ঢাকা সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩

সৌদিতে অগ্নিকাণ্ডে নিহত নওগাঁর ৭ প্রবাসীর জানাজা সম্পন্ন

নওগাঁ প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৮ আগস্ট ২০২৬, ১১:১৭ এএম
আত্রাই উপজেলার মোল্লা আজাদ মেমোরিয়াল কলেজ মাঠে সৌদিতে নিহতদের জানাজা সম্পন্ন : ছবি আরটিভি

সৌদি আরবের রিয়াদে একটি সোফা কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত নওগাঁর সাত রেমিট্যান্স যোদ্ধার জানাজা একসঙ্গে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সকাল ১০টায় জেলার আত্রাই উপজেলার মোল্লা আজাদ মেমোরিয়াল কলেজ মাঠে তাদের জানাজা সম্পন্ন হয়। এতে জেলা, উপজেলা ও স্থানীয় পর্যায়ের বিপুল সংখ্যক মুসল্লি অংশগ্রহণ করেন।

এর আগে, বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিকেল ৪টার দিকে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে ওই সাত প্রবাসীর মরদেহ দেশে এসে পৌঁছায়। বিমানবন্দর থেকে আনুষঙ্গিক প্রক্রিয়া শেষে রাত দেড়টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে লাশবাহী ফ্রিজিং অ্যাম্বুলেন্সে করে মরদেহগুলো আত্রাই উপজেলায় নিয়ে যাওয়া হয়।

আরও পড়ুন

নিহত ওই সাত প্রবাসী হলেন— আত্রাই উপজেলার উদনপৈ গ্রামের ময়েন উদ্দীনের ছেলে মো. ফরিদ, গণ্ডগোহালী গ্রামের সাইদুর রহমানের ছেলে রুবেল প্রামাণিক, একই গ্রামের গুফফার প্রামাণিকের দুই ছেলে মোহন আলী ও সুমন আলী, বজলুর রহমানের ছেলে কলিমুদ্দিন, ডুবাই গ্রামের বাদল তরফদারের ছেলে সোহেল রানা এবং পারকাসুন্দা গ্রামের তমেজ উদ্দিন সরদারের ছেলে আব্দুল জলিল সরদার।

আত্রাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মনিরুজ্জামান জানান, উপজেলা প্রশাসনের সার্বিক সমন্বয়ে ও সম্পূর্ণ বিনা খরচে বিমানবন্দর থেকে মরদেহগুলো এলাকায় নিয়ে আসা হয়েছে। এখন পর্যন্ত পরিচয় শনাক্ত হওয়া সাতজনের মরদেহ আমরা বুঝে পেয়েছি। শুক্রবার সকালে একসঙ্গে জানাজা শেষে প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় মরদেহগুলো তাদের নিজ নিজ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, সৌদি আরবের রিয়াদে ওই মর্মান্তিক অগ্নিকাণ্ডে শুরুতে আত্রাই উপজেলার ১৩ জন প্রবাসীর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ে। তবে সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, আত্রাই উপজেলার ১১ জন এবং নওগাঁ সদর উপজেলার একজনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। বাকিদের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার আইনি ও দাপ্তরিক প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

