ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

জাতীয় কবির ফেনী আগমনের শতবর্ষে দিনব্যাপী ‘নজরুল মেলা’ অনুষ্ঠিত

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০২ আগস্ট ২০২৬, ০৯:৫১ পিএম
‘পানসি’ পত্রিকার বিশেষ সংখ্যার মোড়ক উন্মোচন : ছবি সংগৃহীত

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ঐতিহাসিক ফেনী আগমনের ১০০ বছর পূর্তি এবং সরকার ঘোষিত ‘নজরুল বর্ষ’ উপলক্ষে ফেনী সাহিত্য সভার উদ্যোগে দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য ‘নজরুল মেলা’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১ আগস্ট) ফেনীর নবীনচন্দ্র সেন কালচারাল সেন্টারে এ মেলা অনুষ্ঠিত হয়। দিনব্যাপী এই আয়োজনে পুষ্পস্তবক অর্পণ, চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতা, স্মারক বক্তৃতা, আলোচনা সভা, সম্মাননা প্রদান, প্রকাশনার মোড়ক উন্মোচন, কবিতা পাঠ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, পুরস্কার বিতরণ এবং নতুন কার্যকরী কমিটি ঘোষণাসহ নানা আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।

এ দিন সকালে জাতীয় কবির ফেনী আগমনের ঐতিহাসিক স্মৃতিবিজড়িত গ্র্যান্ড হক টাওয়ার প্রাঙ্গণে স্থাপিত নজরুল ম্যুরালে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে কর্মসূচির সূচনা হয়। পরে নবীনচন্দ্র সেন কালচারাল সেন্টারে শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহণে নজরুলের ছবি আঁকা ও নজরুল বিষয়ক রচনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

সকাল ১১টায় ‘নজরুলের ফেনী আগমনের ১০০ বছর : চির গৌরবের স্মৃতি’ শীর্ষক কথামালা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক জনাব মনিরা হকের পক্ষে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ফাতিমা সুলতানা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইতিহাস গবেষক ও ফেনী জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলাল উদ্দিন আলাল এবং ফেনীর প্রধান কবি মনজুর তাজিম। সভাপতিত্ব করেন ফেনী সাহিত্য সভার সদস্য সচিব বকুল আকতার দরিয়া।

আরও পড়ুন

এ পর্বে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন ইমন উল হক (সমাজসেবক ও সংগঠক), ফখরুদ্দিন আলী আহমেদ তিতু (সভাপতি, নজরুল একাডেমি) এবং আসাদুজ্জামান দারা।

দুপুর ১২টায় অনুষ্ঠিত হয় নজরুল স্মারক বক্তৃতা (পর্ব-১)। ‘বাংলাদেশে নজরুল চর্চা’ বিষয়ে আয়োজিত এই পর্বের প্রধান অতিথি ছিলেন ফেনী-১ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য মুন্সী রফিকুল আলম মজনু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক এম. এ. খালেক, ফেনী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শেখ ফরিদ বাহার এবং নাসির উদ্দিন খোন্দকার। স্মারক বক্তা ছিলেন বিশিষ্ট কবি, নজরুল গবেষক ও শিক্ষাবিদ অধ্যাপক গাউসুর রহমান। সভাপতিত্ব করেন ফেনী সাহিত্য সভার আহ্বায়ক শাবিহ মাহমুদ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাননীয় সংসদ সদস্য মুন্সী রফিকুল আলম মজনু বলেন, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম কেবল বিদ্রোহের কবি নন, তিনি সাম্য, মানবতা, অসাম্প্রদায়িকতা ও মুক্তচিন্তার চিরন্তন প্রতীক। তার আদর্শ ও সাহিত্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগের পাশাপাশি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোকেও আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। ফেনীতে কবির আগমনের শতবর্ষ উদযাপনের এ আয়োজন ইতিহাস সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

fn2

এ পর্বে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন নঈম উল্লাহ চৌধুরী বরত (সদস্য সচিব, ফেনী জেলা যুবদল), নাসির উদ্দিন সাইমুম (নাট্যসংগঠক), মোহাম্মদ ইলিয়াছ (সম্পাদক, ফেনীর প্রয়াস), রশিদ মজুমদার (প্রধান সমন্বয়ক, মানবিক ফেনী) এবং মোহাম্মদ দিলদার হোসেন (সাংগঠনিক সম্পাদক, জাসাস, ফেনী)।

