ঢাকা মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩

জাতীয় কবির ফেনী আগমনের শতবর্ষে দিনব্যাপী ‘নজরুল মেলা’ অনুষ্ঠিত

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০২ আগস্ট ২০২৬, ০৯:৫১ পিএম
‘পানসি’ পত্রিকার বিশেষ সংখ্যার মোড়ক উন্মোচন : ছবি সংগৃহীত

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ঐতিহাসিক ফেনী আগমনের ১০০ বছর পূর্তি এবং সরকার ঘোষিত ‘নজরুল বর্ষ’ উপলক্ষে ফেনী সাহিত্য সভার উদ্যোগে দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য ‘নজরুল মেলা’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১ আগস্ট) ফেনীর নবীনচন্দ্র সেন কালচারাল সেন্টারে এ মেলা অনুষ্ঠিত হয়। দিনব্যাপী এই আয়োজনে পুষ্পস্তবক অর্পণ, চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতা, স্মারক বক্তৃতা, আলোচনা সভা, সম্মাননা প্রদান, প্রকাশনার মোড়ক উন্মোচন, কবিতা পাঠ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, পুরস্কার বিতরণ এবং নতুন কার্যকরী কমিটি ঘোষণাসহ নানা আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।

এ দিন সকালে জাতীয় কবির ফেনী আগমনের ঐতিহাসিক স্মৃতিবিজড়িত গ্র্যান্ড হক টাওয়ার প্রাঙ্গণে স্থাপিত নজরুল ম্যুরালে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে কর্মসূচির সূচনা হয়। পরে নবীনচন্দ্র সেন কালচারাল সেন্টারে শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহণে নজরুলের ছবি আঁকা ও নজরুল বিষয়ক রচনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

সকাল ১১টায় ‘নজরুলের ফেনী আগমনের ১০০ বছর : চির গৌরবের স্মৃতি’ শীর্ষক কথামালা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক জনাব মনিরা হকের পক্ষে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ফাতিমা সুলতানা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইতিহাস গবেষক ও ফেনী জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলাল উদ্দিন আলাল এবং ফেনীর প্রধান কবি মনজুর তাজিম। সভাপতিত্ব করেন ফেনী সাহিত্য সভার সদস্য সচিব বকুল আকতার দরিয়া।

আরও পড়ুন

এ পর্বে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন ইমন উল হক (সমাজসেবক ও সংগঠক), ফখরুদ্দিন আলী আহমেদ তিতু (সভাপতি, নজরুল একাডেমি) এবং আসাদুজ্জামান দারা।

দুপুর ১২টায় অনুষ্ঠিত হয় নজরুল স্মারক বক্তৃতা (পর্ব-১)। ‘বাংলাদেশে নজরুল চর্চা’ বিষয়ে আয়োজিত এই পর্বের প্রধান অতিথি ছিলেন ফেনী-১ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য মুন্সী রফিকুল আলম মজনু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক এম. এ. খালেক, ফেনী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শেখ ফরিদ বাহার এবং নাসির উদ্দিন খোন্দকার। স্মারক বক্তা ছিলেন বিশিষ্ট কবি, নজরুল গবেষক ও শিক্ষাবিদ অধ্যাপক গাউসুর রহমান। সভাপতিত্ব করেন ফেনী সাহিত্য সভার আহ্বায়ক শাবিহ মাহমুদ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাননীয় সংসদ সদস্য মুন্সী রফিকুল আলম মজনু বলেন, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম কেবল বিদ্রোহের কবি নন, তিনি সাম্য, মানবতা, অসাম্প্রদায়িকতা ও মুক্তচিন্তার চিরন্তন প্রতীক। তার আদর্শ ও সাহিত্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগের পাশাপাশি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোকেও আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। ফেনীতে কবির আগমনের শতবর্ষ উদযাপনের এ আয়োজন ইতিহাস সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

fn2

এ পর্বে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন নঈম উল্লাহ চৌধুরী বরত (সদস্য সচিব, ফেনী জেলা যুবদল), নাসির উদ্দিন সাইমুম (নাট্যসংগঠক), মোহাম্মদ ইলিয়াছ (সম্পাদক, ফেনীর প্রয়াস), রশিদ মজুমদার (প্রধান সমন্বয়ক, মানবিক ফেনী) এবং মোহাম্মদ দিলদার হোসেন (সাংগঠনিক সম্পাদক, জাসাস, ফেনী)।

