ঢাকা শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩

‘ভুয়া সাংবাদিকে দেশ ভরে গেছে, আসলদের শনাক্তে তালিকা প্রয়োজন’

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৩৩ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

ভুয়া সাংবাদিকে দেশ ভরে গেছে, আসলদের শনাক্তে তালিকা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী। তিনি বলেছেন, দেশে ভুয়া সাংবাদিকে ভরে গেছে। প্রকৃত সাংবাদিকদের তালিকা প্রণয়ন এখন সময়ের দাবি।

শনিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে সাংবাদিক ইউনিয়ন ফেনীর সাধারণ সভার উদ্বোধন করে তিনি এসব কথা বলেন।

সাংবাদিক ইউনিয়ন ফেনীর সভাপতি সিদ্দিক আল মামুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সাধারণ সভায় আরও বক্তব্য রাখেন বিএফইউজের সভাপতি ওবায়দুর রহমান শাহীন, দফতর সম্পাদক আবু বকর, সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম, মামুন ফরাজী প্রমুখ।

কাদের গনি চৌধুরী বলেন, গণতন্ত্রের নিরাপত্তা ও স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা জরুরি।

সংবাদমাধ্যমকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে দিলে স্বৈরাচারের জন্ম হয় না, রাষ্ট্র পথ হারায় না।

তিনি বলেন, মিডিয়া সরকারসহ বিভিন্ন গোষ্ঠীর সমালোচনা করে তাদের সংশোধনের সুযোগ সৃষ্টি করে।

যে সমাজে মানুষ নিজের মনের কথা নিঃশঙ্কচিত্তে বলতে পারে না, সে সমাজে বিবেকের দিশা হারিয়ে যায় এবং মানবিক মূল্যবোধ ভেঙে পড়ে। তাই বাংলাদেশের সংবিধান সাংবাদিকতাকে ক্ষমতাকে প্রশ্ন করার স্বাধীনতা দিয়েছে। সাংবাদিকরা ক্ষমতাকে নজরদারিতে রাখেন। তবে দুঃখজনকভাবে এখন এসব আদর্শ যথাযথভাবে প্রতিফলিত হচ্ছে না।

কাদের গনি চৌধুরী আরও বলেন, সাংবাদিকতা হচ্ছে সত্যের অনুসন্ধান। একজন সাংবাদিকের কাজ সমাজের প্রকৃত চিত্র তুলে ধরা, সত্য উদ্ঘাটন করা এবং তা রক্ষা করা। এজন্য সাংবাদিকদের যেমন সাহসী হতে হয়, তেমনি সত্যনিষ্ঠ, নীতিতে আপসহীন এবং ন্যায়ের প্রশ্নে অবিচল থাকতে হয়। সততা, নির্ভুলতা ও পক্ষপাতহীনতা—এই তিনটি সাংবাদিকতার মূলভিত্তি। তাই সংবাদ হতে হবে শতভাগ নির্ভুল ও শুদ্ধ।

তিনি বলেন, বাস্তবতা হলো বাংলাদেশের গণমাধ্যম অনেক ক্ষেত্রে তার গণমুখী চরিত্র হারিয়েছে। বিশেষ করে পতিত সরকারের সময়ে সাংবাদিকতার মান ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। সে সময় অনেক সাংবাদিক দলীয় প্রভাবের কাছে নতি স্বীকার করেছিলেন এবং কিছু সম্পাদক অসহায় আত্মসমর্পণ করেছিলেন।

বিএফইউজের মহাসচিব বলেন, জনগণ দলদাস সাংবাদিকতাকে ঘৃণা করে। আত্মসমর্পণ কোনো সম্পাদককে মানায় না। মেরুদণ্ড সোজা করে দাঁড়ানোর সক্ষমতা না থাকলে সম্পাদকের চেয়ারে বসা উচিত নয়।

কাদের গনি চৌধুরী আরও বলেন, পতিত সরকারের সময়ে সাংবাদিকতার এমন অবনতি হয়েছিল যে, সাংবাদিকদের একটি বড় অংশ জনবিরোধী হিসেবে চিহ্নিত হয়। ৫ আগস্ট সরকারের পতনের পর অনেকে দেশ ছেড়ে পালানোর চেষ্টা করেন, কেউ কেউ গ্রেপ্তারও হন। অনেকেই তাদের পদ-পদবি হারান।

এসবকে দুঃখজনক উল্লেখ করে তিনি বলেন, গণমাধ্যম গণআস্থার জায়গা ধরে রাখতে পারেনি। সরকারকে সন্তুষ্ট করতে গিয়ে অনেকেই জনআকাঙ্ক্ষার কথা ভুলে গিয়েছিলেন, যা ছিল একটি নৈতিক পরাজয়।

তিনি অভিযোগ করেন, অনেক সাংবাদিক অনৈতিক সুবিধা নিয়েছেন, কেউ কেউ সংবাদমাধ্যমের মালিক হয়েছেন, সম্পদশালী হয়েছেন। কিন্তু তারা সমাজের প্রকৃত সমস্যাগুলো তুলে ধরার বদলে অপশক্তির পক্ষ নিয়েছেন।

সততার সঙ্গে সাংবাদিকতা করলে পালিয়ে বেড়াতে হয় না; বরং দুর্দিনে জনগণই পাশে দাঁড়ায় বলেও মন্তব্য করেন কাদের গনি চৌধুরী।

তিনি বলেন, অপসাংবাদিকতা, তথ্য সন্ত্রাস ও হলুদ সাংবাদিকতা পেশাটির মর্যাদা ক্ষুণ্ন করছে। ব্যাঙের ছাতার মতো পত্রিকা বের হচ্ছে। একই প্রেস থেকে শুধু নাম ও প্রিন্টার্স লাইন পরিবর্তন করে অসংখ্য পত্রিকা প্রকাশিত হচ্ছে। এগুলো প্রকৃত সাংবাদিকতা নয়।

কাদের গনি চৌধুরী বলেন, তথাকথিত কিছু সম্পাদক এসব পত্রিকা নিয়ে বিভিন্ন দপ্তরে গিয়ে প্রভাব খাটান, যার ফলে প্রকৃত সাংবাদিকরা পিছিয়ে পড়ছেন।

প্রকৃত সম্পাদক ও সাংবাদিকদের তালিকা তৈরির আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কে সাংবাদিক আর কে ‘সাংঘাতিক’, এটা নির্ধারণ না হওয়ায় সমাজ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

তিনি বলেন, সাংবাদিক নামধারী কিছু ব্যক্তি ব্যবসায়ী ও সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তাদের হয়রানি করছেন। গণমাধ্যমের মর্যাদা ফিরিয়ে আনতে হলে এসব তথ্য সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে হবে।

সাংবাদিকদের ‘ওয়াচডগ’ বা সমাজের সতর্ক প্রহরী বলা হয়। কিন্তু আমরা যেন ‘পেটডগ’ বা ক্ষমতার অনুগত না হয়ে পড়ি, যোগ করেন কাদের গনি চৌধুরী।

তিনি বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সাংবাদিকদের ‘সোশ্যাল টিচার’ হিসেবে দেখতেন। আমরা যেন সেই মর্যাদা ধরে রেখে সমাজকে পথ দেখাতে পারি এবং আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করি।

বিএফইউজে সভাপতি ওবায়দুর রহমান শাহীন বলেন, রাষ্ট্রে সুশাসন নিশ্চিত করতে সংবাদমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সংবাদমাধ্যম যেমন রাষ্ট্রের কল্যাণমূলক কার্যক্রম তুলে ধরে, তেমনি গঠনমূলক সমালোচনার মাধ্যমে উন্নয়নের পথও নির্দেশ করে। এ কারণেই সংবাদমাধ্যমকে রাষ্ট্রের ‘চতুর্থ স্তম্ভ’ বলা হয়।

আরটিভি/টিআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
গোপালগঞ্জের সাবেক তিন ইউপি চেয়ারম্যান ঢাকায় গ্রেপ্তার
ঢাকার মতিঝিল এলাকা থেকে গোপালগঞ্জের সাবেক তিন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যানকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। তাদের বিরুদ্ধে গোপালগঞ্জে একাধিক মামলা রয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর মতিঝিল এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার বোড়াশী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এম এম মনির আহমেদ (ননী), গোপীনাথপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন কৃষক লীগের সভাপতি শরীফ আমিনুল হক লাচ্চু এবং জালালাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি এম সুপারুল আলম (টিকে)। গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার (এসপি) মো. হাবীবুল্লাহ গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রাজধানীর মতিঝিল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে গোপালগঞ্জে একাধিক মামলা রয়েছে। আরটিভি/টিআর
গোপালগঞ্জের সাবেক তিন ইউপি চেয়ারম্যান ঢাকায় গ্রেপ্তার
গ্রাম পুলিশ তৃণমূল পর্যায়ে সরকারের প্রতিনিধি: জহির উদ্দিন স্বপন
গ্রাম পুলিশ সদস্যদের তৃণমূল পর্যায়ে সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন সাবেক তথ্যমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা (মন্ত্রীর পদমর্যাদা) এম জহির উদ্দিন স্বপন। 
গ্রাম পুলিশ তৃণমূল পর্যায়ে সরকারের প্রতিনিধি: জহির উদ্দিন স্বপন
সাড়ে চার বছরেও শেষ হয়নি ৪ কোটি টাকার সড়ক
ফরিদপুরের সদরপুরে প্রায় ৪ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন একটি এইচবিবি (হেরিংবোন বন্ড) সড়কের কাজ সাড়ে চার বছরেও শেষ হয়নি। প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কটির নির্মাণকাজ শুরু হয়েছিল ২০২২ সালের এপ্রিলে। কিন্তু এ পর্যন্ত কাজ হয়েছে দুই কিলোমিটারেরও কম। অথচ এরই মধ্যে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বিল বাবদ তুলে নিয়েছে ১ কোটি ৮২ লাখ টাকা। দীর্ঘ সময়েও কাজ শেষ না হওয়ায় দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন পদ্মাবেষ্টিত দিয়ারা নারিকেলবাড়িয়া ইউনিয়নের বাসিন্দারা। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা তৈরি হয়েছে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) অর্থায়নে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের আওতায় ২০২২ সালের ২৬ এপ্রিল সড়কটির নির্মাণকাজ শুরু হয়। ৪ হাজার ৭১২ মিটার দীর্ঘ সড়ক নির্মাণে বরাদ্দ দেওয়া হয় ৩ কোটি ৭৬ লাখ ৬১ হাজার টাকা। কাজটি পায় এম এস মোল্যা কনস্ট্রাকশন নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ইউনিয়নের নন্দলালপুর ঘাট থেকে শুরু হয়ে সড়কটি ওয়াহেদ মোল্যার কান্দি এলাকার কালা মিয়া শিকদারের দোকান পর্যন্ত বিস্তৃত। সূত্রটি আরও জানায়, সড়কটির প্রায় ১ হাজার ৭০০ মিটার নির্মাণের পর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ১ কোটি ৮২ লাখ টাকা উত্তোলন করেছে। তবে বাকি কাজ দীর্ঘদিন ধরে অসমাপ্ত পড়ে রয়েছে। পদ্মাবেষ্টিত দিয়ারা নারিকেলবাড়িয়া ইউনিয়নটি যোগাযোগ ও অবকাঠামোগত দিক থেকে দীর্ঘদিন ধরেই পিছিয়ে। বর্ষা মৌসুমে ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হয়। এতে কৃষিপণ্য পরিবহন, শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে যাতায়াতসহ দৈনন্দিন নানা কাজে ভোগান্তিতে পড়েন বাসিন্দারা। এমন বাস্তবতায় সড়কটির নির্মাণকাজ শুরু হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘ সময়েও কাজ শেষ না হওয়ায় সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। নন্দলালপুর গ্রামের বাসিন্দা রাজা মিয়া বলেন, বর্ষা মৌসুমে চরাঞ্চলের অনেক এলাকা পানিতে ডুবে যায়। তখন যোগাযোগের জন্য সড়কটির প্রয়োজনীয়তা আরও বেড়ে যায়। অথচ বছরের পর বছর ধরে নির্মাণকাজ চললেও তা শেষ হচ্ছে না। দ্রুত কাজ সম্পন্ন না হলে এলাকার মানুষের দুর্ভোগ আরও দীর্ঘায়িত হবে। ওয়াহেদ মোল্যার কান্দি গ্রামের বাসিন্দা আজগর হোসেন বলেন, সড়কটির কাজ শুরু হলে আমরা ভেবেছিলাম, দীর্ঘদিনের যোগাযোগ সমস্যার অবসান হবে। কিন্তু সাড়ে চার বছর পার হয়ে গেলেও কাজ শেষ হয়নি। সামান্য কিছু কাজ করে ফেলে রাখা হয়েছে। বর্ষায় আমাদের দুর্ভোগের শেষ থাকে না। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি, দ্রুত সড়কটির নির্মাণকাজ শেষ করা হোক। দিয়ারা নারিকেলবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নাসির উদ্দিন সরদার বলেন, সড়কটি ইউনিয়নের মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে যোগাযোগব্যবস্থা অনেকটাই বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। নির্মাণকাজ অসমাপ্ত থাকায় সাধারণ মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে দ্রুত কাজ শেষ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এম এস মোল্যা কনস্ট্রাকশনের মালিক মো. কামরুজ্জামান টিটুর সঙ্গে এ বিষয়ে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘সড়কটির মোট দৈর্ঘ্য ছিল ৪ হাজার ৭১২ মিটার। এর মধ্যে প্রায় ১ হাজার ১০০ মিটার নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। অবশিষ্ট ৩ হাজার ৬০০ মিটারের মধ্যে ২ হাজার ৪০০ মিটার নির্মাণকাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। এ ছাড়া পুরো সড়কে মাটি ভরাটের কাজ অনেক আগেই সম্পন্ন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, এ সড়কে বছরে মাত্র চার মাস কাজ করা সম্ভব হয়। বাকি সময় পানিতে প্লাবিত থাকায় এবং মালামাল পরিবহনের অনুপযোগী হয়ে পড়ায় কাজ করা যায় না। বর্ষা শেষ হওয়ায় ইতোমধ্যে কাজ শুরুর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। দু-এক দিনের মধ্যে নির্মাণকাজ শুরু হবে। আশা করছি, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে কাজ শেষ করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করতে পারব। এ বিষয়ে তৎকালীন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মুহাম্মদ আবু এহসান মিয়া বলেন, আমার দায়িত্ব পালনকালে প্রকল্পটির কাজ শুরু হয়েছিল। প্রকল্পের অগ্রগতি ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাজের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট নথিপত্র দেখে বিস্তারিত বলা যাবে। বর্তমান উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নুরুনাহার বেগম বলেন, প্রকল্পটির বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। কাজের অগ্রগতি, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিল পরিশোধ এবং বাকি কাজের বিষয়ে নথিপত্র যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সড়কটির নির্মাণকাজ দ্রুত শেষ করার বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে। আরটিভি/টিআর
সাড়ে চার বছরেও শেষ হয়নি ৪ কোটি টাকার সড়ক
নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ললিপপ খাওয়ার অপরাধে মাদরাসা ছাত্রীকে মারধর
মাদরাসাতে ললিপপ খাওয়ার অপরাধে শ্রাবন্তী খাতুন নামে সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে বেত দিয়ে বেধড়ক পেটানোর অভিযোগ উঠেছে। আহত ছাত্রীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থীর মা শারমিন বেগম অভিযুক্ত মাদরাসা সুপারসহ দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে থানাতে একটি অভিযোগ দিয়েছেন। 
নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ললিপপ খাওয়ার অপরাধে মাদরাসা ছাত্রীকে মারধর
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে পৌঁছেছে ইউরেনিয়ামের আরও একটি চালান
কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ঢাকা থেকে পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে পৌঁছেছে ইউরেনিয়ামের আরও একটি চালান। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ঈশ্বরদীতে অবস্থিত রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ভেতরে প্রবেশ করে ইউরেনিয়ামবাহী গাড়িবহর।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে পৌঁছেছে ইউরেনিয়ামের আরও একটি চালান
আরও পড়ুন
বিদ্যালয়ের পোশাকে ছাত্রীর আপত্তিকর টিকটক ভিডিও, অতঃপর...
খালের ওপর কালভার্ট থাকলেও নেই সংযোগ সড়ক
দিনে রেকি, রাতে গৃহবধূর ঘরে মুখোশধারী ৩ যুবক
আলোর মুখ দেখতে যাচ্ছে ১৬ বছর ধরে বন্ধ থাকা দোস্ত টেক্সটাইল