আরটিভি/এমএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
৯ বছরের শিশুকে বলাৎকার, মাদরাসাশিক্ষক গ্রেপ্তার
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয় ৯ বছরের শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগে মো. শাহিদুল ইসলাম নামে এক মাদরাসাশিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
৯ বছরের শিশুকে বলাৎকার, মাদরাসাশিক্ষক গ্রেপ্তার
শেরপুরে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে প্রতিবন্ধীদের মধ্যে হুইলচেয়ার বিতরণ
শেরপুরে গণশুনানিতে আসা সেবাপ্রার্থী প্রতিবন্ধীদের মধ্যে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ১৩টি হুইলচেয়ার ও ১টি ট্রাইসাইকেল বিতরণ করা হয়েছে।
শেরপুরে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে প্রতিবন্ধীদের মধ্যে হুইলচেয়ার বিতরণ
‘সন্তানের’ মতো পালন করা গাঁজা গাছ লুকিয়ে রাখতে পারলেন না আসমান
কুড়িগ্রামের রাজারহাটে পুলিশের বিশেষ অভিযানে একটি বসতবাড়ির রান্নাঘরের পেছন থেকে ১৪ ফুট লম্বা জীবন্ত একটি গাঁজার গাছ উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আসমান (৩৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার (১১ অক্টোবর) রাত আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিটে উপজেলার সদর ইউনিয়নের মেকুরটারী গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মেকুরটারী গ্রামে আসমানের বসতবাড়িতে বেআইনিভাবে গাঁজার গাছ চাষ করা হচ্ছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযানে নামে রাজারহাট থানা পুলিশ। তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত হয়ে রাজারহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুনুর রশীদের নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস দল আসমানের বাড়িতে অভিযান চালায়। এ সময় রান্নাঘরের পেছন থেকে প্রায় ১৪ ফুট লম্বা তাজা গাঁজার গাছটি উদ্ধারসহ আসমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার আসমান স্বীকার করেছেন, তিনি প্রায় এক বছর ধরে লোকচক্ষুর অন্তরালে গোপনে গাছটি লালন-পালন করে আসছিলেন। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে রাজারহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মামুনুর রশীদ বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ১৪ ফুট লম্বা একটি জীবন্ত গাঁজার গাছ উদ্ধারসহ এক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশি এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। আরটিভি/এমএইচজে
‘সন্তানের’ মতো পালন করা গাঁজা গাছ লুকিয়ে রাখতে পারলেন না আসমান
রাতের আধারে দেওয়া হলো বিষ, খামারির ৫ লাখ টাকার মাছ নিমিষেই শেষ
নোয়াখালী হাতিয়ায় রাতের আধারে পুকুরে বিষ দিয়ে মেরে ফেলা হয়েছে এক খামারির পুকুরে থাকা প্রায় ৫ লাখ টাকার মাছ।
রাতের আধারে দেওয়া হলো বিষ, খামারির ৫ লাখ টাকার মাছ নিমিষেই শেষ
শাকক্ষেত দেখতে যাওয়া স্কুলছাত্রীকে ভুট্টাক্ষেতে নিয়ে পাসুন দেখান নুরনবী, অতঃপর... 
লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের মামলায় মো. নুরনবী নামে এক আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড- অনাদায়ে আরও তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ মামলায় অপর দুই আসামি নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দিয়েছেন আদালত। সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে এ রায় ঘোষণা করেন লালমনিরহাট শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইবুনালের বিচারক নিত্যানন্দ সরকার।  আদালতের রায়ের নথি অনুযায়ী, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আসামি মো. নুর নবীকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এ ছাড়া পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ৮(১) ধারায় তাকে তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড- অনাদায়ে আরও দুই মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই আইনের ৮(৩) ধারায় দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড- অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। আদালতের আদেশ অনুযায়ী, এসব সাজা একইসঙ্গে চলবে। অন্যদিকে একই মামলার অপর দুই আসামি মো. মোবারক আলী ও মো. বেলাল হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের খালাস দেওয়া হয়েছে। এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালে ভুক্তভোগীর বাবা লালমনিরহাটের হাতিবান্ধা থানায় মামলা করেন। মামলার বাদী উল্লেখ করেন, আসামি নুরনবী ও রাকিবুল ইসলাম আমার মেয়েকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে ভিডিও ধারণ করে। পরবর্তীতে সেই ভিডিও দেখিয়ে অজ্ঞাতনামা আরও ২-৩ জন কু-প্রস্তাব দেয়। পরে বিষয়টি জানতে পেরে হাতিবান্ধা থানায় লিখিত অভিযোগ করি। এ বিষয়ে রাস্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট লুৎফর রহমান বলেন, আমরা এ রায়ে সন্তুষ্ট বিজ্ঞ আদালত ন্যায় বিচার দিয়েছেন। এ ন্যক্কারজনক ঘটনায় ভিক্টিমকে তার বাবা শাকক্ষেত দেখতে পাঠিয়েছিল, সেখান থেকে ভিক্টিমকে ভুট্টাক্ষেতে নিয়ে যায় আসামি নুরনবী। পরে পাসুন (জমিতে ছোটখাটো চাষ দিতে এবং ফসল বা বাগানের আগাছা পরিষ্কার বা নিড়ানি দেওয়ার কাজে ব্যবহৃত হয়) নামক অস্ত্র দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে ভিডিও ধারণ করে। ১৯ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে এ মামলার রায় দিয়েছে আদালত। এ রায়ে সমাজের অপরাধপ্রবণতা কমে যাবে। এ ঘটনায় বাদীপক্ষ নুরুল হকের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও কোনো মতামত পাওয়া যায়নি। আরটিভি/এমএইচজে
শাকক্ষেত দেখতে যাওয়া স্কুলছাত্রীকে ভুট্টাক্ষেতে নিয়ে পাসুন দেখান নুরনবী, অতঃপর... 
আরও পড়ুন
স্বামীর মোটরসাইকেলে স্কুলে যাচ্ছিলেন শিক্ষিকা, মুহূর্তেই পিষে দিলো ট্রাক
ইটভাটায় খেলতে গিয়ে প্রাণ গেল শিশুর
জেদ্দায় পৌঁছে ফোন দেব—বলেছেন শাহেদ, স্ত্রী পেলেন মৃত্যুর খবর
শ্বশুরবাড়ি থেকে ফেরা হলো না ছাত্রদল নেতার, পথেই নিভল প্রাণ