ঢাকা শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩

দুই দিনের রিমান্ডে বহিষ্কৃত শিবির নেতা জিসান

স্টাফ রিপোর্টার (কুমিল্লা), আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২১ জুন ২০২৬, ০৬:২৯ পিএম
রিমান্ড শেষে আদালত থেকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে শিবির নেতাকে : ছবি আরটিভি

ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় গ্রেপ্তার বহিষ্কৃত ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সহকারী আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও কুমিল্লা জেলা পশ্চিম শাখার সাবেক সভাপতি জিসান মিয়া প্রধানের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

রোববার (২১ জুন) দুপুরে কুমিল্লার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩-এর বিচারক তৈয়ব উদ্দিন এ আদেশ দেন। এর আগে মামলার তদন্তের স্বার্থে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। শুনানি শেষে আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সাইদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের কর্মকর্তা শামছুল আলম শাহ আদালতে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

আরও পড়ুন

আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত ১১ জুন জিসান মিয়া প্রধান নিখোঁজ হয়েছেন বলে দাবি করে তার পরিবার। পরদিন দাউদকান্দি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে একই দিন রাতে জেলার লাকসাম জংশন এলাকা থেকে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

ওই রাতেই দাউদকান্দি থানায় ২৫ বছর বয়সী এক বিধবা নারী জিসানের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেন। মামলার পর পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে গত ১৬ জুন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে আদালতে হাজির করলে আদালত তাকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামছুল আলম শাহ বলেন, আদালত জিসান মিয়া প্রধানকে দুই দিনের রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছেন।

তিনি বলেন, রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে মামলার তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাবে বলে আশা করছি।

উল্লেখ্য, অভিযোগ ওঠার পর বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির জিসান মিয়া প্রধানকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করে।

আরটিভি/এমএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সংঘর্ষে একজন নিহত, পুরুষশূন্য ৪০ বাড়িতে ৩ দিন ধরে লুটপাট
সুনামগঞ্জের শাল্লায় পতিত জমির দখল নিয়ে গ্রামের দুই পক্ষের সংঘর্ষে একজন নিহত হওয়ার জের ধরে প্রতিপক্ষের প্রায় ৪০টি বাড়িঘরে টানা ৩ দিন লুটপাট হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বাড়ির পুরুষ সদস্যরা গ্রেপ্তারের ভয়ে এলাকা ছেড়ে যাওয়ায় ফাঁকা বাড়িগুলোতে নির্বিঘ্নে লুটপাট চালানো হয়েছে।  
সংঘর্ষে একজন নিহত, পুরুষশূন্য ৪০ বাড়িতে ৩ দিন ধরে লুটপাট
প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে ছাত্রদলের আনন্দ শোভাযাত্রা
বর্তমান সরকারের আট মাসের দেশ পরিচালনায় সাফল্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে আনন্দ শোভাযাত্রা ও সমাবেশ করেছে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।
প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে ছাত্রদলের আনন্দ শোভাযাত্রা
ঢাকায় নকল ওষুধ কারখানায় অভিযান, আটক ৬
কেরানীগঞ্জ মডেল থানাধীন ঘাটারচর এলাকায় ভুয়া ও অননুমোদিত ওষুধ তৈরির কারখানায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমাণ ভুয়া ওষুধসহ ৬ জনকে আটক করেছে এসআরবি-২।
ঢাকায় নকল ওষুধ কারখানায় অভিযান, আটক ৬
ডাব চুরি করতে গিয়ে গাছেই সাড়ে ৩ ঘণ্টা যুবক, নামাতে পারেনি ফায়ার সার্ভিসও
ডাব চুরি করতে নারকেলগাছে উঠেছিলেন এক যুবক।
ডাব চুরি করতে গিয়ে গাছেই সাড়ে ৩ ঘণ্টা যুবক, নামাতে পারেনি ফায়ার সার্ভিসও
নেই চিকিৎসক, গর্ভবতী নারীদের ছুটতে হয় দূরের হাসপাতালে
দাঁড়িয়ে আছে তিনতলা ভবন। কক্ষে কক্ষে সাজানো চিকিৎসা সরঞ্জাম, প্রস্তুত শয্যা, চিকিৎসক ও কর্মীদের থাকার জন্য রয়েছে ডরমিটরি। এমনকি বিদ্যুৎ চলে গেলে বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে রয়েছে জেনারেটরও। কিন্তু নেই চিকিৎসক। এ অবস্থা ঝিনাইদহ জেলার চারটি মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের। অভিযোগ রয়েছে, উদ্বোধনের আট বছর পরও চিকিৎসক সংকটের কারণে এসব কেন্দ্রে পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্যসেবা চালু করা যায়নি। ফলে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন প্রত্যন্ত গ্রামের গর্ভবতী নারীরা। কাছের এসব কেন্দ্রে চিকিৎসা না পেয়ে তাদের ছুটতে হচ্ছে দূরদূরান্তের বিভিন্ন হাসপাতালে। এতে বাড়ছে ভোগান্তি ও জীবনের ঝুঁকি। তবে চিকিৎসক নিয়োগের সুপারিশ সংশ্লিষ্ট বিভাগে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। জানা গেছে, স্বাস্থ্যসেবা ঝিনাইদহের মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে প্রায় ২১ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয় এসব হাসপাতাল। ২০১৮ সালে উদ্বোধনের পর স্থানীয়দের প্রত্যাশা ছিল, গ্রামের নারীরা নিরাপদ মাতৃত্বসেবা পাবেন, জটিলতা দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা হবে এবং নবজাতকের প্রয়োজনীয় সেবাও মিলবে। কিন্তু আট বছরেও সেই প্রত্যাশার পূর্ণ বাস্তবায়ন হয়নি। ভবন ও অবকাঠামো প্রস্তুত থাকলেও প্রয়োজনীয় চিকিৎসক না থাকায় অব্যবহৃত থেকে যাচ্ছে সরকারি এসব স্বাস্থ্যকেন্দ্রের বড় একটি অংশ। দ্রুত চিকিৎসক নিয়োগ দিয়ে হাসপাতালগুলো পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সরেজমিনে দেখা গেছে, জেলার শৈলকুপা উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রাম দুধসর। আশপাশের বিভিন্ন গ্রামের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে এখানে নির্মাণ করা হয়েছে ১০ শয্যাবিশিষ্ট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র। পরিকল্পনা ছিল, এ কেন্দ্র থেকেই গর্ভবতী নারীদের প্রসবপূর্ব ও প্রসব-পরবর্তী সেবা, প্রসূতি ব্যবস্থাপনা এবং শিশুদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হবে। কিন্তু চিকিৎসক সংকটে এত দিনেও প্রতিষ্ঠানটি পূর্ণাঙ্গ সেবাকেন্দ্র হিসেবে কার্যকর হয়ে উঠতে পারেনি। একই চিত্র ঝিনাইদহ সদর উপজেলার দক্ষিণ কাষ্টসাগরা, কালীগঞ্জ পৌরসভা এলাকা এবং শৈলকুপার কাঁচেরকোল গ্রামে নির্মিত অন্য তিনটি মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রেও। তিনতলা ভবন, শয্যা, চিকিৎসা সরঞ্জাম ও অন্যান্য অবকাঠামো থাকলেও প্রয়োজনীয় জনবলের অভাবে প্রতিষ্ঠানগুলো নির্ধারিত সক্ষমতা অনুযায়ী সেবা দিতে পারছে না। স্থানীয়দের অভিযোগ, হাসপাতালগুলো নির্মাণের সময় যে আশার কথা বলা হয়েছিল, বাস্তবে তার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না। চিকিৎসার জন্য দূরের হাসপাতালে যেতে গিয়ে রোগীদের বাড়তি খরচ হচ্ছে। বিশেষ করে প্রসববেদনা ওঠা নারী কিংবা অসুস্থ নবজাতককে নিয়ে এক হাসপাতাল থেকে অন্য হাসপাতালে ছুটতে হলে পরিবারের সদস্যদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রতিটি মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৫ কোটি ২৫ লাখ টাকা। সে হিসাবে চারটি প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো নির্মাণে মোট ব্যয় হয়েছে ২১ কোটি টাকা। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে নির্মিত এসব হাসপাতালের বাস্তবায়ন করেছে স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর। প্রতিটি হাসপাতাল তিনতলাবিশিষ্ট। চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনার উপযোগী করে তৈরি করা হয়েছে বিভিন্ন কক্ষ। দক্ষিণ কাষ্টসাগরা এলাকার বাসিন্দা বসির আহম্মেদ বলেন, হাসপাতাল আছে, ভবন আছে। কিন্তু প্রয়োজনীয় চিকিৎসক না থাকলে মানুষ কীভাবে সেবা পাবে? গর্ভবতী নারী কিংবা শিশুর অসুস্থতার সময় দূরের হাসপাতালে যেতে হয়। এতে সময় ও টাকা দুটোই বেশি লাগে। ঝিনাইদহ পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহা. মোজাম্মেল করিম বলেন, হাসপাতালগুলো চালু থাকলেও চিকিৎসক না থাকায় পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসাসেবা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। প্রতিটি কেন্দ্রে দুজন করে চিকিৎসক নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছে। চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হলে সেবার পরিধি বাড়ানো সম্ভব হবে। আরটিভি/টিআর
নেই চিকিৎসক, গর্ভবতী নারীদের ছুটতে হয় দূরের হাসপাতালে
আরও পড়ুন
তল্লাশি নিয়ে বাগ্‌বিতণ্ডা, পুলিশ সদস্যদের বাসে তুলে ক্যাম্পাসে নিলেন কুবি শিক্ষার্থীরা
কুকসুর গঠনতন্ত্র অনুমোদন-দ্রুত নির্বাচনের দাবিতে স্মারকলিপি
কুবিতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে জাতীয় স্নাতক গণিত অলিম্পিয়াডের আঞ্চলিক পর্ব 
এনআইডির জন্য নির্বাচন অফিসে প্রবাসী, দরজা লাগিয়ে পেটালেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা