিচেল খেলছেন পাল্টা আক্রমণের দুর্দান্ত এক ইনিংস! মিডউইকেটে সিঙ্গেল নিয়ে ৮৫ বলে সেঞ্চুরি হাঁকালেন ডানহাতি এই ব্যাটার। এবারের বিশ্বকাপে মিচেলের এটি দ্বিতীয় সেঞ্চুরি, প্রথমটিও এসেছিল ভারতের বিপক্ষেই!  কিন্তু শামির ওই ওভারেই জোড়া উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়েছে নিউজিল্যান্ড। মিচেলের সেঞ্চুরির পরের বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন উইলিয়ামসন। এর একবল পর লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়ে শূন্যতেই সাজঘরে ফেরেন সহ-অধিনায়ক টম ল্যাথাম।  ৩২তম ওভারে শামির করা বলে তুলে মেরেছিলেন উইলিয়ামসন, ডিপ স্কয়ার লেগে ক্যাচ নিতে ভুল করেননি সূর্যকুমার যাদব। উইলিয়ামসনের ক্যাচ ফেলেছিলেন শামি, পেলেন তাঁরই উইকেট। উইলিয়ামসন থেমেছেন ৭৩ বলে ৬৯ রানে। মিচেলের সঙ্গে তাঁর জুটিতে উঠেছে ১৮১ রান!   মিচেলের পর উইলিয়ামসনের ফিফটি ২০: ৫০, নভেম্বর ১৫ রান তাড়ায় দ্রুতই দুই ওপেনারকে হারায় নিউজিল্যান্ড। এরপর বেশ চাপের সময়েও দায়িত্বশীল ব‍্যাটিংয়ে দলকে টানছেন অধিনায়ক কেইন উইলিয়ামসন ও ড‍্যারেল মিচেল জুটি। এরই মধ্যে তারা দুজনে শতরানের জুটি গড়ে ফেলেছেন। ৪৯ বলে ফিফটি হাঁকিয়েছিলেন মিচেল। এবার দায়িত্বশীল ব‍্যাটিংয়ে নিউজিল‍্যান্ড অধিনায়ক ছুঁয়েছেন পঞ্চাশ, ৫৮ বলে। খুব একটা ঝুঁকি নিচ্ছেন না উইলিয়ামসন। সহজাত ব‍্যাটিংয়েই এগিয়ে যাচ্ছেন এই টপ অর্ডার ব‍্যাটসম‍্যান।  এখন ২৬ ওভারে নিউজিল‍্যান্ডের রান ২ উইকেটে ১৬৫। ৫৯ বলে ৫০ রানে খেলছেন উইলিয়ামসন। ৬১ বলে মিচেলের রান ৬৪।   কনওয়ের পর রাচিনকেও ফেরালেন শামি ১৯: ৩৩, নভেম্বর ১৫   বিশ্বকাপে মোহাম্মদ শামির স্বপ্নযাত্রা যেন চলছেই! এবার সেমিফাইনালে এসে নিজের প্রথম ২ ওভারেই পেলেন ২ উইকেট! ডেভন কনওয়ের পর এবার তার শিকার রাচিন রবীন্দ্র। উইকেটের পিছনে লোকেশ রাহুলের হাতে ক্যাচ দিয়ে ১৩ রান করে ফিরলেন রবীন্দ্র। নিউজিল্যান্ড ৩৯/২!   কনওয়েকে ফেরালেন শামি   ১৯: ২০, নভেম্বর ১৫ ভারতের দেওয়া ৩৯৮ রানের পাহাড়সম টার্গেট। রান তাড়ায় উদ্বোধনী জুটিতে দেখেশুনে প্রথম পাঁচ ওভারে ৩০ রান তুলেছিল নিউজিল্যান্ড। তবে ষষ্ঠ ওভারে প্রথমবারের মতো এসে প্রথম বলেই উইকেট নিয়েছেন মোহাম্মদ শামি! তার করা অফ স্টাম্পের বাইরের বলে ব্যাট চালিয়েছিলেন ডেভন কনওয়ে। উইকেটের পেছনে বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে দারুণ ক্যাচ নিয়েছেন লোকেশ রাহুল।     কোহলির ইতিহাস গড়ার দিনে রানের পাহাড় ভারতের ১৮: ২০, নভেম্বর ১৫ ২০১১ সালের চ্যাম্পিয়ন ভারত সবশেষ দুই আসরে সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নিয়েছিল। ২০১৯ সালে তাদেরকে বিদায় করেছিল নিউজিল্যান্ড। সে কিউইদের বিপক্ষে ২০২৩ সালে এসে ঘরের মাঠে প্রতিশোধ নেয়ার মোক্ষম সুযোগ পেয়েছে রোহিত শর্মার দল। চলমান ওয়ানডে বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ৩৯৭ রানের বিশাল পুঁজি পেয়েছে ভারত। ব্যাট হাতে ইতিহাস গড়া ৫০তম ওয়ানডে সেঞ্চুরির দেখা পান বিরাট কোহলি। ১১৩ বলে ১১৭ রান করেন তিনি। এছাড়া শতকের দেখা পেয়েছেন শ্রেয়াস আইয়ারও। ৭০ বলে ১০৫ রানের ইনিংস খেলেছেন তিনি।   জীবন পাওয়ার পর আউট কোহলি ১৭: ৫২, নভেম্বর ১৫ অবশেষে এসেছিল কোহলিকে আউট করার সুযোগ! সাউদির বলে ডিপ মিডউইকেটে ক্যাচ তুলেছিলেন কোহলি, ১০৭ রানে দাঁড়িয়ে। ছুটে এসে ভালোভাবেই নাগাল পেয়েছিলেন গ্লেন ফিলিপস, কিন্তু রাখতে পারেননি। ফিলিপস যে মানের ফিল্ডার, তাতে এ ক্যাচ বেশ সহজই হওয়ার কথা ছিল!  তবে এ ওভারেরই শেষ বলে অবশেষে থেমেছেন কোহলি। ডিপ স্কয়ার লেগে এবার ধরে পড়েছেন কনওয়ের হাতে, ১১৭ বলে ১১৭ রান করে। শ্রেয়াসের সঙ্গে তাঁর জুটিতে উঠেছে ১৬৩ রান।   ওয়ানডেতে ৫০তম সেঞ্চুরি কোহলির ১৭: ৪০, নভেম্বর ৪২তম ওভারে লকি ফার্গুসনের চতুর্থ বলকে স্কয়ার লেগের দিকে খেলে ডাবলস নিয়ে সেঞ্চুরি তুলে নেন বিরাট কোহলি। এর মাধ্যমে ওয়ানডে ইতিহাসের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে ৫০টি সেঞ্চুরির মালিক বনে গেলেন এই ব্যাটিং জিনিয়াস।  