ঢাকা শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

অযত্ন-অবহেলায় নষ্ট হচ্ছে ঝিনাইদহের ২১ প্রত্নতত্ত্ব স্থাপনা

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ : ০৭ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:৪৯ পিএম
ছবি: আরটিভি

ঝিনাইদহের ইতিহাস মানেই শুধু অতীত নয়-এটি এই জনপদের আত্মপরিচয়। সময়ের স্রোতে কালের নীরব সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা ঝিনাইদহের শতাব্দীপ্রাচীন ঐতিহাসিক ও হেরিটেজ স্থাপনাগুলো আজ চরম অবহেলার শিকার। অযত্ন, অপরিকল্পিত ব্যবহারে ক্ষয় আর যথাযথ সংরক্ষণ ও তদারকির অভাবে জেলার ইতিহাস-ঐতিহ্যের গর্ব বহনকারী জেলার ৬ উপজেলায় ছড়িয়ে থাকা ২১টি হেরিটেজ স্থাপনাই এখন অস্তিত্ব সংকটে।

স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ না নিলে অমূল্য এসব স্থাপনার গল্প ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে খুঁজতে হবে কেবল ইতিহাসের বইয়ের পাতায়।

নীলকুঠি থেকে রাজবাড়ি-সবখানেই অবহেলার ছাপ:

জেলার মহেশপুর উপজেলার খালিশপুরে অবস্থিত ১৯ শতকে নির্মিত প্রাচীন নীলকুঠি ভবনটি এক সময় ঔপনিবেশিক শাসনামলের সাক্ষী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক নিদর্শন ছিল। ২০১২ সালের ১৪ জুন প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের গেজেটে তালিকাভুক্ত হলেও বাস্তবে ভবনটির রক্ষণাবেক্ষণে নেই কার্যকর কোনো উদ্যোগ। চুন-সুড়কি,ইট ও টালির তৈরি এই স্থাপনাটির ছাদ দিয়ে চুইয়ে পড়ে বৃষ্টির পানি,দেয়ালে ধরেছে শ্যাওলা ও বড় বড় ফাটল। অযত্নে পড়ে থাকায় ভবনের ভেতরে এখন সাপ,ব্যাঙ,শেয়াল ও কুকুরের অবাধ বিচরণ।

Jhenaidah_Heritage_Sites_Photo_10

এটি শুধু একটি স্থাপনার চিত্র নয়। জেলার মিয়ার দালান, শৈলকুপার ঐতিহাসিক শাহী মসজিদ,নলডাঙ্গা রাজবাড়ি ও মন্দির,বারোবাজারের ঐতিহাসিক মসজিদ,কৃষক আন্দোলনের নেত্রী ইলা মিত্র ও গণিতবীদ কেপি বসুর বসতভিটাসহ জেলার তালিকাভুক্ত ২১টি হেরিটেজ স্থাপনার অধিকাংশই আজ রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে মৃত্যুপথযাত্রী।

তালিকায় ২১টি স্থাপনা,বাস্তবে অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ:

প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী,জেলার ৬টি উপজেলায় এখন পর্যন্ত মোট ২১টি ঐতিহাসিক ও প্রত্নতত্ত্ব সম্পদসমৃদ্ধ স্থাপনা হেরিটেজ তালিকাভুক্ত রয়েছে। কাগজে-কলমে এসব স্থাপনা রাষ্ট্রীয়ভাবে সংরক্ষিত হলেও বাস্তব চিত্র ভিন্ন। মাঠপর্যায়ে দেখা যাচ্ছে,অধিকাংশ স্থাপনাই নেই কার্যকর রক্ষণাবেক্ষণ ও সুরক্ষার আওতায়। গেজেটভুক্ত হওয়া সত্ত্বেও বাস্তব সংরক্ষণ কার্যত অনুপস্থিত।

Jhenaidah_Heritage_Sites_Photo_4

শতবর্ষী এসব স্থাপনার অনেকগুলোই আজ সময়ের সঙ্গে লড়াই করে টিকে আছে। নিয়মিত সংস্কার,নিরাপত্তা বেষ্টনী,সাইনবোর্ড কিংবা পর্যবেক্ষক না থাকায় অনেক স্থাপনাই ধীরে ধীরে বিলীন হওয়ার পথে।

