
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারী এলাকায় অবস্থিত ফেরদৌস স্টিল শিপ রিসাইক্লিং ইয়ার্ডে বিষাক্ত হাইড্রোজেন সালফাইড গ্যাসের কারণে ৯ জন শ্রমিকের মৃত্যুর পর শ্রম আদালতের নিয়ম অনুযায়ী এই অর্থ জমা দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ অনুযায়ী, কর্মক্ষেত্রে কোনো শ্রমিক নিহত হলে প্রাথমিক আইনি ক্ষতিপূরণ হিসেবে মালিকপক্ষকে প্রতি শ্রমিকের জন্য দুই লাখ টাকা করে শ্রম আদালতে জমা দিতে হয়। রোববার (১৬ আগস্ট) মালিকপক্ষ শ্রম আদালতে দুই লাখ টাকা করে মোট ১৮ লাখ টাকা জমা দেন।
মালিক ও বাংলাদেশ শিপ ব্রেকার্স অ্যান্ড রিসাইক্লার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএসবিআরএ) পক্ষ থেকে নিহত শ্রমিকের পরিবারকে দশ লাখ টাকা করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন।
ভয়াবহ এই দুর্ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট জাহাজভাঙা কারখানার সব ধরনের কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। ঘটনাটি তদন্তে শিল্প মন্ত্রণালয়, জেলা প্রশাসন ও মালিক সমিতির পক্ষ থেকে পৃথক তিনটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
বাংলাদেশ শিপ ব্রেকার্স অ্যান্ড রিসাইক্লার্স অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য ডাইনামিক শিপ ইয়ার্ডের মালিক মো. মহিউদ্দিন বলেন, নিহত ৯ শ্রমিকে দশ লাখ টাকা করে দেওয়া হবে। তার মধ্যে শ্রম আদালতের দুই লাখ রোববার জমা দেওয়া হয়েছ।
শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ড শ্রমিক কর্মচারী ফেডারশনের সাধারণ সম্পাদক কে এম শহিউল্লাহ বলেন, জাহাজ ভাঙ্গা শিল্পে প্রায়ই এমন দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। তবে আদালতের মাধ্যমে এই ক্ষতিপূরণ আদায় একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত। ভবিষ্যতে ইয়ার্ডগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করবে। যাতে আর কোনো শ্রমিককে এভাবে অকালে প্রাণ হারাতে না হয়।
আরটিভি/এমএম


