ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

আবাসিক হোটেলে গোপনে নারীদের গোসলের ভিডিও ধারণ, অতঃপর...

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৭ মে ২০২৬, ১১:১১ এএম
মোংলায় আবাসিক হোটেলে আপত্তিকর ভিডিও ধারণের অভিযোগে ২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ছবি: সংগৃহীত

বাগেরহাটের মোংলায় একটি আবাসিক হোটেলে নারীদের আপত্তিকর ভিডিও ধারণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বুধবার (৬ মে) বিকেলে গ্রেপ্তার আসামিদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে, মঙ্গলবার (৫ মে) রাতে মোংলা থানা পুলিশের একটি বিশেষ অভিযানে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে দায়ের করা মামলায় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন মোংলা পোর্ট পৌর শহরের সিঙ্গাপুর হোটেলের ম্যানেজার মো. মহসীন (৪০) এবং হোটেলের কর্মচারী বনি আমিন (২৩)। এ মামলার অপর এক আসামি বর্তমানে পলাতক রয়েছেন, তাকে ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পেশাগত কাজে মোংলায় আসা দুই নারী এনজিও কর্মী মঙ্গলবার (৫ মে) রাতে সিঙ্গাপুর হোটেলে রুম ভাড়া নেন। পরে ওই নারীরা গোসলে গেলে অভিযুক্তরা গোপনে বাথরুমের ভেন্টিলেটরের ছিদ্র দিয়ে তাদের আপত্তিকর ভিডিও ধারণ করেন। বিষয়টি একপর্যায়ে ওই নারীদের নজরে আসে এবং তারা হাতেনাতে এর প্রমাণ পান।

হোটেলের মতো একটি নিরাপদ স্থানে এমন ন্যাক্কারজনক ঘটনায় তারা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন এবং তাৎক্ষণিকভাবে হোটেল কর্তৃপক্ষের কাছে এর তীব্র প্রতিবাদ জানান। এরপর তারা থানা পুলিশকে জানান এবং তিনজনের নাম উল্লেখ করে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।

অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় ওসিসহ মোংলা থানা পুলিশের একটি চৌকস দল রাতেই হোটেলটিতে অভিযান চালায় এবং ডিজিটাল তথ্য-প্রমাণসহ ম্যানেজার মহসীন ও কর্মচারী বনি আমিনকে আটক করে।

আরও পড়ুন

এদিকে সুন্দরবনসংলগ্ন পর্যটন শহর মোংলায় আবাসিক হোটেলের এমন ঘটনায় সাধারণ পর্যটক ও স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।

এ বিষয়ে মোংলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, নারীদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব। আমরা অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছি এবং এজাহারভুক্ত দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছি। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা ভিডিও ধারণের কথা স্বীকার করেছে। তাদের ব্যবহৃত মোবাইলও জব্দ করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, পলাতক আসামিকেও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। হোটেলের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং এ ধরনের অপরাধের সঙ্গে আর কেউ জড়িত কি না তা গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ওসি বলেন, গ্রেপ্তার আসামিদের বুধবার (৬ মে) বিকেলে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

আরটিভি/আইএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
আরও পড়ুন
খুলনার হত্যা মামলার আসামি চট্টগ্রামে ধরা
‘কাজ দেওয়ার’ কথা বলে ফ্ল্যাটে ডেকে নেওয়া হয় তরুণীকে, অতঃপর... 
সোনারগাঁয় পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ৩৫
চার্চের ঘণ্টা চুরির ঘটনায় মূল হোতাসহ গ্রেপ্তার ৪