ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

পুলিশের মিসফায়ারে গুলিবিদ্ধ দিনমজুরকে দেখতে হাসপাতালে রিটার্নিং কর্মকর্তা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৫:৪৮ পিএম
আহত আব্দুল মোতালেব কাজীকে বিভিন্ন সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন জেলা প্রশাসক মো. আমিনুল ইসলাম। ছবি : সংগৃহীত

গত বৃহস্পতিবার ভোট দিতে গিয়ে পুলিশের শটগান থেকে মিস ফায়ারিংয়ে গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন দিনমজুর আব্দুল মোতালেব কাজী। পাঁচদিন ধরে সিরাজগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে হাসপাতালে যান রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. আমিনুল ইসলাম। সেই সঙ্গে আহতের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা ও খাদ্যমাসগ্রী তুলে দেন।

এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) গণপতি রায়, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মামুন খান এবং হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. শহীদুল্লাহ দেওয়ান উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন

গুলিবিদ্ধ মোতালেব কাজী সদর উপজেলার কাওয়াখোলা ইউনিয়নের বড় কয়রা গ্রামের বাসিন্দা।‌ এর আগে ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের দিন কাওয়াখোলা ইউনিয়নের মুজিবকেল্লা কেন্দ্রে ভোটগ্রহণের সময় পুলিশের মিসফায়ারে গুলিবিদ্ধ হন তিনি।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, মোতালেব কাজী ভোট দিয়ে কেন্দ্রের সামনে অবস্থান করছিলেন। এ সময় কনস্টেবল ওয়াহাব আলীর শটগানের গুলি এসে মোতালেবের দুই পা ভেদ করে বেরিয়ে যায়। আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে সিরাজগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

সদর থানার ওসি মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, নির্বাচনের দিন দায়িত্বরত কনস্টেবল ওয়াহাবের শটগান থেকে মিস ফায়ারিং হয়। এতে গুলিবিদ্ধ হন মোতালেব কাজী।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. নাজরান রউফ বলেন, ওই ঘটনায় কনস্টেবল ওয়াহাব আলীকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। পুলিশ সুপারের নির্দেশে অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) প্রধান করে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত চলছে।

সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক শিমুল তালুকদার বলেন, মোতালেবের দুই পায়ে অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। বর্তমানে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে আছেন তিনি।

সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, দরিদ্র দিনমজুর তালেব কাজীকে কিছু আর্থিক সহযোগিতা করা হয়েছে। তার বাড়িটা জড়াজীর্ণ। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) টিন দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। এছাড়া তাকে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।

