
ভারতের স্বপ্নভঙ্গ, বিশ্বচ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া
২১: ৫২, নভেম্বর ১৯
চলমান ওয়ানডে বিশ্বকাপের ফাইনালে বিরাট কোহলি-লোকেশ রাহুলের ফিফটিতে ভর করে ২৪০ রান তুলেছিল ভারত। এরপর ২৪১ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে দ্রুত ৩ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়েছিল অস্ট্রেলিয়া। তবে হেডের সেঞ্চুরিতে ঘুরে দাঁড়িয়ে সহজ জয় তুলে নিয়েছে অজিরা। তাতে রেকর্ড ষষ্ঠবার শিরোপা ঘরে তুললো অজিরা।
রোববার (১৯ নভেম্বর) আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে আইসিসি ওয়ানডে বিশ্বকাপের ১৩তম আসরের ফাইনালে প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ৫০ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে ২৪০ রান সংগ্রহ করে ভারত। ব্যাট হাতে লোকেশ রাহুল ১০৭ বলে ৬৬ ও বিরাট কোহলি ৬৩ বলে ৫৪ রান করেন। এছাড়া অধিনায়ক রোহিত শর্মা খেলেন ৩১ বলে ৪৭ রানের ইনিংস।
জবাবে লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৪৭ রানের মধ্যেই ৩ উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়েছিল অস্ট্রেলিয়া। এরপর ১৯৫ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়েন ট্রাভিস হেড ও মার্নাস লাবুশেন। হেডের ১৩৫ ও লাবুশেনের ৬০ রানে অপরাজিত থেকে ৬০ বল হাতে রেখে ৭ উইকেটের জয় তুলে নেয় অজিরা। এতে রেকর্ড ষষ্ঠবারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়নের খেতাব পেল প্যাট কামিন্সের দল।
হেডের অনবদ্য সেঞ্চুরি
২১: ১১, নভেম্বর ১৯
পায়ের ব্যবহার করে চার, এরপর মিড অনের একটু ওপর দিয়ে আরেকটি চার। হেড ভাগ্যকে পাশে পেয়েছেন, সুযোগও কাজে লাগিয়েছেন দারুণভাবে। কুলদীপের বলে এরপর ডাবলস নিয়ে যান ৯৯ রানে। এরপর চুরি করেছেন সিঙ্গেল, জাদেজার থ্রো সরাসরি লাগলে হয়ত আউট হতে পারতেন। তবে তাতে কিছু যায় আসে না। হেড পেয়ে গেছেন সেঞ্চুরি! ২০১১ সালে মাহেলা জয়াবর্ধনের পর বিশ্বকাপ ফাইনালে প্রথম সেঞ্চুরি।
হেড-লাবুশেন জুটিতে এগোচ্ছে অস্ট্রেলিয়া
২০: ৪০, নভেম্বর ১৯
দলের বাজে সময়ে ব্যাট হাতে হাল ধরেছেন হেড। এক প্রান্তে তিন ব্যাটার সাজঘরে ফিরলেও আরেক প্রান্তে অবিচল আছেন এই ওপেনার। ইতোমধ্যেই তুলে নিয়েছেন ফিফটি। ৫৮ বলে এই মাইলফলক ছুঁয়েছেন তিনি। এতে ক্রমশ ভারতের দুশ্চিন্তা বাড়িয়ে হেক্সা মিশনের দিকে বেশ ভালোভাবেই এগিয়ে যাচ্ছেন তারা।
এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়া ২৬ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ১৪৪ রান করেছে অস্ট্রেলিয়া। জয়ের জন্য এখনও ১৪৪ বলে ৯৭ রান করতে হবে অজিদের, হাতে আছে ৭ উইকেট। ব্যাট হাতে ট্রাভিস হেড ৬৯ ও মার্নাস লাবুশেন ৩২ রানে ব্যাট করছেন।
হেড-লাবুশেন জুটিতে লড়ছে অস্ট্রেলিয়া
২০: ১০, নভেম্বর ১৯
দলীয় ৪৭ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল অজিরা। সেখান থেকে দলকে টেনে তোলার চেষ্টা করছেন ওপেনার ট্রাভিস হেড। তাকে যোগ্য সঙ্গ দিচ্ছেন মিডল অর্ডার ব্যাটার মার্নাস লাবুশেন। এই দুই ব্যাটারের জুটিতে ২০তম ওভারে দলীয় শতক ছাড়িয়েছে অজিরা। হেড তার ব্যক্তিগত ফিফটির দিকে বেশ ভালোভাবেই এগিয়ে যাচ্ছেন।
অস্ট্রেলিয়া ২০ ওভারে ১০৪/৩; হেড ৪৪*, লাবুশেন১৭*
বুমরাহর জোড়া শিকারে বিপর্যয়ে অস্ট্রেলিয়া
১৯: ২৮, নভেম্বর ১৯
প্রথম ৪ ওভারে ১ উইকেটে উঠেছিল ৪১ রান। তবে পরের ওভারেই বুমরাহর সুইংয়ের সামনে অসহায় আত্মসমর্পণ করলেন মিচেল মার্শ। অফ স্টাম্পের বাইরের বলে ব্যাট চালিয়ে রাহুলের হাতে ধরা পড়লেন এই টপ অর্ডার ব্যাটার। সাজঘরে ফেরার আগে তার ব্যাট থেকে এসেছে ১৫ বলে ১৫ রান।
এরপর ব্যাট হাতে নেমে স্মিথ খেলবেন দেখেশুনে। স্বাভাবিকভাবেই তাঁকে আউট করতে ভিন্ন কৌশলে এগোতে হবে ভারতকে। এবং ফুললেংথে স্লোয়ার বুমরার! স্মিথ মিস করে এলবিডব্লু। রিভিউও করেননি তিনি। আহমেদাবাদে এবার এগিয়ে ভারত। প্রথম ১০ ওভারের চ্যালেঞ্জে পেছনে পড়ে গেছে অস্ট্রেলিয়া।

ওয়ার্নারকে ফেরালেন শামি
১৯: ০২, নভেম্বর ১৯
প্রথম ওভারে জশপ্রিত বুমরাহর বলে বেঁচেছিলেন তিনি। তবে দ্বিতীয় ওভারে মোহাম্মদ শামির বলে আর বাঁচলেন না ডেভিড ওয়ার্নার। অফ স্টাম্পের বেশ বাইরের বলে ব্যাট চালিয়ে স্লিপে ক্যাচ দিয়েছেন ওয়ার্নার, প্রথম স্লিপে ভুল করেননি বিরাট কোহলি। উইকেট লাগবে বলে শামিকে আনা হয়েছে দ্বিতীয় ওভারেই, সফলও হলেন স্বপ্নের মতো বিশ্বকাপ কাটানো এ পেসার। সপ্তম বলে প্রথম আঘাত ভারতের, ফাইনাল জীবন্ত হয়ে উঠেছে আহমেদাবাদে।
অস্ট্রেলিয়া ১৭/১

২৪০ রানে শেষ ভারত
১৮: ৩৪, নভেম্বর ১৯
ঘরের মাঠে পুরো বিশ্বকাপে ব্যাট হাতে দারুণ ফর্মে ছিলেন ভারতের ব্যাটাররা। কিন্তু শিরোপা নির্ধারণী ফাইনালে এসেই যেন হোঁচট খেতে হলো টিম ইন্ডিয়াকে। প্রায় দেড় লাখ দর্শকের সামনে পাহাড়সম চাপ সামলে উঠতে পারেনি তারা। যার ফলে ইনিংসে শেষ বলে মাত্র ২৪০ রানেই অলআউট হয়ে গেছে রোহিত শর্মার দল।
ব্যাট হাতে লোকেশ রাহুল ৬৬, বিরাট কোহলি ৫৪ ও অধিনায়ক রোহিত শর্মা ৪৭ রানের ইনিংস খেলেন। বল হাতে মিচেল স্টার্ক ৩টি এবং জশ হ্যাজেলউড ও প্যাট কামিন্স ২টি করে উইকেট শিকার করেন।
অলআউটের শঙ্কায় ভারত
১৮: ০৫, নভেম্বর ১৯
দলীয় ১৭৮ রানের মাথায় পঞ্চম ব্যাটার হিসেবে আউট হয়েছিলেন রবীন্দ্র জাদেজা। এরপর রাহুল ও সূর্যকুমারের ব্যাটে দুইশ রানের গণ্ডি পেরোয় ভারত। তবে ২১৪ রানের মধ্যেই ৮ উইকেট হারিয়ে অলআউটের শঙ্কায় পড়েছে রোহিত শর্মার দল।
রিভিউ ব্যর্থ, এরপর কট বিহাইন্ড জাদেজা
১৭: ২০, নভেম্বর ১৯
আহমেদাবাদের টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে রোহিত দারুণ শুরু এনে দিলেও মাঝে দ্রুত উইকেট হারিয়ে ফেলেছে ভারত। যে কারণে একজন বাড়তি ব্যাটসম্যানের অভাব বোধ করারই কথা তাদের। সূর্যকুমারকে ইনিংসের শেষ ভাগে আনতে তাঁর আগে পাঠানো হয়েছিল রবীন্দ্র জাদেজাকে, কিন্তু সেটি ঠিক সেভাবে কার্যকরী হয়নি।
হ্যাজলউডের অফ স্টাম্পের বাইরের লাইন ধরে রাখা বলে খোঁচা দিয়ে ফিরে গেছেন জাদেজা। ২২ বল খেলে এ বাঁহাতি করতে পেরেছেন ৯ রান। সূর্যকুমারের আগে তাঁকে পাঠানো ঠিক কাজে দিল না ভারতের। শেষ স্বীকৃত ব্যাটসম্যান সূর্যকুমারকে ক্রিজে আসতে হয়েছে ৩৬তম ওভারেই।
ভারত ৩৮ ওভারে ১৮২/৫।

দলের বিপর্যয়ে রাহুলের লড়াকু ফিফটি
১৭: ০৬, নভেম্বর ১৯
উড়ন্ত সূচনার পর দ্রুত ২ উইকেট পড়ে যাওয়ায় মাঠে নেমেছিলেন লোকেশ রাহুল। এরপর ইনিংস গড়তে সময় নিয়েছেন তিনি। কোহলি ফেরার পর তাঁর কাঁধে এখন আরও বড় দায়িত্ব। দলের বিপর্যয়ের মুখে লড়াকু ফিফটি তুলে নিয়েছেন তিনি। ৮৬ বলের ইনিংসে ১টি মাত্র বাউন্ডারিতে পঞ্চাশ ছাড়িয়েছে স্বাগতিকরা।

ফিফটির পর ফিরলেন কোহলি
১৫: ৩৮, নভেম্বর ১৯
আহমেদাবাদের প্রায় ১ লাখ ৩২ হাজার দর্শককে স্তব্ধ করে দিয়ে বিরাট কোহলি বোল্ড! গ্যালারিতে স্ত্রী আনুশকা শর্মার চোখেমুখে স্পষ্ট বিষাদের ছাপ। ডাগআউটে রবিচন্দ্রন অশ্বিনের মাথায় হাত। কামিন্সের শর্ট লেংথের বল আলতো করে খেলতে চেয়েছিলেন কোহলি। তবে বল এতটা উঠবে, ভাবতে পারেননি। ব্যাটের কানায় লেগে বল গিয়ে ভেঙেছে স্টাম্প। ফাইনালের মহাগুরুত্বপূর্ণ উইকেট নিলেন অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক।
কোহলি থেমেছেন ৬৩ বলে ৫৪ রান করে। ভারত ৩০ ওভারে ১৫২/৪; রাহুল ৩৯, রবীন্দ্র জাদেজা ১

কোহলির ফিফটি
১৫: ২২, নভেম্বর ১৯
বিরাট কোহলি-লোকেশ রাহুল জুটি গড়ার চেষ্টা করছেন। তাদের ধীরগতির ব্যাটিংয়ের প্রভাব পড়েছে রান রেটেও। পাওয়ার প্লেতে ওভার প্রতি ৮ করে রান তুলেছিল ভারত। তবে এখন সেটা ৬ এর নিচে নেমে এসেছে। শেষ ১৬ ওভারে কোনো বাউন্ডারি হাঁকাতে পারেনি স্বাগতিকরা। তবে ৫৬ বলে ঠিকই নিজের ফিফটি তুলে নিয়েছেন ব্যাটিং জিনিয়াস বিরাট কোহলি। ইনিংসে ৪টি বাউন্ডারি হাঁকিয়েছেন তিনি।
এবার বিশ্বকাপে ১১ ইনিংসে নবমবারের মতো ৫০ পেরোলেন কোহলি। ভারতের রান মেশিন আছেন দুর্দান্ত ফর্মে, ফাইনালেও বয়ে আনলেন সেটি। অন্য প্রান্তে রাহুল ভুগছেন, তবে কোহলি খেলে চলেছেন বেশ ভালো একটা স্ট্রাইক রেট ধরে রেখেই। তবে ফাইনালে ভারতের ভাগ্যের অনেকটাই নির্ভর করছে কোহলি কতক্ষণ থাকেন, সেটির ওপর। রাহুলের সঙ্গে তাঁর জুটি ৫০ পেরিয়েছে আরও আগেই।
৩ উইকেট হারিয়ে সতর্ক ভারত
১৫: ৫৫, নভেম্বর ১৯
পরপর দুই ওভারে রোহিত ও আইয়ার ফেরার পর বেশ সতর্ক ভারতীয় ব্যাটাররা। ভারত ১০০ পেরিয়ে গেলেও দশম ওভারের পর আসেনি কোনো বাউন্ডারি। আপাতত ইনিংস পুনর্গঠনে ব্যস্ত কোহলি ও রাহুল। ৩৪ বলে এই জুটিতে এসেছে মোটের ওপর ২০ রান।
৯ দশমিক ৩ ওভারে ৭৬/১
১৭ ওভারে ১০৪/৩
মাঠে আনুষ্কাসহ বলিউডের তারকারা...
১৫: ৫০, নভেম্বর ১৯
১৭ ওভার শেষে ভারত ১০৪/৩; বিরাট ৩৫ রানে এবং ১২ রানে কেএল রাহুল ক্রিজে আছেন।

১০০ ছাড়াল ভারতের পুঁজি
১৫: ৪২, নভেম্বর ১৯
রোহিতের পর শ্রেয়াস আইয়ারও আক্রমণাত্মক শুরুর চেষ্টা করেছিলেন। নিজের মোকাবিলা করা দ্বিতীয় বলে ম্যাক্সওয়েলকে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে রানের খাতা খুলেন তিনি। তবে থিতু হতে পারেননি উইকেটে। পরের ওভারেই তাকে সাজঘরে ফেরান কামিন্স। তবে ৫ বলের ব্যবধানে ২ উইকেট হারানোর ধাক্কা সামলে দলকে এগিয়ে নিচ্ছেন কোহলি ও কেএল রাহুল। ১৬তম ওভারেই ১০০ ছাড়িয়েছে ভারতের সংগ্রহ।
১৬ ওভার শেষে ১০১/৩
নীল সমুদ্রে আহমেদাবাদ
১৫: ২৭, নভেম্বর ১৯
ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ, আর তাতে দারুণ ফর্মে স্বাগতিক দল। ম্যান ইন ব্লুদের তৃতীয় শিরোপা দেখার আশায় প্রায় ১৭০ কোটি জনতা। যে কারণে তারা হাজির আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে। এক লাখ ৩০ হাজার দর্শক ধারণ ক্ষমতার ভেন্যুটি পরিণত হয়েছে ‘নীল সমুদ্র।’

গিলের পর ফিরলেন রোহিতও
১৫: ১৪, নভেম্বর ১৯
অষ্টম ওভারে দেখা গিয়েছিল স্পিন। ম্যাক্সওয়েলের পর আক্রমণে এসেছিলেন অধিনায়ক প্যাট কামিন্স।
এরপর প্রথম পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে ম্যাক্সওয়েলের ওপর চড়াও হন রোহিত। ক্রিজ ছেড়ে এসে লং অনের ওপর দিয়ে হাঁকান ছক্কা। পরক্ষণেই ব্যাকফুটে ভারতীয় অধিনায়ক। এবার যেভাবে খেলতে চেয়েছিলেন, তা হয়নি। কাভারে তার ক্যাচ দুর্দান্ত নৈপুণ্যে তালুবন্দি করেন ট্রাভিস হেড।
৩১ বলে ৪৭ রানে থামেন রোহিত। ১০ ওভারে ভারত ৮২/২।
অষ্টম ওভারে ম্যাক্সওয়েল
১৫:০২, নভেম্বর ১৯
ইনিংসের ৭ ওভার শেষে ভারতের সংগ্রহ এক উইকেটে ৫৪ রান। পেসারদের পর এবার স্পিনে আস্থা রেখেছেন অজি অধিনায়ক কামিন্স। অষ্টম ওভারে আক্রমণে এসেছেন অলরাউন্ডার গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। নিজের প্রথম ওভারে ৭ রান দিয়েছেন তিনি।
৮ ওভারে ৬১/১
কোহলির তিন বাউন্ডারি
১৫: ০১, নভেম্বর ১৯
গিল ফেরার পর অন-ডাউনে নেমেছেন কোহলি। এসেই আগ্রাসী মেজাজে খেলতে শুরু করেছেন টপ-অর্ডার এই ব্যাটার। ইনিংসের সপ্তম ওভারে পরপর তিন বাউন্ডারি মেরেছেন তিনি। আর শেষ ৩ বলে এসেছে ২ রান, সপ্তম ওভারেই ৫০ ছুঁয়েছে ভারত।
৭ ওভারে ৫৪/১।
প্যাভিলিয়নে গিল
১৪: ৫০, নভেম্বর
ইনিংসের ২৫ বলের মধ্যে মাত্র ছয়টি বল মোবাবিলা করেছিলেন গিল। এরপরই স্টার্কের শর্ট লেংথের বলে চড়াও হন এই ওপেনার। তবে যেভাবে হাঁকাতে চেয়েছিলেন, তা হয়নি। এতে সরাসরি ক্যাচ গেছে মিড অনে। মুহূর্তেই তা লুফে নেন জাম্পা।
৪.২ ওভারে ৩০/১।
আগ্রাসী রোহিত
১৪: ৪২, নভেম্বর ১৯
ক্রিজ ছেড়ে বেরিয়ে এসেই কাভারের ওপর দিয়ে জশ হ্যাজলউডকে সজোরে হাঁকালেন বাউন্ডারি। মিচেল স্টার্কের ৩ রানের মিতব্যায়ী ওভারের পর হ্যাজলউডের ওপর জমিয়ে রাখা আগ্রাসী মনোভাবে চড়াও হন তিনি। ফাইনাল! তা ভুলেই গেলেন ম্যান ইন ব্লুদের দলপতি।
২ ওভারে ১৩/০
একাদশ
১৪: ০৬, নভেম্বর ১৯
ফাইনালে দুই দলই একাদশ অপরিবর্তিত রেখেছে।
ভারত : রোহিত শর্মা (অধিনায়ক), শুবমান গিল, বিরাট কোহলি, শ্রেয়াস আইয়ার, লোকেশ রাহুল (উইকেটকিপার), সূর্যকুমার যাদব, রবীন্দ্র জাদেজা, যশপ্রীত বুমরা, কুলদীপ যাদব, মোহাম্মদ শামি ও মোহাম্মদ সিরাজ।
অস্ট্রেলিয়া : ডেভিড ওয়ার্নার, ট্রাভিস হেড, মিচেল মার্শ, স্টিভেন স্মিথ, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, মারনাস লাবুশেন, জশ ইংলিস, প্যাট কামিন্স (অধিনায়ক), অ্যাডাম জ্যাম্পা, মিচেল স্টার্ক ও জশ হ্যাজলউড।
টস
১৪:০২, নভেম্বর ১৯
দীর্ঘ দেড় মাসের মহাযজ্ঞ শেষে শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক প্যাট কামিন্স।
গ্যালারিতে দুই দলের ভক্ত-সমর্থকরা
১৩:৫০, নভেম্বর ১৯

স্বাগতম
১৩:৫০, নভেম্বর ১৯
সবাইকে স্বাগতক আরটিভির লাইভ স্কোর আপডেটে। বিশ্বকাপের ফাইনালে আর কিছুক্ষণ পর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামছে স্বাগতিক ভারত। আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে দুপুর আড়াইটায় ফাইনালটি শুরু হবে।




