ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

বোনদের সম্পত্তি ফাঁকি দেওয়ায় বড় শাস্তি পেলেন তিন ভাই

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৬ মে ২০২৬, ০১:৫২ পিএম
সাজাপ্রাপ্ত তিন ভাই। ছবি: সংগৃহীত

মেহেরপুরের গাংনীর গাড়াবাড়ীয়া গ্রামে বোনেদের সম্পত্তি জাল দলিলের মাধ্যমে নিজেদের নামে রেজিস্ট্রি করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় তিন ভাইকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। মামলার অপর আসামি আরেক ভাই বর্তমানে ইংল্যান্ডে পলাতক।

মঙ্গলবার (৫ মে) গাংনী আমলী আদালতে হাজির হয়ে দুই ভাই জামিন চাইলে বিচারক নাসিম উদ্দিন ফারাজি তা নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এর আগে রোববার (৩ মে) রাতে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হন অপর এক ভাই।

কারাগারে যাওয়া তিন ভাই হলেন গাংনী উপজেলার গাঁড়াবাড়িয়া গ্রামের মৃত শামসুজ্জোহা বিশ্বাসের ছেলে সামসুল ইসলাম খোকন, ইমদাদুল হক ও হেলাল উদ্দিন। মামলার বাদী তাদের বোন আখতার বানু।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ২০২৩ সালের ৪ মে তাদের মা মোজিরা খাতুন মারা যাওয়ার পর ওয়ারিশ হিসেবে সম্পত্তির ন্যায্য অংশ পাওয়ার কথা ছিল তিন বোনের। কিন্তু চার ভাই যোগসাজশে জালিয়াতির মাধ্যমে বোনদের অংশ গোপন রেখে নিজেদের মধ্যে ভুয়া দলিল তৈরি করে সম্পত্তি রেজিস্ট্রি করে নেন এবং নামজারিও সম্পন্ন করেন। পরে বিষয়টি জানতে পেরে বাদী গাংনী সাব-রেজিস্ট্রি অফিস থেকে দলিলের কপি সংগ্রহ করে আপত্তি জানান। প্রথমে আপসের আশ্বাস দিলেও পরে সম্পত্তি ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানান আসামিরা। এরপর আদালতে মামলা দায়ের করা হয় (মামলা নং- ১১৩৫/২০২৪)।

আদালতের নির্দেশে তদন্তকারী সংস্থা পিবিআই কুষ্টিয়া মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসলামী উত্তরাধিকার আইন (ফারায়েজ) অনুযায়ী ৬৬ শতক জমির মধ্যে চার ভাই প্রত্যেকে ১২ শতক এবং তিন বোন প্রত্যেকে ৬ শতক করে পাওয়ার কথা। কিন্তু আসামিরা প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে বোনদের প্রাপ্য অংশ আত্মসাৎ করেছেন।

তদন্ত প্রতিবেদনে আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১, ৪০৬, ৪২০ ও ৫০৬ ধারায় অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। একই বিষয়ে মেহেরপুর পৌর ভূমি কর্মকর্তাও পৃথক প্রতিবেদন জমা দেন।

প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে আদালত গত ২৭ এপ্রিল চার ভাইয়ের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। এর প্রেক্ষিতে পুলিশ একজনকে গ্রেপ্তার করে এবং বাকি দুই ভাই আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইলে তা নামঞ্জুর হয়।

মামলায় বাদীপক্ষে অ্যাডভোকেট কামরুল হাসান এবং আসামিপক্ষে রফিকুল ইসলাম, পল্লব ভট্টাচার্য, মারুফ আহমেদ বিজন ও মোখলেসুর রহমান স্বপন দায়িত্ব পালন করেন।

আরটিভি/টিআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
আরও পড়ুন
ভারতে উচ্চস্বরে আজান দেওয়ায় কারাগারে মুয়াজ্জিন
দিল্লির ছাত্র আন্দোলন থেকে গ্রেপ্তার, ৬ বছর পর ৭ দিনের জামিন
ধারণ ক্ষমতার চেয়ে প্রায় চারগুণ বন্দি ঝিনাইদহ কারাগারে
কারাগারেও বিলাসী জীবন ডিডির, মাসে খরচ হাজার হাজার ডলার