সম্মাননা, প্রকাশনা ও মোড়ক উন্মোচন পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে মুন্সী রফিকুল আলম মজনু এমপি ‘পানসি’ পত্রিকার বিশেষ সংখ্যার মোড়ক উন্মোচন করেন এবং কৃতি নজরুল গবেষকদের হাতে ‘নজরুল সম্মাননা’ ক্রেস্ট তুলে দেন। এ বছর সম্মাননা লাভ করেন বিশিষ্ট কবি, গবেষক ও শিক্ষাবিদ অধ্যাপক গাউসুর রহমান এবং বিশিষ্ট কবি, গবেষক ও শিক্ষাবিদ ড. আবু হেনা আবদুল আউয়াল। ড. আবু হেনা আবদুল আউয়াল অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে না পারায় তার সম্মাননা পরে পৌঁছে দেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

বিকেলে অনুষ্ঠিত হয় জাতীয় কবিকে নিবেদিত স্বরচিত কবিতা পাঠের আসর। এতে সভাপতিত্ব করেন কবি মনজুর তাজিম। প্রধান অতিথি ছিলেন কবি জিন্নাহ চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কবি সৈকত রায়হান ও কবি মো. আবদুল ওয়াদুদ। বক্তব্য রাখেন ওবায়েদ মজুমদার, নূরুল আমিন হৃদয়, জসিম মাহমুদ এবং কাজী ইকবাল আহমেদ পরান। কবির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বিভিন্ন কবি তাদের স্বরচিত কবিতা আবৃত্তি করেন।

আরও পড়ুন

বিকেল ৪টায় অনুষ্ঠিত হয় নজরুল স্মারক বক্তৃতা (পর্ব-২)। ‘নজরুল কাব্যে সামাজিক-রাজনৈতিক-সাহিত্যিক বিদ্রোহ’ বিষয়ে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অধ্যাপক গাউসুর রহমান। সম্পূরক আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন জিয়াউদ্দিন বুলবুল (কবি ও চিন্তক) এবং সুহৃদ রহমান (অনুবাদক ও কৃষিবিদ)। সভাপতিত্ব করেন কবি শাবিহ মাহমুদ।

পরে সাংস্কৃতিক পর্বে আবৃত্তি, নৃত্য, নজরুলসংগীত এবং প্রাণবন্ত সাহিত্য-সংস্কৃতি আড্ডা অনুষ্ঠিত হয়। বিকেল ৬টায় অনুষ্ঠিত হয় শিশুদের চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ।

সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ফেনী সাহিত্য সভার ২০২৬–২০২৮ মেয়াদের ১৭ সদস্যবিশিষ্ট নতুন কার্যকরী কমিটি ঘোষণা করা হয়। এতে কবি বকুল আকতার দরিয়াকে সভাপতি এবং কবি শামীম পাটোয়ারীকে সদস্য সচিব নির্বাচিত করা হয়।

অনুষ্ঠানের আলোচনা পর্ব সঞ্চালনা করেন কবি শামীম পাটোয়ারী এবং সাংস্কৃতিক পর্ব উপস্থাপনা করেন কবি শিরিন রহমান।

আরটিভি/এমএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সাহিত্যে নোবেল পেলেন কানাডার অ্যান কারসন
সাহসী ও উদ্ভাবনী সাতিহ্যকর্মের জন্য এ বছর নোবেলে পেয়েছেন কানাডার লেখক অ্যান কারসন। সৃজনশীল সংলাপের মাধ্যমে সমসাময়িক সাহিত্যে প্রাচীন ঐতিহ্যকে নতুন করে ফুটিয়ে তোলা এবং তার উদ্ভাবনী ও বৈচিত্র্যময় লেখার আধুনিক সাহিত্যে নতুন মাত্রা যোগ করায় তাকে এ বছর নোবেল দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সুইডিশ একাডেমি।
সাহিত্যে নোবেল পেলেন কানাডার অ্যান কারসন
নজরুলের দর্শন আধুনিক ভূ-রাজনৈতিক অবক্ষয়ের মহৌষধ: মার্কিন গবেষক
কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্য ও রাজনৈতিক দর্শনকে আধুনিক ভূ-রাজনৈতিক খণ্ডন এবং কাঠামোগত নৈতিক অবক্ষয় নিরাময়ের এক চূড়ান্ত রূপরেখা হিসেবে অভিহিত করেছেন প্রখ্যাত মার্কিন রাজনীতিবিজ্ঞানী ও ইমেরিটাস অধ্যাপক উইনস্টন ই. ল্যাংলি। দীর্ঘ তিন দশকের গভীর গবেষণার ওপর ভিত্তি করে তিনি নজরুলের এই বৈশ্বিক উপযোগিতা তুলে ধরেন।
নজরুলের দর্শন আধুনিক ভূ-রাজনৈতিক অবক্ষয়ের মহৌষধ: মার্কিন গবেষক
‘বাংলা একাডেমি ফন্ট’-এর উদ্বোধন
‘তথ্য-প্রযুক্তিতে বাংলা ভাষা সমৃদ্ধকরণ’ প্রকল্পের আওতায় প্রস্তুতকৃত ‘বাংলা একাডেমি ফন্ট’-এর উদ্বোধন করা হয়েছে।
‘বাংলা একাডেমি ফন্ট’-এর উদ্বোধন
বাংলাদেশ নজরুল আবৃত্তি পরিষদ-এর নতুন কমিটি ঘোষণা
বাংলাদেশ নজরুল আবৃত্তি পরিষদ-এর নতুন নির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে সভাপতি শায়লা আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সৈয়দ আল জাবের নির্বাচিত হয়েছেন। পরবর্তী দুই বছর অর্থাৎ ২০২৬–২০২৮ মেয়াদে এ নির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়।
বাংলাদেশ নজরুল আবৃত্তি পরিষদ-এর নতুন কমিটি ঘোষণা
নজরুলের অমর সৃষ্টি নিয়ে বিশেষ আয়োজন ‘চিরন্তন: আমারে দেব না ভুলিতে’ 
কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে রোববার (৪ অক্টোবর) মেলবোর্নের ড্যানডেনংয়ের ড্রাম থিয়েটারে ‘চিরন্তন: আমারে দেব না ভুলিতে’ নামে একটি স্মরণানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। মেলবোর্ন সময় বিকেল ৫টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত (বাংলাদেশ সময় দুপুর ১২টা থেকে ০২:৩০টা পর্যন্ত) আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রায় ৩৬০জন দর্শক উপস্থিত ছিলেন। মেলবোর্নপ্রবাসী নজরুলসংগীতশিল্পী ও সাংস্কৃতিক কিউরেটর আদিলা নূরের পরিকল্পনা ও সৃজনশীল নির্দেশনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে গান, কবিতা, নৃত্য ও নাটকের মাধ্যমে বিদ্রোহী কবির সৃষ্টিশীলতা ও মানবিক দর্শনকে তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানটির অন্যতম আকর্ষণ ছিল নজরুল রচিত নাটক ‘ঝিলিমিলি’ ও গীতিনাট্য ‘কাবেরী তীরে’-এর মঞ্চায়ন। অস্ট্রেলিয়ায় এই প্রথমবারের মতো নাটক দুটির মঞ্চায়ন হলো। এর মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি বিশেষ তাৎপর্য অর্জন করে। অনুষ্ঠানের সংগীত পরিচালক আদিলা নূর বলেন, এই আয়োজনের মাধ্যমে আমরা নজরুলের সৃষ্টিশীলতার বহুমাত্রিক দিকগুলো তুলে ধরতে চেয়েছি। আমাদের প্রত্যাশা, এই উদ্যোগের মাধ্যমে তার সাম্য, ভালোবাসা ও মানবতার চিরন্তন বার্তা নতুন প্রজন্মকে আলোড়িত করবে। সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ধরে রাখা এবং তা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে পৌঁছানো গুরুত্বপূর্ণ। শেকড় থেকে দূরে বসবাসের কারণে আমাদের জন্য সেটি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। অনুষ্ঠানের প্রথম পর্ব শুরু হয় ‘সুর ও বাণীর অর্ঘ্য’ দিয়ে। এতে নজরুলের নির্বাচিত চারটি গান, কবিতা ও নৃত্য পরিবেশিত হয়। স্থানীয় নৃত্যশিল্পী ক্রিস ও অনিলের দ্বৈত নৃত্যের মধ্য দিয়ে পর্বটি শুরু হয়। এ পর্বের বিশেষ আকর্ষণ ছিল নজরুলের কবিতা ‘অভিশাপ’ ও গান ‘শূন্য এ বুকে’-এর সমন্বয়ে একটি বিশেষ পরিবেশনা, যেখানে তন্বীপ্রিয়া আবৃত্তি এবং আদিলা নূর সংগীত পরিবেশন করেন। ‘ফুলের জলসায় নীরব কেন কবি’ গানের মধ্য দিয়ে পর্বটির সমাপ্তি ঘটে। ২০২৩ সালের নজরুল পুরষ্কারপ্রাপ্ত অধ্যাপক ইরশাদ আহমেদ শাহীন অনুষ্ঠানে নজরুলের জীবন, সাহিত্য ও দর্শনের ওপর মূল বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, নজরুল শুধু বিদ্রোহী কবি ছিলেন না, তিনি ছিলেন মানবতা, সাম্য ও সামাজিক সম্প্রীতিরও শক্তিশালী কণ্ঠস্বর। বাংলাদেশের বাইরে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের কাছে তাঁর দর্শন পৌঁছে দিতে ‘চিরন্তন’-এর মতো আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে মঞ্চস্থ হয় নজরুলের গীতিনাট্য ‘ঝিলিমিলি’। বাংলাদেশের বিশিষ্ট নাট্যব্যক্তিত্ব বৃন্দাবন দাসের নির্দেশনায় এতে অভিনয় করেন বৃন্দাবন দাস, শাহানাজ খুশী, দিব্য জ্যোতি ও সৌতি মালবিকা। মেলবোর্নপ্রবাসী সংগীতশিল্পী অর্পণ ও আদিলা নূরের সংগীত পরিবেশনা নাট্য পরিবেশনাটিকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে। অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে মঞ্চস্থ হয় ‘কাবেরী তীরে’ কাবেরী নদীর তীরে গড়ে ওঠা এক প্রেমের গল্পকে কেন্দ্র করে রচিত নজরুলের গীতিনাট্য এটি। মেলবোর্নপ্রবাসী পূরবী চৌধুরীর নির্দেশনা ও কোরিওগ্রাফিতে পরিবেশিত এ আয়োজনে অংশ নেন একদল নৃত্যশিল্পী। একইসাথে, নজরুলসংগীতশিল্পী অজয় রায় ও আদিলা নূর সংগীত পরিবেশন করেন। অনুষ্ঠান উপলক্ষে একটি স্মারক সংকলনও প্রকাশিত হয়। এতে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বদের লেখা স্থান পায়। তাদের মধ্যে রয়েছেন সংগীতশিল্পী, শিক্ষক ও সংগঠক খায়রুল আনাম শাকিল; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের চেয়ারপারসন ও সহযোগী অধ্যাপক ড. প্রিয়াঙ্কা গোপ; সংগীতশিল্পী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. লীনা তাপসী খান; ইউনিভার্সিটি অব সাউথ এশিয়ার কলা ও সংস্কৃতি অনুষদের ডিন এবং ২০২৩ সালের নজরুল পুরষ্কারপ্রাপ্ত অধ্যাপক ইরশাদ আহমেদ শাহীন; আন্তর্জাতিক উন্নয়নকর্মী, শিক্ষাবিদ ও রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী ড. চঞ্চল খান; এবং ছায়ানটের শিক্ষক ও সংগীতশিল্পী শারমিন সাথী ময়না। অনুষ্ঠানটি দর্শকদের উচ্ছ্বসিত করতালি ও স্ট্যান্ডিং ওভেশনের মাধ্যমে প্রশংসিত হয়। নজরুলের সৃষ্টির চিরকালীন প্রাসঙ্গিকতা তুলে ধরার পাশাপাশি প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের বাঙালিদের সঙ্গে তাদের সাংস্কৃতিক শেকড়ের সংযোগ আরও দৃঢ় করার বার্তাও উঠে আসে। আরটিভি/এসকে
নজরুলের অমর সৃষ্টি নিয়ে বিশেষ আয়োজন ‘চিরন্তন: আমারে দেব না ভুলিতে’ 
আরও পড়ুন
মিরসরাই সীমান্তে বিপুল ভারতীয় মদ ও গরু জব্দ
টানা ৯০ দিন জামাতে নামাজ আদায়, বাইসাইকেল পেল ৩২ শিশু-কিশোর
ফেনীতে ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেল এসআরবি কর্মকর্তার
প্রবীণ কর আইনজীবী গোলাম মাইন উদ্-দীন মারা গেছেন