ঢাকা বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩

আইফোনের যে সুবিধা পাবেন অ্যান্ড্রয়েডে

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৯ আগস্ট ২০২৬, ১১:০১ এএম
ছবি: সংগৃহীত

অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের জন্য দারুণ সুবিধা নিয়ে এসেছে গুগল। এখন কাছাকাছি থাকা দুটি অ্যান্ড্রয়েড ফোনের মধ্যে ছবি, ভিডিও, কনট্যাক্ট বা অন্য কোনও ফাইল শেয়ার করা আরও সহজ হবে। এজন্য বারবার বিভিন্ন অপশন খুঁজে বের করার প্রয়োজন হবে না। ফোন দুটিকে কাছাকাছি এনে টাচ করলেই শুরু হবে ফাইল পাঠানোর প্রক্রিয়া।

নতুন এই সুবিধার নাম ‘ট্যাপ টু শেয়ার’। এটি গুগলের কুইক শেয়ার ব্যবস্থারই একটি নতুন ফিচার। অনেকটা অ্যাপলের এয়ারড্রপের মতোই কাজ করবে এটি।

কী এই ট্যাপ টু শেয়ার?
অ্যান্ড্রয়েড ফোনে এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে ফাইল পাঠানোর জন্য আগে থেকেই কুইক শেয়ার রয়েছে। তবে নতুন ট্যাপ টু শেয়ার পদ্ধতিতে পুরো প্রক্রিয়াটি আরও সহজ করা হয়েছে। ফোনে থাকা ছবি, ভিডিও, কনট্যাক্ট, লোকেশনের লিঙ্ক কিংবা অন্য কোনো প্রয়োজনীয় ফাইল দ্রুত অন্য ফোনে পাঠানো যাবে। এজন্য আলাদা করে দীর্ঘ সময় ধরে সেটিংস খোঁজার প্রয়োজন হবে না।

তবে আপাতত সব অ্যান্ড্রয়েড ফোনে এই সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে না। নির্বাচিত কিছু নতুন বা তুলনামূলক সাম্প্রতিক ডিভাইসে ফিচারটি চালু করা হয়েছে। পিক্সেল ৬ এবং পরবর্তী কিছু মডেলে অ্যান্ড্রয়েড ১৭-এর মাধ্যমে এই সুবিধা ব্যবহার করা যাচ্ছে। স্যামসাংয়ের সাম্প্রতিক কিছু ডিভাইসেও এটি দেখা যাচ্ছে।

আরও পড়ুন

কীভাবে কাজ করবে?
ট্যাপ টু শেয়ার ব্যবহার করা বেশ সহজ। প্রথমে যে দুটি অ্যান্ড্রয়েড ফোনের মধ্যে ফাইল পাঠানো হবে, সেগুলো আনলক করতে হবে। এরপর ফোন দুটিকে একে অপরের কাছাকাছি আনতে হবে। তারপর দুই ফোন পরস্পরের সঙ্গে টাচ করলেই ট্যাপ টু শেয়ার সক্রিয় হবে। এরপর কোন ছবি, ভিডিও, কনট্যাক্ট বা অন্য ফাইল পাঠানো হবে, তা নির্বাচন করা যাবে। প্রয়োজনীয় অনুমতি দেওয়ার পর শুরু হবে শেয়ারিং। ফাইল পাঠানো শেষ হলে ফোন দুটি আলাদা করে নিলেই সংযোগ শেষ হয়ে যাবে। অর্থাৎ কাজ শেষে আলাদা করে সংযোগ বন্ধ করার ঝামেলাও থাকছে না।

চাইলে বন্ধও করা যাবে
যারা এই সুবিধা ব্যবহার করতে চান না, তারাও চাইলে ট্যাপ টু শেয়ার বন্ধ করে রাখতে পারবেন। এজন্য ফোনের সেটিংসে গিয়ে গুগল অপশন নির্বাচন করতে হবে। এরপর কুইক শেয়ারে গিয়ে ট্যাপ টু শেয়ার অপশনটি খুঁজে সেটি বন্ধ করা যাবে।

গুগল জানিয়েছে, ট্যাপ টু শেয়ার শুধু কয়েকটি নির্দিষ্ট অ্যান্ড্রয়েড ফোনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। ধীরে ধীরে আরও অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসে এই সুবিধা চালু করা হবে। ফলে ভবিষ্যতে অ্যান্ড্রয়েড ফোনে ছবি বা ফাইল পাঠানোর ক্ষেত্রে কুইক শেয়ার আরও সহজ ও দ্রুত হয়ে উঠতে পারে। বিশেষ করে কাছাকাছি থাকা দুটি ফোনের মধ্যে মুহূর্তের মধ্যে প্রয়োজনীয় ফাইল পাঠানোর ক্ষেত্রে নতুন এই ফিচারটি বেশ কাজে আসবে।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
গুগল ম্যাপসে ভুয়া তথ্য দিয়ে নিজের নামে রাস্তার নামকরণ
কোনো রাস্তার নাম ভুল থাকলে তা সংশোধন করার পাশাপাশি নতুন কোনো রাস্তার নাম গুগল ম্যাপসে যুক্ত করার সুযোগ থাকায় সহজেই সঠিক গন্তব্য খুঁজে পাওয়া যায় গুগল ম্যাপসে।
গুগল ম্যাপসে ভুয়া তথ্য দিয়ে নিজের নামে রাস্তার নামকরণ
পুলিশি সেবা এখন হাতের মুঠোয়, ঘরে বসেই করা যাচ্ছে জিডি
থানায় গিয়ে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার প্রচলিত ব্যবস্থার পাশাপাশি এখন ঘরে বসেই দ্রুত ও সহজ উপায়ে পুলিশি সেবা পাচ্ছেন নাগরিকরা। অনলাইন জিডি ব্যবস্থার মাধ্যমে যেকোনো সময় অভিযোগ দাখিল, আবেদনের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ, তদন্তকারী কর্মকর্তার সঙ্গে ডিজিটাল যোগাযোগ এবং জিডির সার্টিফাইড ডিজিটাল কপি সংগ্রহের সুযোগ মিলছে। ফলে এ ব্যবস্থা সময়, যাতায়াত খরচ ও হয়রানি কমিয়ে জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে এটি কার্যকর ভূমিকা রাখছে।
পুলিশি সেবা এখন হাতের মুঠোয়, ঘরে বসেই করা যাচ্ছে জিডি
পুরোনো আইফোন কেনার আগে যে বিষয়গুলো যাচাই করা জরুরি
নতুন আইফোনের দাম তুলনামূলক বেশি হওয়ায় অনেকেই পুরোনো বা ব্যবহৃত আইফোন কেনার দিকে ঝুঁকছেন। কম দামে ভালো পারফরম্যান্স পাওয়ার সুযোগ থাকলেও ব্যবহৃত আইফোন কেনার আগে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যাচাই করা জরুরি। ব্যাটারির অবস্থা থেকে শুরু করে ডিসপ্লে, ক্যামেরা, ফেস আইডি ও অ্যাক্টিভেশন লক এসব বিষয়ে অসতর্ক হলে পরে বাড়তি খরচের মুখে পড়তে পারেন। ব্যাটারি হেলথ যাচাই করুন পুরোনো আইফোন কেনার আগে ব্যাটারির সক্ষমতা পরীক্ষা করা গুরুত্বপূর্ণ। ফোনের সেটিংসে গিয়ে ‘Battery’ এবং ‘Battery Health’ বা সংশ্লিষ্ট ব্যাটারি হেলথ অপশন থেকে ব্যাটারির সর্বোচ্চ সক্ষমতা দেখা যায়। ব্যাটারির সক্ষমতা কমে গেলে চার্জ দ্রুত শেষ হতে পারে। তাই ফোন কেনার আগে ব্যাটারির অবস্থা যাচাই করে সম্ভাব্য পরিবর্তন খরচ সম্পর্কেও ধারণা নেওয়া উচিত। মডেল ও ডিভাইসের তথ্য মিলিয়ে নিন আইফোনটি প্রকৃতপক্ষে কোন মডেলের, তা নিশ্চিত হতে সেটিংসের ‘General’ থেকে ‘About’ বিভাগে প্রবেশ করুন। সেখানে মডেলের নাম, মডেল নম্বর ও সিরিয়াল নম্বর পরীক্ষা করুন। বিক্রেতার দেওয়া তথ্য ও ডিভাইসের তথ্যের মধ্যে কোনো অসঙ্গতি আছে কি না, সেটিও যাচাই করা প্রয়োজন। পাশাপাশি অ্যাপলের অফিসিয়াল সাপোর্টের মাধ্যমে প্রযোজ্য ডিভাইস-সংক্রান্ত তথ্য পরীক্ষা করা যেতে পারে। ডিসপ্লে ও টাচস্ক্রিন পরীক্ষা করুন ফোনের স্ক্রিনে ফাটল, দাগ, কালো অংশ বা অস্বাভাবিক রং রয়েছে কি না, তা ভালোভাবে দেখুন। স্ক্রিনের বিভিন্ন জায়গায় স্পর্শ করে টাচস্ক্রিনের কার্যকারিতা পরীক্ষা করুন। ডিসপ্লে আগে পরিবর্তন করা হয়ে থাকলে সেটিও জেনে নেওয়া উচিত। কারণ নিম্নমানের বা ত্রুটিপূর্ণ ডিসপ্লে ফোন ব্যবহারে সমস্যা তৈরি করতে পারে। ক্যামেরা, স্পিকার ও মাইক্রোফোন পরীক্ষা করুন আইফোন কেনার আগে সামনের ও পেছনের ক্যামেরা দিয়ে ছবি ও ভিডিও ধারণ করে দেখুন। ক্যামেরার ফোকাস, ছবির মান এবং লেন্সের অবস্থা যাচাই করুন। পাশাপাশি ভিডিও রেকর্ডিংয়ের শব্দ, ইয়ারপিস, লাউডস্পিকার ও মাইক্রোফোন পরীক্ষা করুন। এসব ফিচারে সমস্যা থাকলে ফোনের স্বাভাবিক ব্যবহার ব্যাহত হতে পারে। ফেস আইডি ও সংযোগব্যবস্থা যাচাই করুন ফেস আইডি-সমর্থিত মডেলে মুখ শনাক্তকরণ ব্যবস্থা ঠিকমতো কাজ করছে কি না, তা পরীক্ষা করুন। একই সঙ্গে পাওয়ার বাটন, ভলিউম বাটন, চার্জিং পোর্ট, ওয়াই-ফাই, ব্লুটুথ, মোবাইল নেটওয়ার্ক ও জিপিএস পরীক্ষা করা প্রয়োজন। সম্ভব হলে নিজের সিম ব্যবহার করে কল করা এবং চার্জার সংযুক্ত করে চার্জিংয়ের কার্যকারিতাও যাচাই করুন। অ্যাক্টিভেশন লক সম্পর্কে সতর্ক থাকুন ব্যবহৃত আইফোন কেনার ক্ষেত্রে অ্যাক্টিভেশন লক অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আগের মালিকের অ্যাপল অ্যাকাউন্টের সঙ্গে ফোনটি যুক্ত থাকলে নতুন ক্রেতা সেটি সক্রিয় করতে সমস্যায় পড়তে পারেন। তাই বিক্রেতার উপস্থিতিতে নিশ্চিত হতে হবে যে ফোনটি আগের মালিকের অ্যাকাউন্ট থেকে সরানো হয়েছে। ফোনটি মুছে নতুন করে সেটআপ করার সময় আগের মালিকের অ্যাকাউন্টের তথ্য চাইছে কি না, সেটিও খেয়াল করুন। প্রয়োজনীয় যাচাই সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত টাকা পরিশোধ না করাই নিরাপদ। আইএমইআই ও যন্ত্রাংশের ইতিহাস দেখুন ফোনের আইএমইআই নম্বর ডিভাইসের তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে নিন। সেটিংসের ‘Parts and Service History’ বিভাগে সমর্থিত মডেলগুলোতে যন্ত্রাংশ পরিবর্তন বা মেরামতের তথ্য পাওয়া যেতে পারে। কোনো গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ বদলানো হয়ে থাকলে সেটির কারণ, ব্যবহৃত যন্ত্রাংশের ধরন এবং মেরামতের ইতিহাস সম্পর্কে বিক্রেতার কাছে জানতে চান। সব মিলিয়ে, পুরোনো আইফোন কেনার সময় শুধু মডেল বা কম দামকে প্রাধান্য না দিয়ে ফোনের সামগ্রিক অবস্থা যাচাই করা জরুরি। ব্যাটারি, ডিসপ্লে, ক্যামেরা, ফেস আইডি, সংযোগব্যবস্থা, যন্ত্রাংশের ইতিহাস ও অ্যাক্টিভেশন লক পরীক্ষা করে সিদ্ধান্ত নিলে ত্রুটিপূর্ণ ডিভাইস কেনার ঝুঁকি এবং ভবিষ্যতের বাড়তি খরচ কমানো সম্ভব। আরটিভি/এসকে
পুরোনো আইফোন কেনার আগে যে বিষয়গুলো যাচাই করা জরুরি
যে কারণে ‘Page Not Found’ বা ‘404 Error’দেখা যায়
ইন্টারনেটে কোনো খবর, গসিপ কিংবা প্রয়োজনীয় তথ্যের লিংকে ক্লিক করার পর হঠাৎ স্ক্রিনে ভেসে ওঠে ‘Page Not Found’ বা ‘404 Error’। গুরুত্বপূর্ণ কোনো তথ্য পড়তে গিয়ে এমন বার্তা এলে স্বাভাবিকভাবেই বিরক্ত হন ব্যবহারকারীরা।
যে কারণে ‘Page Not Found’ বা ‘404 Error’দেখা যায়
ইউটিউব থেকে আয় নিয়ে বড় দুঃসংবাদ, বাড়ছে নতুন যেসব শর্ত
ভিডিও ও কনটেন্ট নির্মাতাদের জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম ইউটিউব। ভিডিও প্রকাশের মাধ্যমে দর্শক ও ভিউ বাড়ানোর পাশাপাশি বিজ্ঞাপন থেকেও আয় করেন নির্মাতারা। তবে নতুন কনটেন্ট নির্মাতাদের জন্য সেই আয়ের পথ আরও কঠিন করতে যাচ্ছে প্ল্যাটফর্মটি।
ইউটিউব থেকে আয় নিয়ে বড় দুঃসংবাদ, বাড়ছে নতুন যেসব শর্ত
আরও পড়ুন
পুরোনো আইফোন কেনার আগে যে বিষয়গুলো যাচাই করা জরুরি
অপ্রতিম হত্যাকাণ্ড নিয়ে সামনে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য
তিন মডেলের আইফোন ব্যবহারকারীরা পাবেন ৩০ হাজার কোটি টাকা
‘এটা কি আইফোন ১৮?’, জিজ্ঞেস করেই নারীর ফোন নিয়ে পালালো ছিনতাইকারী