বিশেষজ্ঞ ও সচেতন মহলের দাবি-এখনই জরুরি পদক্ষেপ:

তারা বলছেন, শুধু গেজেট প্রকাশ করলেই দায়িত্ব শেষ হয় না। ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলো রক্ষায় প্রয়োজন নিয়মিত জরিপ,দ্রুত সংস্কার পরিকল্পনা,পর্যাপ্ত বরাদ্দ ও স্থানীয় জনগণের সম্পৃক্ততা। তা না হলে অদূর ভবিষ্যতে ঝিনাইদহ তার মূল্যবান ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য হারাতে পারে। এসব হেরিটেজ স্থাপনা শুধু অতীতের নিদর্শন নয়-এগুলো স্থানীয় পরিচয়,ইতিহাস ও সম্ভাবনাময় পর্যটন শিল্পের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

Jhenaidah_Heritage_Sites_Photo_15

অথচ অবহেলা আর তদারকির অভাবে সেগুলো আজ নিঃশব্দে ধ্বংসের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়া হলে তালিকাভুক্ত ২১টি স্থাপনাই ভবিষ্যতে কেবল নথির পাতায় সীমাবদ্ধ হয়ে পড়বে-বাস্তবে থাকবে না কোনো চিহ্ন। এখনই যদি কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়া হয়,তবে ঝিনাইদহের ইতিহাস-ঐতিহ্যের অমূল্য নিদর্শনগুলো অচিরেই হারিয়ে যাবে কালের গহ্বর থেকে যাবে শুধু স্মৃতি আর আফসোস।

স্থানীয়দের ক্ষোভ ও হতাশা:

মহেশপুর উপজেলার রাসেল আহমেদ বলেন, তালিকাভুক্তির পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি কার্যত থেমে যায়। কোনো কোনো স্থাপনা ব্যক্তিমালিকানাধীন জমিতে থাকায় সংরক্ষণ নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে। আবার কোথাও স্থানীয় প্রশাসন, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর ও ভূমি অফিসের মধ্যে সমন্বয়ের অভাবে রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম শুরুই হয়নি।

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বাসিন্দা আব্দুল আজিজ বলেন, কেপিবসুর বসত ভিটা রক্ষাণাবেক্ষনের প্রশাসনের পক্ষ থেকে উল্লেখযোগ্য তেমন কোন ব্যবস্থা অদ্যবধি গ্রহণ করা হয়নি। এটি দর্শনীয় স্থান হওয়া সত্বেও রক্ষাণাবেক্ষনের অভাবে দিন দিন এটি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

Jhenaidah_Heritage_Sites_Photo_8

কালীগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা ওলিয়ার রহমান বলেন, বারোবাজারের ঐতিহাসিক মসজিদগুলো প্রশাসনের পক্ষ থেকে তেমন কোন তদারকি না করাই সেগুলো দিনদিন ধ্বংসের দারপ্রান্তে চলে যাচ্ছে। সময় থাকতে প্রশাসন দৃষ্টি না দিলে পর্যায়ক্রমে ইতিহাস ঐতিহ্য থেকে হারিয়ে যাবে।

শৈলকুপার ইলা মিত্র স্মৃতি সংরক্ষণ পরিষদের সদস্য সচিব সুজন বিপ্লব বলেন,‘ইতিহাসের সাক্ষী এসব স্থাপনা রক্ষায় জরুরি ভিত্তিতে সংস্কার,নিয়মিত তদারকি ও জনসম্পৃক্ততা প্রয়োজন। শুধু গেজেটভুক্ত করলেই দায়িত্ব শেষ হয় না। না হলে অযত্নে এগুলো একদিন নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে।

প্রশাসনের বক্তব্য:

ঝিনাইদহ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হোসনেআরা বলেন, সদর উপজেলার হরিশংকরপুরে অবস্থিত কেপিবসুর বসত ভিটা রক্ষাণাবেক্ষনের জন্য ইতি মধ্যে জেলা পরিষদের কাছে একটি প্রকল্প দেওয়া হয়েছে। আশা করি প্রকল্পটি পাস হলেই বাইন্ডারি প্রাচিরসহ বিল্ডিং মেরামতের কাজ শুরু করা হবে।

কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানা নাহিদ বলেন, আমি এখানে নতুন এসেছি। কযেকটি স্থান পরিদর্শন করেছি। পরবর্তীতে সেগুলো প্রকল্পের মাধ্যমে সংস্কার করা হবে।

শৈলকুপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহাফুজুর রহমান বলেন, আমি এখানে নতুন এসেছি। আমি শুনেছি কৃষক আন্দোলনের নেত্রী ইলা মিত্রের বসতবাড়ি আছে। সেটি সময় করে পরিদর্শন করবো। যদি সংস্কার করার প্রয়োজন হয় করবো।

Jhenaidah_Heritage_Sites_Photo_11

মহেশপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাদিজা আক্তার বলেন, উপজেলার খালিশপুরে অবস্থিত নীলকুঠি ভবনটি এক সময় ঔপনিবেশিক শাসনামলের সাক্ষী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক নিদর্শন হিসাবে দাড়িয়ে আছে। এটি বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে স্থানটি দর্শনীয় স্থান হিসাবে গড়ে তোলার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

এ বিষয়ে ঝিনাইদহের জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মাসউদ বলেন, হেরিটেজ স্থাপনাগুলো সংরক্ষণে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ধাপে ধাপে সংস্কার ও তদারকির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

আরটিভি/এএএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সীমান্তে লুকানো ছিল বিপুল ভারতীয় মোবাইল, ঘটনা কী
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলা সীমান্ত এলাকা থেকে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় অবৈধ মোবাইল ফোন জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। জব্দ করা মোবাইল ফোনের সংখ্যা পাঁচ হাজার পাঁচটি। এসব মোবাইল ফোনের আনুমানিক মূল্য প্রায় চার কোটি ৮০ হাজার টাকা। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় সরাইল ব্যাটালিয়ন (২৫ বিজিবি)। বেলা ১২টায় ২৫ বিজিবির প্রধান কার্যালয়ে অধিনায়ক লে. কর্ণেল জাব্বাব আহমেদ এ বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন।  বিজিবি জানায়, মহাপরিচালক, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-এর নির্দেশনা অনুযায়ী সীমান্তের নিরাপত্তা ও চোরাচালান প্রতিরোধে সরাইল ব্যাটালিয়নের (২৫ বিজিবি) সদস্যরা নিয়মিতভাবে অভিযান ও গোয়েন্দা নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় ২৫ সেপ্টেম্বর আনুমানিক রাত ১টা ৪০ মিনিটের দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সরাইল ব্যাটালিয়নের একটি টহল দল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার কামালমোড়া এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।  এ সময় সীমান্ত পিলার-২০০৮/১-এস থেকে আনুমানিক ৩০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় অবৈধ মোবাইল ফোন ডিসপ্লের একটি চালান আটক করা হয়। বিজিবির ভাষ্য অনুযায়ী, সীমান্ত এলাকায় কর্দমাক্ত অবস্থানের সুযোগ নিয়ে জঙ্গলের মধ্যে অভিনব কৌশলে লুকিয়ে রাখা মালিকবিহীন ভারতীয় অবৈধ মোবাইল ফোনের ডিসপ্লে উদ্ধার করা হয়। অভিযানে মোট ৫ হাজার ৫টি মোবাইল ফোন জব্দ করতে সক্ষম হয় বিজিবি। চার কোটি ৮০ হাজার টাকার এসব চোরাচালান মালামাল আখাউড়া কাস্টমস অফিসে জমা দেওয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। বিজিবি আরও জানায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর ও আখাউড়া এবং হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা সীমান্তে নিরাপত্তা রক্ষা ও চোরাচালান প্রতিরোধে তাদের অভিযান ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। সীমান্তবর্তী এলাকায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ চোরাচালানি মালামাল আটক করা হচ্ছে। আরটিভি/এসএস
সীমান্তে লুকানো ছিল বিপুল ভারতীয় মোবাইল, ঘটনা কী
পথ ভুলে নেটওয়ার্কের বাইরে দুই পর্যটক, উদ্ধারে ৬ ঘণ্টার অভিযান
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ঝরঝরি ঝর্ণায় ঘুরতে গিয়ে দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় পথ হারায় দুই পর্যটক। পাঁচ থেকে ছয় ঘণ্টা অভিযান চালিয়ে তাদেরকে জীবিত উদ্ধার করেছে সীতাকুণ্ড থানা-পুলিশ। 
পথ ভুলে নেটওয়ার্কের বাইরে দুই পর্যটক, উদ্ধারে ৬ ঘণ্টার অভিযান
মসজিদের জায়গা নিয়ে সংঘর্ষ, নারীসহ ৯ জন হাসপাতালে
বগুড়ার ধুনটে মসজিদের জায়গা নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে নারীসহ উভয় পক্ষের অন্তত ৯ জন আহত হয়েছেন।
মসজিদের জায়গা নিয়ে সংঘর্ষ, নারীসহ ৯ জন হাসপাতালে
গ্রিড উপকেন্দ্রে ব্রেকার বিস্ফোরণ, বিদ্যুৎ বিপর্যয়
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের চৌমুহনী গ্রিড উপকেন্দ্রে ৩৩ কেভি বিদ্যুৎ লাইনের সোর্স ব্রেকারে বিস্ফোরণের ঘটনায় জেলা শহর মাইজদী ও আশপাশের এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহে বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। বিকল হয়ে পড়া ব্রেকারটি মেরামত না হওয়া পর্যন্ত রোটেশন ভিত্তিতে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে।
গ্রিড উপকেন্দ্রে ব্রেকার বিস্ফোরণ, বিদ্যুৎ বিপর্যয়
ঝিনাইদহে ট্রেন কাটা পড়ে দুই পা বিচ্ছিন্ন সেই নারীর মৃত্যু
ঝিনাইদহের মোবারকগঞ্জ রেলস্টেশনে ট্রেনে ওঠার সময় পা পিচলে পড়ে দুই পা হারিয়েছেন রাবেয়া খাতুন (৩৭) নামে এক যাত্রী মারা গেছে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত হয়েছেন। রাজশাহী থেকে ছেড়ে আসা খুলনাগামি কপোতাক্ষ এক্সপ্রেসের যাত্রী ছিলেন ওই নারী।   শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টার দিকে স্টেশন থেকে বিরতীর পর যাত্রা শুরু করলে ওই নারী ট্রেনে উঠতে যান। এসময় অসাবধনতায় পা পিচলে নীচে পড়েন। প্লাটফর্ম থেকে নীচে পড়ে গেলে তার দুই পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এছাড়া তার একটি হাত ও শরীরের বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। রাবেয়া খাতুন, রাজধানী ঢাকার খিলক্ষেত জোয়ার সাহারা এলাকার ইকবাল হোসেনের মেয়ে।  মোবারকগঞ্জ রেলস্টেশনের মাস্টার নয়ন খন্দকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ঘটনার পর ফায়ার সার্ভিসে খবর দিলে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছে ওই নারীকে হাসপাতালে নেয়। তার অবস্থা আশংকাজনক হওয়া যশোর সদর হাসপাতালে  রেফার করা হয যশোর সদর হাসপাতাল নেওয়ার পথে চুডা মন কাঠি  নামক স্থানে পৌঁছালে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ অ্যাম্বুলেন্স ভিতর মারা যান লাশ কালিগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মর্গে রাখা হয়েছে। আরটিভি/এসকে
ঝিনাইদহে ট্রেন কাটা পড়ে দুই পা বিচ্ছিন্ন সেই নারীর মৃত্যু
আরও পড়ুন
‘সংকট সমাধানে একাধিক প্রস্তাব দিয়েছে জামায়াত, সরকার ভ্রুক্ষেপ করেনি’
সাংবাদিককে হুমকি ও জোরপূর্বক ভিডিও ধারণ: এসআইয়ের বিরুদ্ধে মামলা
আ.লীগ ফিরলে আবারও জামায়াত নেতাদের ফাঁসিতে ঝুলতে হবে: রাশেদ খান
জ্বালানি তেলের মূল্য আর বৃদ্ধির পরিকল্পনা নেই, সুযোগ থাকলে কমবে