ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

পরিবেশ রক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির বিকল্প নেই: রহমাতুল্লাহ

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০২ আগস্ট ২০২৬, ০৬:৪২ পিএম
অক্সফোর্ড মিশন হাইস্কুল প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি। ছবি: সৌজন্য

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি কমাতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির যে নির্দেশ দিয়েছেন তার কোন বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ।

রোববার (২ আগস্ট) বরিশাল নগরীর অক্সফোর্ড মিশন হাইস্কুল প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণসহ নির্ধারিত স্থানে বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় ১০০টি গাছের চারা রোপণ করা হয়।

রহমাতুল্লাহ বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হলে এর সরাসরি প্রভাব পড়ে মানুষের জীবন ও জীবিকার ওপর। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, অতিবৃষ্টি, তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও নানা ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি বাড়ছে। এসব ঝুঁকি মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই।

তিনি বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে দেশকে রক্ষা করতে দেশজুড়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় এই কর্মসূচিকে সফল করতে সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে।

আরও পড়ুন

রহমাতুল্লাহ আরও বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বৃক্ষরোপণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ স্থান। শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা তৈরি করা গেলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম পরিবেশ রক্ষায় আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবে। তাই প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনকে নিজ নিজ এলাকায় বৃক্ষরোপণ ও গাছের পরিচর্যায় এগিয়ে আসতে হবে।

সাংবাদিক মো: ইমন খন্দকার হৃদয়ের আয়োজনে আরও উপস্থিত ছিলেন অক্সফোর্ড মিশন হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক ফাদার জন (এসপিবি), বরিশাল মহানগর বিএনপির সদস্য মো: জাহিদুর রহমান রিপন, বাংলাদেশ গ্রীন ভলানটারী অর্গানাইজেশনের সভাপতি মো: আলমগীর হোসেন, নগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক তারিক সুলাইমান, নগর স্বাধীনতা ফোরামের সদস্য সচিব নাজমুস সাকিব, নগর যুবদল নেতা মাসুম, জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক আসিফ আল মামুন, সদ্য সাবেক সহ-সভাপতি ইলিয়াস আহমেদ, মহানগর ছাত্রদল নেতা হাজিক দাঈয়ান ইশতী, বিএম কলেজ ছাত্রদল নেতা আকবর মুবিন, ছাত্রদল নেত্রী অনন্যা কবির প্রমুখ।

আরটিভি/ এসকেডি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
খুলনায় আরটিভির উদ্যোগে তালের চারা রোপণ
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, বজ্রপাতের ঝুঁকি কমানো ও সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে বৃক্ষরোপণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির তথ্যবিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আজিজুল বারী হেলাল।
খুলনায় আরটিভির উদ্যোগে তালের চারা রোপণ
নিষেধাজ্ঞা শেষ হচ্ছে মধ্যরাতে, ইলিশ শিকারে প্রস্তুত জেলেরা
মা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষ হচ্ছে আজ (বৃহস্পতিবার) মধ্যরাতে। এরপরই নদী ও সাগরে ইলিশ শিকারে নামবেন জেলেরা। তাই শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা।
নিষেধাজ্ঞা শেষ হচ্ছে মধ্যরাতে, ইলিশ শিকারে প্রস্তুত জেলেরা
ফরিদপুরের সদরপুর ছাত্রদলের নবনির্বাচিত আহ্বায়ক কমিটির আনন্দ র‍্যালি
ফরিদপুরের সদরপুরে উপজেলা ছাত্রদলের নবনির্বাচিত আহ্বায়ক কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ র‍্যালি করেছেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা। 
ফরিদপুরের সদরপুর ছাত্রদলের নবনির্বাচিত আহ্বায়ক কমিটির আনন্দ র‍্যালি
ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে বিশাল ব্যবধানে বিজয়ী বিএনপি প্রার্থী মির্জা ফয়সল 
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ (সদর, রুহিয়া ও ভুল্লী) আসনের উপনির্বাচনে বেসরকারি ফলাফলে বিজয়ী হয়েছেন ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন।  বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ১৮৫টি কেন্দ্রের ভোট গণনা শেষে এ তথ্য জানা গেছে। ফলাফল ঘোষণা করেন ঠাকুরগাঁও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা কামরুল হাসান। যেখানে ফয়সল আমীন বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। আর দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোটের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মো. দেলাওয়ার হোসেন। ১৮৫ এর মধ্যে ১৮৩ কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলে ধানের শীষে মির্জা ফয়সল আমীন পেয়েছেন ২ লাখ ২৪ হাজার ১৬৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর দেলাওয়ার হোসেন দাঁড়িপাল্লায় প্রতীকে পেয়েছেন ৯৫ হাজার ৪৫০। এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে আসনটির ৩টি উপজেলার মোট ১৮৫টি কেন্দ্রে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। যা বিরতিহীন চলে বিকেল ৪টায় শেষ হয়। এ নির্বাচনে আসনটিতে ৫ জন প্রার্থী চূড়ান্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অংশ নেন। আরটিভি/এসআর
ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে বিশাল ব্যবধানে বিজয়ী বিএনপি প্রার্থী মির্জা ফয়সল 
নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার আগেই মেঘনায় মা ইলিশ শিকার
ভোলার মনপুরায় মা ইলিশ শিকারে সরকারি নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার আগেই দিনের আলোতে মেঘনা নদীতে অবাধে মাছ শিকারের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকাল থেকে মনপুরার চারপাশের নদীতে শত শত মাছ ধরার নৌকা ও ফিশিং বোট চলাচল করতে দেখা গেছে। এ সময় মৎস্য বিভাগের কার্যকর তদারকি ও অভিযান না থাকার অভিযোগ করেছেন স্থানীয় জেলেরা। স্থানীয় জেলেদের দাবি, নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন সময়েই অনেক ফিশিং বোট নদীতে মাছ শিকার করছে। তবে এসব নৌকার বিরুদ্ধে মৎস্য বিভাগের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে না। মনপুরার জনতা ঘাটের বাসিন্দা রফিক মাঝি বলেন,আমাদের এই ঘাটে ৭০ থেকে ৮০টি ফিশিং বোট ছিল। নিষেধাজ্ঞার মাঝামাঝি সময়ে সেগুলোর অনেকগুলো মাছ শিকারের জন্য সাগরে চলে গেছে। লতাখালী এলাকার বাসিন্দা মুজাম্মেল মাঝি বলেন,সকাল থেকে নিষেধাজ্ঞা চলার মধ্যেই শত শত নৌকায় মাছ ধরা হচ্ছে। মৎস্য কর্মকর্তারা টহল দেন না। তাঁদের টাকা দিলে তাঁরা চুপ করে থাকেন বলে আমাদের অভিযোগ। তালতলা স্লুইসগেট এলাকার বাসিন্দা নিরব মাঝি জানান, নিষেধাজ্ঞা শুরুর পাঁচ দিন পর থেকেই তাঁদের ঘাটের অসংখ্য বোট নদীতে মাছ শিকারে চলে যায়। এসব বোট বৃহস্পতিবার রাত ১২টার দিকে ঘাটে ফিরবে বলে তিনি দাবি করেন। তাঁর অভিযোগ, এত দিনেও এসব বোটের বিরুদ্ধে মৎস্য বিভাগের পক্ষ থেকে কোনো অভিযান পরিচালনা করা হয়নি। নিরব মাঝি আরও বলেন,নিষেধাজ্ঞা এখনো শেষ হয়নি। অথচ বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই শত শত নৌকা মাছ শিকার করছে। কিন্তু মৎস্য অফিসের কাউকে মাঠে দেখা যাচ্ছে না। এদিকে, নিষেধাজ্ঞার মধ্যে অবাধে মা ইলিশ শিকারের অভিযোগ এবং মৎস্য বিভাগের তদারকির বিষয়ে জানতে চাইলে মনপুরা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) জয়ন্ত কুমার অপু বলেন,মনপুরার সহকারী মৎস্য কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করে এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করব। নিষেধাজ্ঞা চলাকালে নদীতে অবাধে মাছ শিকারের অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ এবং অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় জেলেরা। আরটিভি/এসআর
নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার আগেই মেঘনায় মা ইলিশ শিকার
আরও পড়ুন
‘জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বায়োগ্যাস প্লান্ট স্থাপনে জোর দিচ্ছে সরকার’
স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার
যুবদলকর্মী হত্যা, আসামি বিএনপি নেতা
ঠাঁই হয়নি সন্তানদের ফ্ল্যাটে, ভাড়া বাসায় মিলল বৃদ্ধার পচাগলা মরদেহ