ঢাকা শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩

স্বামী বাইরে থাকায় ঘরে ঢুকে গেলেন হোটেল মালিক, অতঃপর...

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ৩০ মে ২০২৬, ০৪:০৬ পিএম
অভিযুক্ত কবির মিয়া। ছবি: সংগৃহীত

কুড়িগ্রামে চিলমারী উপজেলায় একটি আবাসিক হোটেলে এক গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে হোটেলটির মালিককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (২৯ মে) রাতে অভিযুক্ত কবির মিয়াকে (৪৫) উপজেলার সরকারপাড়া এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, জেলার উলিপুর উপজেলার এক দম্পতি তাদের খালার বাড়ি সৈয়দপুর থেকে নিজ এলাকায় ফেরার উদ্দেশ্যে বৃহস্পতিবার (২৮ মে) রাতে রমনা ফেরিঘাটে আসেন। তবে ঘাটে পৌঁছাতে বিলম্ব হওয়ায় নৌযান চলাচলের নির্ধারিত সময় পার হয়ে যায়। ফলে বিকল্প কোনো উপায় না পেয়ে তারা রাত্রিযাপনের জন্য রমনা ঘাট এলাকায় ‘হোটেল কলি’ নামের একটি আবাসিক হোটেলে ওঠেন।

অভিযোগে বলা হয়, হোটেলে ওঠার কিছুক্ষণ পর ওই নারী ও তার আট মাস বয়সি সন্তানকে কক্ষে রেখে খাবার কেনার জন্য থানাহাট বাজারে যান স্বামী। কিছুক্ষণ পর খাবার নিয়ে ফিরে এলে তার স্ত্রী কান্নাকাটি করে জানান, হোটেল মালিক কবির মিয়া তাকে ধর্ষণ করেছে।

ভুক্তভোগীর স্বামী বিষয়টি হোটেল কর্তৃপক্ষকে জানালে তারা অভিযোগ এড়িয়ে যাওয়ার পাশাপাশি প্রাণনাশের হুমকি দেয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

পরদিন শুক্রবার দুপুরে ভুক্তভোগীর স্বামী স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. রুকনুজ্জামান স্বপনের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও তা ব্যর্থ হয়। একপর্যায়ে তিনি জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশকে অবহিত করেন।

খবর পেয়ে শুক্রবার সন্ধ্যায় চিলমারী মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ভুক্তভোগী নারী, তার স্বামী ও শিশুসন্তানকে উদ্ধার করে।

পরে নির্যাতিত নারীর স্বামী বাদী হয়ে থানায় ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।

চিলমারী মডেল থানার ওসি নয়ন কুমার বলেন, মামলার আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কুড়িগ্রাম জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আরটিভি/এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
পদ্মায় ধরা পড়ল ১৫ কেজির পাঙ্গাশ
শরীয়তপুরের পদ্মা নদীতে জেলের জালে ধরা পড়েছে ১৫ কেজি ৪০০ গ্রাম ওজনের একটি বড় পাঙ্গাশ মাছ। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকালে মাছটি নড়িয়া উপজেলার সুরেশ্বর মৎস্য আড়তে নিলামে ১৬ হাজার ১৭০ টাকায় বিক্রি হয়। ভোরে জেলে সবুজ দেওয়ান মাছটি আড়তে নিয়ে আসেন। পরে নিলামে প্রতি কেজি ১ হাজার ৫০ টাকা দরে মাছটি কিনে নেন স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ী আয়নাল খান। জেলে সবুজ দেওয়ান জানান, বৃহস্পতিবার রাতে সঙ্গীদের নিয়ে পদ্মা নদীতে মাছ ধরতে জাল ফেলেন তিনি। কিছুক্ষণ পর জাল টেনে তুলতেই বিশাল পাঙ্গাশ মাছটি দেখতে পান। এত বড় মাছ পেয়ে তিনি ও তাঁর সঙ্গীরা বেশ আনন্দিত। স্থানীয়রা জানান, বর্তমানে পদ্মা নদীতে বড় মাছ ধরার মৌসুম চলছে। প্রায় প্রতিদিনই জেলেদের জালে বড় আকারের মাছ ধরা পড়ছে। বিশেষ করে পাঙ্গাশ ও বাঘাড় মাছ তুলনামূলক বেশি পাওয়া যাচ্ছে। মাছ ব্যবসায়ী আয়নাল খান বলেন, প্রতি কেজি ১ হাজার ৫০ টাকা দরে মাছটি কিনেছি। কিছু লাভ রেখে এটি বিক্রি করা হবে। শরীয়তপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ কুমার দেব জানান, পদ্মার সুস্বাদু এ ধরনের মাছ খুবই লোভনীয়। সাধারণ মানুষ কিনতে না পারলেও ধনীরা খবর পেলেই কিনে নেন। বড় মাছ বিক্রি করে জেলেরা ভালো দাম পাওয়ায় বেশ খুশি হন। আরটিভি/টিআর
পদ্মায় ধরা পড়ল ১৫ কেজির পাঙ্গাশ
গোপালগঞ্জের সাবেক তিন ইউপি চেয়ারম্যান ঢাকায় গ্রেপ্তার
ঢাকার মতিঝিল এলাকা থেকে গোপালগঞ্জের সাবেক তিন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যানকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। তাদের বিরুদ্ধে গোপালগঞ্জে একাধিক মামলা রয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর মতিঝিল এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার বোড়াশী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এম এম মনির আহমেদ (ননী), গোপীনাথপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন কৃষক লীগের সভাপতি শরীফ আমিনুল হক লাচ্চু এবং জালালাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি এম সুপারুল আলম (টিকে)। গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার (এসপি) মো. হাবীবুল্লাহ গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রাজধানীর মতিঝিল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে গোপালগঞ্জে একাধিক মামলা রয়েছে। আরটিভি/টিআর
গোপালগঞ্জের সাবেক তিন ইউপি চেয়ারম্যান ঢাকায় গ্রেপ্তার
গ্রাম পুলিশ তৃণমূল পর্যায়ে সরকারের প্রতিনিধি: জহির উদ্দিন স্বপন
গ্রাম পুলিশ সদস্যদের তৃণমূল পর্যায়ে সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন সাবেক তথ্যমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা (মন্ত্রীর পদমর্যাদা) এম জহির উদ্দিন স্বপন। 
গ্রাম পুলিশ তৃণমূল পর্যায়ে সরকারের প্রতিনিধি: জহির উদ্দিন স্বপন
সাড়ে চার বছরেও শেষ হয়নি ৪ কোটি টাকার সড়ক
ফরিদপুরের সদরপুরে প্রায় ৪ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন একটি এইচবিবি (হেরিংবোন বন্ড) সড়কের কাজ সাড়ে চার বছরেও শেষ হয়নি। প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কটির নির্মাণকাজ শুরু হয়েছিল ২০২২ সালের এপ্রিলে। কিন্তু এ পর্যন্ত কাজ হয়েছে দুই কিলোমিটারেরও কম। অথচ এরই মধ্যে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বিল বাবদ তুলে নিয়েছে ১ কোটি ৮২ লাখ টাকা। দীর্ঘ সময়েও কাজ শেষ না হওয়ায় দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন পদ্মাবেষ্টিত দিয়ারা নারিকেলবাড়িয়া ইউনিয়নের বাসিন্দারা। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা তৈরি হয়েছে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) অর্থায়নে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের আওতায় ২০২২ সালের ২৬ এপ্রিল সড়কটির নির্মাণকাজ শুরু হয়। ৪ হাজার ৭১২ মিটার দীর্ঘ সড়ক নির্মাণে বরাদ্দ দেওয়া হয় ৩ কোটি ৭৬ লাখ ৬১ হাজার টাকা। কাজটি পায় এম এস মোল্যা কনস্ট্রাকশন নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ইউনিয়নের নন্দলালপুর ঘাট থেকে শুরু হয়ে সড়কটি ওয়াহেদ মোল্যার কান্দি এলাকার কালা মিয়া শিকদারের দোকান পর্যন্ত বিস্তৃত। সূত্রটি আরও জানায়, সড়কটির প্রায় ১ হাজার ৭০০ মিটার নির্মাণের পর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ১ কোটি ৮২ লাখ টাকা উত্তোলন করেছে। তবে বাকি কাজ দীর্ঘদিন ধরে অসমাপ্ত পড়ে রয়েছে। পদ্মাবেষ্টিত দিয়ারা নারিকেলবাড়িয়া ইউনিয়নটি যোগাযোগ ও অবকাঠামোগত দিক থেকে দীর্ঘদিন ধরেই পিছিয়ে। বর্ষা মৌসুমে ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হয়। এতে কৃষিপণ্য পরিবহন, শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে যাতায়াতসহ দৈনন্দিন নানা কাজে ভোগান্তিতে পড়েন বাসিন্দারা। এমন বাস্তবতায় সড়কটির নির্মাণকাজ শুরু হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘ সময়েও কাজ শেষ না হওয়ায় সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। নন্দলালপুর গ্রামের বাসিন্দা রাজা মিয়া বলেন, বর্ষা মৌসুমে চরাঞ্চলের অনেক এলাকা পানিতে ডুবে যায়। তখন যোগাযোগের জন্য সড়কটির প্রয়োজনীয়তা আরও বেড়ে যায়। অথচ বছরের পর বছর ধরে নির্মাণকাজ চললেও তা শেষ হচ্ছে না। দ্রুত কাজ সম্পন্ন না হলে এলাকার মানুষের দুর্ভোগ আরও দীর্ঘায়িত হবে। ওয়াহেদ মোল্যার কান্দি গ্রামের বাসিন্দা আজগর হোসেন বলেন, সড়কটির কাজ শুরু হলে আমরা ভেবেছিলাম, দীর্ঘদিনের যোগাযোগ সমস্যার অবসান হবে। কিন্তু সাড়ে চার বছর পার হয়ে গেলেও কাজ শেষ হয়নি। সামান্য কিছু কাজ করে ফেলে রাখা হয়েছে। বর্ষায় আমাদের দুর্ভোগের শেষ থাকে না। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি, দ্রুত সড়কটির নির্মাণকাজ শেষ করা হোক। দিয়ারা নারিকেলবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নাসির উদ্দিন সরদার বলেন, সড়কটি ইউনিয়নের মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে যোগাযোগব্যবস্থা অনেকটাই বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। নির্মাণকাজ অসমাপ্ত থাকায় সাধারণ মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে দ্রুত কাজ শেষ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এম এস মোল্যা কনস্ট্রাকশনের মালিক মো. কামরুজ্জামান টিটুর সঙ্গে এ বিষয়ে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘সড়কটির মোট দৈর্ঘ্য ছিল ৪ হাজার ৭১২ মিটার। এর মধ্যে প্রায় ১ হাজার ১০০ মিটার নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। অবশিষ্ট ৩ হাজার ৬০০ মিটারের মধ্যে ২ হাজার ৪০০ মিটার নির্মাণকাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। এ ছাড়া পুরো সড়কে মাটি ভরাটের কাজ অনেক আগেই সম্পন্ন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, এ সড়কে বছরে মাত্র চার মাস কাজ করা সম্ভব হয়। বাকি সময় পানিতে প্লাবিত থাকায় এবং মালামাল পরিবহনের অনুপযোগী হয়ে পড়ায় কাজ করা যায় না। বর্ষা শেষ হওয়ায় ইতোমধ্যে কাজ শুরুর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। দু-এক দিনের মধ্যে নির্মাণকাজ শুরু হবে। আশা করছি, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে কাজ শেষ করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করতে পারব। এ বিষয়ে তৎকালীন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মুহাম্মদ আবু এহসান মিয়া বলেন, আমার দায়িত্ব পালনকালে প্রকল্পটির কাজ শুরু হয়েছিল। প্রকল্পের অগ্রগতি ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাজের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট নথিপত্র দেখে বিস্তারিত বলা যাবে। বর্তমান উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নুরুনাহার বেগম বলেন, প্রকল্পটির বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। কাজের অগ্রগতি, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিল পরিশোধ এবং বাকি কাজের বিষয়ে নথিপত্র যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সড়কটির নির্মাণকাজ দ্রুত শেষ করার বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে। আরটিভি/টিআর
সাড়ে চার বছরেও শেষ হয়নি ৪ কোটি টাকার সড়ক
নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ললিপপ খাওয়ার অপরাধে মাদরাসা ছাত্রীকে মারধর
মাদরাসাতে ললিপপ খাওয়ার অপরাধে শ্রাবন্তী খাতুন নামে সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে বেত দিয়ে বেধড়ক পেটানোর অভিযোগ উঠেছে। আহত ছাত্রীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থীর মা শারমিন বেগম অভিযুক্ত মাদরাসা সুপারসহ দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে থানাতে একটি অভিযোগ দিয়েছেন। 
নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ললিপপ খাওয়ার অপরাধে মাদরাসা ছাত্রীকে মারধর
আরও পড়ুন
ভাঙা বাঁশের সাঁকোয় দুর্ভোগে আট গ্রামের মানুষ
ভূমিহীন সাইদারের হাতের ভেতর কাচ রেখেই সেলাই! 
কুড়িগ্রামে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের অপসারণ ও ‘মিথ্যা মামলা’ প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন
কুড়িগ্রামে ব্যাটারিচালিত রিকশার ধাক্কায় প্রাণ গেল বৃদ্ধের