ঢাকা রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আ.লীগের অংশগ্রহণের সুযোগ নেই: প্রতিমন্ত্রী

বগুড়া প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৩০ পিএম
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। ছবি: সংগৃহীত

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের অংশ নেওয়ার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকালে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা পরিষদ পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত দলটির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার না হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত আওয়ামীলীগ ও তার অঙ্গসংগঠনগুলোর নির্বাচনে অংশ নেওয়া বা কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনের অধিকার নেই। আওয়ামী লীগ একটি নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন। তাদের দলীয় কর্মকাণ্ড চালাতে দেওয়া কিংবা নির্বাচনে অংশগ্রহণ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে আমরা বিব্রতবোধ করি। আইন অনুযায়ী তাদের কোনো সভা-সমাবেশ করা বা দলীয় কার্যালয় খোলার সুযোগ নেই।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে সরকারের অবস্থান ব্যাখ্যা করে প্রতিমন্ত্রী জানান, বিগত স্বৈরাচারী শাসনের সময় দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও নির্বাচন ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান ম্যান্ডেট হলো পাঁচটি স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করা। জনগণের ভোটের অধিকার নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। জনগণের রায়েই জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হবেন।

তিনি বলেন, সংশোধিত আইন অনুযায়ী এবার দলীয় মনোনয়ন বা জাতীয় প্রতীক ব্যবহারের সুযোগ থাকছে না।

এর আগে শিবগঞ্জ মোকামতলা উপজেলায় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের প্রতিভা অন্বেষণ পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন, শিবগঞ্জ গ্রামার স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং বেতগাড়ি মীর শাহে আলম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অনুকূলে দুটি স্কুল বাস বিতরণ করেন তিনি। অনুষ্ঠানে শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান, উপজেলা বিএনপির সভাপতি এসএম তাজুল ইসলাম সহ প্রশাসনের কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সাতক্ষীরায় ১৯ হাজার টন বোরো চাল সংগ্রহ
চল‌তি বছর বোরো চাল সংগ্রহ মৌসুমে সাতক্ষীরায় সরকারিভাবে ১৯ হাজার ৬৪৯ দশ‌মিক ৫৫০ টন সেদ্ধ চাল ক্রয় করা হয়েছে। প্রতি কে‌জি ৪৯ টাকা দরে যার মূল্য ৯৬ কো‌টি ২৮ লাখ ২৭ হাজার ৯৫০ টাকা।  সাতক্ষীরা জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। তবে গত মৌসুমের তুলনায় চল‌তি মৌসুমে চাল সংগ্রহ অভিযানে লক্ষ্যমাত্রা প্রায় ৪০ শতাংশ বে‌শি বলে জানান সং‌শ্লিষ্টরা। জানা গেছে, সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় ১০ হাজার ১৫৬ দশ‌মিক ৭০ টন, কলরোয়ায় ১ হাজার ২১৪ টন, দেবহাটায় ১ হাজার ২৭৩ টন, কা‌লিগ‌ঞ্জে ৬৭৫ টন, শ্যামনগরে ১৪২ টন, আশাশু‌নি ১৭৫ দশ‌মিক ৯৮০ টন এবং তালা উপজেলার জন্য ৬ হাজার ১৩ দশ‌মিক ৫৬০ টন বরাদ্য দেওয়া হয়েছে।  চল‌তি মৌসুমে বোরো চাল মোটা জাতের জন্য সরকারিভাবে মূল্যনির্ধারণ করা হয় কে‌জিপ্রতি ৪৯ টাকা। এ হিসাব অনুযায়ী ক্রয়কৃত ১৯ হাজার ৬৪৯ দশ‌মিক টন চালের মূল্য ৯৬ কো‌টি ২৮ লাখ ২৭ হাজার ৯৫০ টাকা। সূত্রটি আরও জানায়, গত ১৫ মে থেকে চাল সংগ্রহ অভিযান শুরু হয়ে ১৫ অক্টোবর শতভাগ সংগ্রহ শেষ হ‌য়। অন্যদিকে গত বোরো মৌসুমে জেলায় ১১ হাজার ৯৫৩ টন চাল সংগ্রহ করা হয়। ৪৯ টাকা কে‌জি দরে যার মোট মূল্য ছিল ৫৮ কো‌টি ৫৬ লাখ টাকা। এ হিসাবে চল‌তি মৌসুমে ৭ হাজার ৬৯৬ দশ‌মিক ৫৫ টন প‌রিমাণ চাল ক্রয় বা সংগ্রহ বেড়েছে। সাতক্ষীরা জেলা (ভারপ্রাপ্ত) খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. ওমর ফারুক জানান, সরকারের নির্দেশ অনুসরণ করে জেলার সাত‌টি উপজেলার ২৪৭টি নিব‌ন্ধিত মিল মা‌লিকদের থেকে সচ্ছতা বজায় রেখে চল‌তি মৌসুমে ১৯ হাজার ৬৪৯ দশ‌মিক ৫৫০ টন চাল ক্রয় হয়। এ সময় চালের গুণগত মান বা পু‌ষ্টি স‌ঠিকভাবে যাচাই করে নেয়া হয়। তাছাড়া জেলার সব গোডাউন কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেয়া আছে, কেউ যেন অসৎ উপায়ে নিম্নমানের চাল সরকারি গুদামে না ঢোকাতে পারে। আরটিভি/এসআর
সাতক্ষীরায় ১৯ হাজার টন বোরো চাল সংগ্রহ
সালিশ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন আ.লীগ নেতা, অতঃপর...
চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে আওয়ামী লীগ নেতা ও ইউপি সদস্য মো. দিদারুল আলম ওরফে দিদার মেম্বারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার দিদারুল আলম খানখানাবাদ ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য। তিনি ডোংরা গ্রামের মৃত সোলায়মানের ছেলে। পুলিশের দাবি, দিদারুল আলম খানখানাবাদ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি। বর্তমানে তিনি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সংগঠক ও দলের অর্থের জোগানদাতা হিসেবে ভূমিকা পালন করছেন। অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরিবারের দাবি, একটি সালিশি বৈঠক শেষ করে বাড়ি ফেরার সময় দিদার মেম্বারকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রবিউল হক বলেন, গ্রেপ্তার দিদারুল আলমকে যথাযথ আইনগত প্রক্রিয়া শেষে আজ বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হবে। আরটিভি/টিআর
সালিশ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন আ.লীগ নেতা, অতঃপর...
পৌরসভার অ্যাম্বুলেন্সে ছাগল পরিবহন, ভিডিও ভাইরাল
মোংলা পোর্ট পৌরসভার অ্যাম্বুলেন্সে ছাগল পরিবহনের একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, প্রায়ই রাতের বেলায় অ্যাম্বুলেন্সে করে ছাগল পরিবহন করা হয়।  জানা যায়, গত ২৯ সেপ্টেম্বর রাতে খুলনার জিরো পয়েন্ট থেকে অ্যাম্বুলেন্সের ড্রাইভার মো. শরীফুল ছাগলগুলো অ্যাম্বুলেন্সে তোলেন। তাৎক্ষণিক একজন সেটার ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছাড়েন, যা ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে। পরে সেখান থেকে ছাগলগুলো মোংলায় আনা হয়। ছাগলগুলো ছিল মোংলার ছাগল ব্যবসায়ী মো. রশিদের। টাকার বিনিময়ে শরীফুল প্রায়ই অ্যাম্বুলেন্সে ছাগল পরিবহন করে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।  এ ব্যাপারে অ্যাম্বুলেন্সের চালক শরীফুল বলেন, অ্যাম্বুলেন্সে ছাগল পরিবহনের ঘটনা এটাই প্রথম। ছাগল পরিবহন বাবদ তিনি কোনো টাকা নেননি বলে দাবি করেছেন।  ছাগল ব্যবসায়ী কসাই রশিদ বলেন, আমি চুকনগর থেকে ছাগল কিনে জিরো পয়েন্টে আসি। সেখানে কোনো গাড়ি না পেয়ে অ্যাম্বুলেন্সকে সিগন্যাল দিয়ে থামিয়ে ৬টি ছাগল অ্যাম্বুলেন্সে করে মোংলায় নিয়ে আসি। এ বাবদ ড্রাইভারকে আমি কোনো টাকা দিইনি।  এদিকে, এ ঘটনায় অ্যাম্বুলেন্সের চালক শরীফুলের কাছ থেকে শুক্রবার (২ অক্টোবর) চাবি নিয়ে নিয়েছে পৌর কর্তৃপক্ষ। অ্যাম্বুলেন্সে ছাগল পরিবহনের ঘটনায় আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় বইছে।  এ বিষয়ে জানতে মোংলা পোর্ট পৌরসভার প্রশাসক শারমিন আক্তার সুমীর মোবাইল ফোনে কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি। আরটিভি/এসআর
পৌরসভার অ্যাম্বুলেন্সে ছাগল পরিবহন, ভিডিও ভাইরাল
সুন্দরবনে ড্রোন উড়িয়েও সন্ধান মেলেনি অপহৃত ২১ জেলের
সুন্দরবনে তিনটি বনদস্যুদের হাতে অপহৃত ২১ জেলেকে পাঁচ দিনেও উদ্ধার করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। আধুনিক ড্রোন উড়িয়ে অপহৃত জেলে ও বনদস্যুদের অবস্থান শনাক্তের চেষ্টা চালাচ্ছে কোস্টগার্ড। তবে, সন্ধান মিলছে না।  যার ফলে আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন সুন্দরবনসহ উপকূলে মাছ ধরা সাধারণ জেলেরা। উৎকণ্ঠায় রয়েছেন অপহৃতদের পরিবারের সদস্য ও মহাজনরা।  কোস্টগার্ড পশ্চিম জোন সূত্রে জানা গেছে, মুক্তিপণের দাবিতে তিনটি বনদস্যু বাহিনীর হাতে অপহৃত ২১ জেলেকে উদ্ধারে ইতিমধ্যেই অভিযান শুরু হয়েছে। সুন্দরবনের আকাশে আধুনিক ড্রোন উড়িয়ে অপহৃত এসব জেলে ও বনদ্যুদের অবস্থান শনাক্তের চেষ্টা চলছে।  গোয়েন্দা নেটওয়ার্ক বাড়ানোর পাশিাপাশি নৌপথেও চিরুনি অভিযান পরিচালনা করছে কোস্টগার্ড। পাশাপাশি মৎস্য আহরণে নিয়োজিত জেলেদের নিরাপত্তায় টহল জোরদারের কথা জানিয়েছে নৌপুলিশ ও সুন্দরবন বিভাগও। গত ২৫ ও ২৬ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের শরণখোলা ও চাঁদপাই রেঞ্জের নারকেলবাড়িয়া, আমরাড়িয়া, ভদ্রা এবং ভাঙ্গা এলাকা থেকে বনদস্যু মজনু, করিম শরীফ ও বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর সদ্যসরা অস্ত্রেও মুখে মাছ ধরা অবস্থায় ২১ জেলেকে অপহরণ করে গহীন অরণ্যে নিয়ে যায়।  এ সময় জেলেদের একটি ট্রলার, পাঁচটি মোবাইল ফোনসহ বিভিন্ন মালামালও লুট করে দস্যুরা। সুন্দরবনে দুটি দিনে মুক্তিপণের দাবিতে অপহৃত এসব জেলেদের পরিবারের কোনও সদস্য বা তাদের মহাজনরা দস্যুদের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না। কোনোভাবে তা প্রকাশ পেলে সুন্দরবনসহ উপকূলে মাছ ধরাসহ তাদের জীবনের জন্য বড় ধরণের হুমকি আসতে পারে, এমন শঙ্কায় তারা মিডিয়ায় কথা বলতে নারাজ। শনিবার দিনগত রাতে সুন্দরবনের ভাঙ্গা, আমবাড়ীয়া ও নারিকেলবাড়ীয়া এলাকায় মাছ ধরার সময় ১৫ জেলেকে তুলে নেয় দস্যুরা। এর আগে শুক্রবার দিনগত রাতে আরও ছয় জেলেকে অপহরণের অভিযোগ রয়েছে। সব মিলিয়ে দুই দিনে ২১ জেলে অপহৃত হওয়ার ঘটনায় জেলে ও মাছ ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জের দুবলা টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফরেস্ট রেঞ্জার মিল্টন রায় জানান, শনিবার দিনগত রাতে সাগরসংলগ্ন সুন্দরবনের ভাঙ্গা, আমবাড়ীয়া ও নারিকেলবাড়ীয়া এলাকায় মাছ ধরছিলেন জেলেরা। এ সময় দস্যুরা বহরে হামলা চালিয়ে বিভিন্ন নৌকা থেকে একজন করে ১৫ জেলেকে একটি ট্রলারে নিয়ে যায়।  ফরেস্ট রেঞ্জার জানান, অপহৃত ১৫ জেলের মধ্যে ১০ জনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন—খুলনার আরিফ (২৫), সগীর (৩৪), মিঠু (৩০) ও ফেরদাউস (২৮); বরগুনার পাথরঘাটা ও তালতলী এলাকার ইব্রাহিম (৩৫), ইমরান (২৫), মোস্তাফিজুর (৩৫), আলামিন (২৮), হানিফ (৩৮) ও মারুফ (৪৯)।  তিনি বলেন, এসব জেলে বন বিভাগের অনুমতিপত্র নিয়ে চরপাটা, পোকা জাল ও বড়শি দিয়ে সুন্দরবনের খালে মাছ ধরছিলেন। এদিকে, মোংলার এক জেলে মহাজন জানান, শনিবার দিনগত রাতে করিম-শরীফ বাহিনীর সদস্যরা সুন্দরবনের ঝাপসি এলাকার ভদ্রা নদী থেকে দুই জেলেকে অপহরণ করে। তারা হলেন মোংলার উলুকাটা চিলা এলাকার মাসুদ ইজারদার (২৮) ও ইমদাদুল ইজারদার (৩০)। শরণখোলা এলাকার কয়েকজন জেলে মহাজন বলেন, দুই দিনে ২১ জেলে অপহরণের ঘটনায় জেলে ও মৎস্য ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। অপহৃতদের