ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

ফেসবুকে রিলসের পর কী? ২০২৬ সালের সোশ্যাল মিডিয়ার ৭ ট্রেন্ড

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৪ জানুয়ারি ২০২৬, ০৪:২২ পিএম
প্রতীকী ছবি

ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, টুইটার, ইউটিউব, হোয়াটসঅ্যাপ, টেলিগ্রাম বিশ্বের অন্যতম সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম। সারাক্ষণ কোনো না কোনো সোশ্যাল মিডিয়ায় সময় কাটাচ্ছেন। এখন সোশ্যাল মিডিয়া শুধু ছবি, স্ট্যাটাস বা ভিডিও পোস্ট করার প্ল্যাটফর্ম নয়। ব্যবসা বা টাকা আয় করার দারুণ এক প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে। আজকাল রিলস, শর্টসের ভিড়ে অনেক সময় প্রয়োজনীয় আপডেটও চোখের সামনে আসে না। কোন ছবি এআই দিয়ে বানানো আর কোনটা বাস্তব, তা আলাদা করতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে।

প্রযুক্তি বিশ্লেষকেরা বলছেন, ২০২৬ সালে সোশাল মিডিয়া আর কেবল সময় কাটানোর জায়গা থাকছে না। এটির ব্যবহার হবে আরও গুরুত্বপূর্ণ কাজে। ২০২৬ সালে সোশাল মিডিয়াতে নতুন কী কী ট্রেন্ড আসতে যাচ্ছে, চলুন সে ব্যাপারে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।

ভিডিওতে নতুনত্ব
ভিডিও যে এখন সোশাল মিডিয়ার প্রধান ভাষা, তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। তবে ২০২৬ সালে আমাদের ভিডিও দেখার ধরনে একটি বড় পরিবর্তন আসছে। ইউটিউব, টিকটক বা ফেসবুক—সবখানে শর্টস বা রিলসের ছড়াছড়ি। সোশাল মিডিয়ায় ঢুকলেই আমরা এসব ছোট ছোট ভিডিওর ভেতর ডুবে যাই। কিন্তু যখন কোনো বিষয় ভালোমতো জানতে চাইছি, তখন আমরা ইউটিউবে যাচ্ছি বিস্তারিত জানতে। ইউটিউব শর্টস এখন ৩ মিনিট পর্যন্ত লম্বা হওয়ায় আমরা আরও বিস্তারিত কনটেন্ট উপভোগ করতে পারছি। আমাদের চাহিদা বুঝেই এখন প্ল্যাটফর্মগুলো ভিডিওর দৈর্ঘ্য বাড়াচ্ছে আর আমরাও সেই অনুযায়ী প্ল্যাটফর্ম বেছে নিচ্ছি। তাই ২০২৬ সালের রিলস বা শর্টস হবে একটু দীর্ঘ, যাতে মানুষ এই ভিডিওর ব্যাপারে আরও ভালো জানতে পারে।

এআই না মানুষ?
এআই দিয়ে তৈরি ছবি আর ভিডিওতে নিউজফিড ভরে যাচ্ছে। এগুলো দেখতে চকচকে নিখুঁত হলেও দিনশেষে আমরা ভিডিওতে মানুষ দেখতে চাই। এআই-এর তৈরি নিখুঁত রোবোটিক ভিডিওর চেয়ে একজন রক্ত-মাংসের মানুষের ভুলত্রুটিপূর্ণ ভিডিও আমাদের কাছে বেশি বিশ্বাসযোগ্য মনে হচ্ছে। তবে প্রযুক্তি এখন এতটাই উন্নত হয়েছে যে মাঝে মাঝে কোনটি এআই আর কোনটি সত্যিকারের মানুষ, তা চিহ্নিত করতে হিমশিম খেতে হয়। এ কারণে সোশাল মিডিয়া ব্যবহারকারীরা চাচ্ছেন যাতে কোনো কনটেন্ট এআই দিয়ে তৈরি হলে তা স্পষ্টভাবে বলে দেওয়া হয়। ভ্রান্তির জগতে থাকার চেয়ে স্বচ্ছতা অনেক বেশি জরুরি।

আরও পড়ুন

ভিডিওতে ধারাবাহিকতা
প্রযুক্তি বিশ্লেষকেরা বলছেন, সোশাল মিডিয়া ব্যবহারের ধরন বদলে যাচ্ছে দিন দিন। টিভি সিরিয়াল বা ওয়েব সিরিজের মতো এখন ব্যবহারকারীরা মনের অজান্তে সোশাল মিডিয়াতেও ‘পরবর্তী পর্বে কী হবে’, সেই অপেক্ষায় থাকতে শুরু করেছেন। বিক্ষিপ্ত একটা-দুটো ভিডিও দেখার চেয়ে ধারাবাহিক গল্প দেখতে বেশি পছন্দ করছেন তারা। কোনো ভ্লগারের জীবনের গল্প হোক, অফিসের ভেতরের মজার ঘটনা বা কোনো ট্রাভেল সিরিজ—যেগুলো পর্ব আকারে আসছে, সেগুলোই আমাদের আটকে রাখছে। বিচ্ছিন্ন পোস্টের চেয়ে এই ‘সিরিজ’ বা ধারাবাহিক কনটেন্টগুলোই এ বছরের জনপ্রিয় ট্রেন্ড হয়ে উঠতে পারে।

ভাইরাল সংস্কৃতির দিন শেষ
লাখ লাখ ভিউ বা ভাইরাল টপিক এখন আর মানুষকে টানছে না। সোশাল মিডিয়ার অজস্র কনটেন্টের ভেতর হারিয়ে না গিয়ে এখন ব্যবহারকারীরা এমন কোথাও যুক্ত হতে চাইছেন, যেখানে তাঁরা তাঁদের জীবনের প্রতিফলন দেখতে পাবেন বা তাঁদের আগ্রহের জায়গা নিয়ে কথা বলবেন। আমরা এখন এমন সব গ্রুপ বা পেজ খুঁজছি, যেখানে আমাদের মতো সমমনা মানুষ আছে; তা হোক মিম পেজ বা শিক্ষামূলক কোনো গ্রুপ।

একতরফা নয়, দ্বিপক্ষীয় যোগাযোগ
ব্র্যান্ড বা কনটেন্ট ক্রিয়েটররা শুধু তাঁদের কথা বলে যাবেন আর আমরা শুনে যাব—সেই দিন আর নেই। আমরা এখন সরাসরি যোগাযোগে বিশ্বাসী। কোনো পেজে মেসেজ দিলে বা কমেন্ট করলে আমরা তাৎক্ষণিক উত্তরের আশা করি। যারা আমাদের প্রশ্নের উত্তর দ্রুত দিচ্ছে এবং আমাদের মতামতের গুরুত্ব দিচ্ছে, তাদের কনটেন্ট আমরা ফলো করছি বা ওই ব্র্যান্ডের পণ্য কিনতে আগ্রহী হচ্ছি।

লোকদেখানো কনটেন্ট নয়, মানুষ চায় ‘র’ ভিডিও
সোশাল মিডিয়া খুললেই সবাই সুখে আছে, সবাই সফল—এই মেকি জগৎ দেখতে দেখতে আমরা ক্লান্ত। সোশাল মিডিয়া ব্যবহারকারীরা এখন ‘পারফেকশন’ বা নিখুঁত জীবনের চেয়ে বাস্তব জীবনের গল্প বেশি পছন্দ করেন, যেখানে এডিট করা ছবি বা ভিডিওর চেয়ে ‘র ফুটেজ’ অনেক বেশি বিশ্বাসযোগ্য ও আকর্ষণীয়। সাজানো-গোছানো মিথ্যে গল্পের চেয়ে একজন সাধারণ মানুষের লড়াই বা সত্যিকারের অভিজ্ঞতার গল্প আমাদের বেশি টানছে। যে কনটেন্টে ব্যবহারকারীরা নিজেদের জীবনের ছায়া খুঁজে পাচ্ছেন, সেটাই তাঁরা বেশি বেশি দেখছেন।

গুগলকে বিদায়, সোশাল মিডিয়াই নতুন সার্চ ইঞ্জিন
আমাদের ধৈর্য এতই কমে গেছে যে কোনো কিছুর খোঁজ করতে এখন আমরা আর গুগলের কাছে যাই না। উল্টো আমরা সোজা চলে যাচ্ছি টিকটক, ইনস্টাগ্রাম বা ইউটিউবে। অর্থাৎ আমরা পড়ে নয়, বরং ভিডিও দেখে শিখতে চাইছি। বিশ্লেষকদের ধারণা, ২০২৬ সালে কোনো কিছু খোঁজার বা সার্চ করার অভ্যাসে সোশাল মিডিয়াই প্রধান হয়ে উঠবে। কারণ, সোশাল মিডিয়ায় আমরা এখন এমন সব কনটেন্ট খুঁজছি, যা আমাদের প্রশ্নের উত্তর দ্রুততার সঙ্গে সরাসরি দিতে পারে।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
এআই কনটেন্ট শনাক্তের উদ্যোগ জোরদার করছে টিকটক
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি কনটেন্ট চেনা, বোঝা এবং দায়িত্বশীলভাবে ব্যবহারের জন্য বিশেষ কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করেছে ‘টিকটক’।
এআই কনটেন্ট শনাক্তের উদ্যোগ জোরদার করছে টিকটক
স্টারলিংকের প্রথম মাসের ফ্রি মোবাইল সেবা, চালু করবেন যেভাবে
মোবাইল টাওয়ারের নেটওয়ার্কের বাইরে থেকেও যোগাযোগের সুযোগ দিতে আসছে স্যাটেলাইটভিত্তিক মোবাইল সেবা। বাংলালিংক গ্রাহকদের জন্য স্টারলিংক প্রযুক্তির এ সুবিধা দুর্গম পাহাড়, উপকূল, সমুদ্র ও নেটওয়ার্কবিহীন এলাকায় যোগাযোগের নতুন সম্ভাবনা তৈরি করছে। এ সেবার প্রথম মাসে নির্দিষ্ট ইন্টারনেট ও মিশ্র বান্ডেল প্যাকের সঙ্গে বিনা মূল্যে স্যাটেলাইট সুবিধা পাওয়ার সুযোগ থাকবে বলে জানানো হয়েছে। যেভাবে চালু করবেন সেবা এ সেবা ব্যবহারের জন্য আলাদা স্যাটেলাইট ফোন, ডিশ, অ্যান্টেনা কিংবা বিশেষ কোনো যন্ত্র কেনার প্রয়োজন নেই। তবে শুধু ফোরজি ফোন ও বাংলালিংক সিম থাকলেই সেবাটি ব্যবহার করা যাবে না। এ জন্য ফোনের সামঞ্জস্য, স্যাটেলাইট কাভারেজ এবং সংশ্লিষ্ট নম্বরে সেবাটির প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে হবে। সেবাটি নিজের নম্বরে চালু আছে কি না, তা জানতে বাংলালিংকের মাইবিএল (MyBL) অ্যাপ ব্যবহার করা যেতে পারে। প্রয়োজনে যোগাযোগ করা যাবে অপারেটরের গ্রাহকসেবায়। পাশাপাশি ফোনের সফটওয়্যার হালনাগাদ রাখা এবং ফোরজি সুবিধা সক্রিয় আছে কি না, তা পরীক্ষা করতে হবে। আলাদা অ্যাপ ইনস্টল করতে হবে? স্যাটেলাইটের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের জন্য আলাদা অ্যাপ ইনস্টল করে জটিল সেটআপ করার প্রয়োজন নেই। তবে ফোনটি এ প্রযুক্তির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে এবং অপারেটরের নির্ধারিত শর্ত পূরণ করতে হবে। কখন স্যাটেলাইটের সঙ্গে যুক্ত হবে ফোন? প্রচলিত মোবাইল