ঢাকা শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

বাবার মরদেহ ঘরে রেখে এইচএসসি পরীক্ষায় আয়েশা

নওগাঁ প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৬:৪০ এএম
আয়েশা সিদ্দিকা মৌ। ছবি: আরটিভি

বুকের ভেতর বাবার মৃত্যুর গভীর শোক, আর ঘরে পড়ে আছে প্রিয়জনের নিথর দেহ। এমন হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির মধ্যেও জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন আয়েশা সিদ্দিকা মৌ।

বুধবার (২৯ জুলাই) অনুষ্ঠিত এইচএসসি পরীক্ষার জীববিজ্ঞান (বায়োলজি) বিষয়ে পরীক্ষা দিতে কেন্দ্রে উপস্থিত হন তিনি। আয়েশা নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার নজিপুর সরকারি কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী। তিনি নজিপুর মহিলা কলেজ কেন্দ্র থেকে পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আয়েশার বাবা মিজানুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে ফুসফুসের সমস্যায় ভুগছিলেন। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরে ঢাকার ইবনে সিনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। বাবার মৃত্যুতে পরিবারে নেমে আসে গভীর শোকের ছায়া। তবে মেয়ের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে পরিবারের সদস্যরা আয়েশাকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার পরামর্শ দেন এবং মানসিক সাহস জোগান।

মরহুম মিজানুর রহমান পত্নীতলা উপজেলার নজিপুর পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মাদ্রাসাপাড়া এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা ছিলেন। তিনি ধামইরহাট উপজেলার গাংরা ইসলামিয়া বালিকা আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবনে তিনি নিষ্ঠা ও সুনামের সঙ্গে শিক্ষা বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

আরও পড়ুন

পরিবার সূত্রে আরও জানা গেছে, বুধবার সকালে তার পৈতৃক ভিটা মঙ্গলবাড়ি গ্রামে জানাজা শেষে স্থানীয় কবরস্থানে দাফনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

স্বজন হারানোর এমন গভীর শোক বুকে চেপে রেখেও পরীক্ষা কেন্দ্রে আয়েশার উপস্থিতির বিষয়টি স্থানীয় বাসিন্দাদের গভীরভাবে স্পর্শ করেছে।

শোকের মধ্যেও তার মানসিক দৃঢ়তা, ধৈর্য এবং শিক্ষার প্রতি একাগ্রতা এলাকায় প্রশংসিত হচ্ছে। শিক্ষক ও স্থানীয় বিশিষ্টজনেরা আয়েশার প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন এবং তার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেছেন।