দ্রুত উদ্ধার এবং সুন্দরবনে দস্যু দমনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দ্রুত পদক্ষেপ দাবি করেছেন তারা। সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) মো. শরিফুল ইসলাম জানন, বুববার বিকাল পর্যন্ত অপহৃত ২১ জেলের এখন কোনও সন্ধান পাওয়া যায়নি। কোস্টগার্ডসহ নৌপুলিশ উদ্ধার অভিযান চলছে। সুন্দরবনে অবস্থানরত জেলেদের রাতে দলবদ্ধভাবে এবং সংশ্লিষ্ট বন অফিসের সামনে থাকতে বলা হয়েছে। এছাড়া সুন্দরবনের সকল স্টেশন ও টহল ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও বনরক্ষীদের জেলেদের নিরাপত্তায় টহল বৃদ্ধির নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মাহাবুব হোসেন জানান, সরকারের নির্দেশনায় সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত করতে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে কোস্টগার্ড। তারই আলোকে অপহৃত ২১ জেলে উদ্ধারে অভিযান চলমান রয়েছে।  দস্যুদের অবস্থান শনাক্তে আধুনিক ড্রোন ব্যবহার করা হচ্ছে। একইসঙ্গে গোয়েন্দা নেটওয়ার্ক বাড়ানো হয়েছে। পাশিাপাশি নৌপথেও চিরুনি অভিযান চলছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে এসব জেলেদের উদ্ধার করা সম্ভব হবে বলে আশা করছি। আরটিভি/এসআর
সুন্দরবনে ড্রোন উড়িয়েও সন্ধান মেলেনি অপহৃত ২১ জেলের
পদ্মায় বাল্কহেডে মিলল ৩০৫ বোতল ভারতীয় মদ
শরীয়তপুরের নড়িয়ায় পদ্মা নদীতে অভিযান চালিয়ে ৩০৫ বোতল ভারতীয় ব্ল্যাক হুইস্কি জব্দ করেছে নৌপুলিশ। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি বাল্কহেড জব্দের পাশাপাশি এর চালক ও সহকারীকে আটক করা হয়েছে। শনিবার (৩ অক্টোবর) বিকেলে নড়িয়ার সুরেশ্বর লঞ্চঘাট-সংলগ্ন পদ্মা নদীতে অভিযান চালিয়ে এসব মাদক জব্দ করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বাল্কহেডে বিপুল পরিমাণ মদ পরিবহন করা হচ্ছে—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সুরেশ্বর নৌপুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা অভিযান চালান। এ সময় এমভি তাসলিমা নামের একটি বাল্কহেডে তল্লাশি চালিয়ে ৩০৫ বোতল ভারতীয় ব্ল্যাক হুইস্কি উদ্ধার করা হয়। অভিযানে বাল্কহেডটির চালক মো. রফিক (৫০) ও সহকারী মো. উজ্জল (২৯)-কে আটক করা হয়। তারা দুজনই পটুয়াখালী জেলার বাসিন্দা। পরে মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত বাল্কহেডটিও জব্দ করে নৌপুলিশ। সুরেশ্বর নৌপুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বাল্কহেড থেকে ৩০৫ বোতল ভারতীয় ব্ল্যাক হুইস্কি জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় বাল্কহেডের চালক ও সহকারীকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে। আরটিভি/টিআর
পদ্মায় বাল্কহেডে মিলল ৩০৫ বোতল ভারতীয় মদ
আরও পড়ুন
এ বছর হচ্ছে না স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি আনোয়ারুল
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেপ্তার
স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন ৩৮ হাজার পুলিশ
‘স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই’