চাঁদাবাজির অভিযোগে কনটেন্ট ক্রিয়েটর কাফির বিরুদ্ধে মামলা

আরটিভি নিউজ

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬ , ০৮:৩৫ পিএম


চাঁদাবাজির অভিযোগে কনটেন্ট ক্রিয়েটর কাফির বিরুদ্ধে মামলা
ছবি: সংগৃহীত

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা নুরুজ্জামান কাফি, তার বাবা এবং বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে জমি দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগে আদালতে মামলা করা হয়েছে।

রোববার (১৯ জুলাই) খেপুপাড়া সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহিম কলাপাড়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি করেন।

অভিযোগটি আমলে নিয়ে আদালত কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন। মামলার অপর দুই আসামি হলেন- কাফির বাবা এ বি এম হাবিবুর রহমান এবং তার বড় ভাই মামুন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ১১ জুলাই সকাল সাড়ে ১০টার দিকে অভিযুক্তরা এক্সকেভেটর (ভেকু), ভ্যান ও খোয়া নিয়ে বিদ্যালয়ের রজপাড়া মৌজার বিএস খতিয়ান নং-১২ এর ৫৯ নম্বর দাগভুক্ত জমিতে প্রবেশ করেন। এরপর তারা জমির মাটি কেটে রাস্তা নির্মাণের চেষ্টা চালান। খবর পেয়ে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহিম অন্যান্য শিক্ষকদের নিয়ে বাধা দিলে আসামিরা তাদের কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে শিক্ষকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।

এজাহারে আরও বলা হয়, আসামিরা বিদ্যালয়ের প্রায় ৬ শতাংশ জমির অন্তত ১ লাখ টাকার মাটি কেটে সরিয়ে নেন এবং খোয়া ফেলে রাস্তা নির্মাণ করেন, যার ফলে বিদ্যালয়ের প্রায় ৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

আরও পড়ুন

মামলার বাদী ও প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহিম বলেন, রজপাড়া মৌজার একাধিক বিএস দাগে মোট ২১ দশমিক ৭৬ একর জমির মালিক খেপুপাড়া সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। বিদ্যালয়টি দীর্ঘদিন ধরে শান্তিপূর্ণভাবে সরকারি খাসজমিসহ নির্ধারিত সীমানায় জমি ভোগদখল করে আসছে। ঘটনার পর স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও অভিযুক্তরা তাতে রাজি হননি। পরে কলাপাড়া থানায় গেলে আদালতে মামলা করার পরামর্শ দেওয়া হয়। এরপর তিনি আদালতে মামলা দায়ের করেন এবং বিদ্যালয়ের জমি রক্ষায় ন্যায়বিচার দাবি করেন।

তবে অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন নুরুজ্জামান কাফি গণমাধ্যমকে, উক্ত জমির প্রকৃত ওয়ারিশরা সুপ্রিম কোর্ট থেকে রায় পাওয়ার পর আমি তাদের কাছ থেকে বায়নামূলে জমি ক্রয় করেছি। জমির মূল মালিকেরা আমাকে জমি বুঝিয়ে দেওয়ার পর সেখানে রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে। প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে আমার কখনও সামনাসামনি দেখাই হয়নি।

তিনি আরও বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। সুষ্ঠু তদন্ত হলে প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

logo_appslogo_apps

Loading...

আরও পড়ুন

© All Rights Reserved 2016-2026 | RTV Online | It is illegal to use contents, pictures, and videos of this website without authority's permission