সেঞ্চুরি পূর্ণ করার পর ব্যাটটা রেখে খুলেছেন গ্লাভস, এরপর হেলমেট। এরপর নুইয়েছেন মাথা। নিজের আদর্শ শচীন টেন্ডুলকারের সামনে, তাঁর মাঠে, তাঁকে ছাড়িয়ে গেলেন কোহলি। সেটিও বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে। স্ত্রী আনুশকা শর্মার উল্লাস আর কোহলির চোখ-মুখের ভাষায় বলে দেয় সব! এর আগে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে কোহলির সর্বোচ্চ ছিল ৩৫ রান। সেটি ছাড়িয়ে আজ প্রথম ফিফটি পেয়েছেন। এবার প্রথম সেঞ্চুরিও। এখন ভারতের সংগ্রহ ৪২ ওভারে ১ উইকেটে ৩০৩ রান। কোহলি ১০৬ ও শ্রেয়াস আইয়ার ৬৬ রানে ব্যাট করছেন। কোহলির ফিফটি ১৬: ৪০, নভেম্বর রাচিন রবীন্দ্রর স্টাম্পের ওপর করা ডেলিভারি লং অনে ঠেলে এক রান নিলেন ভিরাট কোহলি। এর মাধ্যমে বিশ্বকাপের নক আউট ম্যাচে প্রথমবারের মতো পঞ্চাশ রান স্পর্শ করলেন তিনি। ৪ চারে ৫৯ বলে এই মাইলফলক স্পর্শ করেছেন কোহলি।  এর পাশাপাশি দারুণ ছন্দে থাকা বিশ্বকাপে নতুন রেকর্ডও গড়লেন কোহলি। প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে এক আসরে খেললেন ৮টি পঞ্চাশ ছোঁয়া ইনিংস। ২০০৩ বিশ্বকাপে শচীন টেন্ডুলকার ও ২০১৯ বিশ্বকাপে সাকিব আল হাসান ৭টি করে অন্তত পঞ্চাশ ছোঁয়া ইনিংস খেলেছিলেন।  এবার দশ ম্যাচে দুইটি সেঞ্চুরি ছাড়াও কোহলির ফিফটির সংখ্যা ছয়টি। ইনিংসে ষষ্ঠ রান নেওয়ার সময় প্রথমবার বিশ্বকাপের এক আসরে ৬শ রানও পূর্ণ করেছেন ভারতের তারকা ব্যাটসম্যান। চোট নিয়ে উঠে গেলেন গিল ১৬: ১৫, নভেম্বর সিঙ্গেল নিতে গিয়ে অস্বস্তিতে পড়েন শুভমান গিল। এরপর তো উঠেই গেলেন তিনি। হেঁটেই মাঠ ছেড়েছেন, ক্র্যাম্প নাকি হ্যামস্ট্রিংয়ের চোট জাতীয় কিছু, সেটি বোঝা যায়নি। ৬৫ বলে ৭৯ রান করে আপাতত থেমেছেন গিল। কোহলির সঙ্গে ক্রিজে যোগ দিয়েছেন শ্রেয়াস আইয়ার। এখন ভারতের সংগ্রহ ২৩ ওভারে ১৬৪/১ দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে গিলের ৫০ ১৫: ৩৫, নভেম্বর রোহিতের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ের সময়ে কিছুটা দেখেশুনেই খেলছিলেন ওপেনার গিল। আগ্রাসী গতিতে রান তোলার একপর্যায়ে ভারতীয় অধিনায়ক ফিরলেও ক্রিজে থিতু হয়ে ব্যক্তিগত অর্ধশতক তুলে নিয়েছেন গিল। ৪১ বলে অর্ধশতক পূর্ণ করেছেন ভারতীয় এই ওপেনার। ১৫ ওভারে ১১৮/১  ভারতের ১০০ ১৫: ৩৫, নভেম্বর ঝোড়ো শুরুর পর কিছুটা রানের গতি কমেছে ভারতের। তবে ওপেনার গিল ও টপ-অর্ডার ব্যাটার কোহলির দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে ১৩তম ওভারেই ১০০ পেরিয়ে গেছে ভারত।   ১০ ওভারে ভারত ৮৪ ১৫: ২৪, নভেম্বর ১১ ঝোড়ো শুরুটা করেছিলেন ভারতীয় অধিনায়ক রোহিত। তবে ছক্কার বিশ্বরেকর্ডের পরপরই থেমেছেন তিনি। কিন্তু দারুণ শুরু পেয়েছে ভারতীয় দল। প্রথম পাওয়ার প্লেতেই ৮৪ রান তুলে ফেলেছে তারা। ৪ রানে কোহলি ও ৩০ রান গিল ক্রিজে আছেন।   উড়ন্ত রোহিতকে ফেরালেন সাউদি ১৫:১০, নভেম্বর ১৫ ব্যাটিংয়ে নেমে রীতিমতো উড়ছিলেন ভারতীয় অধিনায়ক রোহিত শর্মা। ইনিংসের প্রথম ওভারেই জোড়া চার হাঁকান এই ওপেনার। এরপর নাম লেখান বিশ্বরেকর্ডে। কেননা, বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ছক্কা এখন রোহিতের (৫১)। বোলিংয়ে এসে উড়ন্ত রোহিতকে ফিরিয়েছেন টিম সাউদি। ব্যক্তিগত অর্ধশতকের দ্বারপ্রান্তে গিয়ে ফেরার আগে ২৯ বলে ৪ চার ও ৪ ছক্কায় ৪৭ রানের মারকাটারি ইনিংস খেলেছেন এই ওপেনার। ষষ্ঠ ওভারেই ভারতের ৫০ ১৪: ৫৮, নভেম্বর ১৫ ইনিংসের ষষ্ঠ ওভারে আক্রমণে এসেছিলেন মিচেল স্যান্টনার। কিউইরা ধারণা করেছিল, স্পিনে হয়তো কিছুটা আগ্রাসী মনোভাব কমাবেন ভারতীয় অধিনায়ক। কিন্তু তা হয়নি। স্যান্টনারের প্রথম বলেই সুইপ করে মেরেছেন চার। এরপর স্যান্টনারের লেংথ কমানো বলটিকে বাউন্ডারি পার করে পাঠিয়েছেন ওয়াংখেড়ের গ্যালারিতে। ৬ ওভারে ৫৮/০।   রোহিতের ছক্কার ফিফটি ১৪:৫২, নভেম্বর ১৫ বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ছক্কা এখন রোহিতের। কিউইদের বিপক্ষে ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ের দিনে ছক্কার ফিফটি করেছেন ভারতীয় অধিনায়ক। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ছক্কা ক্রিস গেইলের (৪৯)। এক কথায়, ওয়াংখেড়েতে উড়ন্ত শুরু করেছে ভারত, বিপরীতে শুরুতেই চাপে ব্ল্যাক-ক্যাপসরা।  ৫ ওভার শেষে ৪৭/০।   