সম্মাননা, প্রকাশনা ও মোড়ক উন্মোচন পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে মুন্সী রফিকুল আলম মজনু এমপি ‘পানসি’ পত্রিকার বিশেষ সংখ্যার মোড়ক উন্মোচন করেন এবং কৃতি নজরুল গবেষকদের হাতে ‘নজরুল সম্মাননা’ ক্রেস্ট তুলে দেন। এ বছর সম্মাননা লাভ করেন বিশিষ্ট কবি, গবেষক ও শিক্ষাবিদ অধ্যাপক গাউসুর রহমান এবং বিশিষ্ট কবি, গবেষক ও শিক্ষাবিদ ড. আবু হেনা আবদুল আউয়াল। ড. আবু হেনা আবদুল আউয়াল অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে না পারায় তার সম্মাননা পরে পৌঁছে দেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

বিকেলে অনুষ্ঠিত হয় জাতীয় কবিকে নিবেদিত স্বরচিত কবিতা পাঠের আসর। এতে সভাপতিত্ব করেন কবি মনজুর তাজিম। প্রধান অতিথি ছিলেন কবি জিন্নাহ চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কবি সৈকত রায়হান ও কবি মো. আবদুল ওয়াদুদ। বক্তব্য রাখেন ওবায়েদ মজুমদার, নূরুল আমিন হৃদয়, জসিম মাহমুদ এবং কাজী ইকবাল আহমেদ পরান। কবির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বিভিন্ন কবি তাদের স্বরচিত কবিতা আবৃত্তি করেন।

আরও পড়ুন

বিকেল ৪টায় অনুষ্ঠিত হয় নজরুল স্মারক বক্তৃতা (পর্ব-২)। ‘নজরুল কাব্যে সামাজিক-রাজনৈতিক-সাহিত্যিক বিদ্রোহ’ বিষয়ে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অধ্যাপক গাউসুর রহমান। সম্পূরক আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন জিয়াউদ্দিন বুলবুল (কবি ও চিন্তক) এবং সুহৃদ রহমান (অনুবাদক ও কৃষিবিদ)। সভাপতিত্ব করেন কবি শাবিহ মাহমুদ।

পরে সাংস্কৃতিক পর্বে আবৃত্তি, নৃত্য, নজরুলসংগীত এবং প্রাণবন্ত সাহিত্য-সংস্কৃতি আড্ডা অনুষ্ঠিত হয়। বিকেল ৬টায় অনুষ্ঠিত হয় শিশুদের চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ।

সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ফেনী সাহিত্য সভার ২০২৬–২০২৮ মেয়াদের ১৭ সদস্যবিশিষ্ট নতুন কার্যকরী কমিটি ঘোষণা করা হয়। এতে কবি বকুল আকতার দরিয়াকে সভাপতি এবং কবি শামীম পাটোয়ারীকে সদস্য সচিব নির্বাচিত করা হয়।

অনুষ্ঠানের আলোচনা পর্ব সঞ্চালনা করেন কবি শামীম পাটোয়ারী এবং সাংস্কৃতিক পর্ব উপস্থাপনা করেন কবি শিরিন রহমান।

আরটিভি/এমএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
৭ সাহিত্যিক পেলেন দোনাগাজী পদক
চাঁদপুরের সংগঠন ‘চর্যাপদ একাডেমি সাহিত্য উৎসব-২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় অবদান রাখায় সাত সাহিত্যিককে দোনাগাজী পদক দেওয়া হয়।
৭ সাহিত্যিক পেলেন দোনাগাজী পদক
শিশুসাহিত্যিক আমীরুল ইসলাম আর নেই
কিডনি-সংক্রান্ত জটিলতায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে শিশুসাহিত্যিক ও চ্যানেল আইয়ের অনুষ্ঠান বিভাগের প্রধান আমীরুল ইসলাম মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাতে প্রকাশক কাদের বাবু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়।  তিনি রাজধানীর কল্যাণপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ৮টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬০ বছর। আমীরুল ইসলামের বড় ভাই কামাল আহমেদ ও ‘ছোটদের সময়’ সম্পাদক শিশুসাহিত্যিক মামুন সারওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ১৯৬৪ সালের ৭ এপ্রিল ঢাকার লালবাগে জন্মগ্রহণ করেন আমীরুল ইসলাম। শিশুসাহিত্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০৬ সালে তিনি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন। এ ছাড়া দেশ-বিদেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পুরস্কার ও সম্মাননা পেয়েছেন তিনি। আমীরুল ইসলামের প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা দুই শতাধিক। তার প্রকাশিত সব বইই শিশুসাহিত্যের। দীর্ঘ সাহিত্যজীবনে শিশুদের জন্য গল্প, ছড়া ও নানা ধরনের সৃজনশীল লেখা লিখেছেন তিনি। সাহিত্যচর্চার পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে গণমাধ্যমের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন আমীরুল ইসলাম। তিনি চ্যানেল আইয়ের অনুষ্ঠান বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। আরটিভি/টিআর
শিশুসাহিত্যিক আমীরুল ইসলাম আর নেই
লাইফ সাপোর্টে শিশুসাহিত্যিক আমীরুল ইসলাম
বিশিষ্ট শিশুসাহিত্যিক ও চ্যানেল আইয়ের অনুষ্ঠান বিভাগের প্রধান আমীরুল ইসলাম লাইফ সাপোর্টে রয়েছেন।
আমীরুল ইসলাম-ছবি: সংগৃহীত
‘নজরুলের চেতনাকে অন্য ভাষার পাঠকের হৃদয়েও পৌঁছে দিতে হবে’
অনুবাদক ও শিক্ষক আলমগীর মোহাম্মদ বলেছেন, নজরুলকে কেবল বাঙালির কবি হিসেবে বন্দি না রেখে বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরার যে সুযোগ কবি নজরুল ইন্সটিটিউটের ২০২৫ সালের কমিটির মাধ্যমে তৈরি হয়েছে, তা যেন বিন্দুমাত্র ম্লান না হয়। অনুবাদক হিসেবে আমাদের কাজ হলো নজরুলের সেই অম্লান চেতনাকে অন্য ভাষার পাঠকদের হৃদয়েও জ্বেলে দেওয়া। সোমবার (৩১ আগস্ট) বিকেল ৪টায় একাডেমির কবি শামসুর রাহমান সেমিনার কক্ষে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী স্মরণে বাংলা একাডেমিতে সেমিনার ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। আলমগীর বলেন, কবিতা, গান, উপন্যাস, ছোটোগল্প, নাটক, প্রবন্ধ, চিঠিপত্র এবং অভিভাষণ—সাহিত্যের প্রতিটি শাখায় নজরুল এক স্বতন্ত্র ও অবিস্মরণীয় স্বাক্ষর রেখে গেছেন। সাম্য, মানবতা, বিদ্রোহ ও প্রেমের কবি, এবং তার এই কালজয়ী সাহিত্যকর্মকে বিশ্বদরবারে পৌঁছে দেওয়ার প্রধান মাধ্যম হলো-এর মানসম্মত ও বস্তুনিষ্ঠ অনুবাদ। দুর্ভাগ্যবশত, নজরুলের সমসাময়িক অনেক বিশ্বসাহিত্যিক যেভাবে বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়ে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছেন, নজরুল সেখানে অনেকটাই উপেক্ষিত রয়ে গেছেন। তার সাহিত্যের যে গভীরতা ও বৈশ্বিক আবেদন, সেই তুলনায় আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তার পরিচিতি এখনো সীমিত। আরও পড়ুন মনসুর আজিজের অষ্টাদশপদী কবিতা: বাংলা কবিতার নতুন সম্ভাবনা একাডেমির সহপরিচালক ড. মাহবুবা রহমান সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলা একাডেমির সচিব ড. মো. সেলিম রেজা। নজরুল সাহিত্য অনুবাদের অভিজ্ঞতা ও অনুধ্যান শীর্ষক বক্তৃতা রাখেন অনুবাদক ও শিক্ষক আলমগীর মোহাম্মদ। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন সাহিত্যিক ও অনুবাদক রাজু আলাউদ্দিন এবং নজরুল গবেষক ও অনুবাদক ইরশাদ আহমেদ শাহীন। সভাপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম। ড. মো. সেলিম রেজা বলেন, নজরুল আমাদের জাতিসত্তার অবিচ্ছেদ্য অংশ। তার সাহিত্য বাংলা ভাষার গর্বই শুধু নয় বরং একইসঙ্গে বিশ্বসভ্যতার সম্পদ। তার সাহিত্যকর্মকে অনুবাদের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তুলে ধরা আমাদের জাতীয় দায়িত্ব। আরও পড়ুন সাহিত্যদেশ: রুচিশীল সাহিত্যচর্চার আশাব্যঞ্জক যাত্রা সভাপ্রধানের বক্তব্যে অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম বলেন, নজরুল-বর্ষে আমরা নজরুল বিষয়ক গবেষণা ও অনুবাদকর্মের দিকে ফিরে তাকাতে চাই। ভবিষ্যতে নজরুল-রচনা অনুবাদের পরিধি গুণে-মানে আরও বিস্তৃত হবে এবং বিশ্বপাঠক নজরুলের সাহিত্যকর্মের নিবিড় পরিচয় লাভ করবেন। পরে অনুষ্ঠানে আবৃত্তি পরিবেশন করেন আবৃত্তিশিল্পী টিটো মুন্সী। নজরুলসংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী ফেরদৌস আরা, শহীদ কবির পলাশ ও শাহীনুর রেজা। আরটিভি/এমএম
‘নজরুলের চেতনাকে অন্য ভাষার পাঠকের হৃদয়েও পৌঁছে দিতে হবে’
সেলিম আল দীনের জন্মবার্ষিকীতে ‘ভাঙা প্রেম অশেষ বিশেষ’
প্রখ্যাত নাট্যকার ও সাহিত্যিক সেলিম আল দীনের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তার রচনা ‘ভাঙা প্রেম অশেষ বিশেষ’ নিয়ে শ্রুতি পাঠের আয়োজন করেছে ধ্রুপদী আর্ট সেন্টার। শনিবার (২২ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টায় রাজধানীর বাংলাদেশ মহিলা সমিতি মিলনায়তনে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হবে। ৪৫ মিনিটব্যাপী শ্রুতি পাঠটির নির্দেশনায় থাকবেন সামিউন জাহান দোলা। ‘ভাঙা প্রেম অশেষ বিশেষ’ সেলিম আল দীনের প্রেমভাবনার এক অন্তরঙ্গ ও কাব্যিক অনুধ্যান। রচনাটিতে প্রেমকে শুধু প্রণয় কিংবা ব্যক্তিগত সম্পর্কের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হয়নি; বরং মানুষ, প্রকৃতি, স্মৃতি ও জগতের সঙ্গে মানুষের চিরন্তন সংযোগের গভীর অনুভব হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। আরও পড়ুন কারিনার অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার গুঞ্জন, যা জানা গেল আয়োজকদের ভাষ্য, রচনাটিতে প্রতিটি সম্পর্ক ও বন্ধন কীভাবে মানুষের মনে চিহ্ন রেখে যায়, ভাঙন কীভাবে কখনো কখনো নতুন সংযোগের আরেক রূপ হয়ে ওঠে এবং প্রেম কীভাবে আত্মার সীমা অতিক্রম করেও টিকে থাকে—সেসব অনুভূতিরই কাব্যিক প্রকাশ ঘটেছে। সেলিম আল দীনের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এ শ্রুতি পাঠের মধ্য দিয়ে তার সাহিত্যকর্মের একটি বিশেষ দিক দর্শক-শ্রোতাদের সামনে তুলে ধরার প্রয়াস নেওয়া হয়েছে। শ্রুতি পাঠের পাশাপাশি আয়োজনে সেলিম আল দীনকে নিয়ে স্মৃতিচারণামূলক আলোচনায় অংশ নেবেন নির্মাতা ও অভিনেতা আফজাল হোসেন, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. ইউসুফ হাসান অর্ক, মানবাধিকার নাট্যকর্মী জাহিদুল আলম হিটো এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক কাজী শুসমিন আফসানা। অনুষ্ঠানটির আয়োজন করছে ধ্রুপদী আর্ট সেন্টার। এতে সহযোগিতা করছে ফেনীর সেলিম আল দীন কেন্দ্র। আরটিভি/জেএমএ
সেলিম আল দীনের জন্মবার্ষিকীতে ‘ভাঙা প্রেম অশেষ বিশেষ’
আরও পড়ুন
দুর্ঘটনার কবলে বহনকারী মাইক্রোবাস, অক্ষত মহিবুল্লাহ বাবুনগরী
তীব্র তাপদাহে জনজীবন বিপর্যস্ত, হাসপাতালে বাড়ছে রোগীর চাপ
দেশে যেন আর অন্ধকার-দুর্দিন ফিরে না আসে, সজাগ থাকতে হবে: রিজভী
পুলিশের গুলিতে নিহত যুবদল নেতার পরিবারকে প্রধানমন্ত্রীর নতুন ঘর উপহার