
ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর পৌরসভার সলেমানপুর শেখপাড়ায় মাদকদ্রব্য সেবন ও বিক্রয়ে বাধা দেওয়ায় রানা (৩২) নামের এক যুবদল নেতাকে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে পৌর এলাকার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সলেমানপুর শেখপাড়ায় নিজ বাড়ি থেকে বাজারের উদ্দেশে রওনা হলে তার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। আহত রানা আহমদ ওই এলাকার শহিদুল ইসলামের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে সলেমানপুর শেখপাড়া এলাকায় একটি চক্র মাদক সেবন ও কেনাবেচা করে আসছিল। যুবদল নেতা রানা এলাকায় এসব অনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ জানান এবং চক্রটিকে মাদক বিক্রিতে বাধা দেন। এর জেরে সলেমানপুর এলাকার চিহ্নিত মাদকাসক্ত হিসেবে পরিচিত মিশন ও তার বাবা মিজানুর রানার ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন।
হামলার পর রানার চিৎকার শুনে স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত কোটচাঁদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক ও চিকিৎসাকর্মীরা রক্তপাত বন্ধ করতে তার মাথায় ১৭২টি সেলাই দেন। তবে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য চিকিৎসক তাৎক্ষণিকভাবে তাকে যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে রেফার করেন।
এ ঘটনার পর থেকে এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয় বাসিন্দারা এই নির্মম হামলার সঙ্গে জড়িত মিশন ও তার বাবা মিজানুরকে দ্রুত গ্রেপ্তার এবং তাদের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে কোটচাঁদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, ঘটনার খবর পাওয়ার পরপরই এলাকায় পুলিশ পাঠানো হয়েছে। হামলার সঙ্গে জড়িত প্রধান অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশের একটি টিম কাজ করছে। মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
আরটিভি/টিআর