আরটিভি/এসআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সাবেক কাউন্সিলরের বাসায় হঠাৎ ডিবির অভিযান, অতঃপর...
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে নগরীর দৌলতপুর থানার উত্তর দেয়ানা এলাকার হোসেন শাহ রোডের ২১২ নম্বর বাড়িতে এ অভিযান চালানো হয়।
সাবেক কাউন্সিলরের বাসায় হঠাৎ ডিবির অভিযান, অতঃপর...
বাবা-মায়ের ফোন ও সোনা বিক্রি করে পালানো ৪ স্কুলছাত্রী উদ্ধার, উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য
বাবার মোবাইল ফোন ও মায়ের সোনার অলঙ্কার নিয়ে বাড়ি থেকে পালিয়ে যাওয়া কুমিল্লা পুলিশ লাইন্স সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চার স্কুলছাত্রীকে হবিগঞ্জ থেকে নিরাপদে উদ্ধার করেছে পুলিশ। উদ্ধার হওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে তিনজন পঞ্চম শ্রেণির এবং একজন তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী। বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে কুমিল্লা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান। পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, টিকটকের মাধ্যমে পরিচয় ও সখ্য গড়ে ওঠার পর পরিবারের অজান্তে গত ১২ অক্টোবর সকালে ওই চার শিক্ষার্থী স্কুলের অনুষ্ঠানের কথা বলে বাসা থেকে বের হয়ে যায়। কিন্তু তারা ক্লাসে উপস্থিত হয়নি। বিষয়টি জানার পর স্কুল কর্তৃপক্ষ পুলিশকে অবহিত করে। পরে পরিবারের সদস্যরা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও কোতোয়ালি থানা-পুলিশ অনুসন্ধানে নামে। বিভিন্ন স্থানের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণের পাশাপাশি দেশের সব থানায় নিখোঁজ শিক্ষার্থীদের ছবি ও তথ্য পাঠানো হয়। পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান জানান, নিবিড় অনুসন্ধানের একপর্যায়ে গত ১২ অক্টোবর দিবাগত রাত দুইটার দিকে চুনারুঘাট থানা-পুলিশের সহযোগিতায় হবিগঞ্জের চুনারুঘাট এলাকা থেকে ওই চার শিক্ষার্থীকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া শিশুদের বয়স আট থেকে বারো বছরের মধ্যে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে জানিয়ে পুলিশ সুপার বলেন, পড়াশোনার প্রতি তাদের আগ্রহ কম ছিল। তারা নিয়মিত মোবাইল ফোন ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করত এবং টিকটকে ভিডিও আপলোড করত। এসব মাধ্যমে পরিচয়ের সূত্র ধরে কয়েকজন ছেলের সঙ্গে তাদের সখ্য গড়ে ওঠে। তবে পরিচিত ওই ছেলেদের প্রকৃত ঠিকানা সম্পর্কে তারা জানত না। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ভুল ধারণা ও ফ্যান্টাসিতে বিভ্রান্ত হয়ে স্বাধীনভাবে জীবনযাপন ও উপার্জনের উদ্দেশে তারা বাসা থেকে একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ও সোনার অলঙ্কার নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে কুমিল্লার টাউন হল সুপার মার্কেটের বাহার মোবাইল মার্কেটে পরিবারের ব্যবহৃত একটি অ্যান্ড্রয়েড ফোন চার হাজার টাকায় বিক্রি করে তারা। সেই টাকা নিয়ে প্রথমে ঢাকায় গেলেও পরিকল্পনা সফল না হওয়ায়, এক শিক্ষার্থীর দাদাবাড়ি হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় তারা। হবিগঞ্জে পৌঁছে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় বিভিন্ন স্থানে ঘোরাঘুরি করে তারা। তবে প্রকৃত ঠিকানা খুঁজে না পাওয়ায় ওই সিএনজিচালক রাত ২টার দিকে চার শিশুকে চুনারুঘাট থানায় নিয়ে যান। ইতোমধ্যে জেলা গোয়েন্দা শাখা বিক্রি করা মোবাইল ফোন এবং সঙ্গে থাকা স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার করেছে। পরবর্তীতে আইনি প্রক্রিয়া শেষে উদ্ধার হওয়া চার শিক্ষার্থীকে তাদের পরিবারের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়। আরটিভি/টিআর
বাবা-মায়ের ফোন ও সোনা বিক্রি করে পালানো ৪ স্কুলছাত্রী উদ্ধার, উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য
সাগরে বিলীন বাবার কবর, কান্না থামছে না বৃদ্ধ জাকির হোসেনের
প্রতি শুক্রবার জুমার নামাজের পর বাবার কবর জিয়ারত করতেন জাকির হোসেন (৬২)। এ ছাড়া কোনো উপলক্ষে কিংবা বাবাকে মনে পড়লেই তিনি বাবার কবরের সামনে যেতেন। তবে এটি আর এখন সম্ভব নয়। 
সাগরে বিলীন বাবার কবর, কান্না থামছে না বৃদ্ধ জাকির হোসেনের
সাগরে নিখোঁজ স্বামী, সৌদিতে নিহত ছেলের মরদেহের অপেক্ষায় মা
যে সাগর স্বামী জালাল মিয়াকে কেড়ে নিয়েছিল, সেই সাগরেই ছেলেকে হারানোর ভয় ছিল মা ছাহেরা বেগমের। তাই স্বামীকে হারানোর পর একমাত্র ছেলেকে বাঁচানোর আকুলতায় ধারদেনা করে তাকে পাঠিয়েছিলেন সৌদি আরবে।
সাগরে নিখোঁজ স্বামী, সৌদিতে নিহত ছেলের মরদেহের অপেক্ষায় মা
দেশের একমাত্র রেলপথ, চলন্ত ট্রেনে ওঠা-নামা যেখানে ‘দুধভাত’
‘দাদি, হেঁটে যাচ্ছেন কেন? ট্রেনে উঠে আসেন।’ ট্রেনের যাত্রীর এমন প্রশ্নের জবাবে বৃদ্ধার উত্তর, ‘না, আজ ট্রেনে যাব না। আমার একটু তাড়া আছে, তাড়াতাড়ি যেতে হবে।’
দেশের একমাত্র রেলপথ, চলন্ত ট্রেনে ওঠা-নামা যেখানে ‘দুধভাত’
আরও পড়ুন
খুলনায় সাত সকালে বিএনপি নেতাকে গুলি
মিরপুরে নিজ বাসায় গুলিবিদ্ধ নারী, লোমহর্ষক বর্ণনা দিলো পুলিশ
ঢাকায় সন্ত্রাসীদের এলোপাতাড়ি গুলি, নারীসহ গুলিবিদ্ধ ৩
উখিয়া আশ্রয়শিবিরে তিন সশস্ত্র গোষ্ঠীর গোলাগুলি, গুলিবিদ্ধ মা–ছেলে