আরটিভি/টিআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
এক মাসে ২৬ বাড়িতে চুরি, বাদ যায়নি মসজিদের ব্যাটারিও
​সন্ধ্যা নামলেই আতঙ্ক বাড়ে নওগাঁর মান্দা উপজেলার কশব ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এলাকায় মাদকের বিস্তারের পাশাপাশি জ্যামিতিক হারে বেড়েছে চুরি। গত এক মাসে ইউনিয়নের চকসিদ্ধেশ্বরী, পাঁজরভাঙ্গা, তালপাতিলা ও চকবালু এই ৪ গ্রামে অন্তত ২৬টি বাড়ি ও বিভিন্ন স্থাপনায় চুরির ঘটনা ঘটেছে। চুরির এসব ঘটনায় চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন এলাকাবাসী। ​স্থানীয়দের দাবি, কশব ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় গাঁজা, চোলাই মদ, ট্যাপেন্টাডল বড়িসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য সহজেই পাওয়া যাচ্ছে। মাদকের টাকা জোগাড় করতে মাদকাসক্তদের একটি অংশ চুরি-ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। ​এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত এক মাসে ওই চার গ্রামের অন্তত ২৬টি বাড়ি ও প্রতিষ্ঠানে চুরির ঘটনা ঘটেছে। তালপাতিলা গ্রামের নাজিমের বাড়ি থেকে ১ লাখ টাকা ও সাড়ে ৫ ভরি সোনা চুরির অভিযোগ রয়েছে। মতিউরের বাড়ি থেকে ডাব, লিয়াকতের বাড়ি থেকে সুপারি ও ডাব, আবুদ্দিনের বাগান থেকে নেট এবং রইছের বাড়ি থেকে পানির ফিতা চুরি হয়েছে। ​চকসিদ্ধেশ্বরী গ্রামের মজিবুর, এনামুল ও আবদুর রউফের বাড়ি থেকে স্মার্টফোন, প্রবাসী জাফরের বাড়ি থেকে সোনার কানের দুল, মমিনুল ইসলামের ভ্যান, জাহাঙ্গীরের বাগান থেকে বাতাবি লেবু, কইরের বাড়ি থেকে কলস ও গামলা, মাহমুদার বাড়ি থেকে নগদ টাকা ও ব্যাগ এবং আনোয়ারের প্রায় ২০ হাজার টাকা মূল্যের ১০টি বোরিং পাইপ চুরি হয়েছে। এছাড়া স্থানীয় একটি মসজিদ থেকে দুটি ব্যাটারি চুরির ঘটনা ঘটেছে। ​পাঁজরভাঙ্গা গ্রামের এমদাদের বাড়ি থেকে মোবাইল ফোন, নাজিমের বাড়ির টিউবওয়েলের হ্যান্ডেল ও বাগান থেকে কলা-সুপারি, জিন্নাতুনের চার্জার ভ্যানের যন্ত্রাংশ চুরি এবং শম্ভু লালের নদী পারাপারের নৌকার মেশিনের তেল চুরি হয়। কয়েক মাস আগে কালামের বাড়ি থেকে এক ভরি ওজনের সোনার চেইন চুরি হয়েছে বলেও স্থানীয়রা জানান। ​অন্যদিকে চকবালু গ্রামের জলিলের দোকান থেকে প্রায় ৫ হাজার টাকার মাছ, নুরুদ্দিনের বাড়ি থেকে রান্নার সরঞ্জাম, আনসেনের বাড়ি থেকে স্মার্টফোন, নাসিরের বাড়ি থেকে মোবাইল, শরীফের বাড়ি থেকে ডাব-সুপারি এবং মোকছেদের বাড়ি থেকে মোবাইলসহ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র চুরি গেছে। পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকা থেকে সাইকেল, পানির পাম্প, টিউবওয়েলের মাথা ও বৈদ্যুতিক মিটার চুরির ঘটনা ঘটছে। ​এলাকাবাসীর জোর দাবি, মাদকের মূল আস্তানা ও কারবারিদের দ্রুত চিহ্নিত করে নিয়মিত পুলিশি টহল জোরদার করা হোক, যাতে তারা স্বাভাবিক ও নিরাপদ পরিবেশ ফিরে পান। ​এদিকে মাদক ও চুরির উপদ্রব থেকে রক্ষা পেতে সম্প্রতি চকসিদ্ধেশ্বরী মধ্যপাড়া মসজিদে জুমার নামাজের পর এলাকাবাসী মতবিনিময় সভার আয়োজন করেন। সেখানে মাদক কেনাবেচা বন্ধ ও চুরি প্রতিরোধে সমন্বিত পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা হয়। ​পরবর্তীতে ২৩ সেপ্টেম্বর বিকেলে চকসিদ্ধেশ্বরী গ্রামের পুকুরপাড় এলাকায় স্থানীয়রা মাদকসেবী ও কারবারিদের চিহ্নিত করে ধরার চেষ্টা চালান। এ সময় মাদকদ্রব্য ফেলে কয়েকজন পালিয়ে যায়। পরে পুলিশে খবর দেওয়া হলে পুলিশ এসে পরিত্যক্ত অবস্থায় নেশাজাতীয় ট্যাবলেটগুলো উদ্ধার করে। ​তালপাতিলা গ্রামের ভুক্তভোগী মো. নাজিম জানান, ফজরের নামাজের পর ঘরের জিনিসপত্র এলোমেলো দেখে তারা চুরির বিষয়টি টের পান। চোরচক্র ছাদের গেটের গ্রিলের ভেতর দিয়ে দরজা খুলে ঘরে প্রবেশ করে। এই ঘটনায় আনুমানিক সাড়ে ৫ ভরি সোনা এবং প্রায় ১ লাখ টাকা চুরি হয়েছে। ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংগ্রহ করেছে। ​তিনি আরও বলেন, আমাদের এই এলাকায় প্রায় প্রতিনিয়ত বাড়িতে চুরি হচ্ছে। আমাদের ধারণা এরা মাদকের সঙ্গে জড়িত। মাদকের টাকা জোগাড় করার জন্যই এরা এসব করছে। সুযোগ পেলেই চুরি করছে। ​পাঁজরভাঙ্গা গ্রামের ভুক্তভোগী অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংকার নাজিম আহম্মেদ বলেন, ঘরে কী আছে আর কখন চুরি হয়ে যায় এ নিয়ে সবসময় আতঙ্কে থাকি। কিছুদিন আগে টিউবওয়েলের হ্যান্ডেল, বাগানের কলা, সুপারি এবং আমার নাতির সাইকেল চুরি হয়েছে। রাতে ঠিকমতো ঘুমাতেও পারি না। এ নিয়ে পুলিশ যেন দ্রুত পদক্ষেপ নেয়। ​কশব ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য রমজান আলী বলেন, এলাকায় মাদক ও চুরির বিষয়ে নিয়মিত অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। জনসচেতনতার পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যকর পদক্ষেপ জরুরি। ​এ বিষয়ে মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোরশেদ আলম জানান, এ ধরনের কোনো সুনির্দিষ্ট লিখিত অভিযোগ এখনও তাদের কাছে আসেনি। তবে অভিযোগ পেলে বা ভুক্তভোগীরা সরাসরি যোগাযোগ করলে বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আরটিভি/এসএস
এক মাসে ২৬ বাড়িতে চুরি, বাদ যায়নি মসজিদের ব্যাটারিও
ঝিনাইদহে পুরাতন ডিসি কোর্টের সামনে ককটেল সদৃশ ২ বস্তু উদ্ধার
ঝিনাইদহ শহরের পুরাতন ডিসি কোর্টের সামনে থেকে ককটেল সদৃশ্য দুটি পরিত্যক্ত বস্তু উদ্ধার করেছে পুলিশ।
ঝিনাইদহে পুরাতন ডিসি কোর্টের সামনে ককটেল সদৃশ ২ বস্তু উদ্ধার
ছাত্রলীগ কর্মী দুই সহোদর গ্রেপ্তার
ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় দুই সহোদরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।  শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) কোটচাঁদপুর স্টেশন এলাকায় তাদের নিজস্ব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার দুই ভাই মোহাম্মদ ইশতিয়াক আহমেদ (২২) ও মোহাম্মদ ইমতিয়াজ আহমেদ ইফতি (২৩)। তারা কোটচাঁদপুর পৌরসভার রুদ্রপুর স্কুলপাড়া এলাকার মোহাম্মদ ইয়াসিন আলীর ছেলে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ২১ সেপ্টেম্বর সকালে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা কোটচাঁদপুর কলেজ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ঝটিকা মিছিল করে। এ ঘটনার পর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কথা উল্লেখ করে ওই দিনই সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করে পুলিশ। ওই মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রুদ্রপুর স্কুলপাড়া এলাকার দুই ভাই ইশতিয়াক আহমেদ ও ইমতিয়াজ আহমেদ ইফতিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, তারা কোটচাঁদপুর পৌর ছাত্রলীগের সক্রিয় সদস্য। এ ছাড়াও তারা বাংলাদেশ রেলওয়েতে মাস্টাররোলে কর্মরত ছিলেন। কোটচাঁদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, আটক দুই ভাই নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের কোটচাঁদপুর পৌর শাখার সক্রিয় সদস্য। তারা সাবেক উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি শেখ শাহিনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী বলেও জানা গেছে। আরটিভি/এসএস