আক্রমণাত্মক শুরু ১৪:৪৪, নভেম্বর ১৫ ফাইনালে ওঠার লড়াই! তাই চাপ কিছুটা প্রত্যাশিতই। তবে তাতে কি! ব্যাটিংয়ে নেমে প্রথম ওভার থেকেই চাপমুক্ত খেলার ইঙ্গিত দিয়েছেন ভারতীয় অধিনায়ক রোহিত। প্রথম ওভারেই ট্রেন্ট বোল্টের বলে জোড়া চার হাঁকিয়েছেন তিনি। অন্যপ্রান্তে আরেক ওপেনার গিলও কম যান না। তিনিও আগ্রাসী শুরুটা করেছেন।  ৩ ওভার শেষে ২৫/০।   শচীনের সঙ্গে ডেভিড বেকহাম  ১৪:৪৪, নভেম্বর ১৫   একাদশ  ১৪:০৭, নভেম্বর ১৫ এই ম্যাচে দুই দলই আগের ম্যাচের অপরিবর্তিত একাদশ নিয়ে মাঠে নামছে। ভারত একাদশ : রোহিত শর্মা (অধিনায়ক), শুবমান গিল, বিরাট কোহলি, শ্রেয়াস আইয়ার, লোকেশ রাহুল (উইকেটকিপার), সূর্যকুমার যাদব, রবীন্দ্র জাদেজা, যশপ্রীত বুমরা, কুলদীপ যাদব, মোহাম্মদ শামি ও মোহাম্মদ সিরাজ। নিউজিল্যান্ড একাদশ : ডেভন কনওয়ে, রাচিন রবীন্দ্র, কেইন উইলিয়ামসন (অধিনায়ক), ড্যারিল মিচেল, টম ল্যাথাম (উইকেটকিপার), গ্লেন ফিলিপস, মার্ক চ্যাপম্যান, মিচেল স্যান্টনার, টিম সাউদি, লকি ফার্গুসন ও ট্রেন্ট বোল্ট।     টস ১৪:০৫, নভেম্বর ১৫ ফাইনালে উঠার লড়াইয়ে টস জিতেছে ভারত। এরপর ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রোহিত শর্মা।   স্বাগতম ১৪:০২, নভেম্বর ১৫ সবাইকে স্বাগতক আরটিভির লাইভ স্কোর আপডেটে। বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনালে কিছুক্ষণ পর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামছে স্বাগতিক। মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে দুপুর আড়াইটায় শুরু হবে ম্যাচটি।      
নিউজিল‍্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে ভারত
অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৮ উইকেটে লজ্জার হার বাংলাদেশের
৮ উইকেটে জিতল অস্ট্রেলিয়া ১৮: ৩৪, ১১ নভেম্বর শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে সেরা আটের সমীকরণ আগেই সহজ করেছিল সাকিব বাহিনী। বিশ্বকাপে নিজেদের শেষ ম্যাচে অস্ট্রেলিয়াকে হারালে নিশ্চিত হতো আইসিসি ২০২৫ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি। তবে তা করতে পারেনি টাইগাররা। ৩০৭ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে হেসে-খেলেই বাংলাদেশকে হারিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। তবে এখনও জিইয়ে আছে বাংলাদেশের আসন্ন বৈশ্বিক টুর্নামেন্টের স্বপ্ন। তবে সেক্ষেত্রে ভারতের বিপক্ষে নেদারল্যান্ডস হারলেই নিশ্চিত হবে সাকিব-শান্তদের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির স্বপ্ন। শনিবার (১১ নভেম্বর) পুনের মহারাষ্ট্র ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়ামে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে স্কোরবোর্ডে ৩০৬ রান তুলেছে বাংলাদেশ। জবাবে লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মার্শের ক্যারিয়ার সেরা অপরাজিত ১৭৭ রানে ভর করে ৩২ বল বাকি থাকতেই ৮ উইকেটের জয় নিশ্চিত করে অজিরা। বিস্তারিত : হেসেখেলেই বাংলাদেশকে হারাল অস্ট্রেলিয়া  স্মিথের ৫০ ১৮: ১৬,  ১১ নভেম্বর ভার্টিগো উপসর্গ নিয়ে আগের ম্যাচে খেলা হয়নি তার। তবে ফিরেই স্টিভেন স্মিথ ছড়ালেন রানের ফোয়ারা। সেমির আগেই চিরচেনা ইনিংসে গ্রুপপর্বের শেষটা রাঙালেন তিনি। এটির তার ক্যারিয়ারের ৩২তম অর্ধশতক। মার্শের ১৫০ ১৮: ০৭,  ১১ নভেম্বর ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো ১৫০ ছুঁলেন মার্শ। এর আগে, সর্বোচ্চ ১২১ রানের ইনিংসও খেলেছিলেন চলতি বিশ্বকাপেই। এ ইনিংসে এখন পর্যন্ত ১৬ চার ও ৭ ছক্কা হাঁকিয়েছেন তিনি। শেষ ওভারে ১০ ওভারে অজিদের দরকার মাত্র ৪৩ রান। ৪০ ওভারে ২৬৪/২   ক্যারিয়ারে সবচেয়ে খরুচে বোলিং নাসুমের ১৮: ০১, ১১ নভেম্বর ০/৮৫ পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে খুব একটা সুবিধা করতে পারেনি বাংলাদেশের বোলিং ইউনিট। এদিন ক্যারিয়ারের সবচেয়ে খরুচে বোলিং করেছেন নাসুম আহমেদ। ১০ ওভারে ৮৫ রান খরচায় তার ঝুলিতে নেই কোনো উইকেট। এর আগে, এক ইনিংসে সর্বোচ্চ ৬০ রান দিয়েছিলেন বাঁহাতি এই স্পিনার।    আবারও শত রানের জুটি ১৭: ৫৬, ১১ নভেম্বর দ্বিতীয় উইকেটে ১০০ রানের জুটির পর তৃতীয় উইকেটেও শত রানের জুটি গড়েছে অজিরা। দলীয় ১২ রানে প্রথম ধাক্কা খাওয়ার পর সেখান থেকে টানা দুটি শত রানের জুটি গড়েছে অস্ট্রেলিয়া। এতে জয়ের দ্বারপ্রান্তে অনেকটাই এগিয়ে যাচ্ছে মার্শ-স্মিথরা।   মার্শের সেঞ্চুরি, নিয়ন্ত্রণে অজিরা ১৭:২২, ১১ নভেম্বর দলীয় ১৩২ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারিয়েছিল অজিরা। তবে সেই ধাক্কা সামলে চলতি বিশ্বকাপে নিজের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন মার্শ, ক্যারিয়ারে তৃতীয়।। ৮৭ বলে ১১ চার ও ৪ ছক্কায় এই মাইলফলকে পৌঁছান টপ-অর্ডার এ ব্যাটার। এর আগে, ব্যক্তিগত ৯৯ রানে দাঁড়িয়ে টানা চারটি ডট বল খেলেছিলেন মার্শ। এরপর নাসুমের বলে কাভারে সিঙ্গেল নিয়ে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন মিচেল মার্শ।  ৩১ ওভারে অস্ট্রেলিয়া ১৯২/২    মার্শ-ওয়ার্নার জুটি ভাঙলেন মোস্তাফিজ ১৬: ৫২, ১১ নভেম্বর ব্যক্তিগত ৫৩ রানে ওয়ার্নারকে ফিরিয়ে ১২০ রানের জুটি ভেঙেছেন মোস্তাফিজ। এতে দলীয় ১৩২ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারালো অজিরা। দ্য ফিজের ফুললেংথের বলটি আলতো করে তুলে দিতে চেয়েছিলেন অজি ওপেনার। তবে তাতে ভুল করেননি ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক শান্ত। মিড-অনে লুফে নিয়েছেন সেই ক্যাচ।   আলোচনায় চ্যাম্পিয়নস ট্রফি ১৬: ৩৮, ১১ নভেম্বর বিশ্বকাপের পয়েন্ট টেবিলে এখন আটে আছে বাংলাদেশ। সাকিব বাহিনীর পরেই অবস্থান লঙ্কানদের। আর একদম তলানিতে বাছাইপর্ব পেরিয়ে আসা নেদারল্যান্ডস। এ ম্যাচে অজিরা ২২ দশমিক ৪ ওভারে জয় পেলেই লঙ্কানদের চেয়ে নেট রানরেট পিছিয়ে যাবে লাল-সবুজেরা। তবে এখন আর সেই সম্ভাবনা নেই। এদিকে আগামী রোববার (১২ নভেম্বর) ভারতের বিপক্ষে মাঠে নামবে ডাচরা। ডাচদের নেট রানরেট ঋণাত্মক ১ দশমিক ৬৩৫। তাই চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে কোয়ালিফাই করতে শুধু জয় পেলেই হবে, স্বাগতিকদের বড় ব্যবধানে হারাতে হবে রোহিত শর্মার দলকে। অন্যদিকে মার্শের পর ডেভিড ওয়ার্নারও  ৫০ ছুঁয়ে ফেলেছেন। এই জুটির ১০০ পেরিয়েছে বেশ আগেই।  ১৯ ওভারে অস্ট্রেলিয়া  ১২২/১। মার্শের ফিফটি, অস্ট্রেলিয়ার ১০০ ১৬: ২৪, ১১ নভেম্বর লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ফেরেন ট্রাভিস হেড। তবে দ্রুতই নিয়ন্ত্রণ নেয় অজিরা। এরপর মার্শের ফিফটি (৩৭ বলে ৫০) ও ওয়ার্নারের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে ১৫তম ওভারের শেষে ১০০ ছুঁয়ে ফেলেছে অস্ট্রেলিয়া। অন্যদিকে বাংলাদেশের ১০০ পূর্ণ করতে লেগেছিল ১৫ দশমিক ১ ওভার।   প্রথম পাওয়ার প্লে শেষে...  ১৫: ৫৬, নভেম্বর ১১ ১০ ওভারশেষে বাংলাদেশ ৬২/০; অস্ট্রেলিয়া ৫৮/১   অস্ট্রেলিয়ার ৫০ ১৫: ৫৩, নভেম্বর ১১ ট্রাভিস হেড ফেরার পর জুটি গড়ার চেষ্টা করছেন মিচেল মার্শ ও ডেভিড ওয়ার্নার। এই জুটিতে ৮ দশমিক ১ ওভারে ৫০ ছুঁয়ে ফেলেছে অজিরা।   হেডকে ফেরালেন তাসকিন ১৫:৩০, নভেম্বর ১১ বাংলাদেশের দেওয়া ৩০৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বেশ সতর্ক শুরু করে অস্ট্রেলিয়া। তাসকিনের করা তৃতীয় ওভারের চতুর্থ বলে একটু জায়গা করে ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্ট দিয়ে স্কয়ার কাটে চার মেরেছিলেন ট্রাভিস হেড। তাতে আত্মবিশ্বাসটা বোধ হয় একটু বেড়ে গিয়েছিল।  পরের বলে লেগে টেনে তুলে মারতে গিয়েই নিজের বিপদ ডেকে আনেন তিনি। একটু খাটো লেংথে বলটা করেছিলেন তাসকিন। তাতে সোজা বোল্ড হয়ে যান বাঁহাতি এই ব্যাটার। এতে ১১ বলে ১০ রানে ফিরলেন হেড। অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ৩ ওভারে ১ উইকেটে ১২। ৩০৬ রানে থামল বাংলাদেশ ১৪:৪৫, নভেম্বর ১১ বিশ্বকাপে নিজেদের শেষ ম্যাচে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়া। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির টিকিট নিশ্চিতের এ ম্যাচে ব্যাট হাতে নেমে দুর্দান্ত সূচনা করেন দুই টাইগার ওপেনার। লিটন ও তানজিদের ৭৬ রানের উদ্বোধনী জুটির পর হৃদয়ের ৭৪ রানের সুবাদে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ৩০৬ রানের বড় সংগ্রহ পেয়েছে লাল-সবুজেরা।   বাংলাদেশের ৩০০ ১৪:৪০, নভেম্বর ১১ চলতি বিশ্বকাপে প্রথমবারে মতো ৩০০ পেরিয়েছে বাংলাদেশের সংগ্রহ। ৪৯ ওভারে ৩০৩/৬।   শেষ মুহূর্তে ফিরলেন হৃদয় ১৪:২৭, নভেম্বর ১১ ব্যক্তিগত অর্ধশতক তুলে নেওয়ার পর দলের রান তোলার গতি আরও বাড়াচ্ছিলেন হৃদয়। তবে এতে খুব একটা লাভ হয়নি। উল্টো উইকেট বিলিয়ে দিয়েছেন এই ব্যাটার। মিডউইকেটে লাবুশেনের হাতে ক্যাচ দিয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন তিনি। ৭৯ বলে ৭৪ রান করে থেমেছেন হৃদয়।   ৪০ ওভারে ২৩৯/৪ ১৪:১৯, নভেম্বর ১১ চলতি বিশ্বকাপে এ ম্যাচে বাংলাদেশের চাওয়া-পাওয়ার কিছু নেই। তবে আইসিসি ২০২৫ চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে জায়গা করতে বড় ব্যবধানে হার এড়াতে হবে টাইগারদের। আর জয় পেলে আসন্ন বৈশ্বিক আসরে জায়গা নিশ্চিত সাকিব বাহিনীর। ৪০ ওভার শেষে বাংলাদেশ ২৩৯/৪   হৃদয়ের ফিফটি ১৩:৫৫, নভেম্বর ১১ সাকিবের অনুপস্থিতি অজিদের বিপক্ষে চারে নেমেছেন হৃদয়। ক্রিজে নেমেই আগ্রাসী শুরু করেন তিনি। এ সময়ে দুই ব্যাটারের রান-আউট হয়ে যাওয়া দেখেছেন তিনি। তবে মুশফিকের সঙ্গে জুটি গড়ে তুলে নিয়েছেন নিজের ব্যক্তিগত অর্ধশতক। ৬১ বলে অর্ধশতক পেয়েছেন এই ব্যাটার।   রান আউটে কাটা পড়লেন রিয়াদও ১৩:৪২, নভেম্বর ১১    জশ হ্যাজলউডের বলে কাভারের দিকে খেলেই রান নিতে ছুটেছিলেন হৃদয়। তাঁর ডাকে সাড়া দিয়েই নিজের বিপদ ডেকে আনলেন মাহমুদউল্লাহ। ছুটে এসে বল ধরেছেন, এরপর ডাইভ দিয়ে থ্রো করে লাবুশেন স্টাম্প ভেঙেছেন সরাসরি। নাজমুলের মতো মাহমুদউল্লাহও ডাইভ দিয়েছিলেন, কিন্তু বাঁচেননি তিনিও। এমনিতেই সেখানে সিঙ্গেল ছিল না।  তার ওপর লাবুশেনের মতো ফিল্ডারের কাছ থেকে রান নিতে যাওয়া আত্মহত্যারই সামিল! মাহমুদউল্লাহ খেলছিলেন দারুণভাবে, রানআউট হয়ে থামতে হলো তাঁকেও। আরেকবার দারুণ অবস্থান থেকে রানআউটে নিয়ন্ত্রণ হারাল বাংলাদেশ। ২৮ বলে ৩২ রান করে থেমেছেন মাহমুদউল্লাহ, বাংলাদেশ ৩৬ ওভারে ২১৪/৪।   রান আউটে কাটা পড়লেন শান্ত ১২:৫৮, নভেম্বর ১১ আগের দুই ব্যাটসম্যান উইকেটে সেট হয়েও ইনিংস বড় করতে পারেননি। এবার ব্যক্তিগত পঞ্চাশের আগেই ফিরলেন ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। তাওহিদ হৃদয়ের সাথে ডাবল নিয়ে গিয়ে রান আউটে কাটা পড়লেন বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান। বিদায়ের আগে ৫৭ বলে ৪৫ রান করেন তিনি।  বাংলাদেশ ২৯ ওভারে ১৭১/৩; তাওহীদ হৃদয় ৩৭, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ০   নিজের উইকেট বিলিয়ে দিলেন লিটন ১২:২০, নভেম্বর ১১ অস্ট্রেলিয়ান লেগ স্পিনার অ্যাডাম জ্যাম্পাকে একটু সামনে ঝুঁকে তুলে মারতে গেলেন লিটন দাস। বাংলাদেশ ওপেনারের টাইমিং ভালোই ছিল। কিন্তু সরাসরি ক্যাচ গেছে লং অনে থাকা মার্নাস লাবুশেনের হাতে। কমেন্ট্রি বক্সে শেন ওয়াটসনের ভাষায়, ‘ক্যাচিং অনুশীলন।’ আরেকবার, হ্যাঁ আরেকবার—বেশ ভালো শুরু পেয়ে উইকেট ছুড়ে এলেন ডানহাতি ব্যাটার লিটন। ৩০ পেরিয়ে ৪০-এর আগেই থেমেছেন তিনি, তানজিদের মতোই আউট হয়েছেন ৩৬ রানে।  বাংলাদেশ ২০ ওভারে ১১৪/২; নাজমুল শান্ত ২৩, তাওহীদ হৃদয় ৫ উড়ন্ত শুরুর পর ফিরলেন তামিম ১১:৫৫, নভেম্বর ১১ টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে উড়ন্ত সূচনা এনে দিয়েছিলেন বাংলাদেশের দুই ওপেনার লিটন দাস ও তানজিদ হাসান তামিম। তবে শন অ্যাবটের শর্ট লেংথের বলে ভড়কে যান তানজিদ। লাফিয়ে উঠে শেষদিকে ঘুরিয়ে খেলার চেষ্টা একেবারেই ব্যর্থ হয়েছে তার, নিজের বলে গিয়ে ক্যাচ নিয়েছেন অ্যাবট। ১২তম ওভারে এসে অস্ট্রেলিয়া পেয়েছে প্রথম ব্রেক থ্রু। বাংলাদেশের ওপেনিং জুটি এবার থামল ৭৬ রানে। তানজিদের ইনিংস থেমেছে ৩৪ বলে, ৩৬ রান করে।  বাংলাদেশ ১২ ওভারে ৮৩/১; লিটন ৩১, নাজমুল শান্ত ২ পঞ্চাশ পেরোল বাংলাদেশের ১১:৪০, নভেম্বর ১১ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বিশ্বকাপে নিজেদের শেষ ম্যাচে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমেছে বাংলাদেশ। ব্যাট হাতে শুরুতে কিছুটা সাবধানে শুরু করলেও সময়ের সাথে সাথে আগ্রাসী হয়ে উঠেছেন দুই টাইগার ওপেনার। ইনিংসের নবম ওভারের প্রথম বলে বাউন্ডারি মেরে দলের সংগ্রহ ফিফটি ছাড়িয়ে যান তানজিদ তামিম। ওপর প্রান্তে লিটন দাসও ইনিংস বড় করার চেষ্টা করছেন।  বাংলাদেশ ১০ ওভারে ৬২/০; লিটন ২৪, তানজিদ ২৮  একাদশ ১০:৩৮, নভেম্বর ১১ সাকিব আঙুলের চোটে দেশে ফিরে এসেছেন আগেই। খেলছেন না তানজিম হাসানও। বাংলাদেশ আজ নামছে দুই পেসার—তাসকিন ও মোস্তাফিজুরকে নিয়ে, সঙ্গে আছেন তিন স্পিনার—মিরাজ, মেহেদী ও নাসুম।  বাংলাদেশ একাদশ : লিটন দাস, তানজিদ হাসান তামিম, নাজমুল হোসেন শান্ত (অধিনায়ক), মুশফিকুর রহিম (উইকেটকিপার), তাওহিদ হৃদয়, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মেহেদী হাসান মিরাজ, শেখ মেহেদী হাসান, নাসুম আহমেদ, তাসকিন আহমেদ ও মোস্তাফিজুর রহমান। মুম্বাইয়ে অস্ট্রেলিয়ার রূপকথার নায়ক গ্লেন ম্যাক্সওয়েল খেলছেন না পুনেতে। অস্ট্রেলিয়া বিশ্রাম দিয়েছে মিচেল স্টার্ককেও। আফগানিস্তানের বিপক্ষে ভার্টিগো সমস্যার কারণে না খেলা স্টিভ স্মিথের সঙ্গে ফিরেছেন শন অ্যাবট।  অস্ট্রেলিয়া একাদশ : ডেভিড ওয়ার্নার, ট্রাভিস হেড, মিচেল মার্শ, স্টিভেন স্মিথ, মারনাস লাবুশেন, জশ ইংলিস (উইকেটকিপার), মার্কাস স্টয়নিস, শন অ্যাবট, প্যাট কামিন্স (অধিনায়ক), অ্যাডাম জ্যাম্পা, জশ হ্যাজলউড।   টস ১০:৩২, নভেম্বর ১১ গ্রুপ পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে টসে জিতে প্রথমে ফিল্ডিং নিয়েছেন অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক প্যাট কামিন্স। সকালে একটু সুইং মিলতে পারে বলে এমন সিদ্ধান্ত, জানিয়েছেন তিনি। সাকিবের অনুপস্থিতিতে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন নাজমুল হোসেন, টসে জিতলে তিনি ব্যাটিং নিতেন বলেই জানিয়েছেন।  স্বাগতম ১০:২৫, নভেম্বর ১১ সবাইকে স্বাগতক আরটিভির লাইভ স্কোর আপডেটে। নিজেদের শেষ ম্যাচে কিছুক্ষণ পর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামছে বাংলাদেশ। বেলা ১১ টায় মাঠে নামবে নাজমুল হোসেন শান্তরা। 
অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৮ উইকেটে লজ্জার হার বাংলাদেশের
শ্রীলঙ্কাকে ৩ উইকেটে হারাল বাংলাদেশ
  চ্যাম্পিয়নস ট্রফির আশা বাঁচিয়ে রাখল সাকিব বাহিনী ২২: ৩৩, নভেম্বর ০৬ বিস্তারিত পড়ুন : শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির আশা বাঁচিয়ে রাখল বাংলাদেশ   সাকিবের পর শান্তকেও সেঞ্চুরিবঞ্চিত করলেন ম্যাথুস ২১: ৪৪, নভেম্বর ০৬ প্রথমে সাকিব। এবার নাজমুল। পরপর দুই ওভারে ৮০-পেরোনো দুই থিতু ব্যাটসম্যানকে ফেরালেন ম্যাথুস। ক্রস সিমের ডেলিভারিতে আলতো করে খেলতে গিয়ে স্টাম্পে বল ডেকে এনেছেন নাজমুল। সেঞ্চুরি থেকে ১০ রান দূরে দাঁড়িয়ে ফিরে যেতে হয়েছে তাঁকে। সর্বশেষ ৮ বলে কোনো রান দেননি নাজমুল, নিয়েছেন ২ উইকেট। জয়ের জন্য বাংলাদেশের দরকার ৬৯ রান। সাকিবের ৫০, সেঞ্চুরির পথে নাজমুল শান্ত ২০: ৫৮, নভেম্বর ০৬ চামিরার বলে ব্যাটের কানায় লেগে স্লিপের ওপর দিয়ে চার। সাকিব পৌঁছালেন ৫০ রানে। এ বিশ্বকাপে যেটি প্রথম তাঁর। একই সাথে সেঞ্চুরির পথে একটু একটু করে এগিয়ে যাচ্ছেন নাজমুল হোসেন শান্ত। ২৫ ওভারে ১৬১/২, দিল্লিতে দারুণ অবস্থানে বাংলাদেশ।      শান্তর ফিফটি, একই পথে সাকিবও ১৯: ৩৫, নভেম্বর ০৬ ৫৯*, ০, ৭, ৮, ০, ৯, ৪-আজকের আগে বিশ্বকাপে নাজমুল হোসেন শান্তর স্কোর। দারুণ ফর্মে থাকা টাইগার এই ক্রিকেটার বিশ্বকাপটা কাটাচ্ছিলেন দুঃস্বপ্নের মতো। আজ লঙ্কানদের বিপক্ষে রানে ফিরলেন। ইনিংসের ২১তম ওভারের দ্বিতীয় বলে অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউসের বল বাউন্ডারি ছাড়া করে ৫৮ বলে ৫০ পূর্ণ করেন। সাকিব-নাজমুলের ব্যাটে লড়ছে বাংলাদেশ ১৯: ৩৫, নভেম্বর ০৬ আবারও ব্যর্থ দুই ওপেনার তানজিদ তামিম ও লিটন দাস। দুই ওপেনার দ্রুত ফিরলেও দলকে টানছেন নাজমুল শান্ত ও সাকিব আল হাসান জুটির। এ জুটির রান ইতোমধ্যে ৫০ ছাড়িয়েছে। ৫০ বলে ৪০ রানে ব্যাট করছেন শান্ত আর সাকিব অপরাজিত আছেন ৩১ বলে ২৯ রানে।  এলবিডব্লিউ হয়ে ফিরলেন লিটন ১৯: ৩৫, নভেম্বর ০৬ ৬ রানের মাথায় জীবন পেয়েছিলেন লিটন দাস। তবে বেশিদূর এগোতে পারলেন না। ইনিংসের ষষ্ঠ ওভারে কাসুন রাজিথার ওপর চড়াও হয়েছিলেন লিটন দাস। পরপর ২ বলে ২টি ছক্কা মারেন তিনি। যদিও দ্বিতীয় ছক্কাটি মারার পরই পায়ে টান পড়ে। বেশ খানিকটা সময় পর আবারও ব্যাটিংয়ের জন্য প্রস্তুত হন। কিন্তু তিনি বেশিক্ষণ টিকলেন না। পরের ওভারে মাদুশঙ্কার দারুণ এক ইয়র্কারে এলবডব্লিউ হন লিটন। সাজঘরে ফেরার আগে ২৩ বলে ২২ রান করেছেন।   তানজিদ আউট, বাঁচলেন লিটন ১৯: ০৫, নভেম্বর ০৬ নতুন বলে উইকেট—দিলশান মাদুশঙ্কার অভ্যাস হয়ে গেছে সেটি এ বিশ্বকাপে। তাঁর সর্বশেষ শিকার তানজিদ হাসান। লেংথ বলে ব্যাট চালিয়েছিলেন বাংলাদেশ ওপেনার, তাতে ক্যাচ উঠেছিল ওপরে। কাভারে সেটি নিয়েছেন পাতুম নিশাঙ্কা।  এ ওভারে আউট হতে পারতেন লিটনও। শর্ট বলে ঘুরিয়ে মেরেছিলেন, ক্যাচ গিয়েছিল ডিপ ফাইন লেগে। ফিল্ডার নাগাল পেলেও রাখতে পারেননি এবার, উল্টো হয়েছে চার। মাদুশঙ্কা উল্লাস করতে ছুটছিলেন, সেটি রূপ নিয়েছে হতাশায়। এ শট খেলতে গিয়ে বাঁ পায়ে টানও পেয়েছেন লিটন। ৩ ওভারে ২৩/১।    ২৭৯ রানে অলআউট শ্রীলঙ্কা ১৮:২০, নভেম্বর ০৬ বাংলাদেশের বোলিং তোপে শুরুতেই ব্যর্থ শ্রীলঙ্কার টপ অর্ডাররা। তবে একপ্রান্ত আগলে রেখে দলকে একাই টেনে নিলেন চারিথ আসালাঙ্কা। দলের অন্য ব্যাটাররা যখন অর্ধ-শতকও হাঁকাতে ব্যর্থ সেখানে দারুণ ব্যাটিংয়ে শতক তুলে নেন তিনি। ১০৫ বলে ১০৮ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে প্যাভিলিয়নে ফেরেন এই লঙ্কান ব্যাটার। আসালাঙ্কার শতক ও সামারাবিক্রমা-নিশাঙ্কার ব্যাটে ভর করে সবকটি উইকেট হারিয়ে ২৭৯ রান করে শ্রীলঙ্কা।  বোলিংয়ে বাংলাদেশের হয়ে ১০ ওভারে ৮০ রান দিয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট শিকার করেন তরুণ পেসার তানজিম হাসান সাকিব। সাকিব আল হাসান ও শরিফুল ইসলাম প্রত্যেকে পান ২টি করে উইকেট। এছাড়া অফস্পিনার মেহেদি হাসান মিরাজ নেন ১টি উইকেট। টাইম আউটে কাটা পড়লেন ম্যাথুস ১৬:৩৫, নভেম্বর ০৬ এমসিসির আইন অনুযায়ী, কোনো ব্যাটারের আউটের ৩ মিনিটের মধ্যে পরের বলটা খেলতে হবে। কিন্তু আইসিসির প্লেয়িং কন্ডিশন অনুযায়ী, ২ মিনিটের মধ্যে খেলতে হবে। ম্যাথুস ২ মিনিটের মধ্যে উইকেটে এলেও বল খেলতে পারেননি। ম্যাথুস বারবার তাঁর হেলমেট ইঙ্গিত করে বোঝাতে চেষ্টা করছিলেন ওটা ঠিকঠাক করতে একটু সময় লেগেছে। এ সময় তাঁর হাতে ছিল দুটি হেলমেট। নিয়মটি সাকিবের ভালোভাবে জানা ছিল বলেই আবেদন করেন আম্পায়ার মরিস এরাসমাসের কাছে। নিয়ম অনুযায়ী লঙ্কান ব্যাটার আউট। আর তাতেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট প্রথমবারের মতো দেখল ‘টাইমড আউট’।  সামারাবিক্রমাকে ফিরিয়ে ঝড় থামালেন সাকিব ১৬:২০, নভেম্বর ০৬ দলীয় ৭২ রানের মাথায় তৃতীয় উইকেট হারায় শ্রীলঙ্কা। তবে ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশের জন্য মাথাব্যথার কারণ হয়ে উঠেছিল সামারাবিক্রমা ও চারিথ আসালাঙ্কা। অবশেষে সামারাবিক্রমাকে ফিরিয়ে লঙ্কান ঝড় থামালেন সাকিব আল হাসান। টাইগার কাপ্টানের দ্বিতীয় শিকারে দলীয় ১৩৫ রানের মাথায় চতুর্থ উইকেট হারাল তারা। ১০০ পার লঙ্কানদের ১৫:৫৬, নভেম্বর ০৬ টপ-অর্ডারের তিন ব্যাটার ফেরার পর বেশ দেখেশুনেই এগিয়ে যাচ্ছে শ্রীলঙ্কা। টাইগার বোলারদের ওপরে চড়াও হচ্ছেন চারিত আসালাঙ্কা ও সাদিরা সামারাবিক্রমা। তানজিমের পর সাকিবের ওভারেও জোড়া ওভার বাউন্ডারি হাঁকিয়েছেন আসালাঙ্কা। এ জুটিতেই ১০০ পেরিয়েছে লঙ্কানদের দলীয় সংগ্রহ। ১৯ ওভারে ১০৮/৩   লঙ্কান মিডল-অর্ডারে দুর্দশা ১৫:৫১, নভেম্বর ৬ ২৭ দশমিক ৩৫; বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচের আগে এটি বিশ্বমঞ্চে লঙ্কান মিডল-অর্ডারের ৯চতুর্থ-ষষ্ঠ উইকেট জুটি) গড়।  এরই মধ্যে ফিরেছেন তিন টপ-অর্ডার। ক্রিজে নতুন দুই ব্যাটার। তাই নিশ্চিতভাবেই উইকেট তুলে নেওয়ার প্রত্যাশা করবে সাকিব বাহিনী।   সাকিবের পর তানজিমের আঘাত ১৫:৩১, নভেম্বর ৬ রীতিমতো উড়ছিলেন লঙ্কান দুই ব্যাটার নিশাঙ্কা ও মেন্ডিস। তবে ইনিংসের ১২তম ওভারে আক্রমণে এসেই লঙ্কান অধিনায়ককে ফেরান টাইগার দলপতি সাকিব। বিশ্বসেরা অলরাউন্ডারের ওভারের তৃতীয় বলটি সজোরে হাঁকিয়েছিলেন লঙ্কান এ টপ-অর্ডার ব্যাটার। দেখে মনে হচ্ছিল, বাউন্ডারি পেরিয়ে যাচ্ছে তার হাঁকানো শটটি। তবে লগ-অন প্রান্তে তা তালুবন্দি করেছেন শরিফুল। এবার পরের ওভারেই ওপেনার নিশাঙ্কাকে ফিরিয়েছেন অভিষিক্ত পেসার তানজিম। তার বলে বোল্ড হয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরেছেন নিশাঙ্কা। ৩৬ বলে ৪১ রানে থামলেন তিনি। এতে পরপর দুই ওভারে দুই উইকেট হারিয়েছে লঙ্কানরা। ১৩ ওভারে ৭২/৩ মেন্ডিসকে ফেরালেন টাইগার দলপতি ১৫:২৫, নভেম্বর ৬ প্রথম পাওয়ার প্লের (১২তম ওভার) পরপরই আক্রমণে এসেছিলেন টাইগার দলপতি সাকিব আল হাসান। এসেই উড়তে থাকা মেন্ডিসকে ফেরালেন তিনি। সাকিবের ওভারের তৃতীয় বলটি সজোরে হাঁকিয়েছিলেন লঙ্কান এ টপ-অর্ডার ব্যাটার। দেখে মনে হচ্ছিল, বাউন্ডারি পেরিয়ে যাচ্ছে তার হাঁকানো শটটি। তবে লগ-অন প্রান্তে তা তালুবন্দি করেছেন শরিফুল।  ১২ ওভারে ৬৯/২ ১০ ওভারে শ্রীলঙ্কা ৫২/১ ১৫:১৭, নভেম্বর ৬ ইনিংসের প্রথম ওভারেই উইকেটের দেখা পেয়েছিল বাংলাদেশ। ইনিংসের প্রথম ওভারের শেষ বলটি স্টাম্পের বেশ বাইরে দিয়ে করেছিলেন পেসার শরিফুল। শ্রীলঙ্কান ওপেনার কুশল পেরেরা ব্যাট চালিয়েছিলেন। মুশফিকুর বাম সাইডে লাফিয়ে দুর্দান্তভাবে তা লুফে নেন। তবে শুরুর সেই ধাক্কা সামলে বেশ শক্তভাবেই ক্রিজে থিতু হচ্ছেন লঙ্কান দুই ব্যাটার। এরপর প্রথম পাওয়ার প্লেতে আর সফলতার দেখা পায়নি লাল-সবুজেরা। একপ্রান্তে দুর্দান্ত বোলিংয়ে রানের চাকা আটকে রেখেছিলেন তাসকিন। কিন্তু অন্যপ্রান্তে উদার হাতে রান দিয়েছেন শরিফুল-তানজিমরা। ১০ ওভারে ৫২/১   বিশ্বকাপে তানজিমের প্রথম ওভার ১৫:০৭, নভেম্বর ৬ ওভারে ২২ রান দেওয়ার শরিফুলের পরিবর্তে আক্রমণে এসেছেন বিশ্বকাপে অভিষিক্ত তানজিম সাকিব। তবে তার প্রথম ওভারটিই ঘটনাবহুল। বৈশ্বিক মহারণে নিজের প্রথম বলেই লঙ্কান ব্যাটার নিশাঙ্কাকে বাউন্স দিয়ে ভড়কে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন, এতে সফলও হয়েছেন তিনি। কিন্ত লাফিয়েও তা নাগাল পাননি উইকেট কিপার মুশি। এরপর স্লিপে আরেকটি ক্যাচ উঠেছিল। কিন্তু সেখানে কোনো ফিল্ডার ছিল না।  ৭ ওভারে শ্রীলঙ্কা ৩৯/১   প্রথম ওভারেই শরীফুলের উইকেট শিকার ১৪:৩৫, নভেম্বর ৬ ইনিংসের প্রথম ওভারের শেষ বলটি স্টাম্পের বেশ বাইরে দিয়ে করেছিলেন পেসার শরিফুল ইসলাম। শ্রীলঙ্কান ওপেনিং ব্যাটার কুশল পেরেরা ব্যাট চালিয়েছিলেন। উইকেটকিপার মুশফিকুর রহিম বাম সাইডে লাফিয়ে দুর্দান্ত ক্যাচ লুফে নিয়েছেন। কমেন্ট্রি বক্সে আতহার আলী খানের ভাষায়, টুর্নামেন্টেরই অন্যতম সেরা ক্যাচ সেটি।  তৃতীয় বলে চার মেরে শুরু করেছিলেন পেরেরা। কিন্তু তাঁকে টিকতে দিলেন না মুশফিক। প্রথম ওভারেই ব্রেক থ্রু পেল বাংলাদেশ। শ্রীলঙ্কা ১ ওভারে ৫/১। একাদশ ১৪:০৩, নভেম্বর ৬ আইসিসি ২০২৫ চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে জায়গা করে নেওয়ার লক্ষ্যে এ ম্যাচে নিজেদের একাদশে এক পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ। এ ম্যাচে বাদ পড়েছেন টাইগারদের অটোচয়েজ পেসার মোস্তাফিজ। একাদশে জায়গা পেয়েছেন অভিষেকের অপেক্ষায় রাখা তানজিম হাসান সাকিব। অন্যদিকে লঙ্কান একাদশেও দুই পরিবর্তন এসেছে। বাংলাদেশ একাদশ : লিটন দাস, তানজিদ হাসান, নাজমুল হোসেন, সাকিব আল হাসান (অধিনায়ক), মুশফিকুর রহিম (উইকেটকিপার), তাওহিদ হৃদয়, মাহমুদউল্লাহ, মেহেদী হাসান মিরাজ, তাসকিন আহমেদ, তানজিম হাসান ও শরীফুল ইসলাম। শ্রীলঙ্কা একাদশ : পাতুম নিশাঙ্কা, কুশল পেরেরা, কুশল মেন্ডিস (অধিনায়ক, উইকেটকিপার), সাদিরা সামারাবিক্রমা, চারিত আসালাঙ্কা, অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস, ধনাঞ্জয়া ডি সিলভা, মহীশ তিকশানা, কাসুন রাজিতা, দুষ্মন্ত চামিরা ও দিলশান মাদুশঙ্কা।   টস ১৪:০২, নভেম্বর ৬ টস জিতে বোলিংয়ে বাংলাদেশ স্বাগতম ১৩:৫৫, নভেম্বর ৬ সবাইকে স্বাগতক আরটিভির লাইভ স্কোর আপডেটে। নিজেদের অষ্টম ম্যাচে কিছুক্ষণ পর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে মাঠে নামছে বাংলাদেশ। বেলা আড়াইটায় মাঠে নামবে সাকিব-শান্তরা।   
শ্রীলঙ্কাকে ৩ উইকেটে হারাল বাংলাদেশ
আরও পড়ুন
অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ভারতের মেয়েদের ইতিহাস
দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশি যুবককে গুলি করে হত্যা
অস্ট্রেলিয়া সফরে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলে ৭ নতুন মুখ
দক্ষিণ আফ্রিকা-ভারত ম্যাচসহ টিভিতে আজকের খেলা