টাওয়ারের কাভারেজের বাইরে চলে গেলে উপযুক্ত ফোন স্যাটেলাইট নেটওয়ার্কের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের চেষ্টা করতে পারে। এ ক্ষেত্রে খোলা আকাশের নিচে থাকা সুবিধাজনক। ভবন, পাহাড় বা অন্য কোনো বড় বাধা সংযোগে প্রভাব ফেলতে পারে। তবে নেটওয়ার্কের বাইরে গেলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্যাটেলাইট সংযোগ পাওয়া যাবে, এমন নিশ্চয়তা নেই। ফোনের মডেল, ব্যবহারকারীর অবস্থান, স্যাটেলাইট কাভারেজ ও অপারেটরের নির্ধারিত শর্তের ওপর সেবাটি নির্ভর করবে। প্রথম মাসে ফ্রি, এরপর কী? বাংলালিংকের ঘোষিত অফার অনুযায়ী, সেবা চালুর প্রথম মাসে নির্দিষ্ট ইন্টারনেট বা মিশ্র বান্ডেল প্যাকের সঙ্গে অতিরিক্ত খরচ ছাড়াই স্যাটেলাইট সুবিধা ব্যবহারের সুযোগ থাকবে। দ্বিতীয় মাস থেকে নির্দিষ্ট মাসিক ইন্টারনেট ও মিশ্র বান্ডেল প্যাকের সঙ্গেও এ সুবিধা পাওয়ার কথা রয়েছে। এ ছাড়া স্যাটেলাইট নেটওয়ার্কে ব্যবহারের জন্য প্রতি মাসে পাঁচটি বিনা মূল্যের এসএমএস দেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে। তবে কোন কোন প্যাকে এ সুবিধা পাওয়া যাবে, অফারটি পেতে অতিরিক্ত শর্ত রয়েছে কি না এবং সুবিধা গণনার তারিখ কী এসব তথ্য বাংলালিংকের আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা থেকে যাচাই করে নেওয়া প্রয়োজন। স্যাটেলাইট সংযোগে কী করা যাবে? প্রচলিত মোবাইল নেটওয়ার্কের বাইরে সীমিত যোগাযোগের সুযোগ তৈরি করাই এ সেবার মূল উদ্দেশ্য। দুর্গম এলাকা, সমুদ্র, উপকূল কিংবা দুর্যোগের সময় প্রচলিত নেটওয়ার্ক অকার্যকর হয়ে পড়লে এ প্রযুক্তি কাজে আসতে পারে। স্যাটেলাইট সংযোগের মাধ্যমে মেসেজিং, অবস্থানভিত্তিক কিছু সুবিধা এবং নির্দিষ্ট অ্যাপ ব্যবহারের সুযোগ থাকতে পারে। তবে সব অ্যাপ বা অনলাইন সেবা এতে কাজ করবে না। প্রচলিত ফোরজি বা ফাইভজি ইন্টারনেটের মতো উচ্চগতির সংযোগও আশা করা ঠিক হবে না। ডিশ বা অ্যান্টেনা বসানোর প্রয়োজন নেই প্রচলিত স্যাটেলাইট ইন্টারনেটের সঙ্গে ডাইরেক্ট-টু-সেল প্রযুক্তির পার্থক্য রয়েছে। সাধারণ স্যাটেলাইট ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য অনেক ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট স্থানে ডিশ বা অ্যান্টেনা বসাতে হয়। কিন্তু ডাইরেক্ট-টু-সেল প্রযুক্তিতে সামঞ্জস্যপূর্ণ মোবাইল ফোন সরাসরি স্যাটেলাইটের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে। ফলে বাড়ি বা অফিসে আলাদা ডিশ বসানোর প্রয়োজন হয় না। তবে ফোনের সামঞ্জস্য এবং অপারেটরের সেবার আওতাভুক্ত হওয়া জরুরি। অন্য অপারেটরের গ্রাহকেরা কি পাবেন? বাংলাদেশে সেবাটি বাংলালিংক গ্রাহকদের জন্য চালুর কথা বলা হয়েছে। অন্য অপারেটরের গ্রাহকেরা একই সুবিধা পাবেন কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য ছাড়া সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যাচ্ছে না। অর্থাৎ, শুধু ফোরজি ফোন থাকলেই স্টারলিংকভিত্তিক এ সেবা ব্যবহার করা যাবে না। প্রয়োজন হবে সামঞ্জস্যপূর্ণ ফোন, উপযুক্ত সিম এবং সংশ্লিষ্ট নম্বরে সেবাটির প্রাপ্যতা। সংযোগ না পেলে করণীয় ফোনে ফোরজি সুবিধা থাকা সত্ত্বেও স্যাটেলাইট সংযোগ না পেলে প্রথমে ফোনের সফটওয়্যার ও নেটওয়ার্ক সেটিংস পরীক্ষা করতে হবে। এরপর মাইবিএল অ্যাপে সেবাটি নম্বরে চালু আছে কি না, তা দেখতে হবে। এসব পরীক্ষা করার পরও সংযোগ না পেলে বাংলালিংকের গ্রাহকসেবায় যোগাযোগ করে ফোনের সামঞ্জস্য, নম্বরের যোগ্যতা, কাভারেজ এবং অফারের শর্ত সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়াই ভালো। আরটিভি/এসকে
স্টারলিংকের প্রথম মাসের ফ্রি মোবাইল সেবা, চালু করবেন যেভাবে
হোয়াটসঅ্যাপের নতুন ফিচারে বিপাকে পড়তে পারেন পুরোনো ফোনের ব্যবহারকারীরা
নিরাপত্তা জোরদার করতে নতুন ফিচার নিয়ে কাজ করছে জনপ্রিয় মেসেজিং অ্যাপ হোয়াটসঅ্যাপ। এ ফিচার চালু হলে পুরোনো অপারেটিং সিস্টেমে চলা স্মার্টফোনে অ্যাপটিতে লগইন করতে সমস্যায় পড়তে পারেন ব্যবহারকারীরা।
হোয়াটসঅ্যাপের নতুন ফিচারে বিপাকে পড়তে পারেন পুরোনো ফোনের ব্যবহারকারীরা
মোবাইল পকেটে রাখলে কি শুক্রাণুর ক্ষতি হয়, গবেষণা যা বলছে 
মোবাইল ফোন এখন দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। যোগাযোগ থেকে শুরু করে কাজ ও বিনোদন সব ক্ষেত্রেই বেড়েছে এর ব্যবহার।
মোবাইল পকেটে রাখলে কি শুক্রাণুর ক্ষতি হয়, গবেষণা যা বলছে 
নিজের ছবি দিয়ে হোয়াটসঅ্যাপে স্টিকার তৈরি করবেন যেভাবে
বন্ধুদের সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপে কথোপকথন আরও মজার করে তুলতে ব্যবহার করা যায় নিজের ছবি দিয়ে তৈরি স্টিকার। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের সহায়তায় সহজেই পছন্দের ছবি থেকে স্টিকার তৈরি করে তা হোয়াটসঅ্যাপে যুক্ত করা সম্ভব।
নিজের ছবি দিয়ে হোয়াটসঅ্যাপে স্টিকার তৈরি করবেন যেভাবে
আরও পড়ুন
রিলস বানাতে গিয়ে ক্যামেরাম্যানকে ৩ বোনের বিয়ে!
ঘণ্টার পর ঘণ্টা রিলস স্ক্রলিং করলে শরীরের যে ক্ষতি হয়
ঘণ্টার পর ঘণ্টা রিলস দেখার ভয়ংকর প্রভাব জানলে চমকে যাবেন
আইপিএলে ‘রিল সংস্কৃতি’ বন্ধে বিসিসিআইয়ের কড়া নির্দেশনা