ছাত্রলীগ কর্মী দুই সহোদর গ্রেপ্তার
এক ইলিশ ১০ হাজার টাকায় বিক্রি
নোয়াখালীর হাতিয়াসংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে জেলেদের জালে ধরা পড়েছে ৩ কেজি ওজনের একটি রুপালি ইলিশ। 
এক ইলিশ ১০ হাজার টাকায় বিক্রি
সীমান্তে লুকানো ছিল বিপুল ভারতীয় মোবাইল, ঘটনা কী
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলা সীমান্ত এলাকা থেকে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় অবৈধ মোবাইল ফোন জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। জব্দ করা মোবাইল ফোনের সংখ্যা পাঁচ হাজার পাঁচটি। এসব মোবাইল ফোনের আনুমানিক মূল্য প্রায় চার কোটি ৮০ হাজার টাকা। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় সরাইল ব্যাটালিয়ন (২৫ বিজিবি)। বেলা ১২টায় ২৫ বিজিবির প্রধান কার্যালয়ে অধিনায়ক লে. কর্ণেল জাব্বাব আহমেদ এ বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন।  বিজিবি জানায়, মহাপরিচালক, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-এর নির্দেশনা অনুযায়ী সীমান্তের নিরাপত্তা ও চোরাচালান প্রতিরোধে সরাইল ব্যাটালিয়নের (২৫ বিজিবি) সদস্যরা নিয়মিতভাবে অভিযান ও গোয়েন্দা নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় ২৫ সেপ্টেম্বর আনুমানিক রাত ১টা ৪০ মিনিটের দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সরাইল ব্যাটালিয়নের একটি টহল দল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার কামালমোড়া এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।  এ সময় সীমান্ত পিলার-২০০৮/১-এস থেকে আনুমানিক ৩০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় অবৈধ মোবাইল ফোন ডিসপ্লের একটি চালান আটক করা হয়। বিজিবির ভাষ্য অনুযায়ী, সীমান্ত এলাকায় কর্দমাক্ত অবস্থানের সুযোগ নিয়ে জঙ্গলের মধ্যে অভিনব কৌশলে লুকিয়ে রাখা মালিকবিহীন ভারতীয় অবৈধ মোবাইল ফোনের ডিসপ্লে উদ্ধার করা হয়। অভিযানে মোট ৫ হাজার ৫টি মোবাইল ফোন জব্দ করতে সক্ষম হয় বিজিবি। চার কোটি ৮০ হাজার টাকার এসব চোরাচালান মালামাল আখাউড়া কাস্টমস অফিসে জমা দেওয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। বিজিবি আরও জানায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর ও আখাউড়া এবং হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা সীমান্তে নিরাপত্তা রক্ষা ও চোরাচালান প্রতিরোধে তাদের অভিযান ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। সীমান্তবর্তী এলাকায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ চোরাচালানি মালামাল আটক করা হচ্ছে। আরটিভি/এসএস
সীমান্তে লুকানো ছিল বিপুল ভারতীয় মোবাইল, ঘটনা কী
আরও পড়ুন
নেতাকে পরীক্ষার ফরম পূরণের টাকা দিল শিক্ষার্থী, অতঃপর...
এইচএসসি পরীক্ষার্থী নাফিসার ঘাতক সেই ক্রেনচালক গ্রেপ্তার
পরীক্ষা দিতে যাচ্ছিলেন, সড়কেই প্রাণ গেল নাফিসার
১৩ জুলাই এইচএসসি পরীক্ষা দিতে না পারা শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা