ঢাকা শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩

উদ্বোধনের আগেই সেতুর সংযোগ সড়কে ধস

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১১ মে ২০২৬, ০৪:৫৬ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলায় নির্মাণাধীন একটি গার্ডার সেতুর উদ্বোধন হওয়ার আগেই এর সংযোগ সড়কে (অ্যাপ্রোচ রোড) ধস দেখা দিয়েছে। একইসঙ্গে সড়কের মাটি ও প্রতিরক্ষা দেওয়াল (গার্ডওয়াল) সরে গিয়ে সেতুর মূল কাঠামো ঝুঁকির মুখে পড়েছে। নিম্নমানের কাজের অভিযোগে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের যৌথ অর্থায়নে ‘প্রোগ্রাম ফর সাপোর্টিং রুরাল ব্রিজেস’ প্রকল্পের আওতায় এই কাজ বাস্তবায়িত হচ্ছে। উপজেলার বিতারা ইউনিয়নের মাঝিগাছা-নিন্দপুর রঙের বাজার সংযোগ সড়কের হরিপুর গ্রামে প্রায় ১২ মিটার দীর্ঘ এই আরসিসি গার্ডার সেতু ও সংযোগ সড়ক নির্মাণের দায়িত্ব পায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স হারুন অ্যান্ড সন্স। প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে ২ কোটি ৩১ লাখ ৭১ হাজার ১১৬ টাকা।

সরেজমিনে দেখা যায়, সেতুর দুই পাশের গার্ডওয়ালের নিচের মাটি সরে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। সংযোগ সড়কের বিভিন্ন স্থানে বিশাল ফাটল দেখা দিয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই মাটি ধুয়ে কার্পেটিং নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ফলে সেতুটি চলাচলের জন্য পুরোপুরি উপযোগী হওয়ার আগেই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা হযরত আলী ও জিলানী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সেতুর কাজ এখনও শেষ হয়নি, এর মধ্যেই যদি রাস্তা ভেঙে পড়ে, তাহলে বর্ষাকালে কী হবে? কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে এমন নিম্নমানের কাজ কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। আমরা এর সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করছি।

এ বিষয়ে ঠিকাদার মো. হারুনুর রশিদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বৃষ্টির কারণে সেতুর সংযোগ অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা বর্তমানে মেরামত করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে কোনো সমস্যা হলে সেটিও সংস্কার করে দেওয়া হবে।

আরও পড়ুন

কচুয়া উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল আলীম লিটন বলেন, সাম্প্রতিক ভারী বৃষ্টির কারণে সেতুর কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিষয়টি আমরা তদন্ত করছি। তদন্তে কোনো গাফিলতি বা অনিয়ম পাওয়া গেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, ঠিকাদারকে এখনও চূড়ান্ত বিল দেওয়া হয়নি। কাজের গুণগত মান যাচাই করার পর বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরটিভি/এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ময়মনসিংহে লোকালয় থেকে মেছোবাঘ উদ্ধার
ময়মনসিংহের ভালুকায় লোকালয় থেকে একটি মেছোবাঘ অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করেছেন স্থানীয় গ্রামবাসী। উপজেলার হবিরবাড়ী ইউনিয়নের পশ্চিম ঝালপাজা গ্রামের শামীম মণ্ডলের বসতবাড়ির আঙিনা থেকে বন্যপ্রাণীটি উদ্ধার করা হয়। পরে মেছোবাঘটি দেখতে ওই বাড়িতে উৎসুক জনতা ভিড় করেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (৫ নভেম্বর) গভীর রাতে পশ্চিম ঝালপাজা এলাকার বাসিন্দা শামীম মণ্ডলের বসতবাড়ির আঙিনায় হঠাৎ একটি বন্যপ্রাণীর গর্জন শোনা যায়। বাঘের মতো দেখতে প্রাণীটি দেখে বাড়ির লোকজন আতঙ্কিত হয়ে চিৎকার শুরু করলে আশপাশের প্রতিবেশীরা লাঠিসোঁটা নিয়ে দ্রুত ছুটে আসেন। পরে গ্রামবাসী প্রাণীটিকে কোনো ধরনের আঘাত না করে চারদিক থেকে ঘিরে ফেলেন এবং কৌশলে অক্ষত অবস্থায় আটক করতে সক্ষম হন। লোকালয়ে মেছোবাঘ আটকের খবর ছড়িয়ে পড়লে শামীম মণ্ডলের বাড়িতে শত শত মানুষ ভিড় করেন। পরে খবর পেয়ে স্থানীয় বন বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে বন্যপ্রাণীটি উদ্ধার করেন। বাড়ির মালিক শামীম মণ্ডল বলেন, বুধবার গভীর রাতে হঠাৎ বাড়ির উঠানে অদ্ভুত গর্জন শুনতে পান তিনি। পরে টর্চলাইটের আলো ফেলতেই বাঘের মতো দুটি প্রাণীকে ওত পেতে বসে থাকতে দেখেন। পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীদের সহায়তায় কৌশলে একটি প্রাণী আটক করা সম্ভব হলেও অন্যটি পালিয়ে যায়। বাড়ির উঠানে বাঘ চলে আসায় রাতে তাঁরা খুব আতঙ্কে ছিলেন। তবে প্রাণীটির কোনো ক্ষতি না করে বন বিভাগের হাতে তুলে দিতে পেরে ভালো লাগছে। এ বিষয়ে হবিরবাড়ী বিট কর্মকর্তা ইফাজ মোর্শেদ শাহিল জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বন বিভাগের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে মেছোবাঘটি উদ্ধার করে। পরে প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে প্রাণীটিকে অভয়ারণ্যে অবমুক্ত করা হয়েছে। আরটিভি/টিআর
লোকালয় থেকে মেছোবাঘ উদ্ধার
বিদ্যালয়ের পোশাকে ছাত্রীর আপত্তিকর টিকটক ভিডিও, অতঃপর...
ফেনীর পরশুরামে বিদ্যালয়ের নির্ধারিত পোশাক পরে এবং বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে টিকটকের জন্য আপত্তিকর ভিডিও ও ছবি ধারণ করে তা ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে এক ছাত্রীকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করেছে বক্সমাহমুদ উচ্চ বিদ্যালয়। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক পারভীন আক্তারের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিদ্যালয় চলাকালে নির্ধারিত পোশাক পরা অবস্থায় ওই শিক্ষার্থী বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ভিডিও ও ছবি ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করে। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দাবি, এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের সুনাম ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ঘটনাটি তদন্তে বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা কমিটি গঠন করা হয়। শিক্ষার্থীর বক্তব্য ও তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে বলে দাবি করেছে কর্তৃপক্ষ। বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে শিক্ষার্থীদের মোবাইল ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও আচরণবিধি লঙ্ঘন করে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত হওয়ার অভিযোগে শৃঙ্খলা কমিটির সুপারিশ এবং পরিচালনা পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকে চূড়ান্তভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে বাধ্যতামূলক ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। গত ৩ নভেম্বর থেকে বিদ্যালয়ের সঙ্গে শিক্ষার্থী হিসেবে তার সব ধরনের সম্পর্কের অবসান হয়েছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়। এ ঘটনায় ভবিষ্যতে বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা ও ভাবমূর্তি বজায় রাখতে শিক্ষার্থীদের মোবাইল ফোন ব্যবহার এবং এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক পারভীন আক্তার বলেন, এর আগেও ওই শিক্ষার্থীকে কয়েকবার সতর্ক করা হয়েছিল। এরপরও একই ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়ানোর অভিযোগ ওঠায় বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। আরটিভি/টিআর
বিদ্যালয়ের পোশাকে ছাত্রীর আপত্তিকর টিকটক ভিডিও, অতঃপর...
ভাঙা বাঁশের সাঁকোয় দুর্ভোগে আট গ্রামের মানুষ
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে বারোমাসিয়া নদীর ওপর নির্মিত প্রায় ৩০০ ফুট দীর্ঘ বাঁশের সাঁকোর অর্ধেকের বেশি অংশ ভেঙে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন দুই পাড়ের অন্তত আট গ্রামের হাজারো মানুষ। প্রায় দুই থেকে তিন মাস ধরে সাঁকোটি ভাঙা অবস্থায় পড়ে থাকলেও সংস্কারের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। সাঁকোর এমন অবস্থায় বাধ্য হয়ে কেউ বুকসমান পানি পেরিয়ে, কেউ সাঁতরে আবার কেউ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ভাঙা সাঁকো দিয়ে নদী পারাপার হচ্ছেন। সাঁকোটি নষ্ট হয়ে যাওয়ায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, নারী, শিশু ও বয়স্করা। ফুলবাড়ী উপজেলার নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের কিশামত শিমুলবাড়ী এলাকায় নবিউলের ঘাট নামে পরিচিত বারোমাসিয়া (বাণিদাহ) নদীর ওপর নির্মিত ৩০০ ফুট দীর্ঘ বাঁশের সাঁকোটির দক্ষিণ পাশের মাঝামাঝি প্রায় ১৫০ ফুট অংশ ভেঙে গেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রায় চার দশক ধরে এ নদী পারাপারে ছোট ছোট ডিঙি ও মাঝারি আকারের নৌকা ব্যবহার করতেন দুই পাড়ের মানুষ। করিমের ঘাট ও নবিউলের ঘাট নামে পরিচিত স্থানে ইজারাদারের মাধ্যমে নৌকায় পারাপার হতেন তারা। পরবর্তী সময়ে নদীর প্রস্থ কমে গেলে স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্যোগে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়। এরপর থেকে প্রায় দেড় যুগ ধরে এ সাঁকো দিয়ে প্রতিদিন হাজারো মানুষ যাতায়াত করে আসছেন। প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমের আগে স্থানীয় উদ্যোগে সাঁকোটি মেরামত করা হতো। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে প্রয়োজনীয় সংস্কার না করায় বাঁশের পাটাতন ও কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়ে। প্রায় দুই থেকে তিন মাস আগে সাঁকোটির কয়েকটি স্থানের বড় অংশ ভেঙে যায়। এরপর থেকেই ওই এলাকার হাজারো মানুষের দুর্ভোগ শুরু হয়। সাঁকোটি ভেঙে যাওয়ায় নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের কিশামত শিমুলবাড়ী, চরগোরকমণ্ডল, ঝাউকুটি, পশ্চিম ফুলমতি, নাওডাঙ্গা ও শিমুলবাড়ী এলাকার হকবাজারসহ পার্শ্ববর্তী লালমনিরহাট সদর উপজেলার কুলাঘাট ইউনিয়নের চরখারুয়া ও খারুয়া গ্রামের মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। স্থানীয় বাসিন্দা মিনতি রানী জানান, দুই-তিন মাস ধরে অনেক কষ্ট করে নদী পারাপার হচ্ছি। কিন্তু কেউ আমাদের খোঁজ নিতে আসেননি। ছেলেমেয়েদেরও অনেক কষ্ট করে নদী পার হয়ে স্কুলে যেতে হচ্ছে। আমরা আর এ দুর্ভোগ সহ্য করতে পারছি না। দ্রুত সাঁকোটি মেরামত করা হোক। শিক্ষার্থী সুমন মিয়া, শাকিব ও সাইফুল ইসলাম জানায়, সাঁকোটি দিয়ে স্কুল-কলেজে যাতায়াত করতে তাদের খুব কষ্ট হয়। বিকল্প কোনো রাস্তা না থাকায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ভাঙা সাঁকো পার হতে হয়। নাওডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. হাছেন আলী জানান, ভেঙে যাওয়া সাঁকোটি দ্রুত পুনর্নির্মাণের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে জানানো হয়েছে। এটি নির্মাণ করা হলে দুই পাড়ের হাজারো মানুষের দুর্ভোগ দূর হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদ হাসান জানান, সাঁকোটি ভেঙে যাওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের দুর্ভোগের বিষয়টি প্রশাসনের নজরে রয়েছে। সেখানে একটি টেকসই বাঁশের সাঁকো নির্মাণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আরটিভি/টিআর
ভাঙা বাঁশের সাঁকোয় দুর্ভোগে আট গ্রামের মানুষ
সুনামগঞ্জে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ২০
সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জে আধিপত্য বিস্তার ও পূর্বশত্রুতার জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নারীসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলার পশ্চিম বীরগাঁও ইউনিয়নের দূর্বাকান্দা গ্রামে ইউপি সদস্য সাইদুল ইসলাম ও আব্দুল সহিদের লোকজনের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২ নভেম্বর (সোমবার) বিকেলে ইউপি সদস্য কামাল মিয়া তার অসুস্থ এক স্বজনকে দেখতে আব্দুল সহিদকে বাড়িতে আসতে বলেন। আব্দুল সহিদ কামাল মিয়ার বাড়িতে গেলে সেখানে তাকে মারধর করে আহত করা হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। ওই ঘটনার জেরে বৃহস্পতিবার দুপুরে আব্দুল সহিদের নেতৃত্বে গ্রামের খোকন মিয়া, সুহেল মিয়া, জাহিদ হাসান, মতিন মিয়া, আলকাছ মিয়া, রাজু মিয়া, নাদির মিয়া, কামাল মিয়া, ছামির মিয়া, আব্দুল কাদির, মোহাম্মদ আলী, শাহজাদা, জিয়াউর রহমান ও মহিবুর রহমান দেশীয় অস্ত্র নিয়ে প্রতিপক্ষের বাড়িঘরে হামলা চালান বলে অভিযোগ উঠেছে। এ সময় রামদা, সুলফি, জাটা ও কিরিচসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করা হয়। হামলায় ইউপি সদস্য সাইদুল ইসলাম, আজমান আলী, সুয়েব মিয়া, ফাজিল মিয়া, রিয়াজ উদ্দিন, সুজাত মিয়া ও নার্গিস বেগমসহ অন্তত ১৮ জন আহত হন। গুরুতর আহত সাহাজ উদ্দিন ও আজমান আলীকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ইউপি সদস্য সাইদুল ইসলাম জানান, গ্রামবাসী সামাজিক সালিশের মাধ্যমে হামলায় জড়িত আব্দুল সহিদসহ কয়েকজনকে একঘরে করে রাখার সিদ্ধান্ত নেন। ওই সিদ্ধান্ত ঘোষণাকারীদের ওপর হামলার ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে প্রতিপক্ষের লোকজন এ সংঘর্ষে জড়ান বলে তিনি দাবি করেন। তবে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে আব্দুল সহিদ বলেন, আগে সাইদুল মেম্বারের লোকজন আমাদের ওপর হামলা করেন। আমরা প্রতিরোধ করলে সংঘর্ষ হয়। এতে আমিসহ আমাদের পক্ষের সাতজন আহত হয়েছেন। শান্তিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল্লাহ বলেন, আধিপত্য বিস্তার ও পূর্বশত্রুতার জেরে ইউপি সদস্য সাইদুল ইসলাম ও আব্দুল সহিদের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের ১৫ থেকে ২০ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে দুজন গুরুতর আহত। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে বলেও জানান তিনি। আরটিভি/টিআর
সুনামগঞ্জে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ২০
মন্ত্রীর প্রটোকলের ফাঁকে এসিল্যান্ডের সেলফি, ছবি ভাইরাল
সরকারি দায়িত্ব পালনের ব্যস্ততার ফাঁকে প্রকৃতির সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে নিজের কিছু মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দি করেছেন হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মৈত্রী রায়। চুনারুঘাটের চণ্ডীছড়া চা-বাগানে তোলা তার কয়েকটি সেলফি ও ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে। গত বুধবার (৪ নভেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ছবিগুলো পোস্ট করে ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘প্রটোকলের ফাঁকে সেল্ফ প্রটোকল, চণ্ডীছড়া চা-বাগান, চুনারুঘাট।’ ছবিগুলোর সঙ্গে হাবিব ওয়াহিদের একটি রোমান্টিক গানও যুক্ত করেন তিনি। জানা যায়, সম্প্রতি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের সফর উপলক্ষে সরকারি দায়িত্ব ও প্রটোকল পালনের সময় মাধবপুর ও চুনারুঘাটের চণ্ডীছড়া চা-বাগানে এসব ছবি তোলেন তিনি। মৈত্রী রায় ইতোমধ্যে বাল্যবিবাহ বন্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, জরিমানা আদায়সহ বিভিন্ন প্রশাসনিক পদক্ষেপের মাধ্যমে এলাকায় আলোচনায় এসেছেন। দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও সৃজনশীল চর্চার প্রতিও তার আগ্রহ রয়েছে বলে বিভিন্ন সময়ের বক্তব্যে উঠে এসেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার পোস্টে মন্তব্য করে স্থানীয় সাংবাদিক এমএ কাদের লেখেন, প্রটোকলের ব্যস্ততার মাঝেও প্রকৃতির সঙ্গে এমন কিছু মুহূর্ত নিজেকে নতুন করে আবিষ্কারের সুযোগ করে দেয়। চণ্ডীছড়া চা-বাগানের অপরূপ সৌন্দর্যের সঙ্গে আপনার এই স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি ছবিগুলোকে আরও প্রাণবন্ত করেছে। দায়িত্বের বাইরে এমন সুন্দর মুহূর্তগুলোই একজন মানুষের ব্যক্তিত্বের অন্যরকম দিক তুলে ধরে। এ বিষয়ে এসিল্যান্ড মৈত্রী রায় বলেন, এক্সট্রা কারিকুলার অ্যাক্টিভিটিস মানুষের মেধা ও সৃজনশীলতার বিকাশ ঘটায়। প্রতিটি কাজই সুন্দরভাবে করার চেষ্টা করি। আরটিভি/টিআর
মন্ত্রীর প্রটোকলের ফাঁকে এসিল্যান্ডের সেলফি, ছবি ভাইরাল
আরও পড়ুন
চাঁদপুরে শুরু হলো নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস
সড়কে ডাকাতি, চুরি ও ছিনতাই প্রতিরোধে ঝোপঝাড় পরিষ্কারে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ
চাঁদপুরে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা পেলেন শতাধিক সাংবাদিক পরিবার
এনআইডি দিয়ে তোলা হয়েছে ১৮ সিম, মালেকের ‘মাথায় হাত’